ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইতিহাসে কখনো যা হয়নি, সে রেকর্ড গড়ল ভারত


ইতিহাসে কখনো যা হয়নি, সে রেকর্ড গড়ল ভারত

আজ এশিয়ান গেমসের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। সেখানে ভারত নিজেদের দাপট দেখিয়ে মাঠে আধিপত্য বিস্তার করেছে। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট হারিয়ে ২১১ রান সংগ্রহ করে। এই রান গড়ে তুলেছে এমন একটি রেকর্ড, যা এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে আগে কখনো হয়নি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ভারত। বৈভব সূর্যবংশী শুরুতে আলো ছড়াতে পারেননি এবং ৯ বলে ১৫ রান করে আউট হন। সাইম আইয়ুবের বলে তিনি উসমান খানের হাতে ক্যাচ দেন। তখন দলের রান ছিল ২৮। এরপর সঞ্জু স্যামসনও ৪ বলে ২ রান করে ফিরে যান। আহমেদ দানিয়ালের বলে তার ক্যাচ ধরেন আরাফাত মিনহাস। ফলে ৫১ রানে ভারত দুই উইকেট হারায়।

এরপর অভিষেক শর্মা দলের হাল ধরেন। তার ২৮ বলে ৬১ রানের ইনিংসে ভারতের ইনিংসে প্রাণ ফিরে আসে। তবে ৯৩ রানে তার বিদায় ঘটে। তার পরের ওভারে দলের রানের গতি কিছুটা কমে যায়। অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি, ২৪ বলে ২১ রান করে আউট হন। ইশান কিশানের ইনিংসও তথৈবচ, তিনি ১৮ বলে ২০ রান করেন। ১৪ ওভারের শেষে ভারতের রান ছিল ১৩৩।

আরও পড়ুন: নেইমারের মন্তব্যে হতাশ বার্সেলোনা সমর্থকরা, সান্তোসে ফিরে গেছেন তিনি

এরপর দলের চেহারা বদলে যায়। তিলক ভার্মা ২২ বলে অপরাজিত ৫১ রান করেন। শিভম দুবেও ১৫ বলে ২৭ রান করেন। শেষ পাঁচ ওভারে ভারত ৭৪ রান তোলে, এ সময় তারা মাত্র একটি উইকেট হারায়।

এভাবে ভারত ২১১ রানের বিশাল পুঁজি গড়ে তোলে। এই রান গড়ে তারা এশিয়ান গেমসের ফাইনালে সর্বোচ্চ রান করার রেকর্ড ভেঙে দেয়। ২০২৩ এশিয়ান গেমসের ফাইনালে আফগানিস্তান ১১২ রান করেছিল, সেটি তারা ইনিংসের মাঝপথেই ভেঙে দেয়।

এছাড়া ভারত প্রথম দল হিসেবে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে ২০০ রান করার রেকর্ড গড়ে। এখন দেখার বিষয়, পাকিস্তান এই রেকর্ড ভাঙতে পারে কি না।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

আরও পড়ুন: ইয়ামাল না জিতলে বার্সা ব্যালন ডি অর বর্জন করতে পারে

ভারত ২০ ওভারে ২১১/৬ (অভিষেক ৬১, তিলক ৫১*, দুবে ২৭, আইয়ার ২১, কিশান ২০; আরাফাত ২/২৫, দানিয়াল ২/৪৩, আবরার ১/২৯, সাইম ১/৪৭)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন রাজাপুরে"র কৃতি সন্তান সেলিম রেজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​কাঠালিয়া সংবাদদাতা

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন রাজাপুরে"র কৃতি সন্তান সেলিম রেজা

মাতৃভূমির টানে প্রবাসে থেকেও দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এক অনন্য আত্মত্যাগ ও আপসহীন লড়াইয়ের মো. হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা। সাবেক এই তুখোড় ছাত্রনেতা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ব্যক্তিগত জীবনের চরম বেদনা ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েও বিএনপির আদর্শ থেকে একচুলও সরে দাঁড়াননি. রাজাপুর উপজেলার এই কৃতি সন্তান।

যুক্তরাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে অগ্রণী ভূমিকা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটন ডিসি সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিটি ফ্যাসিবাদবিরোধী ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বিক্ষোভে তিনি সম্মুখসারিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

তারেক রহমানের ৩১ দফা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষণা অনুযায়ী রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা রূপরেখা সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে তিনি নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনীতির জন্য চরম ত্যাগের এক করুণ ইতিহাস
বিএনপির রাজনীতি ও দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণে তাঁকে ব্যক্তিগত জীবনে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও মামলার বেড়াজালের কারণে তিনি স্বৈরাচারী আমলে দীর্ঘকাল দেশে ফিরতে পারেননি। এমনকি প্রবাসে রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে মমতাময়ী মায়ের শেষ সময়ে তাঁর পাশে থাকতে পারেননি এবং মায়ের মৃত্যুর আগে শেষবারের মতো জননীকে শেষ দেখা দেখতে পারেননি—যা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় বেদনাদায়ক ও হৃদয়বিদারক অধ্যায়। দেশের টানে ও দলের টানে পরিবারের সান্নিধ্য ত্যাগ করে তাঁর এই রাজনৈতিক বলিদান রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ঝালকাঠির কাঠালিয়া ও রাজাপুর উপজেলার মানুষের সুখে-দুঃখে তিনি সবসময় ছায়ার মতো পাশে থাকেন। স্থানীয় বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি যেকোনো বিপদে-আপদে তিনি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন পরিচ্ছন্ন ইমেজ ও কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে পরিচিত।

নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর প্রত্যাশা: সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চাই কাঠালিয়া-রাজাপুরের গণমানুষের নেতাকে

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রাজ্ঞ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমূলক কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে সরকারের বা দলের গুরুত্বপূর্ণ কোনো দায়িত্বশীল পদে দেখতে পেলে এ অঞ্চলের উন্নয়ন এবং দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও বহুগুণ সুদৃঢ় হবে। ঝালকাঠি-১ আসন থেকে বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে ছিলেন।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও গণমানুষের নেতা হিসেবে মোঃ হাবিবুর রহমান সেলিম রেজার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও ত্যাগের মানসিকতা আগামী দিনে এলাকার উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজ দেশের বাজারে এশীয় গাড়ি নির্মাতাদের কাছে পিছিয়ে পড়ছে মার্কিন কোম্পানিগুলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


নিজ দেশের বাজারে এশীয় গাড়ি নির্মাতাদের কাছে পিছিয়ে পড়ছে মার্কিন কোম্পানিগুলো

ঢাকা, ৩ অক্টোবর, ২০২৬ : যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির বাজারে দেশীয় বড় নির্মাতাদের বাজার অংশীদারিত্ব আরও কমে যাচ্ছে। মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য এশিয়ার গাড়ি নির্মাতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা increasingly কঠিন হয়ে পড়ছে।

এদিকে, চীনা গাড়ি নির্মাতারা যদি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের সুযোগ পান, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা গাড়ির প্রবেশের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন।

কক্স অটোমোটিভের জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ চার্লি চেসব্রো মন্তব্য করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির বাজারে বিক্রি বাড়ানোর যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তার মূল কারণ হচ্ছে এশিয়ার গাড়ি নির্মাতাদের কার্যক্রম।

তিনি জানান, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে নতুন গাড়ি বিক্রির অর্ধেকেরও বেশি এশীয় ব্র্যান্ডের হতে পারে। টানা দ্বিতীয় প্রান্তিকেও এশীয় কোম্পানিগুলোর বাজার অংশীদারিত্ব প্রায় রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে।

