ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম


চীনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে উন্নত ভবিষ্যৎ গড়তে বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বৈশ্বিক সুশাসনকে আরও উন্নত করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পক্ষের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে চীন তিন দিনব্যাপী প্রথম বৈশ্বিক সুশাসন ফোরামের আয়োজন করেছে। এটি বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগ (জিজিআই) প্রস্তাব করার এক বছর পর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

শিওংআন থেকে সিনহুয়া জানায়, শুক্রবার চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হেবেই প্রদেশের শিওংআন নিউ এরিয়ায় ‘২০২৬ বৈশ্বিক সুশাসন ফোরাম (শিওংআন)’ উদ্বোধন করা হয়।

চাইনিজ পিপলস ইনস্টিটিউট অব ফরেন অ্যাফেয়ার্সের উদ্যোগে আয়োজিত এই ফোরামের মূল প্রতিপাদ্য হলো--‘আস্থা ও সহযোগিতা পুনর্গঠন : পরিবর্তনশীল বিশ্বে বৈশ্বিক সুশাসনের সংস্কার ও উন্নয়ন’।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

ফোরামে পাঠানো এক বার্তায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, বিশ্ব এমন একটি দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে যা এক শতাব্দীতে দেখা যায়নি। শান্তি, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও সুশাসনের ঘাটতি কমার পরিবর্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘আরও ন্যায়সংগত ও ন্যায্য বৈশ্বিক সুশাসনব্যবস্থা এবং একটি উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমি বৈশ্বিক সুশাসন উদ্যোগ (জিজিআই) প্রস্তাব করেছি।’

শি জিনপিং বলেন, ব্যাপক পরামর্শ, যৌথ অবদান ও অভিন্ন সুফলের ভিত্তিতে বৈশ্বিক সুশাসনের ধারণা এগিয়ে নিতে চীন সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। তিনি আস্থা গড়ে তুলে সম্মিলিত শক্তি বাড়ানো এবং সহযোগিতার মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, অস্থিরতা ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাওয়া বিশ্বে আরও বেশি নিশ্চয়তা ও ইতিবাচক শক্তি সঞ্চার করতে জিজিআই বাস্তবায়নে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। একই সঙ্গে মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

তুরস্কের আঙ্কারাভিত্তিক সেন্টার ফর এশিয়া-প্যাসিফিক স্টাডিজের পরিচালক সেলচুক চোলাকোগলু বলেন, ফোরামটি বৈশ্বিক সুশাসন বিষয়ে চীনের দৃষ্টিভঙ্গির অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের একটি সুযোগ তৈরি করেছে।

তিনি বলেন, ‘এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—সব দেশকে একসঙ্গে আলোচনা, বিশ্ব গঠন এবং সেই অর্জনের সুফল ভাগ করে নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো।’

জাতিসংঘসহ ৯০টিরও বেশি দেশ এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার প্রায় ৪০০ প্রতিনিধি ফোরামে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কৌশলগত, রাজনৈতিক, শিক্ষাবিষয়ক, ব্যবসায়িক, গণমাধ্যম ও তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা রয়েছেন।

নেপালের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিদ্যা দেবী ভান্ডারি বলেন, জিজিআই সার্বভৌম সমতা, আন্তর্জাতিক আইনের শাসন, বহুপক্ষীয়তা, জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং বাস্তব ফলাফলের ওপর গুরুত্ব দেয়। এর মাধ্যমে সব পক্ষের জন্য বৈশ্বিক সুশাসনব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সংলাপে আরও সক্রিয়ভাবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন

তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব অর্থনৈতিক বৈষম্য, দারিদ্র্য, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার মতো গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। অন্যদিকে, ক্রমবর্ধমান সংরক্ষণবাদ ও একতরফা নীতি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে আরও জটিল করে তুলছে।

ভান্ডারি বলেন, কোনো একক দেশের পক্ষে এসব অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। এ জন্য সব দেশের মধ্যে সংলাপ, জোরদার সহযোগিতা ও যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন।

কিরগিজস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুমার্ট ওতোরবায়েভ বলেন, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলো জিজিআইকে সমর্থন করে। তারা আধিপত্য বা হস্তক্ষেপের পরিবর্তে প্রবৃদ্ধি, সহযোগিতা ও অগ্রগতির বিশ্ব দেখতে চায়।

জাতিসংঘের উপমহাসচিব গাই রাইডার বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দিয়েই আমাদের বর্তমান ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। তাই জাতিসংঘে আমাদের সুশাসনব্যবস্থার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা আমরা উপলব্ধি করছি।’

আরও পড়ুন: হলুদ বিন্দু দেখে খননে ২ কোটি টাকার স্বর্ণের খণ্ড উদ্ধার

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ে গ্লোবাল সাউথের প্রতিনিধিত্ব ও মতামতের গুরুত্ব বাড়ানো জরুরি। সব পক্ষের সম্মত সময়সূচি ও রোডম্যাপ অনুসারে আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে এবং নিরাপত্তা পরিষদে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, ব্রিকস ও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) মতো উদীয়মান বহুপক্ষীয় সহযোগিতা কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন।

ওয়াং নতুন নতুন ক্ষেত্রে সুশাসনের নিয়মকানুন উন্নত করার আহ্বান জানান। গভীর সমুদ্র, মেরু অঞ্চল ও মহাকাশের মতো নতুন ক্ষেত্রগুলোকে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। পাশাপাশি, সাধারণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালনার একটি কাঠামো দ্রুত গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

ফোরামের সাইডলাইনে এশিয়া সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সহসভাপতি জন এল. থর্নটন এবং ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এর কলামিস্ট টমাস এল. ফ্রিডম্যানের সঙ্গে বৈঠকে ওয়াং বলেন, এআইয়ের যথাযথ উন্নয়ন ও পরিচালনায় চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সক্ষমতা ও দায়িত্ব দুটিই রয়েছে।

আরও পড়ুন: ফ্লাভিও বলসোনারোর পাসপোর্ট বাতিল

তিনি বলেন, এআইয়ের বিকাশ যেন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগে, তা নিশ্চিত করতে দুই দেশকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে।

থর্নটন ও ফ্রিডম্যান বলেন, চীনের আয়োজনে আসন্ন এপেক অর্থনৈতিক নেতাদের বৈঠকের দিকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গভীর মনোযোগ দিচ্ছে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অনন্য ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য চীন এ সুযোগ কাজে লাগাবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে আজই হামলা হতে পারে, ফের বড় যুদ্ধের ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


ইরানে আজই হামলা হতে পারে, ফের বড় যুদ্ধের ঝুঁকিতে মধ্যপ্রাচ্য

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্য আবারও যুদ্ধের ঝুঁকিতে পড়েছে। শুক্রবার ট্রাম্প মন্তব্য করেন যে, আজ রোববার ওয়াশিংটন ইরানে হামলা চালাতে পারে। এর আগে তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘আরেকটি ছোট এপিক ফিউরি’ অভিযান পরিচালনার হুমকি দিয়েছিলেন।

এছাড়া, ট্রাম্প একই সঙ্গে ইরান যুদ্ধের অবসানে ‘চমৎকার, বড় ও সুন্দর’ একটি চুক্তির সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছেন। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি প্রায় আট মাস ধরে অচলাবস্থায় রয়েছে।

শনিবার সকালে ফ্লোরিডায় মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আপনারা কি সত্যিই মনে করেন, আমি আপনাদের সেটা বলে দেব?”

এক সাংবাদিক পাল্টা বলেন, “আমাদের তো প্রশ্ন করতেই হবে।” ট্রাম্প প্রশ্নটিকে ‘বোকামিপূর্ণ’ আখ্যা দিলেও ইরানে হামলার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, “হয়তো আগামীকালই... হামলা চালানোর সম্ভাবনা রয়েছে। আবার চমৎকার, বড় ও সুন্দর একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনাও আছে। তারা চুক্তি করতে চায়। কিন্তু সমস্যা হলো, তারা চুক্তির শর্ত মেনে চলবে কি না।”

ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে, ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে, সে কারণেই দেশটিতে হামলা চালানো হয়েছিল। শুক্রবারও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দেন।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযানের নাম উল্লেখ করে বলেন, “আমরা আরেকটি ছোট্ট এপিক ফিউরি অভিযান চালাতে পারি।” এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে ইরানে হামলা চালানো হবে না।

