রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৯ এম
গাজীপুরে একটি সম্পূর্ণ রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ‘ডিজে পার্টি’ আয়োজনের আড়ালে মাদক সেবন ও রাতভর মাদক কেনাবেচার সংবাদ পেয়ে অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের সদস্যরা। শুক্রবার রাতে গাজীপুরের পূবাইল এলাকার ‘পূবাইল রিসোর্ট ক্লাবে’ এ অভিযানটি পরিচালিত হয়।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ‘সনিক প্লাস’ নামের ব্যানারে আয়োজিত ডিজে পার্টিতে ৬০০ জনের উপস্থিতি থাকার কথা ছিল। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কিশোর-কিশোরী ছিল।
মাদকদ্রব্য সরবরাহের তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও এসআরবির সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ অনুষ্ঠান আয়োজনে জড়িত চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছ থেকে কোকেন, কুশ মাদক এবং বিভিন্ন নেশাজাতীয় বড়ি উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (২৯), তুষার আহমেদ (৩২), মহিদুল ইসলাম (২৮) ও কাসফিয়া নিশাত (২৫)। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এই চারজন ডিজে পার্টির আয়োজক ছিলেন এবং তারা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের মাদক সরবরাহ করেন। পরবর্তীতে শনিবার তাদের বিরুদ্ধে জিএমপি পূবাইল থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বাদী হলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানাচ্ছে, সম্প্রতি ডিজে পার্টি ও অন্যান্য বিনোদনমূলক আয়োজনকে মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, এ ধরনের আয়োজনে একাধিক অভিযান চালিয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সিনথেটিক মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ঢাকা গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিচালক মেহেদী হাসান বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কিছু ক্ষেত্রে বিনোদনমূলক পার্টি, ডিজে ইভেন্ট ও ব্যক্তিগত আয়োজনকে মাদক সরবরাহ ও সেবনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এসব আয়োজনের প্রচার, অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং মাদক সরবরাহের সম্ভাব্য নেটওয়ার্কের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
গাজীপুরের ভাওয়াল রিসোর্টে গত এপ্রিল মাসে অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি অবৈধ মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছিল। গাজীপুর সদর উপজেলার নলজানি এলাকায় ওই রিসোর্টে একটি ডিজে পার্টি চলাকালীন জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করে।
রাতভর অভিযানে ৯টি এক্সটেসি, ৫ গ্রাম কুশ, ১৬৫ গ্রাম ক্যানাবিস চকলেট, ১০১টি বিয়ার ও ৩ বোতল ভদকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় জাহিদুল ইসলাম, ফয়জুল ইসলাম খান, ইফতিয়ার কাসেম, জিহাদ আহম্মেদ, রেদোয়ান হাসান চৌধুরী ও আবির হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এমদাদুল ইসলাম তখন জানিয়েছিলেন, ডিজে পার্টিতে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সরবরাহ করা হয়েছিল। জাহিদুল আলম ওই আয়োজনের জন্য রিসোর্টটি ভাড়া নিয়েছিলেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে কিশোর-কিশোরীদের কাছে টিকিট বিক্রি করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোপনীয় গ্রুপ খুলে যারা বিভিন্ন সময় এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের যুক্ত করা হয়। এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য জনপ্রতি ৬ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত টিকিটের দাম নেওয়া হয়।
কর্মকর্তারা আরও জানান, অনুষ্ঠান শুরুর পর আয়োজকদের নির্ধারিত মাদক সরবরাহকারীরা ভেতরে ঘুরে ঘুরে অংশগ্রহণকারীদের কাছে নানা ধরনের মাদকদ্রব্য বিক্রি করেন। সেখানে মাদক সেবনের সব ধরনের আয়োজন থাকে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ঢাকা, গাজীপুর ও কক্সবাজারের বড় বড় রিসোর্টে প্রতি মাসেই এ ধরনের ডিজে পার্টির আয়োজন করা হয়। একাধিক গ্রুপ এ আয়োজনের সঙ্গে জড়িত। জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
ডিজে পার্টির আড়ালে মাদক বিক্রির এ ধরনের আয়োজনের জন্য রিসোর্ট ভাড়া না দিতে গাজীপুরের রিসোর্টগুলোকে সর্তক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গাজীপুরের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, এ ধরনের আয়োজনের তথ্য পেয়ে গাজীপুরের সব রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে সর্তক করা হয়েছে যাতে এ ধরনের আয়োজনের জন্য তারা রিসোর্ট ভাড়া না দেয়। তিনি উল্লেখ করেন, যারা এ ধরনের আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারে অসুস্থ হয়ে মো. পরশ (৩৫) নামের একজন কয়েদির মৃত্যু ঘটেছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে কারাগারে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর কারারক্ষীরা তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারারক্ষী আতিয়ার সেখ জানিয়েছেন, কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর পরশকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকরা সেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, পরশ কেন্দ্রীয় কারাগারের কয়েদি ছিলেন। তার কয়েদি নম্বর ২১১/এ এবং বাবার নাম মো. লিয়াকত। তবে, তিনি কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, পরশের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হবে এবং ময়নাতদন্তের পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবার তৃতীয় বিভাগ ক্রিকেট বাছাইপর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। অনুষ্ঠান শেষে তিনি অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অধিনায়কদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
জুনিয়র ওয়ারিয়র্স ক্লাবের অধিনায়ক শাওন মিরাজকে প্রশ্ন করেন, "সবাই সাকিব আল হাসানের মতো হতে চায়, কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজ হতে হলে কী করতে হবে?"