অন্যদিকে, ডেট্রয়েটের ঐতিহ্যবাহী তিন বড় মার্কিন গাড়ি নির্মাতা— জেনারেল মোটরস (জিএম), ফোর্ড ও এফসিএ স্টেলান্টিস—এর সম্মিলিত বাজার অংশীদারিত্ব কমে ৩৬ শতাংশের কিছু বেশি হতে পারে। এটি রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়।

চেসব্রোর মতে, এর একটি বড় কারণ হলো হাইব্রিড গাড়িতে এশীয় কোম্পানিগুলোর উল্লেখযোগ্য সুবিধা। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানির দাম ওঠানামা করায় আরও বেশি ভোক্তা হাইব্রিড গাড়ির দিকে ঝুঁকছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে মোট গাড়ি বিক্রির হিসাবে এখনো জেনারেল মোটরস (জিএম) শীর্ষে রয়েছে। তবে জাপানের টয়োটা দ্রুত তাদের কাছাকাছি চলে আসছে।

কক্স অটোমোটিভের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ির বাজারে জিএমের অংশীদারিত্ব ছিল ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে তা কমে ১৬ দশমিক ৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

অন্যদিকে, টয়োটার বাজার অংশীদারিত্ব একই সময়ে ১৫ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ১৫ দশমিক ৬ শতাংশে পৌঁছেছে।

তৃতীয় প্রান্তিকে জিএমের গাড়ি বিক্রি ৫ দশমিক ৫ শতাংশ কমে ৬ লাখ ৭০ হাজার ৯৭৪টি হয়েছে। বিপরীতে টয়োটার বিক্রি ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬ লাখ ৩৩ হাজার ২২৩টি হয়েছে।

একই ধরনের চিত্র দেখা যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ড ও দক্ষিণ কোরিয়ার হুন্দাই-কিয়ার মধ্যে প্রতিযোগিতায়। বিক্রয় ও বাজার অংশীদারিত্ব—দুই ক্ষেত্রেই ফোর্ড পিছিয়েছে আর হুন্দাই-কিয়ার অবস্থান শক্ত হয়েছে।

কক্স অটোমোটিভ একসময় পূর্বাভাস দিয়েছিল, ফোর্ড শিগগিরই চতুর্থ অবস্থানে নেমে যেতে পারে। তবে হুন্দাই-কিয়ার বিক্রি পূর্বাভাস অনুযায়ী না বাড়ায় ফোর্ড এখনও তৃতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে।

এফসিএ ইউএস বর্তমানে জাপানের হোন্ডার পেছনে ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে।

এফসিএ ইউএসের যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রয় বিভাগের প্রধান মাইকেল অরেঞ্জ শুক্রবার জানিয়েছেন, কোম্পানিগুলো অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ একটি বাজার পরিস্থিতির মধ্যে ব্যবসা করছে।

তবে সামনে পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে।

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সড়কে চীনা গাড়ি চলাচলের বিষয়ে তিনি আপত্তি করবেন না, তবে শর্ত হলো—চীনা গাড়ি নির্মাতাদের যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা স্থাপন করতে হবে এবং সেখানে মার্কিন কর্মীদের নিয়োগ দিতে হবে।

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং হোয়াইট হাউসে সফরে যাওয়ার আগে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটি ছিল সির প্রথম হোয়াইট হাউস সফর।

ট্রাম্পের বক্তব্যের পর গাড়ি নির্মাতা, যন্ত্রাংশ উৎপাদক ও ডিলারদের প্রতিনিধিত্বকারী বিভিন্ন লবিং সংগঠন দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায়।

তারা ট্রাম্পকে চিঠি দিয়ে চীনা গাড়ি নির্মাতাদের যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি বিক্রি, আমদানি বা উৎপাদনের সুযোগ না দেওয়ার আহ্বান জানায়।

চিঠিতে স্বাক্ষরকারী সংগঠনগুলোর মধ্যে ছিল আমেরিকান অটো পলিসি কাউন্সিল, যা জিএম, ফোর্ড ও স্টেলান্টিসকে প্রতিনিধিত্ব করে।

এছাড়া অটো ড্রাইভস আমেরিকাও এতে ছিল, যারা যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা থাকা জাপান, জার্মানি ও অন্যান্য দেশের গাড়ি নির্মাতাদের প্রতিনিধিত্ব করে।

মোবিলিটি গ্লোবালের বিশেষজ্ঞ পিটার নাগল সম্প্রতি অনুমান করেছেন, চীনের বিওয়াইডি, জিলি ও এসএআইসি-এর মতো কোম্পানি ২০৩৮ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে সর্বোচ্চ ১৭ লাখ গাড়ি বিক্রি করতে পারে।

এটি দেশটির মোট গাড়ির বাজারের প্রায় ১১ শতাংশ হতে পারে বলে ব্লুমবার্গের বরাতে তিনি জানান।

যুক্তরাষ্ট্রে চীনা গাড়ি আমদানি পুরোপুরি নিষিদ্ধ নয়। তবে বিভিন্ন দেশের আরোপ করা কঠোর শুল্ক ও অতিরিক্ত আমদানি করের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা গাড়ি বিক্রি করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে।

শিল্প বিশ্লেষকদের মতে, এসব শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে কম দামের চীনা গাড়ির বড় ধরনের প্রবেশ ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে। ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় চীনা গাড়ির প্রবেশের যে প্রবণতা দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র সেটি এড়াতে চাইছে।

গত মাসে অ্যালায়েন্স ফর অটোমোটিভ ইনোভেশন— যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা করা সব বড় গাড়ি নির্মাতা রয়েছে—কংগ্রেসের নেতাদের কাছে চীনা গাড়ির ওপর ‘স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের আহ্বান জানায়।

তাদের প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে চীনা গাড়ির বিক্রি, আমদানি ও উৎপাদন—সবই পড়বে।

জোটটির প্রেসিডেন্ট জন বোজেলা জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি তুলে ধরে এই দাবি করেন।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী গাড়ি উৎপাদন খাতে চীনের আধিপত্য বিস্তারের কৌশল ঠেকানো প্রয়োজন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, চীনা গাড়ি নির্মাতারা ভর্তুকিপ্রাপ্ত গাড়ি বাজারে ছাড়ছে এবং এসব গাড়ির সংযুক্ত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ব্যবহার করে সংবেদনশীল গাড়ি ও ভোক্তা-তথ্য সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কাছে পাঠানো সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মজার উদাহরণ দিয়ে গুজব নিয়ে কথা বললেন শেহনাজ গিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


মজার উদাহরণ দিয়ে গুজব নিয়ে কথা বললেন শেহনাজ গিল

বলিউড মডেল-অভিনেত্রী ও গায়িকা শেহনাজ গিল মূলত রিয়েলিটি শো বিগ বস ১৩-এ অংশগ্রহণের পর ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। অভিনয়ের পাশাপাশি, সামাজিক মাধ্যমে ব্যক্তিজীবন ও মন্তব্যের মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে বিভিন্ন গুঞ্জন সৃষ্টি করেন। সম্পর্কের গুজব, ট্রল, ভুল ব্যাখ্যা এবং কথার সামান্য এদিক–সেদিকও খবরের শিরোনাম হয়ে যায়। তবে এসব নিয়ে তিনি খুব একটা বিচলিত নন। বরং, নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় বিষয়গুলো মোকাবিলা করেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি, এক সাক্ষাৎকারে শেহনাজ গিলকে নিয়ে নানা গুজব ও নেতিবাচক খবর সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, "যারা তাকে নিয়ে এমন খবর করেন, তাদের উদ্দেশ্য আমি বুঝতে পারি— ভিউ কামানো। ভালো খবর দিয়ে যদি কারও তেমন লাভ না হয়, তাহলে নেতিবাচক বা চমকপ্রদ শিরোনাম দিয়েই হয়তো পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয়।"

তিনি আরও বলেন, "তারা ভিউ চান। খারাপ শিরোনাম না দিলে খবরই বা কীভাবে বিক্রি হবে? আমি যদি কথার মধ্যে কোনো ভুল করে ফেলি, আর সেটাই শিরোনাম হয়ে যায়, তখন আমি শুধু প্রার্থনা করি— আমার কারণে বেচারাদের যেন কিছু ভিউ হয়। এত ভালো কথা বলে তো আমার কোনো লাভ হয়নি, অন্তত কারও একটা উপকার হোক।"

এত অভিযোগের জবাব দেওয়ার বদলে, রসিকতা করেই বিষয়টি উড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে শেহনাজ গিলের। কারণ, তিনি মনে করেন, এই হাস্যরস তার ব্যক্তিত্বের অংশ। এই স্বাভাবিকতা সম্ভবত তার জনপরিচিতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তারকাদের অনেকেই ক্যামেরার সামনে নির্দিষ্ট ভাবমূর্তি ধরে রাখার চেষ্টা করেন, কিন্তু শেহনাজ বরং স্বতঃস্ফূর্ত থাকার চেষ্টা করেন। তিনি জানান, "খ্যাতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের প্রত্যাশাও বাড়ে। কখন কী বলা উচিত, কীভাবে হাঁটতে হবে, সংবাদমাধ্যমের সামনে কীভাবে আচরণ করতে হবে— এসব নিয়ে আমাকে পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অন্যের নির্দেশে নিজেকে বদলাতে রাজি হয়নি।"

শেহনাজ গিল বলেন, "আমি কখনো কাউকে আমাকে প্রভাবিত করতে দিইনি— কীভাবে কথা বলব, হাঁটব বা সংবাদমাধ্যমের সামনে কীভাবে আচরণ করব। আমাকে অনেক কিছু বলা হয়েছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, তুমি যা, সেটাই থাকো। নিজেকে সত্যি করে তুলে ধরতে পারলে মানুষ তোমাকে গ্রহণ করবে।"

নিজের স্বভাবের প্রতি আস্থার ফল হিসেবে, শেহনাজ গিল একটি মজার উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "বিমানবন্দরে একদিন দুজন আলাদা ব্যক্তি একই কথা বলেছিলেন আমাকে। তারা দুজনই বলেছিলেন— তারা শেহনাজ ও অভিনেত্রী শ্রদ্ধা কাপুরের সঙ্গে দেখা করতে চান। আমি কাকতালীয় ভেবেছিলাম। কিন্তু বিষয়টি তা নয়। আমি জানতে চাই, কেন তাদের সঙ্গে শ্রদ্ধার নাম নেওয়া হচ্ছে?"

তিনি উল্লেখ করেন, "তারা বললেন— ‘আপনি যেমন, ঠিক তেমনই থাকেন। আপনি নিজের ভাষাকে ভালোবাসেন, তিনিও (শ্রদ্ধা) তেমন।’ তখন আমার মনে হলো— দুজন মানুষ যদি এভাবে ভাবেন, তাহলে আরও কত মানুষ হয়তো একইভাবে ভাবেন।"

শেহনাজের কাছে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি অবশ্য জনপ্রিয়তা নয়। তার কাছে বিশেষ হয়ে ওঠে তখনই, যখন কেউ তার জীবনযাত্রা বা ক্যারিয়ারের সঙ্গে নিজের জীবনের মিল খুঁজে পান।

তিনি বলেন, "মানুষ যখন আমাকে বলে যে তারা আমার যাত্রা থেকে অনুপ্রেরণা পায়, আমার সঙ্গে নিজেদের মিল খুঁজে পায়, তখন খুব বিশেষ লাগে।"

