রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৯ পি.এম
যানবাহন বিকল হওয়া এবং সাধারণ পথচারীদের আহত হওয়ার ঘটনা এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের ছোট-বড় খানাখন্দে গাড়ির উল্টে পড়া যেন একটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রকাণ্ড গর্তে পড়ে বিকল হয়ে একটি কাভার্ডভ্যানসহ দুটি যাত্রীবাহী গাড়ি দিনভর আটকে থাকার ঘটনাও ঘটেছে। ঈশ্বরদী ইপিজেডে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান টিপু সুলতান সড়ক-এ প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। পৌর প্রশাসনে বছরের পর বছর পরিবর্তন এলেও প্রথম শ্রেণির এই পৌর শহরের অবহেলিত সড়কটির ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয়নি। অত্যন্ত ব্যস্ততম এই সড়কটি এখন স্থানীয় এবং পথচারীদের জন্য এক আতঙ্কের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।
সরেজমিনে জানা যায়, দেশে যখন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে, ঠিক তখনই সেই অঞ্চলে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান এই সড়কটি অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ঈশ্বরদী ইপিজেডে কর্মরত হাজার হাজার দেশি-বিদেশি শ্রমিক ও কর্মকর্তা চলাচল করেন। এ ছাড়া গণপরিবহন, পণ্যবাহী ট্রাক, বালুবাহী ড্রামট্রাকসহ হাজার হাজার যানবাহন দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা এই পথ দিয়ে যাতায়াত করে।
কিন্তু গত ১০ বছর ধরে রাস্তাটির সংস্কারের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনো কাজ হয়নি। গত ৬ মাস ধরে টেন্ডার আহ্বানের কথা বলা হলেও কার্যত তার কোনো অগ্রগতি নেই। সড়কের পাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। মাসের পর মাস ধরে হাঁটু পানি ও কাদায় একাকার হয়ে থাকা এই সড়কে আরও একটি বর্ষাকাল পার হতে চললেও স্থায়ী কোনো সমাধান মেলেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা তানজিরুল আলম মিটো বলেন, "এমনিতেই রাস্তা ভাঙাচোরা, তার ওপর ঝোপঝাড়ের কারণে সন্ধ্যার পর চলাচল করা যায় না।" ড্রেন না থাকায় বৃষ্টির পানি রাস্তাতেই জমে থাকে। গর্তে পানি জমে থাকার কারণে প্রায়ই যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছে।
জানা গেছে, টিপু সুলতান রোডটি ঈশ্বরদী শহর থেকে সাঁড়াগোপালপুর, বকশিরচক তালতলা হয়ে ঈশ্বরদী ইপিজেড, পাকশী পেপার মিল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং লালন শাহ সেতু পর্যন্ত বিস্তৃত। সড়কটির প্রায় ২ কিলোমিটার অংশ পৌরসভার, কিছু অংশ রেলওয়ের এবং অবশিষ্ট অংশ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন।
ইপিজেডে যাতায়াতকারী চালক ও শ্রমিকরা জানান, প্রতিদিন ভাঙা রাস্তায় গাড়ি উল্টে বা বিকল হয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়ে থাকে, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল জব্বার জানান, "ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের ভারী যানবাহন চলাচলের কারণেই মূলত রাস্তাটি দ্রুত নষ্ট হচ্ছে।" এ ছাড়া কয়েক বছর আগে রাস্তার পাশ দিয়ে নতুন রেললাইন স্থাপনের সময়ও সড়কটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ঈশ্বরদী পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী প্রবীর কুমার বিশ্বাস জানান, "প্রকল্পের আওতায় সড়কটির সার্ভে সম্পন্ন হয়েছে। বর্ষা মৌসুম পার হলেই দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা নির্মাণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে।"
ঈশ্বরদী পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা (পিএনও) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, "এই সড়কের যান চলাচলের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ২০ টন। অথচ প্রতিদিন অতিরিক্ত ওজনের বালুবাহী ড্রামট্রাক চলাচলের কারণে রাস্তাটি মেয়াদের আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বাবা-মাকে সন্তানের কোথায় যাওয়া, কার সঙ্গে মিশছে এবং বন্ধুমহল সম্পর্কে খোঁজখবর রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে এই আহ্বান জানান।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান উল্লেখ করেন, "সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, তার বন্ধু সার্কেল কেমন, সেটার খোঁজখবর রাখা আমাদের প্রত্যেক বাবা-মায়ের দায়িত্বও বটে।" কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড সেটি আমাদের আরও স্মরণ করিয়ে দেয়।
