ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পর বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক ছড়াল


রিয়াদে ফ্লাইট চালুর পর বিস্ফোরণের শব্দ, আতঙ্ক ছড়াল

সৌদি আরব রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালুর ঘোষণা দিয়েছিল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের একের পর এক হামলার হুমকির মুখে। কিন্তু রোববার (২৫ অক্টোবর) সেই ঘোষণার পরপরই রাজধানী রিয়াদে একাধিক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এতে নতুন করে তীব্র আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত যৌথ সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরব। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি দেশটির ওপর একের পর এক ভয়াবহ ও কৌশলগত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

দীর্ঘদিনের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির অবসান ঘটিয়ে ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছে হুতিরা। এই পরিস্থিতি নতুন করে অঞ্চলজুড়ে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার কারণ হয়েছে এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যকার ভূ-রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের ব্রাজিল নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ

হুমকির মধ্যে রোববার রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট চলাচল শুরু হয়, যা টানা দুই সপ্তাহ বন্ধ ছিল। বিমান পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘ফ্লাইট রাডার’-এর তথ্যানুযায়ী, রোববার ভোরের দিকে একটি বিমান বিমানবন্দরটি থেকে উড্ডয়ন করে।

এর আগে চলতি মাসেই বিমানবন্দরে পরিচালিত এক রক্তক্ষয়ী হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত এবং ৩ শতাধিক মানুষ আহত হয়েছিলেন। গত এক দশকের মধ্যে সৌদি আরবের মাটিতে এটিই সবচেয়ে বড় ও প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা।

বিমানবন্দর ফের চালুর ঘোষণার পর কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুতি সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে। তিনি কিং খালিদ বিমানবন্দরকে এখনও 'অনিরাপদ' হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এটি তাদের বাহিনীর জন্য একটি 'সামরিক লক্ষ্যবস্তু' বলেও জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় ইয়াহিয়া সারে বলেন, 'দেশি-বিদেশি সব এয়ারলাইন্স, বিমানকর্মী ও যাত্রীদের রিয়াদ বিমানবন্দর ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে। এটি এখন আর নিরাপদ নয়। এরপর বিমানবন্দর চালু রেখে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার পূর্ণ দায় সৌদি প্রশাসনকেই নিতে হবে।'

আরও পড়ুন: ইউক্রেনে সামরিক আইনের মেয়াদ আরো ৯০ দিন বাড়ল

এএফপির একজন প্রতিনিধি জানান, রোববার ভোরের দিকে শহরটিতে পর পর তিনটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। হামলা চলাকালে সাধারণ নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার জন্য জরুরি মোবাইল অ্যালার্ট বার্তা পাঠায় স্থানীয় প্রশাসন।

সৌদি জোট দাবি করেছে, তারা রিয়াদ লক্ষ্য করে হুতিদের ছোঁড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দুটি সামরিক ড্রোন আকাশেই ধ্বংস করে দিয়েছে।

অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরবের তিনটি বিমানবন্দর, জ্বালানি স্থাপনা, পাইপলাইন এবং একটি বিমান ঘাঁটিতে একযোগে হামলা চালানোর দাবি করেছে হুতি বিদ্রোহীরা।

সৌদির সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, শনিবার মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের আকাশে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের পর সেগুলোর ধ্বংসাবশেষ লোকালয়ে এসে পড়ে। তবে পবিত্র দুই শহর লক্ষ্য করে হামলার এই দাবিকে 'পাহাড়সম মিথ্যাচার' বলে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেছে হুতি গোষ্ঠী।

আরও পড়ুন: ইথিওপিয়ায় ৬০-এর বেশি খ্রিস্টান নিহত, গির্জা বলল ‘গণহত্যা’

এছাড়াও, ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর এডেনে সৌদি বাহিনীর একটি নৌঘাঁটি ও সামরিক ক্যাম্পে হামলা চালিয়েছে হুতিরা। গত মাসে ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির তীব্র আক্রমণ এশিয়ার জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে চরম হুমকির মুখে ফেলেছে।

