রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৭ পি.এম
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে পাঁচটি নতুন কনটেইনার ক্যারিয়ার ট্রাক উদ্বোধন করা হয়েছে। এই উদ্বোধনটি করেন ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। উদ্বোধনের সময় তিনি একটি নতুন ট্রাক চালানোর অভিজ্ঞতাও গ্রহণ করেন।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গাবতলী কাঁচাবাজার এলাকায় এই কনটেইনার ক্যারিয়ারগুলোর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।
ডিএনসিসি প্রশাসক উল্লেখ করেন, নগরকে দ্রুত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পর্যায়ক্রমে আরও কনটেইনার যুক্ত করা হবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায়।
তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিটি করপোরেশন। ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জরিমানা সহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, ‘উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় জলাবদ্ধতার পরিমাণ আগের তুলনায় অনেকটাই কমেছে।’ তিনি নগরবাসীর জন্য একটি বাসযোগ্য সিটি করপোরেশন গড়ার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের অর্থনীতি চলমান মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিম এশিয়া সংকটের প্রভাব সামলে প্রত্যাশার চেয়ে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। ঋণমান নির্ধারণকারী আন্তর্জাতিক সংস্থা মুডিস রেটিংস ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটির প্রকৃত মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ শতাংশে উন্নীত করেছে। পূর্বে সংস্থাটি এই বৃদ্ধির হার ৬ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল।
মুডিসের মতে, শক্তিশালী ব্যক্তিগত ভোগ, অভ্যন্তরীণ চাহিদা, জোরালো বিনিয়োগ, সরকারি অবকাঠামো খাতে অব্যাহত ব্যয় এবং সেবামূলকের খাতের চাঙ্গা ভাব ভারতের এই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল জ্বালানি হিসেবে কাজ করছে। চলতি অর্থবছরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের গতি আরো বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেছে মুডিস।
এক বিবৃতিতে মুডিস জানায়, ‘আমরা শুরু থেকেই ধারণা করেছিলাম ভারত জি-২০ ভুক্ত অন্যান্য সব দেশ ও সমপর্যায়ের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর চেয়ে দ্রুতগতিতে এগোবে, এখনো সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তবে কিছু ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে।’
মুডিসের এই পূর্বাভাস ভারতের সাম্প্রতিক দুর্দান্ত অর্থনৈতিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এসেছে। ২০২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ভারতের প্রকৃত জিডিপি বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৮ শতাংশ। যদিও খনি ও কিছু ভোক্তাভিত্তিক সেবা খাত কিছুটা মন্থর ছিল, তবুও উৎপাদন ও বিনিয়োগ খাতের জোরদার পারফরম্যান্স এই প্রবৃদ্ধিতে মূল ভূমিকা রেখেছে।
ভারতীয় সরকারের হিসাব অনুযায়ী, পূর্ববর্তী ২০২৬ অর্থবছরে ভারতের অর্থনীতি ৭.৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল। ওই সময় ব্যক্তিগত ভোগ এবং স্থির মূলধন গঠন, উভয় খাতে ৭.৫ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি দেখা যায়।
মুডিসের ধারণা, এই শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির কারণেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি খাতের অস্থিরতা, মূল্যস্ফীতি এবং বাণিজ্যের চিন্তা বাড়ানো মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ধাক্কা সহজে সামলে নিতে পেরেছে ভারত।
ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির জন্য মুডিসের নতুন ৭ শতাংশের পূর্বাভাস অন্যান্য বৈশ্বিক আর্থিক সংস্থা ও ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমানের তুলনায় অনেকটাই বেশি। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ২০২৬ সালের জুলাই আপডেটে ২০২৭ অর্থবছরে ভারতের প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৪ শতাংশ দিয়েছিল। আইএমএফ জানিয়েছিল, জ্বালানির উচ্চমূল্য অর্থনীতির গতি কিছুটা ধীর করলেও অভ্যন্তরীণ ভোগ ও সেবা খাত শক্তিশালী থাকবে। অন্যদিকে এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল রেটিংস এবং ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) উভয়েই ২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৬.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধির অনুমান করেছে।
