ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ

এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না


এক ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিক হতে পারবেন না

কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার ডিলার সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা–২০২৫ (সংশোধিত)’ বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এই নির্দেশনার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে।

সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিদপ্তর থেকে রবিবার একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আহমেদ ফয়সল ইমাম আদেশে স্বাক্ষর করেন।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিটি উপজেলায় ইউরিয়া এবং নন-ইউরিয়া সার বিতরণের জন্য ন্যূনতম ৯ জন ডিলার থাকার প্রয়োজনীয়তা বিদ্যমান। তবে জেলা চাহিদা এবং কৃষি উৎপাদনের পরিমাণ বিবেচনায় ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। নীতিমালায় বলা হয়েছে, সার ডিলার নিয়োগের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও জেলা ডিলার সমবায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে জেলা কমিটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: কম্বোডিয়ায় দুই বাংলাদেশিকে ৫ হাজার ডলারে বিক্রি করেছে মানবপাচারকারীরা

একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হলো একজন ব্যক্তি একাধিক সার ডিলারশিপের মালিকত্ব গ্রহণ করতে পারবেন না। আবেদন পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে সুপারিশ পাঠানোর নির্দেশও জারি করা হয়েছে। নতুন ডিলারদের অবশ্যই নিজস্ব গুদাম এবং সার বিক্রির জন্য প্রয়োজনীয় সার্ভিস সেন্টার থাকতে হবে।

বিদ্যমান ডিলারদের লাইসেন্স নবায়ন করতে গেলে সংশ্লিষ্ট এলাকার চাহিদা, জেলাভিত্তিক কোটা এবং নীতিমালার শর্ত পূরণের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনা করা হবে। অফিস আদেশের মধ্যে আরো বলা হয়েছে, সার উৎপাদনকারী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরাসরি ডিলার কিংবা উপজেলা পর্যায়ে সার সরবরাহ করতে হবে। জেলা কমিটি ডিলারদের জন্য ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করার বিষয়টিও বলা হয়েছে।

নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনো ডিলার যদি নীতিমালা লঙ্ঘন করে কিংবা নির্ধারিত শর্ত ভঙ্গ করে তবে তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

নীতিমালার বিস্তারিত তথ্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, সার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কৃষকদের কাছে সময়মতো সার পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই সংশোধিত নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন করা হবে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব: এনএসইজেডের সমস্যা ৩ মাসে সমাধান হবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুন পোকার গুঁড়োতেই মিলল খুনের ক্লু, ভাণ্ডারিয়ায় ১৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন লাশ পড়ে ছিল বেরিবাঁধে, কিন্তু খুনের ঘটনা ঘটেছিল নিজের ঘরেই; স্ত্রী ও তিন ছেলে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তরিকুল ইসলাম, ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৮ পি.এম


ঘুন পোকার গুঁড়োতেই মিলল খুনের ক্লু, ভাণ্ডারিয়ায় ১৬ ঘণ্টায় হত্যার রহস্য উন্মোচন লাশ পড়ে ছিল বেরিবাঁধে, কিন্তু খুনের ঘটনা ঘটেছিল নিজের ঘরেই; স্ত্রী ও তিন ছেলে গ্রেফতার
 

লাশ পড়ে ছিল নদীর বেরিবাঁধের পাশে। দেখে মনে হচ্ছিল, সেখানেই হয়তো খুন করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশের চোখে ধরা পড়ে মরদেহের মাথা ও কানের পাশে লেগে থাকা কাঠখেকো ঘুন পোকার গুঁড়ো। সেই অতি ক্ষুদ্র আলামতই শেষ পর্যন্ত খুলে দেয় পুরো হত্যার রহস্যের জট।

মাত্র ১৬ ঘণ্টার তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নের হরিণপালা এলাকায় ইসমাইল শরীফ (৬০) কে বাইরে নয়, তার নিজের বসতঘরেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে হত্যার ঘটনা আড়াল করতে মরদেহ নিয়ে ফেলে রাখা হয় নদীর বেরিবাঁধ এলাকায়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই জয়নাল শরীফ বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শেফালী বেগম এবং তিন ছেলে রুবেল শরীফ, রুমান শরীফ ও রাসেল শরীফকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুঠারসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত।

