ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ছাত্র আন্দোলনের মুখে অমিত শাহ নতি স্বীকার করলেন


ছাত্র আন্দোলনের মুখে অমিত শাহ নতি স্বীকার করলেন

পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সরব হলে পুলিশি ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনার মুখে, অবশেষে সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধী দলগুলোর টানা দাবির মুখে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর নেওয়া পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। কিন্তু আলোচনা ও মন্ত্রীর বক্তব্যের সময় বিরোধীদের সংসদকক্ষে কোনো প্রকার হট্টগোল বা গোলযোগ না করার আহ্বান করেছেন তিনি।

সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিরেন রিজিজু জানান, ছাত্র আন্দোলন এবং তৎসংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয়ে সরকার সংসদে বিশদ আলোচনা করতে সম্পূর্ণ রাজি। বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বক্তব্য দেবেন, কিংবা সরকার যখন জবাব দেবে, তখন বিরোধী শিবির যেন হট্টগোল করে পরিবেশ বিনষ্ট না করে। তাদের ধৈর্য ধরে সরকারের বক্তব্য ও গৃহমন্ত্রীর জবাব শোনা উচিত, বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সরকারের এই অবস্থান এসেছে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর একটি কড়া কলাম প্রকাশের পর। একটি জাতীয় দৈনিকে লেখা কলামে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি আক্রমণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো তদন্তের নির্দেশ দেননি, এমনকি কোনো বক্তব্যও পেশ করেননি। তিনি দাবি করেছেন, আন্দোলন থামাতে ছাত্রদলের ওপর কাঁদানে গ্যাস, পেরেকযুক্ত লাঠি এবং পেল্ট গান ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বিহারের সিওয়ানে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর একে-৪৭ দিয়ে গুলি চালানোর মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন তিনি।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

এর আগে গত ২০ জুলাই, নতুন দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবনের দিকে বিক্ষোভকারীরা এগোতে চাইলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এই ঘটনায় একাধিক শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হন। এরপরই ভারতজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিরোধীরা এই ঘটনাকে ‘অবৈধ ও অসংবিধানিক সহিংসতা’ হিসেবে উল্লেখ করে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

সূত্র: এনডিটিভি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৭ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৃক্ষরোপণ, শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলার হাবলা উচ্চ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে তরী বাংলাদেশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব নোমান আহমেদের সঞ্চালনায় এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, কেন্দ্রীয় সদস্য নাজমুল খান, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষিকা সীমা পোদ্দার, সিনিয়র শিক্ষক মোশাররফ হোসেন, তরী বাংলাদেশ সদর উপজেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক জুবাইদুর রহমান মেহেদী, মো. ইলিয়াছ চৌধুরী ও সমাজসেবক আব্দুর রহমান লিটন।

বক্তারা এই অনুষ্ঠানে বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, বরং রোপণ করা প্রতিটি গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশবান্ধব মানসিকতা গড়ে তুলতে বিদ্যালয়ভিত্তিক বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না; বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।

এ সময় তরী বাংলাদেশের ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক মোবারক আলম ভূঁইয়া, সদস্য ওমর ফারুক হৃদয়সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ

এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না

কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার ডিলার সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা–২০২৫ (সংশোধিত)’ বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে।

সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিদপ্তর থেকে রবিবার একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম আদেশে স্বাক্ষর করেন।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় ইউরিয়া এবং নন-ইউরিয়া সার বিতরণের জন্য ন্যূনতম ৯ জন ডিলার থাকার প্রয়োজনীয়তা বিদ্যমান। তবে জেলা চাহিদা এবং কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ বিবেচনায় ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সার ডিলার নিয়োগের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও জেলা ডিলার সমবায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হলো একজন ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না। আবেদন পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশও জারি করা হয়েছে। নতুন ডিলারদের অবশ্যই নিজস্ব গুদাম এবং সার বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস সেন্টার থাকতে হবে।

বিদ্যমান ডিলারদের লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার চাহিদা, জেলাভিত্তিক কোটা এবং নীতিমালার শর্ত পূরণের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করা হবে। অফিস আদেশের মধ্যে আরো বলা হয়েছে, সার উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি ডিলার কিংবা উপজেলা পর্যায়ে সার সরবরাহ করতে হবে। জেলা কমিটি ডিলারদের জন্য ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করার বিষয়টিও বলা হয়েছে।

নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ডিলার যদি নীতিমালা লঙ্ঘন করে কিংবা নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ করে তবে তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

নীতিমালার বিস্তারিত তথ্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই সংশোধিত নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুন পোকার গুঁড়োতেই মিলল খুনের ক্লু, ভাণ্ডারিয়ায় ১৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন লাশ পড়ে ছিল বেরিবাঁধে, কিন্তু খুনের ঘটনা ঘটেছিল নিজের ঘরেই; স্ত্রী ও তিন ছেলে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তরিকুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