শুক্রবার তুরস্কে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত টম ব্যারাকও ইরানে হামলার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেন। এক পডকাস্টে তিনি বলেন, “এই সপ্তাহান্তে হামলা হতে পারে কি না? অবশ্যই হতে পারে।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে এই যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ও দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন।

এর জবাবে তেহরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালায়। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।

গত ১৭ জুন ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুদ্ধের অবসানে ১৪ দফার একটি চুক্তিতে সই করেন। চুক্তিতে লেবাননসহ বিভিন্ন স্থানে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের কথা বলা হয়। পাশাপাশি ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর অঙ্গীকার করা হয়।

তবে ৮ জুলাই ট্রাম্প চুক্তিটিকে ‘শেষ’ বলে ঘোষণা করেন। এর এক সপ্তাহ পর তেহরানও সমঝোতা স্মারক স্থগিত করে। ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সব প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ আনে ইরান।

এরপর থেকে ট্রাম্প বারবার বলেছেন, চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য তিনি তাড়াহুড়ো করছেন না। অন্যদিকে, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের সরকারকে উৎখাতের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পর বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক ছড়াল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পর বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক ছড়াল

সৌদি আরব রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলার হুমকির মুখে। কিন্তু রোববার (২৫ অক্টোবর) সেই ঘোষণার পরপরই রাজধানী রিয়াদে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এতে নতুন করে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত যৌথ সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি দেশটির ওপর একের পর এক ভয়াবহ ও কৌশলগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির অবসান ঘটিয়ে ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে হুতিরা। এই পরিস্থিতি নতুন করে অঞ্চলজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার কারণ হয়েছে এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে।

হুমকির মধ্যে রোববার রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়, যা টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল। বিমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘ফ্লাইট রাডার’-এর তথ্যানুযায়ী, রোববার ভোরের দিকে একটি বিমান বিমানবন্দরটি থেকে উড্ডয়ন করে।

এর আগে চলতি মাসেই বিমানবন্দরে পরিচালিত এক রক্তক্ষয়ী হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন। গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের মাটিতে এটিই সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

বিমানবন্দর ফের চালুর ঘোষণার পর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে। তিনি কিং খালিদ বিমানবন্দরকে এখনও 'অনিরাপদ' হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এটি তাদের বাহিনীর জন্য একটি 'সামরিক লক্ষ্যবস্তু' বলেও জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইয়াহিয়া সারে বলেন, 'দেশি-বিদেশি সব এয়ারলাইন্স, বিমানকর্মী ও যাত্রীদের রিয়াদ বিমানবন্দর ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এটি এখন আর নিরাপদ নয়। এরপর বিমানবন্দর চালু রেখে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার পূর্ণ দায় সৌদি প্রশাসনকেই নিতে হবে।'

এএফপির একজন প্রতিনিধি জানান, রোববার ভোরের দিকে শহরটিতে পর পর তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। হামলা চলাকালে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য জরুরি মোবাইল অ্যালার্ট বার্তা পাঠায় স্থানীয় প্রশাসন।

সৌদি জোট দাবি করেছে, তারা রিয়াদ লক্ষ্য করে হুতিদের ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুটি সামরিক ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরবের তিনটি বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা, পাইপলাইন এবং একটি বিমান ঘাঁটিতে একযোগে হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা।

সৌদির সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শনিবার মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের আকাশে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ লোকালয়ে এসে পড়ে। তবে পবিত্র দুই শহর লক্ষ্য করে হামলার এই দাবিকে 'পাহাড়সম মিথ্যাচার' বলে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে হুতি গোষ্ঠী।

এছাড়াও, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেনে সৌদি বাহিনীর একটি নৌঘাঁটি ও সামরিক ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে হুতিরা। গত মাসে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির তীব্র আক্রমণ এশিয়ার জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছে।

সৌদি আরব বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল রফতানিকারক দেশ। হুতিদের এই আক্রমণ দেশটির বিমান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, ‘পতিত শক্তি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তবে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

