প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুরে সাত দফা দাবিতে দলিল লেখকদের বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশে শহরটি মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়ে ওঠে। পরে, দলিল লেখকরা একটি বিশাল মানববন্ধনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ফরিদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টার দিকে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। দাবি আদায়ের এই মিছিলটি মুহূর্তের মধ্যে পুরো শহরকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করে। পরে, প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফরিদপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে, সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মো. শাহাদাত হোসেন, গোলাম মহিউদ্দিন, ফরিদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ইলিয়াস খান ও আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ বি মুস্তাফিজুর রহমান।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চললেও, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে এই পেশা বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে, এর সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক পরিবার চরম অর্থকষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।
বক্তারা অবিলম্বে সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১০ অক্টোবর ফরিদপুরে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এই মিছিলে ফরিদপুর জেলার নয়টি উপজেলার সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রায় তিনশত নেতা ও দলিল লেখক সমাগম ঘটে।
দলিল লেখক সমিতির মূল দাবিগুলো হলো- রেজিস্ট্রেশন আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, প্রতি দলিলের জন্য ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কারও তৈরি দলিল দাখিলের সুযোগ বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি, বিভিন্ন কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের লাইসেন্স না দেওয়া, থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে বসার ব্যবস্থা ও প্রার্থনাকক্ষ নির্মাণ, পেশাগত কাজের কারণে দলিল লেখকদের আসামি না করা এবং দ্রুত 'দলিল লেখক কাউন্সিল' গঠনের অনুমতি প্রদান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন