মোঃ একদদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৪ পি.এম
টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলায় মা"দক বি"রোধী পৃথক অ"ভিযান চালিয়ে তিন মা"দক কা"রবারিকে গ্রে"ফতার করেছে মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অ"ধিদপ্তর (ডিএনসি), জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল। এ সময় তাদের কাছ থেকে ই"য়াবা ট্যাবলেট ও গাঁ"জা উ"দ্ধার করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কা"রাদণ্ড ও অ"র্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
সোমবার (২৬ অক্টোবর ২০২৬ খ্রি.) নাগরপুর থানাধীন খাষ শাহাজানী, ডুমুরিয়া ও আটাপাড়া এলাকায় আসামিদের নিজ নিজ বসতঘরে এই অ"ভিযান পরিচালিত হয়।
অ"ভিযানে উ"দ্ধারকৃত আ"লামতের মধ্যে রয়েছে মোট ০৪ পিস ই"য়াবা ট্যাবলেট এবং ১০০ গ্রাম গাঁ"জা।
গ্রে"ফতারকৃত আ"সামিরা হলেন:
১. মো. মাহমুদুল ইসলাম (৩২), পিতা: মো. ফজলুল হক, সাং: খাষ শাহাজানী, থানা: নাগরপুর, জেলা: টাঙ্গাইল।
২. মো. আশিকুর রহমান (২৬), পিতা: মৃ"ত মজিবর রহমান, সাং: ডুমুরিয়া, থানা: নাগরপুর, জেলা: টাঙ্গাইল।
৩. মো. নাহিদ হাসান (৪০), পিতা: মো. আতোয়ার রহমান, সাং: আটাপাড়া, থানা: নাগরপুর, জেলা: টাঙ্গাইল।
মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সাইফুর রহমান আ"সামিদের বি"রুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আ"ইনে প্রসিকিউশন দাখিল করেন। পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার বিজ্ঞ নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়—জনাব লিখন বণিক ও মো: জসিম উদ্দিন ভ্রা"ম্যমাণ আ"দালত পরিচালনা করে রায় ঘোষণা করেন।
ভ্রা"ম্যমাণ আ"দালতের রায়ে ১ ও ২ নং আ"সামিকে ১০ দিন করে এবং ৩ নং আসামিকে ৩ মাসের বি"নাশ্রম কা"রাদ"ণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ১ নং আ"সামিকে ১,০০০ টা"কা, ২ নং আ"সামিকে ৬০০ টা"কা এবং ৩ নং আ"সামিকে ১০০ টাকা অ"র্থদ"ণ্ড প্রদান করা হয়।
মা"দকদ্রব্য নি"য়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক মো. আহসানুল কবির বুলবুল জানান, মা"দকের বি"রুদ্ধে জেলার এ ধরনের অ"ভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তারিখ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬:স্থান: শহীদ মিনার,টাঙ্গাইল
পরিবেশ দূষণ রোধ, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে Helping Hand Foundation (HHF)-এর উদ্যোগে ২৬ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘Plastic Exchange Point 2.0’ কার্যক্রম।
কার্যক্রমটির মূল প্রতিপাদ্য ছিল “১০টি প্লাস্টিক = ১টি গাছ”। প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ ও বিনিময়ের ধারণাকে উৎসাহিত করা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করাই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন
উপস্থিত ছিলেন:
জনাব মাহমুদুল হক সানু - উপদেষ্টা, হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন
আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা: শহীদুল ইসলাম সাদি, উপদেষ্টা: মীর সায়মন ও সভাপতি: রাহাত ইসলাম শ্রাবণ
এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে প্লাস্টিক দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব অভ্যাস গড়ে তোলা এবং তরুণদের পরিবেশ সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়।
HHF Tangail বিশ্বাস করে, পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেকের ছোট ছোট উদ্যোগ সম্মিলিতভাবে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সংগঠনটি ভবিষ্যতেও পরিবেশ সংরক্ষণ ও সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা রাখে।
আয়োজনে: Helping Hand Foundation (HHF)
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, সংসদে জনগণের সমস্যার সমাধান না হওয়ায় আবারও রাজপথে নামতে হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মুগদায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবরের বিক্ষোভ সমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন উল্লেখ করেন, ‘সরকার গ্যাসের ফি নিচ্ছে কিন্তু গ্যাস দিচ্ছে না। জনগণ কষ্টে রয়েছে। শেখ হাসিনা যখন জনগণকে কষ্ট দিয়েছে তখন আমরা তাকে বিদায় করেছি। এখন বর্তমান সরকার যখন কষ্ট দিচ্ছে, তখন নাকি তাকে ধরা যাবে না ছোঁয়াও যাবে না।’
চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারদলীয় লোকর অটোরিকশা এবং দোকান থেকে চাঁদাবাজি করছে। এরা চক্রবৃদ্ধি হারে চাঁদাবাজির ব্যবসা শুরু করেছে। আগে ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি করতো এখন ছাত্রদল করছে।’
পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরকে নতুন বেনজীর আখ্যা দিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘পুলিশে নতুন বেনজীর এসেছে। সরকার বললে নাকি ক্রসফায়ার চালাবেন তিনি। যদি উনি ক্রসফায়ারে যান, তাহলে আবার পুলিশের ওপর স্যাংশন আসবে। পুলিশের আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে, উনি প্রত্যাহার না করলে পুলিশের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বাঁচানো যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাকসহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারদলীয় লোকজন অস্ত্রহাতে নেমেছে। তাই কে ডাকাত, কে চাঁদাবাজ, কে মাদক ব্যবসায়ী সেই পার্থক্য করতে পারছে না জনগণ।’
সমাবেশের উদ্দেশ্য নিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘জনগণের সমস্যা নিয়ে সরকার বলেছিল সংসদে কথা বলতে। কিন্তু সেখানে সমাধান হয়নি তাই আবার রাজপথে নামতে হয়েছে।’