এ প্রশ্নের জবাবে মিরাজ বলেন, "প্রত্যেক ক্রিকেটারের নিজস্ব পরিচয় ও প্রতিভা রয়েছে।" তিনি অন্য কারও মতো হওয়ার চেষ্টা না করে, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
মিরাজ আরও বলেন, "সাকিব তার নিজের জায়গায় অনন্য, তিনিও নিজের মতো।" তরুণ ক্রিকেটারদেরও নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "নিজের ওপর বিশ্বাস রেখে সঠিক মানসিকতা নিয়ে এগোতে পারলে কেউ তার চেয়েও ভালো ক্রিকেটার হতে পারে।" এজন্য কঠোর পরিশ্রমের পাশাপাশি মাঠে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে নিজের প্রতিভা প্রমাণ করার ওপর গুরুত্ব দেন এই অলরাউন্ডার।
ক্যারিয়ারের খারাপ সময় কীভাবে সামলাতে হবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে মিরাজ বলেন, "প্রত্যেক খেলোয়াড়ের জীবনেই ভালো ও খারাপ সময় আসে।" তিনি মানসিকভাবে শক্ত থাকা, নিজের ওপর বিশ্বাস রাখা এবং পরিশ্রম চালিয়ে যাওয়া জরুরি বলে উল্লেখ করেন। এসবের মাধ্যমে নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।
পাওয়ার প্লেতে বোলিংয়ের কৌশল নিয়েও কথা বলেন মিরাজ। তার মতে, "এ সময়ে ব্যাটাররা সাধারণত দ্রুত রান তুলতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে এবং মাঠে ফিল্ডারও কম থাকে।" ফলে বোলারের জন্য চ্যালেঞ্জ যেমন বেশি, তেমনি উইকেট নেওয়ার সুযোগও থাকে। তিনি বলেন, "উইকেট নেওয়ার অতিরিক্ত চেষ্টা করলে রান দেওয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই ডট বল করার দিকে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।"
ডেথ ওভারে বোলিংয়ের ক্ষেত্রে নিজের পরিকল্পনা সম্পর্কে পুরোপুরি পরিষ্কার থাকার ওপর জোর দেন মিরাজ। তার মতে, "কী করতে হবে তা নিয়ে দ্বিধায় থাকলে সাফল্য পাওয়া কঠিন।"
দলের বিপর্যয়ের সময় মানসিক দৃঢ়তা নিয়েও তরুণদের পরামর্শ দেন মিরাজ। তিনি জানান, "এমন পরিস্থিতিতে নিজের সঙ্গে কথা বলে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে।" নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রেখে সেই ইতিবাচক মানসিকতা দলের অন্য খেলোয়াড়দের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান জাতীয় দলের এই ক্রিকেটার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার একটি মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে পাঁচ ছাত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কাশিপুর হাজীপাড়া এলাকার মালেহা মহিলা মাদ্রাসায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।
দগ্ধ ছাত্রীরা হলেন—জিদনী (১৪), লামিয়া (১৩), সুমাইয়া (১৩), আসিয়া (১২) ও আতিয়া (১১)। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দগ্ধ পাঁচ ছাত্রীর জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে।
রাত ১২টার দিকে হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, জিদনীর শরীরের ৮২ শতাংশ, লামিয়ার ৫৫ শতাংশ এবং আতিয়ার ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই তিন ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে, সুমাইয়া ও আসিয়ার মধ্যে একজনের শরীরের ১৩ শতাংশ এবং অপরজনের ৭ শতাংশ পুড়ে গেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বিকেলে কয়েকজন শিশু মাদ্রাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে এসে আহত হন। পরে তাদের রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রোববার সকালে দগ্ধ ছাত্রীদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হাদিস অনুযায়ী, নামাজই মুমিন ও অমুসলিমের মধ্যে প্রধান পার্থক্য নির্দেশ করে। এটি মানুষকে সর্বপ্রকার পাপ ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে এবং আত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ করে। তাই দৈনন্দিন কর্মব্যস্ততার মধ্যেও যথাসময়ে নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলিমের ওপর অপরিহার্য দায়িত্ব।
রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সাল, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বাংলা, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪৮ হিজরি। ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো-
ফজর- ভোর ৪:৩৫ মিনিট
জোহর- দুপুর ১১:৫৩ মিনিট
আসর- দুপুর ৪:০৯ মিনিট
মাগরিব- সন্ধ্যা ৫:৫৩ মিনিট
এশা- রাত ৭:০৬ মিনিট
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