শেহনাজ গিল বলেন, "আমি এত ভালোবাসা পেয়েছি যে কখনো কখনো আমার নিজেরও মনে হয়, নিশ্চয়ই আমি কিছু একটা ঠিক করেছি।"

পাঞ্জাবি গণমাধ্যমের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে শেহনাজ বলেন, "পাঞ্জাবি গণমাধ্যমও একসময় আমার সঙ্গে খুব স্বাভাবিকভাবে আচরণ করত। জানি না কী বদলে গেল। এখন সেখানকার সবাই এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, তারা আমাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবেন। কারণ আমি তাদের হৃদয় জয় করেছি।"

তিনি বলেন, "হিন্দি গণমাধ্যমও আমাকে ভালোবাসে, তবে তাদের সঙ্গে আমার যে সম্পর্ক, সেটার অনুভূতি একটু আলাদা।"

উল্লেখ্য, অভিনেত্রী শেহনাজ গিল একসময় রিয়েলিটি শোর মাধ্যমে পরিচিতি পান। বর্তমানে তিনি অভিনয়েও নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন। হিন্দি ও পাঞ্জাবি বিনোদনজগতে কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে তার বড় অনুসারী রয়েছে। তার সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত পাঞ্জাবি সিনেমা ‘সিং বনাম কৌর ২’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অজয়ের ‘দৃশ্যম ৩’ প্রথম দিনেই আয় ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শনিবার, ৩ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


অজয়ের ‘দৃশ্যম ৩’ প্রথম দিনেই আয় ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি

গান্ধীজয়ন্তীর ছুটির দিন, ২ অক্টোবর মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনে ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় করেছে অজয় দেবগন অভিনীত ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। ছবিটি বক্স অফিসে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ভারতে ছবিটির নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮০ কোটি ১০ লাখ রুপি। বিদেশের বাজার থেকে এসেছে আরো ১৫ কোটি রুপি।

এইভাবে, অজয় দেবগনের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনী আয় করা সিনেমা হিসেবে ‘দৃশ্যম ৩’ জায়গা করে নিয়েছে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে এটি অন্যতম বড় হিন্দি সিনেমার উদ্বোধনী ব্যবসা।

প্রথম দিনেই ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিট আয় করে অজয়ের পূর্ববর্তী সব বড় ওপেনিংকে পেছনে ফেলেছে ‘দৃশ্যম ৩’। এতদিন অভিনেতার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড ছিল ২০২৪ সালের ‘সিংহাম এগেইন’-এর দখলে। রোহিত শেঠি পরিচালিত সিনেমাটি প্রথম দিনে ভারতে আয় করেছিল প্রায় ৪৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি।

অজয়ের অন্যান্য বড় ওপেনিংগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সিংহাম রিটার্নস’ ৩২ কোটি ১০ লাখ, ‘গোলমাল এগেইন’ ৩০ কোটি ১৫ লাখ এবং ‘রেইড ২’ ১৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ, আগের রেকর্ড শুধু ভাঙেনি ‘দৃশ্যম ৩’, বরং বড় ব্যবধানও তৈরি করেছে।

অজয়ের ব্যক্তিগত রেকর্ড ছাড়িয়ে সিনেমাটি হিন্দি সিনেমার বড় উদ্বোধনের তালিকাতেও জায়গা করে নিয়েছে। প্রথম দিনের ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি আয় দিয়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ এবং রণবীর কাপুরের ‘অ্যানিমেল’-এর উদ্বোধনী আয়কে পেছনে ফেলেছে ছবিটি। ‘পাঠান’ প্রথম দিনে আয় করেছিল ৫৭ কোটি রুপি। অন্যদিকে ‘অ্যানিমেল’-এর আয় ছিল প্রায় ৬৩ কোটি রুপি।

তবে, হিন্দি সিনেমার সর্বকালের সবচেয়ে বড় উদ্বোধনের রেকর্ড এখনো ‘ধুরন্ধর’ ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমাগুলোর দখলে। তাই ‘দৃশ্যম ৩’কে বলিউডের সর্বকালের সবচেয়ে বড় ওপেনার বলা যাচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক হিন্দি সিনেমাগুলোর মধ্যে এর উদ্বোধন যে বড়, তা স্পষ্ট।

‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের ব্যবসার আভাস মুক্তির আগেই পাওয়া গিয়েছিল। ২৭ সেপ্টেম্বর শুরু হয় সিনেমাটির অগ্রিম টিকিট বিক্রি। মুক্তির আগেই শুধু অগ্রিম বুকিং থেকে আয় ৫০ কোটি রুপি ছাড়িয়ে যায়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ লাখের বেশি টিকিট আগাম বিক্রি হয়েছিল।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছিল, অগ্রিম বুকিংয়ের গতি দেখে প্রথম দিনেই ৫০ কোটি রুপি আয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের উপস্থিতি সেই প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে যায়।

প্রথম দিনে ভারতে সিনেমাটির ১৫ হাজার ৭৫৯টির বেশি শো হয়েছে। সকালে আসন পূর্ণতার হার ছিল ৪৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। দুপুরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭০ দশমিক ১৫ শতাংশে। সন্ধ্যায় ৭৫ দশমিক ৩১ এবং রাতে ৭৬ দশমিক ৪৬ শতাংশে পৌঁছায়। পুরো দিনের গড় আসন পূর্ণতার হার ছিল ৬৭ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।

মুক্তির আগে বাণিজ্য বিশ্লেষকদের অনেকেই ধারণা করেছিলেন, প্রথম দিনে ‘দৃশ্যম ৩’ ২৫ থেকে ৩০ কোটি রুপি আয় করতে পারে। কিন্তু অগ্রিম বুকিংয়ের গতি সেই হিসাব বদলে দেয়।

শেষ পর্যন্ত ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিট আয় করে সিনেমাটি পূর্বাভাসের দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবসা করেছে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় অনেক ভালো শুরু পেয়েছে সিনেমাটি। এই সাফল্যের পেছনে শুধু অজয় দেবগনের তারকা-ক্ষমতা নয়, বড় ভূমিকা রেখেছে ‘দৃশ্যম’ ব্র্যান্ডও। প্রথম দুই কিস্তির জনপ্রিয়তা তৃতীয় ছবির জন্য দর্শকের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছিল।

২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম ‘দৃশ্যম’ প্রথম দিনে আয় করেছিল মাত্র ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি। পরে দর্শকের মুখে মুখে সিনেমাটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশ্বব্যাপী ছবিটির আয় দাঁড়ায় প্রায় ১১০ কোটি রুপি। এরপর ২০২২ সালে মুক্তি পায় ‘দৃশ্যম ২’। প্রথম দিনে ছবিটির আয় ছিল ১৫ কোটি ৩৮ লাখ রুপি। শেষ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি প্রায় ৩৪২ কোটি রুপি আয় করে।

এবার তৃতীয় কিস্তির প্রথম দিনের নিট আয় ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম কিস্তির উদ্বোধনী আয়ের তুলনায় ‘দৃশ্যম ৩’-এর প্রথম দিনের আয় ১১ গুণেরও বেশি। দ্বিতীয় কিস্তির তুলনায় তা চার গুণেরও বেশি। এক দশকে একটি সিনেমা সিরিজ কীভাবে বড় ফ্র্যাঞ্চাইজিতে পরিণত হতে পারে, এই পরিসংখ্যান তারই প্রমাণ।

অভিষেক পাঠক পরিচালিত ‘দৃশ্যম ৩’-এ অজয় দেবগনের সঙ্গে সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন শ্রিয়া শরণ, ইশিতা দত্ত, মৃণাল যাদব, জয়দীপ আহলাওয়াত, তাবু ও প্রকাশ রাজ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%