মিডিয়ার ওপর জুলুমতন্ত্র চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমার দেশ পত্রিকার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? লেবাসধারীরা সাবধান হয়ে যান, চাঁদাবাজি বন্ধ করেন। জনগণ মুখ ফিরিয়ে তাকাতে সময় লাগবে না।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে পুলিশ অনলাইন জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতে সোর্পদ করার কথা জানিয়েছেন লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সাদিপুর মধ্যপাড়ার ইমরান নাজির, যিনি জুয়েল নামে পরিচিত (৩৩), সাদিপুর পশ্চিমপাড়ার সোহাগ মিয়া (৩০) এবং পালিদেহা খাঁপাড়ার সোহেল মাহমুদ (৩৮)। এছাড়াও, বালিতিতা ইসলামপুরের রাকিবুল ইসলাম, যিনি রকি নামে পরিচিত (২৪), রামকৃষ্ণপুরের ফাহিম হোসেন (২৩) এবং বৈদ্যনাথপুরের রাজন (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৬, ১৭, ১৯ ও ২৭, ২০২৬-এর ১৭(২)(খ), ২১(২), ২২(২) ও ২৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোর্পদ করা হয়।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, অনলাইন জুয়া ও সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করেন যে, কেউ যদি অনলাইন জুয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইডি হ্যাক করে প্রতারণার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসবের পর নবজাতককে হাসপাতালে এসে অভিযুক্ত যুবকের লোকজন নিয়ে যেয়ে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই তরুণী একটি ছেলেসন্তানের প্রসব করেন। জন্মের পর নবজাতককে নিয়ে যান ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের লোকজন।
জানা গেছে, ওই তরুণীর বাবা ১২ বছর আগে মারা গেছেন। তার মা সংসার সামলাচ্ছেন। নানির চিকিৎসার জন্য মা যখন ঢাকায় ছিলেন, তখন ২১ বছর বয়সী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে একই গ্রামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মামলা না করতে এবং স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযুক্ত যুবকের বাবা প্রবাসে অবস্থান করছেন। ওই যুবকের চাচা বিষয়টি আপস–মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, তার বৃদ্ধ অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় ঢাকার হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল তাকে। ওই সময় বাড়িতে থাকা মেয়েকে ওই যুবক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভয়ে মেয়েটি প্রথম দিকে কাউকে কিছু জানায়নি।
পরে মেয়ের শারীরিক অবস্থায় পরিবর্তন ও নানা জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি বুঝতে পারেন মা। মেয়ের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর অভিযুক্তের পরিবারকে ঘটনাটি জানান তিনি। তবে পরিবারের অভিযোগ, প্রথম দিকে অভিযুক্তের স্বজনেরা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। উল্টো ভুক্তভোগীকে নিয়ে নানা অপবাদ দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে অভিযুক্ত যুবক ঘটনা স্বীকার করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে অভিযুক্তের পরিবার তা নাকচ করে দেয়। পরে আইনি পদক্ষেপের পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে তাদের অভিযোগ।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অভিযুক্তের বাবা প্রবাসে থাকায় তার চাচা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগে যুক্ত হন। একই গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগীর মাকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
পরিবারটির ভাষ্য, ভুক্তভোগীর মাকে একাধিকবার ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। তারা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত শুক্রবার রাতে তরুণীর প্রসবব্যথা উঠলে তাকে চৌদ্দগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পরপরই অভিযুক্তের পক্ষের লোকজন নবজাতককে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগীর পরিবারের ভাষ্য, পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তারা শুনেছে। শিশুটিকে কার কাছে দেওয়া হয়েছে, বর্তমানে সে কোথায় রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তারা কিছুই জানে না।
ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে আমার বোন একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু আমাদের পারিবারিক অবস্থা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে নবজাতককে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। বোনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার হিসেবে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’
সালিসে যুক্ত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামের ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি বলেন, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচার দোকানে বসে ছিলেন। অন্যরা বাড়ির ভেতরে গিয়ে সমঝোতা করেছেন বলে তিনি জেনেছেন। তবে সমঝোতায় কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। নবজাতক বিক্রির বিষয়েও কিছু জানেন না বলে তিনি দাবি করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। আমি এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। কারা কীভাবে কী করেছে, তা আপনারা খোঁজ নেন।’
রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘটনাটির বিষয়ে জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ হোছাইন বলেন, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