প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পরীক্ষায় অনিয়মের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা সরব হলে পুলিশি ব্যবস্থার তীব্র সমালোচনার মুখে, অবশেষে সংসদে বিস্তারিত আলোচনায় সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিরোধী দলগুলোর টানা দাবির মুখে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর নেওয়া পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। কিন্তু আলোচনা ও মন্ত্রীর বক্তব্যের সময় বিরোধীদের সংসদকক্ষে কোনো প্রকার হট্টগোল বা গোলযোগ না করার আহ্বান করেছেন তিনি।
সোমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কিরেন রিজিজু জানান, ছাত্র আন্দোলন এবং তৎসংশ্লিষ্ট যাবতীয় বিষয়ে সরকার সংসদে বিশদ আলোচনা করতে সম্পূর্ণ রাজি। বিরোধীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যখন বক্তব্য দেবেন, কিংবা সরকার যখন জবাব দেবে, তখন বিরোধী শিবির যেন হট্টগোল করে পরিবেশ বিনষ্ট না করে। তাদের ধৈর্য ধরে সরকারের বক্তব্য ও গৃহমন্ত্রীর জবাব শোনা উচিত, বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সরকারের এই অবস্থান এসেছে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর একটি কড়া কলাম প্রকাশের পর। একটি জাতীয় দৈনিকে লেখা কলামে রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি আক্রমণের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো তদন্তের নির্দেশ দেননি, এমনকি কোনো বক্তব্যও পেশ করেননি। তিনি দাবি করেছেন, আন্দোলন থামাতে ছাত্রদলের ওপর কাঁদানে গ্যাস, পেরেকযুক্ত লাঠি এবং পেল্ট গান ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়া বিহারের সিওয়ানে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর একে-৪৭ দিয়ে গুলি চালানোর মতো গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন তিনি।
এর আগে গত ২০ জুলাই, নতুন দিল্লির যন্তর মন্তর থেকে সংসদ ভবনের দিকে বিক্ষোভকারীরা এগোতে চাইলে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে। এই ঘটনায় একাধিক শিক্ষার্থী মারাত্মকভাবে আহত হন। এরপরই ভারতজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বিরোধীরা এই ঘটনাকে ‘অবৈধ ও অসংবিধানিক সহিংসতা’ হিসেবে উল্লেখ করে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাবদিহিতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন