ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজ বিশ্ব সিংহ দিবস


আজ বিশ্ব সিংহ দিবস

সিংহ, যা বনের রাজা হিসেবে পরিচিত, শক্তি, সাহস এবং রাজকীয় উপস্থিতির কারণে বন্যপ্রাণীজগতে একটি আলাদা পরিচিতি নিয়ে রয়েছে। তবে মানুষের বসতি ও সভ্যতার বিস্তারের ফলে বনাঞ্চলের পরিমাণ কমছে। এর ফলে সিংহের আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে। ফলে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে এই বন্যপ্রাণী অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়ছে।

বিশ্ব সিংহ দিবস প্রতি বছর ১০ আগস্ট পালন করা হয়। এই দিবসটি সিংহ সংরক্ষণ ও সুরক্ষা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে উদযাপন করা হয়। আজ সোমবার, বিশ্বজুড়ে দিবসটির নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হচ্ছে।

এই দিবসের সূচনা কেন?

আরও পড়ুন: ধূমপান না করেও ফুসফুসের ক্যানসারের ঝুঁকিতে অনেকেই

সিংহের সংখ্যা ক্রমহ্রাসমান হওয়া নিয়ে মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যেই বিশ্ব সিংহ দিবস পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৩ সাল থেকে প্রতি বছর ১০ আগস্ট বিশ্ব সিংহ দিবস পালিত হয়ে আসছে।

এই উদ্যোগের পেছনে ডেরেক ও বেভারলি জুবার্ট দম্পতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সিংহসহ বড় আকারের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করার সময় তারা লক্ষ্য করেন, বনের রাজা সিংহের অস্তিত্বও ধীরে ধীরে হুমকির মুখে পড়েছে। এই বিষয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন করার জন্য তারা ২০০৯ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের সঙ্গে অংশীদারিত্বে বড় বিড়াল সংরক্ষণ উদ্যোগ শুরু করেন।

এরপর ২০১৩ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও তাদের সংরক্ষণ উদ্যোগকে একই ছাতার নিচে এনে বিশ্বজুড়ে অবশিষ্ট সিংহদের রক্ষার উদ্দেশ্যে কাজ আরও শক্তিশালী করা হয়। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায়ই বিশ্ব সিংহ দিবসের সূচনা হয়।

সিংহ সংরক্ষণ কেন জরুরি?

আরও পড়ুন: ১৪ অক্টোবর: ইতিহাসের পাতায় উল্লেখযোগ্য ঘটনা ও বিশ্ব মান দিবসের স্মরণ

সিংহ শুধুমাত্র বন্যপ্রাণীজগতের একটি আকর্ষণীয় প্রাণী নয়, বরং এর বাস্তুতন্ত্রের বড় একটি ভূমিকা রয়েছে। তাই সিংহের আবাসস্থল রক্ষা করা এবং তাদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্ব সিংহ দিবসে মানুষের কাছে সিংহের গুরুত্ব, তাদের সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা এবং বন্যপ্রাণীর সঙ্গে মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বিষয়ে সচেতন করার চেষ্টা করা হয়।

দিবসটি কিভাবে পালিত হয়?

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়। শিল্পকলা, আলোকচিত্র এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সিংহের জীবন ও বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ সংগঠন, চিড়িয়াখানা এবং সাধারণ মানুষও এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: প্রথমবার দেশে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য অলিম্পিয়াড

সিংহ সংরক্ষণ প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহ, কর্মশালা, আলোচনা ও সভার আয়োজনের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরির চেষ্টা করা হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিভিন্ন লেখা, ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সিংহ নেই, তবে দিবসটি পালন করা হয়।

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক বনে সিংহের বসবাস নেই, তথাপি দেশের বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংগঠন দিবসটি পালন করে। এর মূল উদ্দেশ্য শুধু সিংহ সংরক্ষণ নয়, বরং সামগ্রিকভাবে বন্যপ্রাণী রক্ষা বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করা।

সিংহ ও মানুষের মধ্যে সংঘাত কমানো এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নিশ্চিতকরণ, এছাড়া বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল রক্ষা করাই এই দিবসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। বনের রাজা সিংহের রক্ষা করা মানে শুধু একটি প্রাণীকে রক্ষা করা নয়, বরং প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করার প্রচেষ্টাকেও এগিয়ে নেওয়া।

আরও পড়ুন: ৫ অক্টোবর: ইতিহাসের পাতায় উল্লেখযোগ্য ঘটনাবলি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

কানাডায় দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে, কঠিন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার সতর্কতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৫ এম


কানাডায় দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে, কঠিন পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার সতর্কতা

পশ্চিম কানাডায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভয়াবহ দাবানলের ফলে হাজার হাজার মানুষকে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হতে হচ্ছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে উঠেছে যে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথমবার শনাক্ত হওয়ার পর, শুক্রবার থেকেই বাল্ড রেঞ্জ দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং সেপ্টেম্বরের দিকে তার আকার দ্বিগুণ হয়ে গেছে।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার দাবানল নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুনটি এখন সামারল্যান্ড, পিচল্যান্ডসহ আশপাশের এলাকায় ১৩৬ বর্গকিলোমিটার বা তার বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। সামারল্যান্ডের মেয়র ডগ হোমস রয়টার্সকে বলেছেন, "আমাদের সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।"

আগুনের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে সামারল্যান্ডের পুরো এলাকার বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন কমিউনিটির হাজার হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দাবানলের শিখা এত উঁচুতে উঠছিল যে এর ফলে ওই এলাকায় বজ্রপাতও সৃষ্টি হচ্ছিল, যা আগুন আরও ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছিল।

সামারল্যান্ডের বাসিন্দা কিগান রাডমস্কি জানিয়েছেন, আগুন তার বাড়িতে পৌঁছানোর মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগে তিনি বাড়ি ছাড়তে সক্ষম হন। বিবিসির সঙ্গে শেয়ার করা তার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যে রাস্তা দিয়ে রাডমস্কি পালিয়ে যান, তার ওপারের পাহাড়ের ঠিক পেছনে গাছের মাথায় আগুন জ্বলছে।

ভিডিওতে কাঁপা কণ্ঠে তিনি বলেন, "এটা আমাদের বাড়ির একেবারে পাশেই।"

রাডমস্কি আরও জানান, শুক্রবার আরও সাতজনের সঙ্গে বাড়ি ছাড়ার পর থেকে তিনি আর সেখানে ফিরতে পারেননি। তারা উদ্বিগ্নভাবে অপেক্ষা করছেন- ফিরে যাওয়ার মতো তাদের বাড়িটি আদৌ থাকবে কি না।

তিনি বলেন, "বাড়িতে থেকে যাওয়া কয়েকজন প্রতিবেশী জানিয়েছেন, তাদের সড়কের অনেক বাড়ি পুড়ে গেছে। কিছু বাড়ি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে—এটা নিশ্চিত। আমাদের বাড়ির আশপাশেও অনেক বাড়ি রয়েছে। তাই আমরা খুব ভয় পাচ্ছি। এই অনিশ্চয়তাটাই সবচেয়ে ভয়ংকর।"

স্থানীয়রা বিবিসিকে জানিয়েছেন, খুব অল্প সময়ের সতর্কবার্তার মধ্যেই দাবানলটি ভয়াবহ রূপ নেয়। বর্তমানে আগুনটি প্রায় ১৩ হাজার ৬১৮ হেক্টর বা ৩৩ হাজার ৬৫০ একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার প্রিমিয়ার ডেভিড ইবি শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলছেন, একজন অগ্নিনির্বাপণ কর্মকর্তা আগুনের তীব্রতাকে "একটি বোমা বিস্ফোরণের" সঙ্গে তুলনা করেছেন। ইবি আরও বলেন, "বাড়িঘর হারিয়ে গেছে এবং সম্পত্তি ধ্বংস হয়েছে। পরিস্থিতি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ায় কিছু মানুষ আটকা পড়েছিলেন এবং তাদের উদ্ধার করতে হয়েছে।"

জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে প্রাদেশিক সরকার অতিরিক্ত কিছু ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারবে। এর মধ্যে রয়েছে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ, পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত দাম নেওয়া ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়া।

এছাড়াও, উদ্ধার ও অগ্নিনির্বাপণ কাজে অতিরিক্ত সম্পদ ব্যবহারের সুযোগও তৈরি হয়েছে। প্রায় ১২ হাজার মানুষের শহর সামারল্যান্ড অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোর একটি। শহরটির বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৬ হাজার মানুষের বসবাস পিচল্যান্ডে, সেখানকার কিছু এলাকার বাসিন্দাদেরও নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে।

পিচল্যান্ডে ৩০ বছর ধরে বসবাস করা আর্ল কার্জ বলেন, "আমাদের বহুবার সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবারই প্রথম আমাদের সত্যিই বাড়ি ছেড়ে যেতে হয়েছে।" শুক্রবার বিকেলে স্ত্রীকে নিয়ে ওকানাগান লেকে নৌকায় ছিলেন কার্জ।

তখন তিনি দেখেন, পরিষ্কার নীল আকাশ খুব দ্রুত ধোঁয়ায় ধূসর হয়ে যাচ্ছে। রাতে ঢলে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রচণ্ড দাবানলের ওপরে কালো ধোঁয়ার বিশাল মেঘ দেখা দেয়। আগুনটি ধীরে ধীরে তার অবস্থানের দিকে এগিয়ে আসছিল।

কার্জ বলেন, "আমরা হ্রদ থেকে আগুনটাকে দেখছিলাম। দৃশ্যটা অবাস্তব মনে হচ্ছিল।" কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ তার বাড়িতে এসে তাকে ও তার স্ত্রীকে দ্রুত এলাকা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়।

কার্জ জানিয়েছেন, তারা এখন কয়েক মাইল দূরে একটি ক্যাম্পারে নিরাপদে অবস্থান করছেন। কর্মকর্তারা বলছেন, বাল্ড রেঞ্জের দাবানল এ গ্রীষ্মে ব্রিটিশ কলাম্বীয়াতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষকে সরিয়ে নিতে বাধ্য করেছে। প্রদেশজুড়ে ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন।

সামারল্যান্ডের মেয়র ডগ হোমস বলেন, "অনেক খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কতগুলো স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে, আমরা এখনো জানি না। তারা এখনো আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যস্ত।" ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার সরকারি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিভিন্ন পরিচর্যা কেন্দ্রে থাকা শত শত মানুষ, যার মধ্যে বয়স্কদের আবাসনও রয়েছে, তাদের নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

তবে আগুনে ঠিক কতগুলো বাড়ি বা স্থাপনা ধ্বংস হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেন্ট্রাল ওকানাগান ও ওকানাগান-সিমিলকামিনের আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষ, স্নপিঙ্ক'টন ইন্ডিয়ান ব্যান্ড এবং সামারল্যান্ড ও পিচল্যান্ড প্রশাসন বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদের নির্দেশ জারি করেছে। কিছু এলাকায় বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে।

ওকানাগান এলাকায় অনেক ঘোড়া রয়েছে। দাবানলের কারণে সেগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বাসিন্দাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে বলে কানাডার সম্প্রচারমাধ্যম সিবিসি জানিয়েছে। যেসব বাসিন্দা তাদের পশু সরিয়ে নিতে পারেননি, তারা গেট খুলে রেখেছেন—যাতে পশুগুলো নিজেরাই নিরাপদ স্থানে চলে যেতে পারে।

কিছু মালিক তাদের পশুদের গায়ে বিশেষ চিহ্নও এঁকে দিয়েছেন, যাতে পরে সেগুলো সহজে শনাক্ত করা যায়। এ গ্রীষ্মে কানাডাজুড়ে শত শত দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। জুলাই মাসে শুধু অন্টারিওতেই প্রায় ২০০টি দাবানল জ্বলছিল। এসব দাবানলের ধোঁয়ায় কয়েক দিনের জন্য টরন্টোর বায়ুর মান বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় পৌঁছে যায়। কানাডার দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা ও নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন এলাকায়ও পৌঁছেছিল। এর জেরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডার বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাকিরা-পিকের বাড়ি কিনছেন ইয়ামাল, মূল্য ১৫৭ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৫৯ এম


শাকিরা-পিকের বাড়ি কিনছেন ইয়ামাল, মূল্য ১৫৭ কোটি টাকা

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই লামিনে ইয়ামাল বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকা হয়ে উঠেছেন। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি, তাঁর বিপুল আয় ও বিলাসবহুল জীবনযাপনও এখন নিয়মিত খবরের শিরোনাম হচ্ছে। এবার জানা গেছে, বার্সেলোনায় প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা মূল্যের একটি বিলাসবহুল বাড়ি কিনতে যাচ্ছেন এই স্প্যানিশ উইঙ্গার।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এল পাইস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়ামাল যে বাড়িটি কিনতে আগ্রহী, সেখানে একসময় থাকতেন বার্সেলোনার সাবেক তারকা জেরার্দ পিকে ও তাঁর সাবেক সঙ্গী পপ তারকা শাকিরা।

পিকে ও শাকিরার সম্পর্ক শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। ২০১২ সালে নির্মিত ওই বাড়িতে ২০২২ সালে বিচ্ছেদের আগপর্যন্ত একসাথে বসবাস করতেন তাঁরা। বিচ্ছেদের পর বাড়িটি বিক্রির জন্য বাজারে তোলা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় ৩ হাজার ৮০০ বর্গমিটার জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই সম্পত্তিতে রয়েছে মূল বাড়িসহ মোট তিনটি ভবন। আছে ইনডোর ও আউটডোর সুইমিংপুল, টেনিস কোর্ট, জিমনেসিয়াম, একাধিক খোলা চত্বর এবং একটি রেকর্ডিং স্টুডিও।

বাড়িটির প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি ৪০ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা। পরে তিনটি ভবনের একটি বিক্রি হয়ে যাওয়ায়, সম্পত্তিটির দাম কমে দাঁড়ায় ১ কোটি ১০ লাখ ইউরোতে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১৫৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

‘এল পাইস’ জানিয়েছে, বর্তমানে বাড়িটি কেনার বিষয়ে আগ্রহী ইয়ামাল। তবে তিনি নিজের পছন্দ ও প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পত্তিটিতে সংস্কার ও পরিবর্তন আনতে চান। এ জন্য বাড়তি অর্থ খরচ করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

বিলাসবহুল এই সম্পত্তি কেনার সামর্থ্য ইয়ামালের রয়েছে, তাঁর আয়ের পরিমাণ দেখলেই তা বোঝা যায়। কয়েক মাস আগে বার্সেলোনার সাথে ছয় বছরের নতুন চুক্তি করেছেন তিনি। চুক্তি অনুযায়ী, বছরে প্রায় ৩ কোটি ইউরো আয় করতে পারেন ইয়ামাল। ছয় বছর চুক্তিতে থাকলে শুধু বেতন থেকেই তাঁর আয় হতে পারে প্রায় ১৮ কোটি ইউরো।

এর বাইরে বিজ্ঞাপন ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাথে চুক্তি থেকেও বিপুল অর্থ আয় করছেন ইয়ামাল। ‘ফোর্বস’-এর হিসাবে, সব মিলিয়ে তাঁর বার্ষিক আয় প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ ইউরো হতে পারে।

এই বিপুল আয়ের সুবাদে বিশ্বের সর্বোচ্চ উপার্জনকারী ফুটবলারদের তালিকাতেও জায়গা করে নিতে পারেন ইয়ামাল। সেই তালিকায় রয়েছেন লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও জুড বেলিংহামের মতো তারকারা।

মাত্র ১৮ বছর বয়সেই বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ তারকাদের কাতারে উঠে আসার পাশাপাশি শতকোটি টাকার বিলাসবহুল সম্পত্তির মালিক হওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছেন ইয়ামাল। মাঠের বাইরেও তাঁর জীবনযাপন যে কতটা বর্ণিল হয়ে উঠেছে, এই বাড়ি কেনার খবর যেন তারই আরেকটি উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারায়ণগঞ্জে মাদকের আসক্ত ইয়ামিন, চিকিৎসাধীন আছেন যে আর মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ নাজির খান নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০১ এম


নারায়ণগঞ্জে মাদকের আসক্ত ইয়ামিন, চিকিৎসাধীন আছেন যে আর মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র

গতকাল রাত ৮:০০ ঘটিকার সময়, নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেটে অবস্থিত জে আর মাদকাসক্তি নিরাময়ী কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন ইয়ামিনকে নিয়ে তার স্ত্রী তালাশ বিডির প্রতিনিধির নিকট একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, তার স্বামীকে মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র থেকে বাড়িতে আনার জন্য দিচ্ছে না। এছাড়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার স্বামী কোন মাদকের নেশাগ্রস্ত নয় এবং তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। অভিযোগের মধ্যে আরও বলা হয়েছে, ইয়ামিনের মা নাকি তাকে চক্রান্ত করে মাদকাসক্তি নিরাময়ের জন্য ভর্তি করিয়েছেন, যা তার ছেলের মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ রক্ষায় করা হয়েছে।

পরবর্তীতে, জে আর মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেনের সাথে কথা বললে জানা যায় যে, ইয়ামিনের মা এবং তার স্ত্রী উভয়ই ইয়ামনকে নেওয়ার জন্য আসছেন এবং তারা মাদক বিক্রির সাথে জড়িত। তাঁরা জানিয়েছেন যে, ইয়ামিনকে হাসপাতাল থেকে বের করে পুনরায় মাদক ব্যবসা করতে দেওয়া উচিত। তেমনকি, চেয়ারম্যান মহোদয় জানান যে, জে আর মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের পক্ষ থেকে ইয়ামিনের চিকিৎসা সম্পূর্ণ করার জন্য তারা পরামর্শ দেন এবং প্রয়োজনে সহযোগিতা করার কথা বলেন।

তবে, এরপরেও ইয়ামিনের স্ত্রী এ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে তাকে রাখতে রাজি হননি। বিষয়টি আমাদের কাছে সুবিধাজনক মনে হয়নি, তাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরে রাখার অনুরোধ জানানো হল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা জেলা বিটিএসএফ-এর কমিটি ঘোষণা: সভাপতি- মীর জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক -মামুন বিল্লাহ,সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব সবুজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


সাতক্ষীরা জেলা বিটিএসএফ-এর কমিটি ঘোষণা: সভাপতি- মীর জাহাঙ্গীর সাধারণ সম্পাদক -মামুন বিল্লাহ,সাংগঠনিক সম্পাদক সোহরাব সবুজ

বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ) সাতক্ষীরা জেলা শাখার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

নবগঠিত কমিটিতে মীর জাহাঙ্গীর হোসেন সভাপতি এবং প্রভাষক মামুন বিল্লাহ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, এছাড়া সোহরাব সবুজ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বিটিএসএফের চেয়ারম্যান কায়সার হাসানের পরামর্শক্রমে ১০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে এই কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মোঃ আল-আমিন শাওন জানিয়েছেন, দ্রুত বাকি শূন্য পদগুলো পূরণ করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে।

নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ সংগঠনের চেয়ারম্যান, মহাসচিব সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তারা সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত মর্যাদা রক্ষার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন।

এদিকে, সাতক্ষীরা জেলা বিটিএসএফের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের তরফ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%