বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২১ পি.এম
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড গঠন ও অন্তর্বর্তীকালীন মহার্ঘ ভাতা ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।
সাংবাদিক নেতারা উল্লেখ করেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও দৈনন্দিন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাংবাদিক সমাজ বর্তমানে তীব্র আর্থিক সংকটে ভুগছে। ২০১৯ সালে সাংবাদিকদের জন্য ঘোষিত ‘নবম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ’ নানা আইনি ও প্রশাসনিক অজুহাতে অনেক সংবাদমাধ্যম আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন করেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও সাংবাদিকদের জন্য নতুন ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়ন কমিটি গঠনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
তারা আরও বলেন, সরকারি কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি অনুমোদিত জাতীয় বেতন স্কেলে ব্যাপক বেতন বৃদ্ধি করা হয়েছে; তবে গণমাধ্যমকর্মীদের বাদ রেখে কেবল সরকারি কর্মচারীদের সুবিধা বাড়ালে সমাজে তীব্র বৈষম্য তৈরি হবে।
সমাবেশে বিএফইউজে মহাসচিব মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরী সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে দশম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা ও কার্যকর করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘সরকার যেভাবে সরকারি কর্মচারীদের বেতন ১০০ থেকে ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়েছে, সেভাবে সাংবাদিকদের বেতনও বাড়িয়ে অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, নিত্যপণ্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সরকারি কর্মচারীরাও দিনযাপনের কষ্টে রয়েছেন। সরকার তার সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাড়িয়েছে, এতে তারা আনন্দিত ও খুশি হয়েছেন। তবে বর্তমানে সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে রয়েছেন সাংবাদিকরা।
তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি তেল, সবজি, চাল, ডাল, আটা, রুটি, কাপড়সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বেড়ে যাওয়ায় সাংবাদিকরা যে বেতন পান, তা দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে টিকে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিএফইউজে মহাসচিব আরও জানান, সিনিয়র সাংবাদিকরা মারা যাচ্ছেন, কিন্তু হাসপাতালের বিলটাও দিতে পারেন না। গতকালও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে, প্রায়দিনই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সিনিয়র সাংবাদিকরা ৪০ বছর সাংবাদিকতা করেছেন, তাদের গ্রামের বাড়িতে লাশ বহন করার অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়াটাও এখন জোগাড় করতে পারেন না। এত কষ্টের মধ্যেই বাংলাদেশের সাংবাদিকরা আছেন। অথচ সবচেয়ে শ্রম বেশি ব্যয় করতে হয় সাংবাদিকদেরকে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি মানবিক সরকার এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত একটি গণতান্ত্রিক সরকার। একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকারের পরিচয় দেবে।
প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি তথ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, যুগের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সাংবাদিকদের জন্য অবিলম্বে ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করুন।
কাদের গনি চৌধুরী আরও বলেন, অতীতে সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে সাংবাদিকদের বেতন বেশি ছিল। সরকারি কর্মচারীরা নানা সুযোগ-সুবিধা পান, যা সাংবাদিকরা পান না। সরকারি কর্মচারীরা সাপ্তাহে দুই দিন ছুটি পান, সাংবাদিকরা ছুটি পান একদিন। এসব বিবেচনা করে সাংবাদিকদের বেতন স্কেল সব সময় সরকারি কর্মচারীদের চেয়ে বেশি করা হয়েছিল। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অতীতের সেই পথ অনুসরণ করে সরকার অবিলম্বে সাংবাদিকদের জন্য ১০ম ওয়েজ বোর্ড ঘোষণা করবে।
তিনি বলেন, সরকারের কাছে আমাদের দাবি হলো, ১০ম ওয়েজ বোর্ড অবিলম্বে ঘোষণা ও কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে মালিকদের কাছেও দাবি, ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে সাংবাদিক সমাজ আর বসে থাকবে না। অতীতের মতো রাজপথে নেমে এসে তাদের অধিকার আদায় করবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ডিইউজে সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি মুরসালিন নোমানী, বিএফইউজের সহসভাপতি মুহাম্মদ খায়রুল বাশার, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে এম মহসীন, ডিইউজের সহসভাপতি রফিক মুহাম্মদ ও রাশেদুল হক, বিএফইউজের নেতা মোদাব্বের হোসেন, জাতীয় প্রেস ক্লাব ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, বাসস এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেনসহ অনেকেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি ভূঁইভোড় সাংবাদিক সংগঠনের নামে সিলেট জুড়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে কিছু অসাধু হলুদ সাংবাদিক ধারি কথিত ফেসবুক লাইভাররা। সম্প্রতি ০১লা সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং (মঙ্গলবার) গোলাপগঞ্জস্থ সানরাইজ হল রুমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব নামের একটি সংগঠনের বিভিন্ন ফেসবুক লাইভারের মাধ্যমে কমিটি প্রকাশ করে থাকে যা গোলাপগঞ্জে বিভিন্ন অনলাইন ও স্থানীয় প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা অবগত বা জড়িত নয়। ইতিপূর্বের গোলাপগঞ্জের দুটি প্রেসক্লাব গ্রুপের বিরোধ নিস্পত্তি হয়ে দুটি ক্লাব ঐক্য হয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে, হালনাগদ ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এরই মধ্যে একটি লাইভার চক্র তাদের হলুদ সাংবাদিকতা গোলাপগঞ্জে বলবত রাখতে এরা গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব কমিটি ঘোষণা দিয়ে গোলাপগঞ্জ সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্তি ছাড়াচ্ছে।
গোলাপগঞ্জের মূলধারার সাংবাদিকদের দাবি, প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে গোলাপগঞ্জের একমাত্র মূল প্রেসক্লাবের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের লক্ষ্যে শিগগিরই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
তাদের অভিযোগ, মূল প্রেসক্লাবে স্থান না পেয়ে একটি পক্ষ নিজেদের মতো করে কমিটি ঘোষণা করে সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
মূলধারার সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়েছেন,ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, পেশাদার ও কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে একটি গ্রহণযোগ্য,গণতান্ত্রিক ও নির্বাচিত কমিটি গঠনই তাদের লক্ষ্য। এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর কোনো কমিটি বা প্রচারণায় কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
শিগগিরই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকৃত সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্বশীল কমিটি গঠন করা হবে, এমনটাই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি আম্পায়ার, কোচ, স্কোরার, ট্রেইনার, ফিজিও এবং ক্রিকেটের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্যদের বেতন, ভাতা ও পারিশ্রমিকের কাঠামো পর্যালোচনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
বিসিবির সভাপতি তামিম ইকবাল জানিয়েছেন, বোর্ডের লক্ষ্য নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিকে সুবিধা প্রদান করা নয়। বরং দেশের ক্রিকেটের সামগ্রিক অবকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
আজ কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তামিম বলেন, ‘এটি শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের বিষয় নয়, বরং সবার বিষয়েই নজর দেওয়া হচ্ছে। কর্মচারী, স্কোরার, আম্পায়ার, কোচ, ট্রেইনার বা ফিজিও, যারা ভালো কাজ করছে, তাদের পারিশ্রমিক ও বেতন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘খুব শিগগিরই তাদের জন্য একটি মানসম্মত বেতন কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।’
তামিম এই ধারণা বা গুঞ্জনকে নাকচ করে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) না থাকার ক্ষতি পুষিয়ে দিতে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বাড়ানো হচ্ছে।
তিনি জানান, ঘরোয়া ক্রিকেটের জন্য একটি শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তামিম বলেন, ‘যদি আমি শুধুমাত্র খেলোয়াড়দের খুশি করার জন্য এটি করতাম, তাহলে হয়তো এক বছরের জন্যই করতাম। তখন বলতাম যে, আমি এটি এক বছরের জন্য বাড়াচ্ছি এবং পরের বছর বিপিএল শুরু হলে সবকিছু আগের অবস্থায় ফিরে যাবে। কিন্তু আমরা দীর্ঘমেয়াদে কিছু করতে চেয়েছিলাম।’
তামিমের মতে, ঘরোয়া মৌসুমে নিয়মিত খেলা একজন ক্রিকেটার ক্লাব প্রতিযোগিতা, প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেট এবং প্রিমিয়ার লিগ মিলিয়ে বছরে ৩০ থেকে ৪০ লাখ টাকা আয় করতে সক্ষম।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নিয়মিত বিপিএল আয়োজন করা হলে সেটি ঘরোয়া ক্রিকেটারদের জন্য আয়ের বাড়তি সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।
তামিম বলেন, ‘জাতীয় দলের সুযোগের ওপর পুরোপুরি নির্ভর না করে ক্রিকেটাররা যাতে ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেই সম্মানজনক আয় করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বোর্ড একটি নতুন আর্থিক কাঠামো নিয়ে কাজ করছিল।'
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শৌচাগার ও সার্বিক পরিবেশের অপরিচ্ছন্নতা দেখে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং নিজেই তা পরিষ্কার করার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। পরিদর্শনের সময়, তিনি শৌচাগার বন্ধ থাকা, ফ্যান নষ্ট হওয়া এবং বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা দেখে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে যা এই ঘটনার প্রমাণ দেয়।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা শেষে রোগীদের সেবা কার্যক্রম পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এই সময়, হাসপাতালের শৌচাগার দেখে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শাহজাহানকে উদ্দেশ্য করে কৃষিমন্ত্রী পরিষ্কারের কথা বলেন। আমিন উর রশিদ ইয়াছিন ওই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি।
ভিডিওতে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, “হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব, যদি আমি পারি তাহলে আপনার (হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) কাছে জানতে চাইব, আপনি কেন পারলেন না।”
ভিডিওতে দেখা যায়, পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানের অপরিচ্ছন্নতা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি মন্তব্য করেন, “টাইলসের ওপর কালো দাগ থাকার কথা নয়। হারপিক ব্যবহার করলে এসব দাগ পরিষ্কার হয়ে যায়।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “বাথরুমগুলোর জঘন্য অবস্থা। সব ফ্লোরে দেখব বাথরুম আছে ছয়টা, এর মধ্যে পাঁচটি বন্ধ। অন্তত বাথরুমটা তো আপনারা ঠিক রাখবেন।” একপর্যায়ে তিনি বলেন, “আই ওয়ান্ট ক্লিন রাইট নাও।”
শুধু শৌচাগারের অপরিচ্ছন্নতা নয়, হাসপাতালের বৈদ্যুতিক পাখাগুলোর নাজুক অবস্থাও মন্ত্রীর নজরে আসে। দীর্ঘদিন ধরে নষ্ট থাকা পাখাগুলো দ্রুত মেরামতের জন্য হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালককে নির্দেশ দেন তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক শাহজাহান জানান, “গণপূর্ত বিভাগকে দ্রুত শৌচাগার মেরামত করার জন্য বলা হয়েছে। শৌচাগার পরিচ্ছন্নতায় ১১ জন সরকারি কর্মচারী ও ৬৩ জন আউটসোর্সিংয়ের কর্মচারী কাজ করেন। তারা পুরো হাসপাতাল পরিচ্ছন্নতায় নিয়োজিত। তাদেরকে কঠোরভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