সৌদি আরব বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় অপরিশোধিত তেল রফতানিকারক দেশ। হুতিদের এই আক্রমণ দেশটির বিমান চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন, ‘পতিত শক্তি ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তবে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

আজ রোববার সচিবালয়ে দুর্গাপূজা উদযাপন সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে বহু বছর পর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, উৎসাহ-উদ্দীপনাপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে উৎসব উদযাপন একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এই পরিবেশ নিশ্চিত করতে যারা কাজ করেছেন, তাদের প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতি ও বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অ্যাপের মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় পর্যন্ত মনিটরিং ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছিল। কেন্দ্রীয়ভাবে প্রতিটি মুহূর্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এর ফলে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পরিকল্পনা আগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেল সংকটের প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় শ্রীলঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


তেল সংকটের প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে চায় শ্রীলঙ্কা

ঢাকা, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ : বিশ্ববাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করার উদ্যোগে জোর দিতে চায় শ্রীলঙ্কা। তবে, এ ক্ষেত্রে দেশটি কিছু কারিগরি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুণাথিলাকা।

এএফপির সাথে এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, ‘কিছু ঘটনা আমাদেরকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আরও বাড়ানোর জন্য এগুলো সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করছে।’

তিনি আরও জানান, সরকারের নীতি হবে আগামী কয়েক বছরে যতটা সম্ভব নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা।

শ্রীলঙ্কা তার প্রয়োজনীয় সব তেল ও গ্যাস আমদানি করে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় দেশটি বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। জ্বালানি ব্যবহারে রেশনিং চালু হয়েছে এবং গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে মূল্যস্ফীতি। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করা দেশটির অর্থনীতিতে এসব পরিস্থিতি নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কিছু মাসে জীবাশ্ম জ্বালানি আমদানির ব্যয় মেটাতে সরকারের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ৩০ শতাংশ পর্যন্ত খরচ করতে হয়েছে।

যুদ্ধ শুরুর আগেই শ্রীলঙ্কা জ্বালানি খাতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল।

২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে দেশের মোট বিদ্যুতের ৭০ শতাংশ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। বর্তমানে দেশটির প্রায় ৬০ শতাংশ বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে আসে, যার মধ্যে জলবিদ্যুতের অবদান প্রায় ৪০ শতাংশ।

তবে, জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘সম্ভবত আমাদের ৭০ শতাংশেরও বেশি অর্জন করতে হবে।’

তবে, বায়ুশক্তি প্রকল্প নিয়ে স্থানীয় মানুষের আপত্তি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শ্রীলঙ্কায় বায়ুশক্তি উৎপাদনের সম্ভাবনা প্রায় ৩০ গিগাওয়াট বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় মান্নার উপদ্বীপের বাসিন্দারা ২০২০ সাল থেকে চালু থাকা বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

তাদের দাবি, এসব টারবাইনের কারণে বন্যার প্রকোপ বাড়ছে, মাছ অন্যত্র চলে যাচ্ছে ও পরিযায়ী পাখিরা হুমকির মুখে পড়ছে।

জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, মান্নারের বাসিন্দাদের উদ্বেগের বিষয়টি সরকার বিবেচনায় নিয়েছে। ইতোমধ্যেই অনুমোদিত বা নির্মাণাধীন প্রকল্প ছাড়া সেখানে নতুন কোনো বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প নেওয়া হবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্প অন্য এলাকায় গড়ে তোলা হবে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে আরেকটি বড় সমস্যা হলো বিদ্যুৎ সঞ্চালনব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা।

করুণাথিলাকা বলেন, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের সক্ষমতা, জাতীয় গ্রিডের নিয়ন্ত্রণ এবং চাহিদা ও সরবরাহের ওঠানামা সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি জানান, আগামী বছর থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন সক্ষমতা বাড়াতে পাঁচটি বড় সঞ্চালন লাইন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে, শুধু সঞ্চালনব্যবস্থা সম্প্রসারণ করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে সৌর প্যানেল স্থাপনের ফলে দিনের বেলায় বিদ্যুৎ উৎপাদন অনেক সময় চাহিদার চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে। এতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের ভারসাম্য রক্ষা কঠিন হয়ে পড়ছে।

