শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২৪ পি.এম
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সোজা জানিয়ে দিয়েছেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা কোনো বাইরের দেশের চাওয়া বা নির্দেশে তৈরি হতে পারে না।
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল টাউন হল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বিশ্বরাজনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তিনি আফসোস করে বলেন, যখন বড় বড় শক্তিশালী দেশগুলো নিজেদের স্বার্থের জন্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে, তখন নিয়ম-কানুনের কোনো মূল্য থাকে না। জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি এসব অন্যায় এবং আক্রমণের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না নেয়, তবে মানুষ তাদের প্রতি সম্পূর্ণভাবে বিশ্বাস হারাবে।
আরাগচি মনে করেন, পৃথিবীকে সুন্দরভাবে পরিচালনা করতে বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে পারস্পরিক আলোচনার গুরুত্ব বেশি। তিনি যুদ্ধের ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি যুদ্ধের ক্ষতি শুধু যুদ্ধক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। যুদ্ধের খরচ চালাতে সাধারণ মানুষকে ট্যাক্স দিতে হয়, কিন্তু সবচেয়ে বড় মাশুল দিতে হয় সাধারণ জীবন দিয়ে। মানুষ নিজের জীবন, রক্ত, ঘরবাড়ি ও ভবিষ্যৎ হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যায়।
নিরাপত্তার আসল সমাধান কোথায়, তা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্টভাবে বলেন, কোনো বিদেশি শক্তির সামরিক উপস্থিতি কিংবা তাদের চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের মাধ্যমে কখনোই শান্তি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই অঞ্চলের দেশগুলোকে নিজেদের মধ্যে বিশ্বাস বাড়াতে হবে, একে অপরকে সম্মান জানাতে হবে এবং একসঙ্গে বসে আলোচনা করতে হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোর, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : আজ জেলা সদরের ডিসি পার্ক এবং স্টেডিয়াম পার্কের জলাশয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ২৫ কেজি পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরের সময় রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার ড. চিত্রলেখা নাজনীন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
এই অনুষ্ঠানে নাটোরের জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার এবং জেলায় স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শামীম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ওমর আলী জানান, জেলার সাতটি উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক ও মুক্ত জলাশয়ে প্রায় দুই টন পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। চলতি বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় এসব পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে সাত দফা দাবিতে দলিল লেখকদের বিক্ষোভ-মিছিল সমাবেশে শহরটি মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়ে ওঠে। পরে, দলিল লেখকরা একটি বিশাল মানববন্ধনের মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেন।
দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে, সাত দফা দাবি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ফরিদপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় জেলা দলিল লেখক সমিতির উদ্যোগে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১ টার দিকে, বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা দলিল লেখকদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। দাবি আদায়ের এই মিছিলটি মুহূর্তের মধ্যে পুরো শহরকে মিছিলের নগরীতে পরিণত করে। পরে, প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফরিদপুর জেলা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে, সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, মো. শাহাদাত হোসেন, গোলাম মহিউদ্দিন, ফরিদ হোসেন, আব্দুল কুদ্দুস, মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ইলিয়াস খান ও আনিসুর রহমান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ বি মুস্তাফিজুর রহমান।
সমাবেশে বক্তারা উল্লেখ করেন, দেশের রাজস্ব আদায়ে দলিল লেখকরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চললেও, তারা দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার শিকার। রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি আধুনিকায়নের নামে এই পেশা বন্ধের চক্রান্ত করা হচ্ছে। এটি বাস্তবায়িত হলে, এর সঙ্গে জড়িত বিপুলসংখ্যক পরিবার চরম অর্থকষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়বে।
বক্তারা অবিলম্বে সাত দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং দাবি না মানলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ১০ অক্টোবর ফরিদপুরে বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়।
উল্লেখ্য, এই মিছিলে ফরিদপুর জেলার নয়টি উপজেলার সকল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রায় তিনশত নেতা ও দলিল লেখক সমাগম ঘটে।
দলিল লেখক সমিতির মূল দাবিগুলো হলো- রেজিস্ট্রেশন আধুনিকায়নের নামে দলিল লেখকদের পেশাচ্যুত না করা, প্রতি দলিলের জন্য ন্যূনতম ৫ হাজার টাকা সম্মানী ভাতা নির্ধারণ, লাইসেন্সপ্রাপ্ত দলিল লেখক ছাড়া অন্য কারও তৈরি দলিল দাখিলের সুযোগ বন্ধে প্রজ্ঞাপন জারি, বিভিন্ন কমিটির সুপারিশ ছাড়া অনভিজ্ঞদের লাইসেন্স না দেওয়া, থানা ও জেলা কার্যালয়ে সরকারি খরচে বসার ব্যবস্থা ও প্রার্থনাকক্ষ নির্মাণ, পেশাগত কাজের কারণে দলিল লেখকদের আসামি না করা এবং দ্রুত 'দলিল লেখক কাউন্সিল' গঠনের অনুমতি প্রদান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়া দ্বীপসংলগ্ন গভীর সমুদ্র এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ১২ টন ইউরিয়া সার, রসুন ও পেঁয়াজসহ ১০ পাচারকারীকে আটক করেছে। এ সময় পাচারকাজে ব্যবহৃত একটি বোটও জব্দ করা হয়।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এই তথ্য জানান।
সূত্র জানায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেন্ট মার্টিন স্টেশনের কোস্ট গার্ড সদস্যরা দক্ষিণ-পূর্ব গভীর সমুদ্র এলাকায় চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
এই অভিযানে ২৪০ বস্তা (১২ হাজার কেজি) ইউরিয়া সার, ১৯০ বস্তা রসুন ও ৯০ বস্তা পেঁয়াজ জব্দ করা হয়। অভিযানে বোটে থাকা এক রোহিঙ্গাসহ মোট ১০ জন পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, "জব্দ করা আলামত ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