প্রবৃদ্ধির উজ্জ্বল সম্ভাবনার পাশাপাশি কিছু ঝুঁকির কথাও মনে করিয়ে দিয়েছে মুডিস। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের চড়া দাম মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিতে পারে, যা সরাসরি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও ভোগে আঘাত হানবে। ভারত আমদানীকৃত তেলের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হওয়ায় জ্বালানির দাম দীর্ঘমেয়াদে বেশি থাকলে তা পরিবার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর খরচ অনেক বাড়িয়ে দেবে।
এ ছাড়া এল নিনোর প্রভাবে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়ে মূল্যস্ফীতি তীব্র হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ (রোববার) প্রায় দেড় মাস পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হোম ক্রিকেটে। এই সভায় দেশের ক্রিকেটের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি-নির্ধারণী এবং ভবিষ্যতের বড় সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিসিবির সংশ্লিষ্ট পরিচালকদের সূত্র অনুযায়ী, আজকের এজেন্ডায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিশেষ করে জাতীয় দলের নেতৃত্ব, ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন ক্যালেন্ডার এবং বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আজকের সভা পুরো ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।
এক নজরে আলোচনার শীর্ষ বিষয়সমূহ
বিপিএল নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বোর্ডের নিজস্ব উদ্যোগে দ্রুত সময়ের মধ্যে একটি জমকালো টি-টোয়েন্টি লিগ আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে আজ বোর্ড পরিচালকদের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর হাজার হাজার সন্দেহভাজন সদস্যের বিচার ও আইনি প্রক্রিয়ার দায়িত্ব ইরাক গ্রহণ করার প্রেক্ষাপটে রোববার দেশটিতে ছয় ফরাসি নাগরিকের বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ইরাকের কারাগারগুলোতে ইতোমধ্যে আইএসের বহু সন্দেহভাজন সদস্য আটক রয়েছে। গত বছর থেকে প্রতিবেশী সিরিয়ার কারাগারগুলো থেকে আরও হাজার হাজার বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করা হয়েছে।
এক বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার এএফপিকে জানান, ছয় ফরাসি নাগরিকের রোববার বিচার শুরু হবে।
তবে তাঁদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তাঁরা গত বছর সিরিয়া থেকে ইরাকে স্থানান্তরিত ৪৭ জন ফরাসি নাগরিকের একটি দলের সদস্য।
এই বড় দলের মধ্যে আদ্রিয়েন গিহালও রয়েছেন। তিনি ২০১৬ সালে ফ্রান্সের নিস শহরে হামলার দায় আইএসের পক্ষে স্বীকার করেছিলেন।
২০১৪ সালে আইএস সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়। ওই সময় গোষ্ঠীটি ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায় এবং নারী ও কিশোরীদের যৌন দাসত্বে বাধ্য করে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সহায়তায় ইরাক ২০১৭ সালে আইএসের বিরুদ্ধে বিজয় ঘোষণা করে। এর দুই বছর পর কুর্দি নেতৃত্বাধীন সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) সিরিয়াতেও গোষ্ঠীটির সামরিক পরাজয় নিশ্চিত করে।
তবে আইএসের রেখে যাওয়া সহিংসতার উত্তরাধিকার এখনো ইরাককে মোকাবিলা করতে হচ্ছে। গণকবর এবং আইএসের নৃশংসতার বহু সাক্ষ্য এখনো তদন্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে ইরাকের আদালত সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শত শত মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। এসব দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে বিদেশি যোদ্ধারাও রয়েছেন।
বিতর্কিত বিষয়
২০১৯ সালে ১১ জন ফরাসি নাগরিককে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁদের সাজা পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
কিছু মানবাধিকার সংগঠন ইরাকে সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত বিচারকে তড়িঘড়ি করা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার ঘাটতি রয়েছে বলে সমালোচনা করেছে।
ফ্রান্স নিজেও জিহাদি হামলার বারবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এ কারণে আইএসের সন্দেহভাজন সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে আনা বা প্রত্যাবাসনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত হয়ে আছে।
বৃহস্পতিবার ফরাসি আইনজীবীরা ইরাকে আটক ফরাসি নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের আশঙ্কা, ইরাকে এসব ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড হতে পারে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ৬০টিরও বেশি দেশের ৫ হাজার ৭০০-এর বেশি আইএস সন্দেহভাজন বন্দিকে ইরাকে স্থানান্তর করে।
এই বন্দিরা এর আগে কয়েক বছর ধরে কুর্দি নেতৃত্বাধীন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা সিরিয়ার কারাগারে আটক ছিলেন।