আজ রোববার সচিবালয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে বহু বছর পর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসাহ-উদ্দীপনাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব উদযাপন একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই পরিবেশ নিশ্চিত করতে যারা কাজ করেছেন, তাদের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাপের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছিল। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এর ফলে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেল সংকটের প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় শ্রীলঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


তেল সংকটের প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় শ্রীলঙ্কা

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার উদ্যোগে জোর দিতে চায় শ্রীলঙ্কা। তবে, এ ক্ষেত্রে দেশটি কিছু কারিগরি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুণাথিলাকা।

এএফপির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, ‘কিছু ঘটনা আমাদেরকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও বাড়ানোর জন্য এগুলো সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।’

তিনি আরও জানান, সরকারের নীতি হবে আগামী কয়েক বছরে যতটা সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।

শ্রীলঙ্কা তার প্রয়োজনীয় সব তেল ও গ্যাস আমদানি করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দেশটি বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং চালু হয়েছে এবং গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে মূল্যস্ফীতি। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা দেশটির অর্থনীতিতে এসব পরিস্থিতি নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিছু মাসে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ব্যয় মেটাতে সরকারের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত খরচ করতে হয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগেই শ্রীলঙ্কা জ্বালানি খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে দেশের মোট বিদ্যুতের ৭০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বর্তমানে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে, যার মধ্যে জলবিদ্যুতের অবদান প্রায় ৪০ শতাংশ।

তবে, জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সম্ভবত আমাদের ৭০ শতাংশেরও বেশি অর্জন করতে হবে।’

তবে, বায়ুশক্তি প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় মানুষের আপত্তি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বায়ুশক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা প্রায় ৩০ গিগাওয়াট বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মান্নার উপদ্বীপের বাসিন্দারা ২০২০ সাল থেকে চালু থাকা বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

তাদের দাবি, এসব টারবাইনের কারণে বন্যার প্রকোপ বাড়ছে, মাছ অন্যত্র চলে যাচ্ছে ও পরিযায়ী পাখিরা হুমকির মুখে পড়ছে।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, মান্নারের বাসিন্দাদের উদ্বেগের বিষয়টি সরকার বিবেচনায় নিয়েছে। ইতোমধ্যেই অনুমোদিত বা নির্মাণাধীন প্রকল্প ছাড়া সেখানে নতুন কোনো বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প নেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প অন্য এলাকায় গড়ে তোলা হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে আরেকটি বড় সমস্যা হলো বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা।

করুণাথিলাকা বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা, জাতীয় গ্রিডের নিয়ন্ত্রণ এবং চাহিদা ও সরবরাহের ওঠানামা সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি জানান, আগামী বছর থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়াতে পাঁচটি বড় সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে, শুধু সঞ্চালনব্যবস্থা সম্প্রসারণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সৌর প্যানেল স্থাপনের ফলে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক সময় চাহিদার চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে। এতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়ছে।

চলতি মাসে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে পুরো দ্বীপজুড়ে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ায় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কখনো কখনো কিছু সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমিয়ে দিতে হয়। এ কারণে সরকার সৌরবিদ্যুৎকে উৎসাহিত করছে না— এমন ধারণা তৈরি হলেও তা সঠিক নয়।

২০২৯ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় এটি ৩৮৮ শতাংশ বেশি।

তবে, সৌরবিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বর্তমান ব্যবস্থায় বেসরকারি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদকরা দিনের বেলায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে রাতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারেন। অথচ দিনের তুলনায় রাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যয় বেশি।

জ্বালানিমন্ত্রীর মতে, এই ব্যবস্থা আর্থিকভাবে টেকসই নয়। এর বাড়তি ব্যয় সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই ব্যয়ের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায্য। তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক ও ভোক্তা— উভয়ের জন্য ন্যায্য হবে, এমন একটি নতুন আর্থিক কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হবে।’

পাশাপাশি ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

জ্বালানিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, কয়লা ও ন্যাফথার ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভর করার মতো ব্যবস্থা, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো এখনো শ্রীলঙ্কার তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশে উন্নীত করতে পারব।’

আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে কয়লা ও ন্যাফথার ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%