বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১০ পি.এম
মাদারীপুরে সড়কে এক শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুলিশের পিকআপ ভ্যান উল্টে আবদুস সালাম (৩৮) নামে এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশের পাঁচ সদস্যসহ মোট নয়জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত চার পুলিশ কনস্টেবলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩টার দিকে সদর উপজেলার মঠেরবাজার এলাকায় আড়িয়াল খাঁ সেতু সংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আবদুস সালাম পুলিশের শিবচর ভদ্রাসন পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ভদ্রাসন পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) পরিদর্শক মো. মোজাম্মেল হক, পুলিশ কনস্টেবল সোহেল মাতুব্বর (৩৫), শামিম (৩৫) ও শরিফুল (৩২)। এ ছাড়া মারামারি মামলার চার আসামিও আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুতর চার পুলিশ সদস্যকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি মামলার আসামি গ্রেপ্তারের জন্য শিবচরের ভদ্রাসন পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের আইসিসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য একটি পিকআপ ভ্যানে করে মাদারীপুর শহরের ইটেরপুল এলাকায় যান। সেখানে মামলার আসামিদের আটক করার পর তাদের নিয়ে শিবচরের দিকে ফেরার পথে মঠেরবাজার এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ওই সময় সড়কের ওপর একটি শিশু চলে এলে তাকে বাঁচাতে গিয়ে পিকআপের চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। পরে পিকআপটি সড়কের পাশে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই কনস্টেবল আবদুস সালাম নিহত হন। আহত হন গাড়িতে থাকা অন্য পুলিশ সদস্য ও আসামিরা।
মাদারীপুর জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, আড়িয়াল খাঁ সেতু সংলগ্ন এলাকায় পুলিশের একটি গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পথচারী একটি শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে একজন পুলিশ কনস্টেবল নিহত এবং পুলিশের পাঁচ সদস্যসহ মোট নয়জন আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, অন্য কোনো গাড়ির সঙ্গে পুলিশের গাড়িটির সংঘর্ষ হয়েছিল কি না কিংবা দুর্ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নিহত কনস্টেবল আবদুস সালামের পরিবার ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাল জন্মসনদ তৈরি করে প্রাপ্তবয়স্ক ৪ আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন, আদালতের অর্ডার শিটের আদেশ কাটাকাটি ও নথি গায়েব করায় গাইবান্ধায় জেলা বারের আইনজীবী, গোবিন্দগঞ্জ কোর্টের সাবেক জিআরওসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ দিয়েছেন গাইবান্ধা শিশু আদালত-২-এর বিচারক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জিআরও আদেশ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার রাতে গোবিন্দগঞ্জ আদালতে এ আদেশ পৌঁছেছে বলে জানান তিনি।
আদালতের আদেশ অনুযায়ী, অভিযুক্ত অ্যাডভোকেট শেফাউল ইসলাম রিপন, জিআর মো. হাসান আলী এবং জিআর মো. আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভারতফেরত তরুণীকে আটকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর তিনটি মামলায় প্রাপ্তবয়স্ক চার আসামিকে শিশু দেখিয়ে জামিন করানোর অভিযোগ ওঠে জেলা বারের আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, আদালতের নথি গায়েব ও আদেশ কাটাকাটির অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে ।
আদালত সূত্র জানায়, এরপর শিশু আদালত চাঞ্চল্যকর এই বিষয়টির বিষয়টি তদন্তভার দেন গোবিন্দগঞ্জ আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম গালিব হাসানকে। তিনি গত ১৯ আগস্ট শিশু আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে মূল অভিযুক্ত আইনজীবী শেফাউল ইসলাম রিপনের সনদ বাতিল, তার মুহুরী হাসান আলীর নিবন্ধনপত্র বাতিল এবং দায়িত্বে অবহেলার কারণে গোবিন্দগঞ্জ চৌকি আদালতের তৎকালীন জিআরও পুলিশ সদস্য আব্দুস সবুরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে এমন ঘটনাকে দেশের সামগ্রিক বিচার বিভাগের জন্য কালো অধ্যায় বলে পর্যবেক্ষণ দেন আদালত। তদন্ত প্রতিবেদন প্রাপ্তির পর শিশু আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইফতেখার বিন আজিজ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বেঞ্চসহকারীকে বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলার নির্দেশ দেন।
এদিকে জেলা বার সূত্র জানায়, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে আলোচিত সাইবার হ্যাকার চক্রের প্রধান আসামি দুই সন্তানের জনক পলাশ রানাকে শিশু দেখিয়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধনের মাধ্যমে জামিন আদায়ের ঘটনায় জড়িত থাকা গাইবান্ধা জেলা অ্যাডভোকেট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. শেফাউল ইসলাম রিপনের সদস্যপদ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।
গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত জেলা বার অ্যাসোসিয়েশন গাইবান্ধার অ্যাডহক কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের আলোকে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। জেলা বারের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সেকেন্দার আজম আনাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সাংবাদিক নেতারা উল্লেখ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাংবাদিক সমাজ বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে। ২০১৯ সালে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত ‘নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ’ নানা আইনি ও প্রশাসনিক অজুহাতে অনেক সংবাদমাধ্যম আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা আরও বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেলে ব্যাপক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে; তবে গণমাধ্যমকর্মীদের বাদ রেখে কেবল সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা বাড়ালে সমাজে তীব্র বৈষম্য তৈরি হবে।
সমাবেশে বিএফইউজে মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা ও কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘সরকার যেভাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে, সেভাবে সাংবাদিকদের বেতনও বাড়িয়ে অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীরাও দিনযাপনের কষ্টে রয়েছেন। সরকার তার সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে, এতে তারা আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। তবে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন সাংবাদিকরা।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি তেল, সবজি, চাল, ডাল, আটা, রুটি, কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিএফইউজে মহাসচিব আরও জানান, সিনিয়র সাংবাদিকরা মারা যাচ্ছেন, কিন্তু হাসপাতালের বিলটাও দিতে পারেন না। গতকালও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, প্রায়দিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিনিয়র সাংবাদিকরা ৪০ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, তাদের গ্রামের বাড়িতে লাশ বহন করার অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়াটাও এখন জোগাড় করতে পারেন না। এত কষ্টের মধ্যেই বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আছেন। অথচ সবচেয়ে শ্রম বেশি ব্যয় করতে হয় সাংবাদিকদেরকে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকারের পরিচয় দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করুন।
কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, অতীতে সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি ছিল। সরকারি কর্মচারীরা নানা সুযোগ-সুবিধা পান, যা সাংবাদিকরা পান না। সরকারি কর্মচারীরা সাপ্তাহে দুই দিন ছুটি পান, সাংবাদিকরা ছুটি পান একদিন। এসব বিবেচনা করে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সব সময় সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে বেশি করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের সেই পথ অনুসরণ করে সরকার অবিলম্বে সাংবাদিকদের জন্য ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করবে।
তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, ১০ম ওয়েজ বোর্ড অবিলম্বে ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকদের কাছেও দাবি, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সাংবাদিক সমাজ আর বসে থাকবে না। অতীতের মতো রাজপথে নেমে এসে তাদের অধিকার আদায় করবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডিইউজে সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহসভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, ডিইউজের সহসভাপতি রফিক মুহাম্মদ ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নেতা মোদাব্বের হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, বাসস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি ভূঁইভোড় সাংবাদিক সংগঠনের নামে সিলেট জুড়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিক ধারি কথিত ফেসবুক লাইভাররা। সম্প্রতি ০১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (মঙ্গলবার) গোলাপগঞ্জস্থ সানরাইজ হল রুমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি সংগঠনের বিভিন্ন ফেসবুক লাইভারের মাধ্যমে কমিটি প্রকাশ করে থাকে যা গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন অনলাইন ও স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অবগত বা জড়িত নয়। ইতিপূর্বের গোলাপগঞ্জের দুটি প্রেসক্লাব গ্রুপের বিরোধ নিস্পত্তি হয়ে দুটি ক্লাব ঐক্য হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, হালনাগদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে একটি লাইভার চক্র তাদের হলুদ সাংবাদিকতা গোলাপগঞ্জে বলবত রাখতে এরা গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কমিটি ঘোষণা দিয়ে গোলাপগঞ্জ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে।
গোলাপগঞ্জের মূলধারার সাংবাদিকদের দাবি, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে গোলাপগঞ্জের একমাত্র মূল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তাদের অভিযোগ, মূল প্রেসক্লাবে স্থান না পেয়ে একটি পক্ষ নিজেদের মতো করে কমিটি ঘোষণা করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
মূলধারার সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন,ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, পেশাদার ও কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য,গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত কমিটি গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর কোনো কমিটি বা প্রচারণায় কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিগগিরই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল কমিটি গঠন করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