চলতি মাসে জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে পুরো দ্বীপজুড়ে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হয়ে যাওয়ায় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, গ্রিডের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কখনো কখনো কিছু সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমিয়ে দিতে হয়। এ কারণে সরকার সৌরবিদ্যুৎকে উৎসাহিত করছে না— এমন ধারণা তৈরি হলেও তা সঠিক নয়।

২০২৯ সালের মধ্যে শ্রীলঙ্কার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ৪ হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। ২০২৪ সালের তুলনায় এটি ৩৮৮ শতাংশ বেশি।

তবে, সৌরবিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণের বর্তমান পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে সরকার।

বর্তমান ব্যবস্থায় বেসরকারি সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদকরা দিনের বেলায় জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে রাতে সমপরিমাণ বিদ্যুৎ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারেন। অথচ দিনের তুলনায় রাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ব্যয় বেশি।

জ্বালানিমন্ত্রীর মতে, এই ব্যবস্থা আর্থিকভাবে টেকসই নয়। এর বাড়তি ব্যয় সরকারকে বহন করতে হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘এই ব্যয়ের বোঝা সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া অন্যায্য। তাই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক ও ভোক্তা— উভয়ের জন্য ন্যায্য হবে, এমন একটি নতুন আর্থিক কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হবে।’

পাশাপাশি ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

জ্বালানিমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, কয়লা ও ন্যাফথার ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভর করার মতো ব্যবস্থা, বিনিয়োগ ও অবকাঠামো এখনো শ্রীলঙ্কার তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, ‘আমরা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশে উন্নীত করতে পারব।’

আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে কয়লা ও ন্যাফথার ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনে ভোট টানতে নেতানিয়াহুর নতুন অস্ত্র এআই, চলছে ভুয়া ভিডিও প্রচার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


নির্বাচনে ভোট টানতে নেতানিয়াহুর নতুন অস্ত্র এআই, চলছে ভুয়া ভিডিও প্রচার

ইসরায়েলের আসন্ন সাধারণ নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অনলাইন জগতে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং বিরোধী শিবিরের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিযোগিতার আভাস দিচ্ছে জনমত জরিপ। ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য দুই পক্ষই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি ভিডিও, ভুয়া প্রচারচিত্র (ডিপফেক) এবং স্বয়ংক্রিয় অ্যাকাউন্ট (বট) ব্যবহার করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গলবারের (২৭ অক্টোবর) নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই শিবিরের প্রচারে প্রতিপক্ষ ক্ষমতায় এলে ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ ভয়াবহ হবে—এমন বার্তা তুলে ধরা হচ্ছে। এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি ও সম্পাদিত ভিডিওতে নেতানিয়াহুর অতীতের ব্যর্থতা তুলে ধরা হচ্ছে। অন্যদিকে বিরোধী নেতাদের আরব দলগুলোর প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ইসরায়েলের উদারপন্থী দৈনিক হারেৎজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান সরকারকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে তৈরি কয়েক ডজন স্বয়ংক্রিয় অনলাইন অ্যাকাউন্টকে নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদের পক্ষে প্রচার চালাতে ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অ্যাকাউন্টে বিরোধী নেতা গাদি আইজেনকোট এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সতর্কবার্তাও ছড়ানো হচ্ছে।

নেতানিয়াহু এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছেন। কিছু ভিডিওতে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে হামলার আগে নেতানিয়াহুর ভূমিকা ও ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য কিছু ভিডিওতে বিরোধী নেতাদের আরব দলগুলোর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। নির্বাচনে এসব দল প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরব-অধ্যুষিত যৌথ তালিকা জোটের হিব্রু ভাষার প্রচার বিভাগের পরিচালক মরিসিও লাপচিক মন্তব্য করেন, তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর, বিশেষ করে লিকুদের, অর্থ ও প্রযুক্তিগত সামর্থ্য অনেক বেশি। প্রযুক্তির ব্যবহার নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় বৈষম্য আরও বাড়াচ্ছে। তবে তাদের কাছে প্রচারের মূল বার্তাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভোটারদের নজরদারিতে নতুন প্রযুক্তি

নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এ কারণে ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ছে।

লিকুদ আগে ‘ইলেক্টর’ নামের একটি অ্যাপ ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছিল। অ্যাপটি ভোটের দিন ভোটারদের উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে পারে। তবে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি এর ব্যবহারে বিধিনিষেধ দেয়।

এর পরিবর্তে লিকুদ ‘ভিক্টরি ২’ নামের নতুন একটি অ্যাপ ব্যবহার করবে বলে হারেৎজ জানিয়েছে। এই অ্যাপে ভোটারদের পরিচয় সরাসরি দেখা যায় না। তবে কোন এলাকায় ভোটার উপস্থিতি কম, তা শনাক্ত করে সেখানে প্রচারকর্মীদের পাঠানো সম্ভব হবে। তারা ভোট দেওয়া ব্যক্তিদের নাম হাতে লিখে রাখতে পারবেন এবং যারা ভোট দেননি, তাদের ভোট দিতে উৎসাহিত করতে পারবেন।

অ্যালগরিদম, গণনাযোগ্যতা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণারত সেবাস্তিয়ান বেন ড্যানিয়েল বলেন, ইলেক্টরের মতো কর্মসূচি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বর্তমান প্রযুক্তিগত সক্ষমতার তুলনায় খুবই সাধারণ। তার মতে, এ ধরনের প্রযুক্তি উন্নয়নের জন্য ইসরায়েল একটি বিশেষ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আগে থেকেই নজরদারির আওতায় থাকায় নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে গোপনীয়তার উদ্বেগ রয়েছে।

কৃত্রিম ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি একটি ভিডিও প্রকাশ করে বিতর্কের জন্ম দেন। ভিডিওতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, একজন বিচারপতি এবং অ্যাটর্নি জেনারেলকে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ থেকে সহিংসভাবে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সরকারের বিচারিক নজরদারি কমানোর প্রচেষ্টার বিরোধিতা করায় তারা প্রায়ই কট্টর ডানপন্থীদের সমালোচনার লক্ষ্য হন।

এর আগে নেতানিয়াহুর শেয়ার করা আরেকটি কৃত্রিম ভিডিওতে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী আইজেনকোটকে এমন এক ব্যক্তির দিকে দৌড়ে যেতে দেখা যায়, যাকে অনেকে তার নিহত ছেলে গালের মতো মনে করেন। গাল গাজায় যুদ্ধে অংশ নেওয়ার সময় নিহত হন। ভিডিওতে আইজেনকোট ওই ব্যক্তিকে পাশ কাটিয়ে আরব দল রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাসকে আলিঙ্গন করেন। পরে নেতানিয়াহুর শিবির জানায়, ভিডিওর চরিত্রটি আইজেনকোটের ছেলেকে বোঝানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়নি। এরপর পুরুষ চরিত্রটির জায়গায় নারী চরিত্র বসানো হয়।

কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের শেয়ার করা আরেকটি ভিডিওতে গাজার মানুষকে গাধারূপে দেখানো হয় এবং তাদের প্যারিসের দিকে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য তুলে ধরা হয়। বেন-গভির গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের ‘স্বেচ্ছায় অন্যত্র চলে যাওয়া’র নামে সরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন।

বাড়ছে রাজনৈতিক বিভাজন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু এবং বেন-গভিরের প্রচারে স্বয়ংক্রিয় অনলাইন অ্যাকাউন্টের ব্যবহারও উল্লেখযোগ্য। এসব প্রচারের মাধ্যমে সমর্থকদের আরও সংগঠিত করা এবং প্রতিপক্ষের সমর্থকদের প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।

এসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ভোটার আচরণবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রোই জুর বলেন, অনলাইন প্রচারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, অ্যালগরিদম এবং তথ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করে রাজনৈতিক বিভাজন আরও গভীর করা হচ্ছে। এতে বিরোধী শিবিরের প্রতি মানুষের বিরূপ মনোভাব বাড়তে পারে।

তার মতে, ছোট দলগুলোর সাফল্য ও ভোটার উপস্থিতির ওপর নির্বাচনের ফল নির্ভর করতে পারে। তাই সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে আনাও প্রচারের বড় লক্ষ্য।

জুর বলেন, তেল আবিব এবং হাইফার মতো বড় ধর্মনিরপেক্ষ শহরে সাধারণত ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৬০ শতাংশ। অন্যদিকে জেরুজালেম এবং বনি ব্রাকের মতো অতি-ধর্মীয় ইহুদি জনগোষ্ঠীর বসবাস বেশি—এমন এলাকায় উপস্থিতি প্রায় ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ। ফলে ভোটারদের প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য বিপদের কথা তুলে ধরে ভোট দিতে উৎসাহিত করাও প্রচারের অংশ হয়ে উঠেছে।

নির্বাচনের আগে প্রযুক্তিনির্ভর প্রচার, ভুয়া ভিডিও এবং ভোটারদের তথ্য ব্যবহারের এই প্রতিযোগিতা ইসরায়েলের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সরকারকে জামায়াত আমির

সরকারের ব্যর্থতা বিরোধীদের ওপর চাপাবেন না: ডা. শফিকুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


সরকারের ব্যর্থতা বিরোধীদের ওপর চাপাবেন না: ডা. শফিকুর রহমান

বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, নিজেদের ব্যর্থতার দায় বিরোধীদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করছে সরকার, যা জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে সরানোর একটি প্রচেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, "সীমাহীন ব্যর্থতার দায় আপনাদেরই নিতে হবে। নিজেদের ব্যর্থতা বিরোধী দলের ওপর চাপাবেন না।"

তিনি রোববার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ‘জুলাই সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই সভায় জামায়াত আমির বলেন, চাঁদাবাজি ও দখলদারত্ব বন্ধে ব্যর্থতা, দ্রব্যমূল্যের চাপ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতার দায় সরকারকেই নিতে হবে।

সংসদ সদস্য মিষ্টির পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চাঁদাবাজিতে অভিযুক্ত সংসদ সদস্যকে পদত্যাগ করানোর মাধ্যমে জনসমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করা হলেও, শুধুমাত্র পদত্যাগের মাধ্যমে অপরাধের বিচার শেষ হতে পারে না। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

ডা. শফিকুর রহমান দেশে বৈষম্য বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশে পরিবর্তনের যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন ও ন্যায়বিচারভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু জনগণের সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি। বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে গেছে এবং বৈষম্য আরও বাড়ছে। তরুণেরা যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জীবন দিয়েছেন, সেই আকাঙ্ক্ষার বাস্তব প্রতিফলন নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

বিরোধী দলকে দোষারূপ করার বিষয়ে বিরোধী দলীয় নেতা অভিযোগ করেন যে, সরকারের বিভিন্ন ব্যর্থতা আড়াল করতে বিরোধীদের বিরুদ্ধে নতুন বয়ান তৈরির চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, "সরকারের দায়িত্ব পালনে ঘাটতি থাকলে তার জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে বিরোধীদের দোষারোপ করা হচ্ছে।" তিনি প্রশ্ন তোলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থতার দায় কেন বিরোধী দলের ওপর চাপানো হবে? সরকারের ভুলত্রুটি থাকলে তা স্বীকার করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়াই দায়িত্বশীল আচরণ।

শফিকুর রহমান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলে বলেন, একদিকে সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ আসা ও অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, অন্যদিকে এসব অভিযোগ প্রতিরোধে সরকারের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও মাদক প্রবেশের অভিযোগ থাকলে তা ঠেকানোর দায়িত্ব সরকারের। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%