তিনি জানান, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে পুলিশ যে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে, তারা এলাকায় কিশোর গ্যাং হিসেবে পরিচিত। সিসিটিভি ফুটেজে হত্যাকাণ্ডের শিকার অপ্রতিমকে ঘাতক তুহিনের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে দেখা যায়।
রাশেদ খান আরও বলেন, "আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, অপ্রতিম একটু সিনিয়র ক্লাসের বন্ধুদের সঙ্গে মিশতে পছন্দ করত।" সেই জায়গা থেকে তুহিনদের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়। তিনি জানান, "আমরাও ছোটবেলায় এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে ওঠাবসা করেছি। কিন্তু এলাকার খারাপ ছেলেদের থেকে সবসময় দূরে থাকার চেষ্টা করেছি।" এ ক্ষেত্রে বাবা-মায়ের শাসন ও নৈতিক নির্দেশনাও গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
তিনি বলেন, দেশের সব এলাকাতেই তুহিনদের মতো কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত রয়েছে। তারা ফেসবুকে চটকদার ছবি ও সিনেমাটিক ভিডিও প্রকাশ করে অল্পবয়সী তরুণদের আকৃষ্ট করে নিজেদের দলে ভেড়ানোর চেষ্টা করে।
রাশেদ খান বলেন, গণমাধ্যমের খবরে এসেছে, আইফোনের লোভ দেখিয়ে ছবি তোলার কথা বলে তারা শিশু অপ্রতিমকেও বিভ্রান্ত করে ঘর থেকে বের করে আনে। তিনি উল্লেখ করেন, "বাবা-মায়ের কর্মব্যস্ততার কারণে হয়তো শিশুটির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ তৈরি হওয়ার বিষয়টি বুঝে ওঠা সম্ভব হয়নি।"
তিনি বলেন, অপ্রতীমের নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা কিশোর গ্যাং নির্মূলের বার্তা দেয়। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান। "নতুবা আগামীকাল আপনার-আমার সন্তানের পরিণতিও অপ্রতীমের মতো হতে পারে।"
এরপর দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব নিয়ে মন্তব্য করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, "সব ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়ী করতে পারেন, যেহেতু আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়েছে।" কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বর্তমানে বিরোধী দলের দেশব্যাপী নিত্যনতুন কর্মসূচির নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত থাকবে, নাকি ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা রোধে মনোযোগ দেবে, নাকি সামাজিক অপরাধ বন্ধে বেশি গুরুত্ব দেবে? কোথায় অগ্রাধিকার থাকা দরকার?
কারণ, জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। ১৬ বছরে বাহিনীগুলোকে দলীয়করণ করার অপচেষ্টার ইতিহাসও কারও অজানা নয়।
তিনি বলেন, "এ কারণে যেখানে বিরোধী দলের দায়িত্ব ছিল ১৬ বছর ধরে তৈরি হওয়া জঞ্জাল, অপসংস্কৃতি, অপরাধ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দমনে সরকারকে সহযোগিতা করা, সেখানে উলটো অসহযোগিতার মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নাজুক করে ক্ষমতায় যেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।" আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ বাসে আগুন দিচ্ছে, ককটেল মারছে। আবার জামায়াত নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল এক দফার হুমকি দিয়ে রাজপথ গরম করছে।
রাশেদ খান বলেন, "অর্থাৎ বিএনপি সরকারকে একসঙ্গে দুটি বিরোধী দলের অপতৎপরতা সামলিয়ে দেশ চালাতে হচ্ছে।" এটি সরকার ও রাষ্ট্রের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিতভাবে সরকারকে সহযোগিতার বিকল্প নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বাসটির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে। তবে, এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে নগরীর মাসকান্দা বাসস্ট্যান্ড এলাকার পলিটেকনিকের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ১২টা ১০ মিনিটের দিকে বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২০ মিনিটের চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মো. হাবিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী জানিয়েছেন, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিতে কেউ আগুন দিয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করেছে। তদন্ত শেষে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দিয়ে পালিয়ে গেছে। তাদের শনাক্ত করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চামারি আথাপাত্থু অপরাজিত ৮৩ রানের ইনিংস খেলে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছেছেন। আয়েশা জাফরের ৭১ ও শাওয়াল জুলফিকারের ৫৪ রানের জবাবে আথাপাত্থুর এই ইনিংসটি আসে।
চামারি আথাপাত্থুর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ফলে শ্রীলঙ্কা এশিয়ান গেমস নারী ক্রিকেটের ফাইনালে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। ৫০ বলে ৮৩ রান করার সময় তিনি ছয়টি ছক্কা মারেন। তাঁর অসাধারণ ব্যাটিংয়ে ১৭৮ রানের লক্ষ্যে দলটি ১৯তম ওভারের আগেই পৌঁছে যায়।
টস জিতে পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৭ রান সংগ্রহ করে। আয়েশা জাফরের ৪০ বলে ৭১ রান এবং শাওয়াল জুলফিকারের ৫০ বলে ৫৪ রান তাদের লড়াইয়ের জন্য যথেষ্ট পুঁজি তৈরি করে। জবাবে শ্রীলঙ্কা ১৮.৫ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান করে।
শ্রীলঙ্কার রান তাড়ায় শুরু থেকেই গতি আনেন ইমেশা দুলানি। প্রথম চার ওভারে তিনি পাঁচটি চার মারেন। ২১ বলে ২৭ রান করে ফিরে গেলেও আথাপাত্থু তখনো ধীরগতিতে ব্যাট করছিলেন। ৯ বলে তাঁর রান ছিল মাত্র ৪। পাওয়ারপ্লে শেষে ১২ বলে ৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি, তখনো কোনো বাউন্ডারি মারেননি।
তবে অষ্টম ওভারে ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। মোমিনা রিয়াসাতের ওভারে আথাপাত্থু মারেন ৬, ৪, ৬, ৪—মোট ২০ রান। দ্বিতীয় ছক্কাটি ভাগ্যের সহায়তায় আসে, যেখানে ফাতিমা সানা ক্যাচ নিয়েও সীমানার দড়িতে পা দিয়ে ফেলেন। ফলে ১৯ বলে ১৮ রানেই জীবন পান আথাপাত্থু; ক্যাচটি ঠিকভাবে নেওয়া হলে তখনই তাঁর ফিরে যেতে হতো।
এরপর বাঁহাতি ব্যাটার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে চলে আসেন। নাশরা সান্ধুর দশম ওভারে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ ওভারে শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন নামিয়ে আনেন ৬০ বলে ৯০ রানে।
ম্যাচ পুরোপুরি একপেশে হয়নি, তবে শ্রীলঙ্কার রান তোলার গতি থামাতে পারেনি পাকিস্তান। অধিনায়কের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে শুরু করেন হাসিনি পেরেরা। তুবা হাসানের ১৩তম ওভারে তিনি দুটি ছক্কা ও একটি চার মারেন।
১৪তম ওভারের শেষ বলে ২৬ বলে ৪২ রান করে হাসিনি ফিরে গেলে তাঁর ও আথাপাত্থুর জুটি থামে ৫৬ বলে ৯৫ রানে। তখন শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল ৩৬ বলে ৪৭ রান। কিন্তু আথাপাত্থু ও হার্শিতা মাধবী মাত্র ২৩ বলেই বাকি রান তুলে নেন।
পাকিস্তানের ইনিংসে আয়েশা জাফর ছিলেন প্রধান নায়ক। তিনি চার নম্বরে নেমে মাত্র ৪০ বলে ৭১ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ছিল নয়টি চার ও দুটি ছক্কা। শাওয়াল জুলফিকারেরও টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি আসে, তবে ৫৪ রান করতে তিনি খেলেন ৫০ বল।
তৃতীয় উইকেটে জাফর ও জুলফিকারের মধ্যে ৭০ বলে ১১৫ রান যোগ হয়। এই জুটির মাধ্যমেই পাকিস্তানের ইনিংস শক্ত ভিত্তি পায়। তবে জুটিতে বড় শটের বেশিরভাগই আসে জাফরের ব্যাট থেকে। জুলফিকার করেন ৩০ বলে ৩৭ রান।
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ১৭৭ রান তোলে—শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তাদের টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। কিন্তু আথাপাত্থুর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের কারণে সেই রেকর্ড গড়া স্কোরও যথেষ্ট হয়নি। ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কা ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে মন্ত্রিপরিষদের একটি বৈঠক। এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সরকারের নীতি-নির্ধারণী বিভিন্ন বিষয়, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবরাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