শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৩ পি.এম
গাজার শিশুদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে ঘুড়ি উড়ানোর একটি কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কারণে তিন ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া, এক নারী স্বেচ্ছাসেবীকে পরোয়ানা ছাড়াই দীর্ঘ সাড়ে ৯ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে গৃহবন্দী রেখে তল্লাশি চালানোর অভিযোগ উঠেছে মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে। এই তথ্যটি ‘ইন্ডিয়ান পিপল ইন সলিডারিটি উইথ ফিলিস্তিন’ (আইপিএসপি) একটি বিবৃতির মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি মুম্বাইয়ের কিছু সক্রিয়কর্মী গাজার শিশুদের সমর্থনে আয়োজিত আন্তর্জাতিক কর্মসূচি ‘গ্লোবাল গাজা কাইট উইকএন্ড’-এ অংশগ্রহণ করেছিলেন।
আইপিএসপি অভিযোগ করেছে, প্রথমে সাধারণ পোশাক পরিহিত কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে হর্ষদা নামের এক নারী স্বেচ্ছাসেবীর বাড়িতে জোরপূর্বক প্রবেশ করেন। তারা তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আটকে রাখেন। পরে পোশাকধারী পুলিশ এসে কোনো ধরনের পরোয়ানা, লিখিত নোটিশ বা আইনি কাগজপত্র ছাড়াই তার বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এ সময় তার বেশ কিছু ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।
সংগঠনটি জানিয়েছে, ঘুড়ি উড়ানোর কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া অন্য দুই স্বেচ্ছাসেবীকেও পুলিশ আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাত ২টা ১৫ মিনিটে দেওয়া এক আপডেট বার্তায় আইপিএসপি জানায়, অভিযান শুরু হওয়ার ৯ ঘণ্টারও বেশি সময় পার হয়ে গেলেও পুলিশ সদস্যরা হর্ষদার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
আইপিএসপি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এটি গণতান্ত্রিক অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার ওপর চরম আঘাত এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকারের লঙ্ঘন। তাদের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, "একটি শিশুর ঘুড়ি উড়ানো যদি ইসরায়েলি রাষ্ট্রের জন্য হুমকি হয়, তবে গাজার শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতীয় তরুণদের ঘুড়ি উড়ানোও কি ভারতীয় রাষ্ট্রের জন্য হুমকি?"
নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনা করে সংগঠনটি অভিযোগ করে, ব্রিকস সম্মেলনে ভারত সরকার মুখে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার কথা বললেও বাস্তবে দেশের ভেতরের ফিলিস্তিনপন্থী কর্মীদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে। মুখে মানবিক উদ্বেগের কথা বললেও ভারতের প্রকৃত অবস্থান ইসরায়েল ও আমেরিকার পাশেই রয়েছে বলে তারা দাবি করে।
পুলিশি হয়রানির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে আইপিএসপি আরও জানায়, "ভয় দেখিয়ে দমানোর এই চেষ্টা আমাদের ঐক্যকে আরও মজবুত করবে। মুম্বাই পুলিশের বোঝা উচিত—রাষ্ট্রের দমনপীড়ন যতই বাড়বে, আমাদের প্রতিরোধ তত শক্তিশালী হবে।" পুলিশের এই বেআইনি আচরণের তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্বাধীন কণ্ঠস্বর ও সাংবাদিকদের প্রতি পুলিশের এমন "ডাইনি শিকার" বা হয়রানি বন্ধে চাপ সৃষ্টির আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ব বাণিজ্য গত ৮০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিঘ্নের সম্মুখীন হয়েছে। আনাদোলুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট জটিলতার কারণে বিশ্বজুড়ে খাদ্য ও সারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মহাপরিচালক দ্বারা উল্লেখ করা হয়েছে।
জেনেভায় ডব্লিউটিও-র ‘পাবলিক ফোরাম’-এর ফাঁকে আনাদোলুকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এনগোজি ওকোনজো-ইওয়েলা জানান, বিশ্ব বাণিজ্য ব্যবস্থা এখনও যথেষ্ট স্থিতিস্থাপক রয়েছে; তবে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ১৬৬টি সদস্য দেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভূ-রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও, এ বছর পণ্য বাণিজ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে ৪.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ৭২ শতাংশই ডব্লিউটিও-র নিয়মকানুন মেনে পরিচালিত হচ্ছে।
সারা বছরের জন্য পণ্য বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধির প্রাথমিক পূর্বাভাস ছিল ১.৯ শতাংশ, কিন্তু বছরের প্রথম প্রান্তিকে ৩.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি সেই প্রত্যাশাকে অতিক্রম করেছে। তিনি জানান, এই গতিশীলতার একটি বড় অংশ এসেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসারের কারণে; এর পেছনে রয়েছে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের সেমিকন্ডাক্টর ও চিপ সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বল্প বা শূন্য শুল্কের চুক্তিগুলো।
তিনি এই প্রবণতার স্থায়িত্ব নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, এই রমরমা বাণিজ্যের অর্থনৈতিক সুফল মূলত উত্তর আমেরিকা ও পূর্ব এশিয়ায় কেন্দ্রীভূত হয়ে আছে, যা বিশ্ব বাজারের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রকৃতি নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে। ওকোনজো-ইওয়েলা বলেন, হরমুজ প্রণালীতে সৃষ্ট বিঘ্নের ফলে যে ধাক্কা লেগেছে, তা থেকে জাতীয় মজুত ভাণ্ডার সাময়িকভাবে বাজারকে রক্ষা করেছে; তবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে দীর্ঘস্থায়ী অবরোধ কৃষিপণ্যের উৎপাদন ও পরিবহন খরচ বাড়িয়ে দেবে।
ডব্লিউটিও-র পূর্ববর্তী হিসাব অনুযায়ী, অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯০ ডলারে পৌঁছালে তা সামগ্রিক বাণিজ্য প্রবৃদ্ধিকে ০.৫ পয়েন্ট কমিয়ে দিতে পারে—অথচ বর্তমানে তেলের দাম সেই সীমা ছাড়িয়ে গেছে। জাহাজ পরিচালনাকারী সংস্থাগুলো বিকল্প পথে জাহাজ চালিয়ে বাণিজ্যের পরিমাণ বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তবে ওকোনজো-ইওয়েলা সতর্ক করে বলেন, দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ফলে পরিবহন খরচ বা প্রিমিয়াম অনেক বেড়ে যাচ্ছে, যা বর্তমান সরবরাহ ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।
ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ বা 'চোকপয়েন্ট'-এ কোনো বিপর্যয় ঘটলে তা থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার জরুরি পরিকল্পনা তৈরি করছে। পাশাপাশি, সরবরাহ ব্যবস্থার অস্থিরতা এবং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনের ফলে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী করে বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়মকানুন ঢেলে সাজানোর বিষয়ে ডব্লিউটিও-র অভ্যন্তরীণ আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সুষম বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার অপরিহার্য এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) বর্তমান কাঠামোটি প্রায়শই উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।
ওকোনজো-ইওয়েলা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে আধুনিক নীতিমালা প্রণয়নে সহায়তার আহ্বান জানান যাতে তারা অর্থনৈতিক সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারে; একইসাথে, প্রস্তাবিত সংস্কারগুলোর লক্ষ্য হলো অকার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাগুলোর সংশোধন এবং এই দেশগুলোকে পিছিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করা।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ‘পাবলিক ফোরাম’-এর অংশ হিসেবে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে যে, বহুপাক্ষিক সহযোগিতার বিপর্যয় এবং বিধিবিধান আধুনিকীকরণে ব্যর্থতার ফলে ২০৫০ সালের মধ্যে সম্ভাব্য বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারিয়ে যেতে পারে। সূত্র : ডন অনলাইন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সোজা জানিয়ে দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা কোনো বাইরের দেশের চাওয়া বা নির্দেশে তৈরি হতে পারে না।
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল টাউন হল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিশ্বরাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি আফসোস করে বলেন, যখন বড় বড় শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের স্বার্থের জন্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে, তখন নিয়ম-কানুনের কোনো মূল্য থাকে না। জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি এসব অন্যায় এবং আক্রমণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তবে মানুষ তাদের প্রতি সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস হারাবে।
আরাগচি মনে করেন, পৃথিবীকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে পারস্পরিক আলোচনার গুরুত্ব বেশি। তিনি যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি যুদ্ধের ক্ষতি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধের খরচ চালাতে সাধারণ মানুষকে ট্যাক্স দিতে হয়, কিন্তু সবচেয়ে বড় মাশুল দিতে হয় সাধারণ জীবন দিয়ে। মানুষ নিজের জীবন, রক্ত, ঘরবাড়ি ও ভবিষ্যৎ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়।
নিরাপত্তার আসল সমাধান কোথায়, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, কোনো বিদেশি শক্তির সামরিক উপস্থিতি কিংবা তাদের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কখনোই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস বাড়াতে হবে, একে অপরকে সম্মান জানাতে হবে এবং একসঙ্গে বসে আলোচনা করতে হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলা সদরের ডিসি পার্ক এবং স্টেডিয়াম পার্কের জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ২৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরের সময় রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. চিত্রলেখা নাজনীন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
এই অনুষ্ঠানে নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার এবং জেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শামীম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওমর আলী জানান, জেলার সাতটি উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক ও মুক্ত জলাশয়ে প্রায় দুই টন পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় এসব পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে সাত দফা দাবিতে দলিল লেখকদের বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশে শহরটি মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়ে ওঠে। পরে, দলিল লেখকরা একটি বিশাল মানববন্ধনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ফরিদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টার দিকে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। দাবি আদায়ের এই মিছিলটি মুহূর্তের মধ্যে পুরো শহরকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করে। পরে, প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফরিদপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে, সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মো. শাহাদাত হোসেন, গোলাম মহিউদ্দিন, ফরিদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ইলিয়াস খান ও আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ বি মুস্তাফিজুর রহমান।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চললেও, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে এই পেশা বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে, এর সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক পরিবার চরম অর্থকষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।
বক্তারা অবিলম্বে সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১০ অক্টোবর ফরিদপুরে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এই মিছিলে ফরিদপুর জেলার নয়টি উপজেলার সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রায় তিনশত নেতা ও দলিল লেখক সমাগম ঘটে।
দলিল লেখক সমিতির মূল দাবিগুলো হলো- রেজিস্ট্রেশন আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, প্রতি দলিলের জন্য ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কারও তৈরি দলিল দাখিলের সুযোগ বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি, বিভিন্ন কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের লাইসেন্স না দেওয়া, থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে বসার ব্যবস্থা ও প্রার্থনাকক্ষ নির্মাণ, পেশাগত কাজের কারণে দলিল লেখকদের আসামি না করা এবং দ্রুত 'দলিল লেখক কাউন্সিল' গঠনের অনুমতি প্রদান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