রবিবার (৯ আগস্ট) রাতে ভাণ্ডারিয়া থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে তেলিখালী ইউনিয়নের বেরিবাঁধ সংলগ্ন এলাকায় রক্তাক্ত একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ভাণ্ডারিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয় ইসমাইল শরীফ হিসেবে।
মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাটি প্রথমে একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ড হিসেবেই সামনে আসে। পুলিশ মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর পাশাপাশি শুরু করে ছায়া তদন্ত।
প্রাথমিক সন্দেহের তালিকায় আসে নিহতের স্ত্রী ও তিন ছেলে। তাদের থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও শুরুতে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নিজেদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি করেন। তদন্তে নাটকীয় মোড় আসে মরদেহের সুরতহাল ও ছবি বিশ্লেষণের সময়। তদন্তকারীদের নজরে পড়ে নিহতের মাথা ও কানের পাশে থাকা কাঠখেকো ঘুন পোকার গুঁড়ো।
এই সামান্য আলামত নিয়েই তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, হত্যাকাণ্ডের মূল ঘটনাস্থল হয়তো বেরিবাঁধ নয়। ঘুন পোকার গুঁড়ো যদি মরদেহে লেগে থাকে, তাহলে হত্যার আগে মরদেহ কোনো কাঠের ঘর বা কাঠের তৈরি স্থাপনার সংস্পর্শে ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়।
একপর্যায়ে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন নিহতের ঘরের বারান্দা চালার বাঁশ ও কাঠের গুঁড়ো, মাটির মেঝেতে ধস্তাধস্তির চিহ্ন এবং রক্তের স্পষ্ট দাগ দেখতে পান। একের পর এক আলামত মিলতে থাকায় পুলিশের কাছে পরিষ্কার হতে থাকে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে ইসমাইল শরীফের নিজের ঘরেই।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভেঙে পড়েন নিহতের ছোট ছেলে রাসেল শরীফ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বারান্দার খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রক্তমাখা কুঠার।
পরে রাতে সিআইডির ক্রাইম সিন টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে। সংগ্রহ করা হয় রক্তমাখা মাটি ও ঘুন পোকার গুঁড়োও। এ ছাড়া নিহতের স্ত্রী শেফালী বেগমের শরীরেও রক্তের চিহ্ন পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এসব আলামত ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে দীর্ঘদিনের পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের বিষয়টি সামনে এসেছে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ ও মারামারির ঘটনা ঘটত বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ ও প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে আরও পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান বলেন, ঘটনাস্থলের অতিক্ষুদ্র আলামত ও তথ্যপ্রযুক্তির দক্ষ ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র ১৬ ঘণ্টার মধ্যে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডটির রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতার চারজনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা ও অধিকতর তদন্ত শেষে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিসির কাছে অভিযোগ, মুহূর্তেই পরিষ্কার কেরানীগঞ্জের ময়লার ভাগাড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ডিসির কাছে অভিযোগ, মুহূর্তেই পরিষ্কার কেরানীগঞ্জের ময়লার ভাগাড়

‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগ নেওয়ার পর ঢাকার কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করা হয়েছে।

রবিবার (১০ আগস্ট) ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম ‘হ্যালো ডিসি’ অ্যাপের মাধ্যমে পাওয়া এই অভিযোগটি কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে পাঠিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কলাতিয়া বাজার ও আশপাশের এলাকার গৃহস্থালি বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে ফেলা হয়েছিল। এর ফলে সেখানে বড় ধরনের ময়লার স্তূপ তৈরি হয়েছে। দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি এটি পরিবেশকে দূষিত করছে।

কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত হওয়ার কারণে ময়লার স্তূপের কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে স্কুলে যাতায়াতের সময় শিক্ষার্থীদের ময়লা এবং দুর্গন্ধের মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হতো।

এ বিষয়ে ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়। পরে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার ফলে কলাতিয়া খাল ও ব্রিজের নিচে জমে থাকা ময়লার স্তূপ অপসারণ করে স্থানটি পরিষ্কার করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিত ময়লা ফেলা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ‘হ্যালো ডিসি’তে অভিযোগের পর দ্রুত ময়লা অপসারণ করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে ‘হ্যালো ডিসি’ কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। কলাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ময়লার স্তূপের বিষয়টি অভিযোগের মাধ্যমে নজরে আসার পর সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পরে সেখানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের চলাচলের স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সবার দায়িত্ব। যত্রতত্র ময়লা না ফেলতে স্থানীয়দের সচেতন হতে হবে। ‘হ্যালো ডিসি’র মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা উয়েফা-এএফসি ও কনকাকাফের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


ইনফান্তিনোর কড়া সমালোচনা উয়েফা-এএফসি ও কনকাকাফের

ফুটবল অঙ্গনে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি আলোচিত নাম ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। বিশ্বকাপ ফুটবলের একটি স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনার ভেস্তে যাওয়ার পর তিনি যে চরম বিরোধীতার মুখে রয়েছেন, তা স্পষ্ট। এমন অবস্থায় ফিফা এবং ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ উয়েফা, কনকাকাফ এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন এনেছে।

কনফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘ফিফা ফরওয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রস্তাব নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের মূল বিষয় ছিল খেলার সততা এবং যারা নেতৃত্বে নির্বাচিত হয়েছেন তাদের সততা। এই প্রকল্পের আওতায় ফিফার সব প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক ও টিকিট বিক্রির স্বত্ব পরিচালনার জন্য একটি নতুন কোম্পানি গঠনের পরিকল্পনা ছিল, যার ২১ শতাংশ মালিকানা একটি বেসরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করার কথা ছিল।

বিভিন্ন কনফেডারেশনের ব্যাপক সমালোচনার মুখে এই উদ্যোগটি বাতিল করা হয়। বিশেষ করে উয়েফা ফিফার সকল প্রতিযোগিতা বয়কটের হুমকিও দিয়েছিল। চিঠিতে বলা হয়েছে, যখন প্রতারণার মাধ্যমে বিশ্বাস ভঙ্গ করা হয়, তখন কোনো ব্যক্তি নিজেকে সেই সমষ্টির ঊর্ধ্বে স্থাপন করেন যারা তাকে দায়িত্ব অর্পণ করেছিল। এরপর সেই কর্তব্যের প্রতি অবহেলা বা তা পরিত্যাগ করার বিষয়টি এসে যায়।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ফুটবলের নেতৃত্ব জাতীয় বা ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এটি ক্ষমতা কুক্ষিগত করা বা দাবি করার বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত নয়। বরং যারা এই দায়িত্ব অর্পণ করেছে, সেই ফুটবল পরিবারের প্রতি সেবার দায়িত্ব পালনই হলো আসল বিষয়। অক্টোবরের বৈঠকের জন্য ফিফা কাউন্সিল একটি প্রতিবেদন উপস্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া চিঠিতে উয়েফা-র দেওয়া একটি আইনি সতর্কবার্তার কথাও উল্লেখ রয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পর্কিত কোনো নথিপত্র যেন ফিফা মুছে না ফেলে বা ধ্বংস না করে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ফিফা একটি বিবৃতি প্রকাশ করে, যেখানে সংস্থাটি এবং ইনফান্তিনোকে ‘দুর্বল বা হেয় প্রতিপন্ন করার’ লক্ষ্যে চালানো সুপরিকল্পিত ও চলমান প্রচেষ্টার তীব্র সমালোচনা করেছে। কনফেডারেশনগুলো জানায়, বিশ্বকাপ স্বত্ব প্রক্রিয়ায় ভুল হওয়ার বিষয়টি ফিফা স্বীকার করলেও, তা যথেষ্ট ছিল না। চিঠিতে বলা হয়, তারা স্বীকার করেনি, প্রস্তাবটিই ছিল মূলত ভুল। ফিফা বিশ্বকাপ সংশ্লিষ্ট কোনো স্বত্ব বা অংশ বিক্রির প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল, তা যে বিচার-বিবেচনার ক্ষেত্রে চরম ব্যর্থতা ছিল, সেটিও তারা স্বীকার করতে পারেনি। এটি কেবল একটি পদ্ধতিগত ভুল পদক্ষেপ ছিল না, বরং ফিফা যাদের সেবার জন্য গঠন করা হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আস্থার একটি মৌলিক লঙ্ঘন ছিল এটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যা-সিবাদী সরকার সবকিছু ধ্বংস করেছে, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৩ পি.এম


ফ্যা-সিবাদী সরকার সবকিছু ধ্বংস করেছে, এখন পুনর্গঠনের পালা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ে ফ্যাসিবাদী সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে গেছে এবং এখন এসব খাত পুনর্গঠনের পালা।

তিনি সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় তিনটি এসডিজি গ্রামের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন।

দেশে প্রথমবারের মতো টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় তিনটি গ্রামের কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাইলট কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত গ্রামগুলো হলো- দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিংগাছড়ি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে গেছে ফ্যাসিবাদী সরকার। এখন এসব খাত পুনর্গঠনের পালা। সেই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করছে।

বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়তে চায় সরকার। আমরা মনে করি, দেশ পুনর্গঠনের এই যাত্রা পথে অবশ্যই এসডিজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অনস্বীকার্য।

তারেক রহমান বলেন, কোনও এক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়। এজন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘কাউকে পেছনে ফেলে নয়’ এই মূলনীতির সঙ্গে বর্তমান সরকারের জননীতিরও মিল রয়েছে। সব শ্রেণি-পেশা তথা জনগণের স্বার্থ নিশ্চিতকরার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নীতি হলো, ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সমন্বিত উন্নয়নের একটি কার্যকর মডেল তৈরি করা হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, বাংলাদেশ যেভাবে মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্টগোল-এমডিজি বাস্তবায়নে সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিল, একইভাবে সাস্টেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট গোল-এসডিজি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ যথাযথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করে চলেছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%