স্থানান্তরিত বন্দিদের মধ্যে অন্তত পাঁচজন ফরাসি নাগরিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের বয়স নাবালক ছিল, যখন তাঁদের বাবা-মা আইএসে যোগ দিয়েছিলেন।
চলতি মাসের শুরুতে ইরাকের বিচার বিভাগ জানায়, এসব বন্দির জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে মামলাগুলো এখন বিচারের দিকে এগোবে।
ইরাকের বিচার বিভাগ আরও জানিয়েছে, তদন্তে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কোনো প্রমাণ না পাওয়ায় ৪৫০ জনের বেশি সিরীয় নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হবে।
এর আগে এপ্রিল মাসে সন্দেহ থেকে অব্যাহতি পাওয়ার পর ইরাক দুই বিদেশি নাগরিককে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠায়। তাঁদের একজন ফিনল্যান্ডের এবং অন্যজন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যানবাহন বিকল হওয়া এবং সাধারণ পথচারীদের আহত হওয়ার ঘটনা এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের ছোট-বড় খানাখন্দে গাড়ির উল্টে পড়া যেন একটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রকাণ্ড গর্তে পড়ে বিকল হয়ে একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুটি যাত্রীবাহী গাড়ি দিনভর আটকে থাকার ঘটনাও ঘটেছে। ঈশ্বরদী ইপিজেডে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান টিপু সুলতান সড়ক-এ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। পৌর প্রশাসনে বছরের পর বছর পরিবর্তন এলেও প্রথম শ্রেণির এই পৌর শহরের অবহেলিত সড়কটির ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। অত্যন্ত ব্যস্ততম এই সড়কটি এখন স্থানীয় এবং পথচারীদের জন্য এক আতঙ্কের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, দেশে যখন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, ঠিক তখনই সেই অঞ্চলে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান এই সড়কটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ঈশ্বরদী ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার দেশি-বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তা চলাচল করেন। এ ছাড়া গণপরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাক, বালুবাহী ড্রামট্রাকসহ হাজার হাজার যানবাহন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে।
কিন্তু গত ১০ বছর ধরে রাস্তাটির সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। গত ৬ মাস ধরে টেন্ডার আহ্বানের কথা বলা হলেও কার্যত তার কোনো অগ্রগতি নেই। সড়কের পাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। মাসের পর মাস ধরে হাঁটু পানি ও কাদায় একাকার হয়ে থাকা এই সড়কে আরও একটি বর্ষাকাল পার হতে চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান মেলেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা তানজিরুল আলম মিটো বলেন, "এমনিতেই রাস্তা ভাঙাচোরা, তার ওপর ঝোপঝাড়ের কারণে সন্ধ্যার পর চলাচল করা যায় না।" ড্রেন না থাকায় বৃষ্টির পানি রাস্তাতেই জমে থাকে। গর্তে পানি জমে থাকার কারণে প্রায়ই যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছে।
জানা গেছে, টিপু সুলতান রোডটি ঈশ্বরদী শহর থেকে সাঁড়াগোপালপুর, বকশিরচক তালতলা হয়ে ঈশ্বরদী ইপিজেড, পাকশী পেপার মিল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং লালন শাহ সেতু পর্যন্ত বিস্তৃত। সড়কটির প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ পৌরসভার, কিছু অংশ রেলওয়ের এবং অবশিষ্ট অংশ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন।
ইপিজেডে যাতায়াতকারী চালক ও শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন ভাঙা রাস্তায় গাড়ি উল্টে বা বিকল হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকে, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল জব্বার জানান, "ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেই মূলত রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হচ্ছে।" এ ছাড়া কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশ দিয়ে নতুন রেললাইন স্থাপনের সময়ও সড়কটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঈশ্বরদী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, "প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষা মৌসুম পার হলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে।"
ঈশ্বরদী পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (পিএনও) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, "এই সড়কের যান চলাচলের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২০ টন। অথচ প্রতিদিন অতিরিক্ত ওজনের বালুবাহী ড্রামট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাটি মেয়াদের আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