ঘুন পোকার গুঁড়োতেই মিলল খুনের ক্লু, ভাণ্ডারিয়ায় ১৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন লাশ পড়ে ছিল বেরিবাঁধে, কিন্তু খুনের ঘটনা ঘটেছিল নিজের ঘরেই; স্ত্রী ও তিন ছেলে গ্রেফতার
 

লাশ পড়ে ছিল নদীর বেরিবাঁধের পাশে। দেখে মনে হচ্ছিল, সেখানেই হয়তো খুন করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের চোখে ধরা পড়ে মরদেহের মাথা ও কানের পাশে লেগে থাকা কাঠখেকো ঘুন পোকার গুঁড়ো। সেই অতি ক্ষুদ্র আলামতই শেষ পর্যন্ত খুলে দেয় পুরো হত্যার রহস্যের জট।

মাত্র ১৬ ঘণ্টার তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নের হরিণপালা এলাকায় ইসমাইল শরীফ (৬০) কে বাইরে নয়, তার নিজের বসতঘরেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে হত্যার ঘটনা আড়াল করতে মরদেহ নিয়ে ফেলে রাখা হয় নদীর বেরিবাঁধ এলাকায়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই জয়নাল শরীফ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শেফালী বেগম এবং তিন ছেলে রুবেল শরীফ, রুমান শরীফ ও রাসেল শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুঠারসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত।

রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে ভাণ্ডারিয়া থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে তেলিখালী ইউনিয়নের বেরিবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় রক্তাক্ত একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয় ইসমাইল শরীফ হিসেবে।
মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি প্রথমে একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড হিসেবেই সামনে আসে। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি শুরু করে ছায়া তদন্ত।
প্রাথমিক সন্দেহের তালিকায় আসে নিহতের স্ত্রী ও তিন ছেলে। তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও শুরুতে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন। তদন্তে নাটকীয় মোড় আসে মরদেহের সুরতহাল ও ছবি বিশ্লেষণের সময়। তদন্তকারীদের নজরে পড়ে নিহতের মাথা ও কানের পাশে থাকা কাঠখেকো ঘুন পোকার গুঁড়ো।
এই সামান্য আলামত নিয়েই তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডের মূল ঘটনাস্থল হয়তো বেরিবাঁধ নয়। ঘুন পোকার গুঁড়ো যদি মরদেহে লেগে থাকে, তাহলে হত্যার আগে মরদেহ কোনো কাঠের ঘর বা কাঠের তৈরি স্থাপনার সংস্পর্শে ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়।
একপর্যায়ে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন নিহতের ঘরের বারান্দা চালার বাঁশ ও কাঠের গুঁড়ো, মাটির মেঝেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন এবং রক্তের স্পষ্ট দাগ দেখতে পান। একের পর এক আলামত মিলতে থাকায় পুলিশের কাছে পরিষ্কার হতে থাকে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে ইসমাইল শরীফের নিজের ঘরেই।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভেঙে পড়েন নিহতের ছোট ছেলে রাসেল শরীফ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বারান্দার খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুঠার।
পরে রাতে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। সংগ্রহ করা হয় রক্তমাখা মাটি ও ঘুন পোকার গুঁড়োও। এ ছাড়া নিহতের স্ত্রী শেফালী বেগমের শরীরেও রক্তের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এসব আলামত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ ও মারামারির ঘটনা ঘটত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলের অতিক্ষুদ্র আলামত ও তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা ও অধিকতর তদন্ত শেষে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসির কাছে অভিযোগ, মুহূর্তেই পরিষ্কার কেরানীগঞ্জের ময়লার ভাগাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ডিসির কাছে অভিযোগ, মুহূর্তেই পরিষ্কার কেরানীগঞ্জের ময়লার ভাগাড়

‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ নেওয়ার পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করা হয়েছে।

রবিবার (১০ আগস্ট) ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া এই অভিযোগটি কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলাতিয়া বাজার ও আশপাশের এলাকার গৃহস্থালি বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে ফেলা হয়েছিল। এর ফলে সেখানে বড় ধরনের ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে। দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি এটি পরিবেশকে দূষিত করছে।

কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত হওয়ার কারণে ময়লার স্তূপের কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে স্কুলে যাতায়াতের সময় শিক্ষার্থীদের ময়লা এবং দুর্গন্ধের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হতো।

এ বিষয়ে ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার ফলে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করে স্থানটি পরিষ্কার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিত ময়লা ফেলা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগের পর দ্রুত ময়লা অপসারণ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে ‘হ্যালো ডিসি’ কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার স্তূপের বিষয়টি অভিযোগের মাধ্যমে নজরে আসার পর সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পরে সেখানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব। যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে স্থানীয়দের সচেতন হতে হবে। ‘হ্যালো ডিসি’র মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%