ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু। সভায় সহকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদ।

সভায় বক্তৃতার সময় মন্ত্রী বলেন, জলমহাল ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি হলো জনগণের সম্পত্তি। জনগণের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।

আরও পড়ুন: দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে নাব্যতা সংকটে ফেরি চলাচল ব্যাহত

এজন্য জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষকে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে অগ্রসর হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, একই সময়ে সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত করারও কথা বলেন। সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আমরা ‘জাল যার জলা তার’ এই নীতিতে আমাদের বিশ্বাস রয়েছে।

ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে বিদ্যমান জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতির যথাযথ অনুসরণের জন্য মন্ত্রী নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বর্তমান প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ইজারা মূল্যগুলোকে যুগোপযোগী করে সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রাপ্তি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে ফের আগুন, সময়ের সঙ্গে বাড়ছে ভয়াবহতা

সভায় কিশোরগঞ্জ জেলার ১২টি জলমহালের মধ্যে নয়টি, খুলনা জেলার ১২টির মধ্যে ছয়টি, হবিগঞ্জ জেলার ৩০টি থেকে ২০টি এবং সুনামগঞ্জ জেলার ৫৪টির মধ্যে ৪৩টি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়।

বাকি প্রস্তাবগুলো অধিকতর যাচাইপূর্বক পরে উপস্থাপন করতে হবে এবং যেখানে প্রস্তাবিত ইজারা মূল্য যথাযথ নয় সেখানে পুনঃইজারা বিজ্ঞপ্তি প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়া হয়।

এছাড়াও সভায় পাবনা জেলার ২৩টি জলমহাল উন্মুক্ত করার প্রস্তাব সভায় অনুমোদন করা হয়েছে।

সভায় মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রশাসকগণ অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় জুমার খুতবার সময় ঝটিকা মিছিলে ১৭ জন গ্রেপ্তার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য!

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীদের বদলি এবং পদায়নে লটারির স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে যে, লটারি শুরুর আগেই ঢাকা জেলার বক্সে ৪১ জন প্রকৌশলীর নাম ঢোকানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দাবি করেছেন যে, কিছু ক্ষেত্রে প্রচলিত নিয়ম ও বদলি নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ না করেই পছন্দের কর্মকর্তাদের নাম নির্দিষ্ট বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, সংস্থাপন শাখার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসান এবং তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ সারওয়ার জাহান বিপ্লবের পছন্দের কর্মকর্তাদের ঢাকা মেট্রো এলাকার বক্সে রাখার মাধ্যমে লটারির ফলাফলকে প্রভাবিত করার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ নিয়ে গণপূর্তের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

যাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে তাদের মধ্যে কয়েকজন প্রকৌশলীর বদলি ও পদায়ন নিয়ে বিশেষভাবে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মেহবুবুর রহমান: তার নিজ জেলা ঢাকা। অভিযোগ অনুযায়ী, রমনা-১ থেকে আজিমপুর-পিলখানায় পদায়ন করা হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে—নিজ জেলা ঢাকা এবং বর্তমান কর্মস্থলও ঢাকার মধ্যে থাকার পর আবার ঢাকাতেই পদায়নের সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো?

সৌরভ রায়: তার নিজ জেলা ময়মনসিংহ। অভিযোগ রয়েছে, শেরে বাংলা নগর মেডিকেল থেকে তাকে সাভারে পদায়ন করা হয়েছে। অথচ তার লটারি ময়মনসিংহ বিভাগের জন্য হওয়ার কথা থাকলেও লটারির আগেই তার নাম ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে।

আসাদুজ্জামান সাদ: তার নিজ জেলা টাঙ্গাইল। অভিযোগ অনুযায়ী, হাইকোর্ট সাব-ডিভিশন থেকে তেজগাঁও সাব-ডিভিশনে পদায়ন করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের প্রশ্ন, দীর্ঘদিন ঢাকায় কর্মরত থাকার পরও কেন তাকে ঢাকার বাইরে লটারির আওতায় নেওয়া হয়নি?

