মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৬ পি.এম
মানবপাচারকারীরা দুই বাংলাদেশি তরুণকে ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টারে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে বিক্রি করে। যদিও পরিবার থেকে একই পরিমাণ অর্থ মুক্তিপণ প্রদান করা হয়, তবুও তারা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্টন থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন গাজীপুরের পূবাইল থানার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা মো. সালাউদ্দিন শেখ ওরফে পনিরের ছেলে মো. শাওন মোল্লা (২৩) এবং একই থানার নয়ানিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা শরীফুল ইসলামের ছেলে মো. সাকিব সরকার (২৬)।
সিআইডির মিডিয়া কর্মকর্তা বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় যে, বিদেশে ভালো চাকরি ও আর্থিক স্বচ্ছলতার আশায় ভুক্তভোগী দুই তরুণ মানবপাচার চক্রের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় যান। তাদের প্রত্যেকের পরিবারের কাছ থেকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে প্রায় ছয় লাখ টাকা করে নেয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা আশা করেছিলেন, বিদেশে কাজ করে দুই তরুণ তাদের পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনবেন। কিন্তু কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পর তাদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, কম্বোডিয়ায় পৌঁছানোর পরপরই তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নেয়া হয়। এরপর মানবপাচারকারীরা তাদের পাঁচ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেয়। সেখানে তাদের জোরপূর্বক অনলাইনে প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে নিয়োজিত করা হয়। কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে কিংবা সামান্য ভুল হলে তাদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো। নিজেদের ইচ্ছায় সেখান থেকে বেরিয়ে আসা কিংবা নিরাপদে দেশে ফেরার কোনো সুযোগ তাদের ছিল না।
পরবর্তীতে কোনোভাবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হলে ভুক্তভোগী দুই তরুণের মুক্তির জন্য স্ক্যাম সেন্টার থেকে পাঁচ হাজার মার্কিন ডলার মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সন্তানদের মুক্তির আশায় তাদের পরিবারের সদস্যরা ওই অর্থের ব্যবস্থা করেন। তবে মুক্তি পাওয়ার পরও তাদের দুর্ভোগ শেষ হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, মুক্তির পর মানবপাচারকারীরা পুনরায় দুজনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায় এবং দেশে ফেরার টিকিটের অর্থও পরিবারের কাছ থেকে আদায় করে। এভাবে বিদেশে পাঠানোর খরচ, মুক্তিপণ এবং দেশে ফেরার টিকিটের অর্থ জোগাড় করতে গিয়ে পরিবারগুলোকে চরম আর্থিক সংকটের মুখে পড়তে হয়।
পরবর্তী সময়ে ভুক্তভোগী দুই তরুণ প্রায় দুই মাস কম্বোডিয়ার একটি স্থানীয় হোটেলে অবস্থান করতে বাধ্য হন। একপর্যায়ে তারা অনলাইনের মাধ্যমে ব্র্যাক মাইগ্রেশন সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে অবশেষে তাদের বাংলাদেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। দীর্ঘদিনের বন্দিদশা, নির্যাতন ও অনিশ্চয়তার পর তারা গত ৩ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরে আসেন।
এ ঘটনায় গত ২৬ অক্টোবর পল্টন থানায় মানব পাচার এবং অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলা করা হয়। মামলাটির অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সিআইডির একটি টিম ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে। পরবর্তীতে অভিযান চালিয়ে এজাহারনামীয় আসামি শাওন মোল্লা ও সাকিব সরকারকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুন্দরবনে বনদস্যু দাদাভাই বাহিনীর সঙ্গে কোস্ট গার্ডের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের সময় দস্যুদের হাতে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, ছয় রাউন্ড ফাঁকা গুলি এবং তিনটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুন্দরবনের সক্রিয় বনদস্যু বাহিনীগুলো নির্মূল করার লক্ষ্যে এবং উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
এই অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড জানতে পারে, সুন্দরবনের আরপাঙ্গাসিয়া নদীর কঞ্চির খাল এলাকায় দাদাভাই বাহিনীর সদস্যরা মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেলেকে জিম্মি করে রেখেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার মধ্যরাতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি চালাতে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ডের সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালান। একপর্যায়ে দস্যুরা জিম্মি জেলেদের রেখে সুন্দরবনের গভীরে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে জিম্মি থাকা পাঁচ জেলেকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার রবিউল ইসলাম (৩৫) ও বিল্লাল হোসেন (২৬) এবং খুলনার কয়রা উপজেলার আলাউল ইসলাম (৩২), নওশেন মোড়ল (৪১) ও শাহিনুর রহমান (২৮)।
জব্দ করা অস্ত্র ও গুলির বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সুন্দরবনকে সম্পূর্ণরূপে বনদস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কোস্ট গার্ডের ওই কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ এক যুগ পর ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা ছাত্রদলের ২১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মো. নজরুল কবির এবং সদস্য সচিব হিসেবে মো. তুষার মাহমুদকে মনোনীত করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েসের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।
ফরিদপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু মন্তব্য করেন, "দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাজপথের সহযোদ্ধাদের সমন্বয়ে সদরপুর উপজেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।" তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন কমিটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সুনাম ও গৌরব অক্ষুণ্ন রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
এর আগে, ২০১২ সালের ডিসেম্বরে সদরপুর উপজেলা ছাত্রদলের পাঁচ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। তবে ঘোষণার পরদিনই ওই কমিটি স্থগিত হয়ে যায়। পরবর্তীতে ওই কমিটি বিলুপ্ত হওয়ার পর থেকে উপজেলায় ছাত্রদলের কোনো কার্যক্রম ছিল না। দীর্ঘ বিরতির পর এবার ২১ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হলো।
নতুন কমিটি ঘোষণার খবরে সদরপুর উপজেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে নতুন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবসহ কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের ত্রিশালে একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির সংরক্ষণাগার থেকে ৪৬ লাখ টাকার নির্মাণসামগ্রী লুটের ঘটনায় পুলিশ আট সদস্যকে গ্রেফতার করেছে, যারা আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য। ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক এবং লুণ্ঠিত মালামালের কিছু অংশও উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল-মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জসহ পাঁচটি জেলায় ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ১ অক্টোবর সন্ধ্যায় ত্রিশাল উপজেলার বৈলর মঠবাড়ি বড় পুকুরপাড় এলাকায় অবস্থিত ‘রিজভী কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’-এর মালামাল সংরক্ষণাগারে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দুটি ট্রাকে করে প্রতিষ্ঠানের ৬০০ পিস এমএস পাইপ, ১৬০ পিস স্টিল শাটার, ১৬০ পিস স্টিল জয়েন্ট, ১০টি জানালার গ্রিল, ৯টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ৩৫ হাজার টাকাসহ মোট ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (অপারেশন) মো. মোখছেদুর রহমান বাদী হয়ে ৩ অক্টোবর ত্রিশাল থানায় ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদকে।
তদন্ত কর্মকর্তা তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে বিভিন্ন জেলায় অভিযান চালিয়ে পর্যায়ক্রমে আটজনকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন- জামালপুরের ইসলামপুরের খবিজল (৩৫) ও সৈকত ওরফে সাখাওয়াত (২৪), ময়মনসিংহের নান্দাইলের আবু হানিফ (৩৮) ও উজ্জ্বল মিয়া (২৫), ভোলার দুলারহাটের সোহেল (২৫), বরিশালের মুলাদীর বাদল ওরফে আসলাম (২৮), ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের মাসুদ মিয়া (৩৫) এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের ফরিদ হোসেন (৪৫)।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের কোনাবাড়ী থানার নাওজোড় এলাকা থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ট্রাক জব্দ করা হয়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে লুণ্ঠিত ছয়টি এমএস পাইপ উদ্ধার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল-মামুন জানান, ডাকাত চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতার এবং অবশিষ্ট মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালদ্বীপের সরকার বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নিয়োগের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউ রশিদ এই আগ্রহের কথা জানান।
অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়, আইনি সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মালদ্বীপে বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করার বিষয়টি তুলে ধরেন। হাইকমিশনার ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে জানান যে, তার সরকার ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নিয়োগে আগ্রহী।
বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য আইনি বিরোধ সমাধানের জন্য পারস্পরিক আলোচনা ও সমঝোতার বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করে।
সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির ইন্টার্নদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি মালদ্বীপের আইন ও বিচারব্যবস্থা, দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং হাইকমিশনার হিসেবে তার দায়িত্ব ও কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় ইন্টার্নদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।
পরে, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার কার্যক্রম দেখতে আদালত পরিদর্শন করেন হাইকমিশনার। অ্যাটর্নি জেনারেল তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্তত দুটি আদালতের বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও বিচারিক কার্যক্রম সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন হাইকমিশনার।
সাক্ষাৎকালে মালদ্বীপের হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অ্যাটর্নি জেনারেলের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার ওসমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নুরে আলম সিদ্দিকী।
এ ধরনের যোগাযোগ দুই দেশের মধ্যে আইনি সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি বিনিময় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারে ভূমিকা রাখবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