এ এস এম সাখাওয়াত ইসলাম (সোহেল): তার নিজ জেলা বগুড়া। অভিযোগ রয়েছে, তিনি এর আগে ঢাকা ডিভিশন-৪ ও শেরে বাংলা নগর এলাকায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে গাজীপুর থেকে মিরপুরে পদায়নের তথ্য সামনে এসেছে। এ নিয়েও লটারির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

রেজাউল করিম মিঠু: তার নিজ জেলা ফরিদপুর। অভিযোগকারীদের তথ্য অনুযায়ী, তিনি শেরে বাংলা নগর ও মহাখালীতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং মতিঝিল থেকে গণপূর্ত সম্পদ বিভাগে পদায়ন পেয়েছেন।

এজাজ আহমেদ খান: তার নিজ জেলা নেত্রকোনা। অভিযোগ রয়েছে, তার লটারি ময়মনসিংহ বিভাগের আওতায় হওয়ার কথা থাকলেও লটারির আগে তাকে ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে স্থানান্তর করা হয়। পরে শেরে বাংলা নগর উপবিভাগ-৮ থেকে ধানমন্ডিতে পদায়নের তথ্য সামনে এসেছে।

আসরাফুল আউয়াল রানা: তার নিজ জেলা জামালপুর। অভিযোগ অনুযায়ী, তারও ময়মনসিংহ বিভাগে লটারির আওতায় থাকার কথা ছিল। কিন্তু লটারির আগেই ঢাকা মেট্রোজোনের বক্সে নাম স্থানান্তর করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। পরে সাভার থেকে মতিঝিলে পদায়ন করা হয়েছে।

আরও বড় প্রশ্ন উঠে এসেছে ৫৫ ও ৬০ নম্বরের কর্মকর্তাদের নিয়ে। অভিযোগকারীদের দাবি, তালিকার ৫৫ ও ৬০ নম্বর ক্রমিকের কয়েকজন কর্মকর্তার নিজ জেলায় নাম ওঠার পরও তাদের সেখানে পদায়ন করা হয়নি। বরং নাম কেটে পাশের জেলায় দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অন্যদিকে, যেসব কর্মকর্তার নিজ জেলা ও বর্তমান কর্মস্থল—দুটিই ঢাকা, তাদের আবারও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পদায়ন দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এ অবস্থায় প্রকৌশলীদের প্রশ্ন হচ্ছে—যদি লটারিই বদলি ও পদায়নের মূল ভিত্তি হয়, তাহলে লটারির আগে কোনো কর্মকর্তার নাম নির্দিষ্ট বক্সে স্থানান্তরের সুযোগ কেন থাকবে?

গণপূর্ত অধিদপ্তরের লটারিভিত্তিক বদলির অন্যতম উদ্দেশ্য হিসেবে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং বদলি বাণিজ্য বন্ধের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু যদি লটারির আগেই কোনো কর্মকর্তার নাম নির্দিষ্ট এলাকার বক্সে স্থানান্তর করা হয়ে থাকে, তাহলে পুরো প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। অভিযোগকারীরা বলছেন, লটারির আগে কোন কর্মকর্তা কোন বক্সে ছিলেন, কার নাম কখন স্থানান্তর করা হয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের অনুমোদন কে দিয়েছেন—এসব তথ্য প্রকাশ করা হলে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে। তাদের দাবি, লটারির মূল তালিকা, বক্সভিত্তিক কর্মকর্তাদের তালিকা এবং লটারির আগে-পরে করা পরিবর্তনের রেকর্ড প্রকাশ করা হোক।

এখন যে প্রশ্নগুলোর উত্তর প্রয়োজন তা হলো—লটারির আগে কি সত্যিই ৪১ জনের নাম ঢাকা জেলার বক্সে স্থানান্তর করা হয়েছিল? যদি হয়ে থাকে, কোন নীতিমালার অধীনে এবং কার অনুমোদনে এই পরিবর্তন করা হয়েছিল? নিজ জেলা বা নিজ বিভাগের বাইরে থাকার কথা থাকলেও কিছু কর্মকর্তাকে কেন ঢাকা মেট্রোর আওতায় রাখা হলো? আর নিজ জেলায় নাম ওঠার পরও কেন কিছু কর্মকর্তাকে অন্য জেলায় পদায়ন করা হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেলেই বোঝা যাবে—গণপূর্তের লটারি ব্যবস্থা সত্যিই পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল, নাকি লটারির আগেই তৈরি হয়েছিল পছন্দের কর্মকর্তাদের জন্য আলাদা হিসাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎​স্টাফ রিপোর্টার:: মোহাম্মদ নূর

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


সুনামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

দুপুর ১২টার দিকে শহরের পুরাতন বাস স্টেশন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আলফাত স্কয়ারে গিয়ে এক পথসভায় মিলিত হয়। নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সুনামগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মনাজ্জির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলমের পরিচালনায় পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আকবর আলী, রেজাউল হক, আবুল কালাম আজাদ ও নজরুল ইসলাম। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি সোহেল আহমেদ, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ লিলু এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল্লাহ হাসান জুনেদ।

পথসভায় বক্তারা সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বেগবান ও শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ঘোষিত সকল কর্মসূচি সফল করতে নেতাকর্মীদের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

উক্ত কর্মসূচি সফল করতে জেলা, উপজেলা ও পৌর শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ, সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর শাখার সভাপতি, আহ্বায়ক ও সদস্য সচিবদের নেতৃত্বে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন।

আপনার এই সংবাদটি জাতীয় দৈনিকের সংবাদ প্রকাশের কাঠামোগো নীতি ও প্রমিত বাংলা রীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সাজানো হয়েছে। এটি প্রকাশের জন্য প্রস্তুত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
বেতন কমলো ৫ জনের

১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বিএসইসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল বিএসইসি

বিএসইসি পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা, ১৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়। এছাড়াও আরও পাঁচ কর্মকর্তার বেতন সর্বনিম্ন গ্রেডে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) এই সিদ্ধান্তটি নেয় বিএসইসি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আজ বুধবার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চিঠি পেয়েছেন, এমনটি জানা গেছে।

২০২৫ সালের ৫ মার্চ তৎকালীন বিএসইসি চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ এবং কয়েকজন কমিশনারকে ৪ ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় ২২ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্তে অভিযুক্ত ও অভিযোগকারীদের বক্তব্য নেওয়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে ২৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তাদের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে নতুন করে কোনো ব্যবস্থা নিতে হয়নি, কারণ তিনি এরইমধ্যে অন্য একটি অভিযোগে চাকরিচ্যুত হয়েছেন।

বিএসইসির তৎকালীন নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৫ মার্চ বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তৎকালীন চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের ৪ ঘণ্টার বেশি সময় অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাদের উদ্ধার করেন।

সরকারী তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে ওই ঘটনায় জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এবার শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফেনীতে ৫০৮ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


ফেনীতে ৫০৮ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

ফেনী, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানকালে ৫০৮ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয়েছে এবং তিন ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই অভিযানটি আজ বুধবার দুপুরে ফেনী সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আক্তার পরিচালনা করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী জানা যায়, জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর পলিথিন বিক্রয় নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শামীমা আক্তারের নেতৃত্বে শহরের বড় বাজারে এক অভিযান চালানো হয়।

এই অভিযানের সময় মেসার্স জাহিন স্টোর থেকে ৪৩ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয় এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মেসার্স মদিনা স্টোর থেকে ৩২৫ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয় এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া, মো. নাসিম খানের দোকান থেকে ১৪০ কেজি পলিথিন জব্দ করা হয় এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এই সময় পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র কেমিস্ট গোলাম বাশির আহমেদ, পরিদর্শক শাওন শওকতসহ আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র ক্যামিস্ট গোলাম বশির আহমেদ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%