ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সংসদে জনগণের সমস্যার সমাধান হয়নি বলে ফের রাজপথে আমরা: নাসীরুদ্দীন


সংসদে জনগণের সমস্যার সমাধান হয়নি বলে ফের রাজপথে আমরা: নাসীরুদ্দীন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, সংসদে জনগণের সমস্যার সমাধান না হওয়ায় আবারও রাজপথে নামতে হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মুগদায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে ৩০ অক্টোবরের বিক্ষোভ সমাবেশকে সফল করার লক্ষ্যে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

নাসীরুদ্দীন উল্লেখ করেন, ‘সরকার গ্যাসের ফি নিচ্ছে কিন্তু গ্যাস দিচ্ছে না। জনগণ কষ্টে রয়েছে। শেখ হাসিনা যখন জনগণকে কষ্ট দিয়েছে তখন আমরা তাকে বিদায় করেছি। এখন বর্তমান সরকার যখন কষ্ট দিচ্ছে, তখন নাকি তাকে ধরা যাবে না ছোঁয়াও যাবে না।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

চাঁদাবাজি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকারদলীয় লোকর অটোরিকশা এবং দোকান থেকে চাঁদাবাজি করছে। এরা চক্রবৃদ্ধি হারে চাঁদাবাজির ব্যবসা শুরু করেছে। আগে ছাত্রলীগ চাঁদাবাজি করতো এখন ছাত্রদল করছে।’

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরকে নতুন বেনজীর আখ্যা দিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, ‘পুলিশে নতুন বেনজীর এসেছে। সরকার বললে নাকি ক্রসফায়ার চালাবেন তিনি। যদি উনি ক্রসফায়ারে যান, তাহলে আবার পুলিশের ওপর স্যাংশন আসবে। পুলিশের আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে, উনি প্রত্যাহার না করলে পুলিশের মতো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে বাঁচানো যাবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাকসহ বিভিন্ন জায়গায় সরকারদলীয় লোকজন অস্ত্রহাতে নেমেছে। তাই কে ডাকাত, কে চাঁদাবাজ, কে মাদক ব্যবসায়ী সেই পার্থক্য করতে পারছে না জনগণ।’

সমাবেশের উদ্দেশ্য নিয়ে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘জনগণের সমস্যা নিয়ে সরকার বলেছিল সংসদে কথা বলতে। কিন্তু সেখানে সমাধান হয়নি তাই আবার রাজপথে নামতে হয়েছে।’

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

মিডিয়ার ওপর জুলুমতন্ত্র চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘আমার দেশ পত্রিকার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়? লেবাসধারীরা সাবধান হয়ে যান, চাঁদাবাজি বন্ধ করেন। জনগণ মুখ ফিরিয়ে তাকাতে সময় লাগবে না।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৮ পি.এম


নাটোরে জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার

নাটোরের লালপুরে পুলিশ অনলাইন জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতে সোর্পদ করার কথা জানিয়েছেন লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সাদিপুর মধ্যপাড়ার ইমরান নাজির, যিনি জুয়েল নামে পরিচিত (৩৩), সাদিপুর পশ্চিমপাড়ার সোহাগ মিয়া (৩০) এবং পালিদেহা খাঁপাড়ার সোহেল মাহমুদ (৩৮)। এছাড়াও, বালিতিতা ইসলামপুরের রাকিবুল ইসলাম, যিনি রকি নামে পরিচিত (২৪), রামকৃষ্ণপুরের ফাহিম হোসেন (২৩) এবং বৈদ্যনাথপুরের রাজন (৩০) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের জুয়া প্রতিরোধ আইনের ১৬, ১৭, ১৯ ও ২৭, ২০২৬-এর ১৭(২)(খ), ২১(২), ২২(২) ও ২৭ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোর্পদ করা হয়।

লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, অনলাইন জুয়া ও সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধে পুলিশ সক্রিয় রয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সতর্ক করেন যে, কেউ যদি অনলাইন জুয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আইডি হ্যাক করে প্রতারণার চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান, নবজাতককে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ পি.এম


কুমিল্লায় ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান, নবজাতককে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রির অভিযোগ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ধর্ষণের শিকার তরুণীর সন্তান প্রসবের পর নবজাতককে হাসপাতালে এসে অভিযুক্ত যুবকের লোকজন নিয়ে যেয়ে ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই তরুণী একটি ছেলেসন্তানের প্রসব করেন। জন্মের পর নবজাতককে নিয়ে যান ধর্ষণে অভিযুক্ত যুবকের লোকজন।

জানা গেছে, ওই তরুণীর বাবা ১২ বছর আগে মারা গেছেন। তার মা সংসার সামলাচ্ছেন। নানির চিকিৎসার জন্য মা যখন ঢাকায় ছিলেন, তখন ২১ বছর বয়সী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে একই গ্রামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। ধর্ষণের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর মামলা না করতে এবং স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

অভিযুক্ত যুবকের বাবা প্রবাসে অবস্থান করছেন। ওই যুবকের চাচা বিষয়টি আপস–মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর মায়ের অভিযোগ, তার বৃদ্ধ অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য দীর্ঘ সময় ঢাকার হাসপাতালে থাকতে হয়েছিল তাকে। ওই সময় বাড়িতে থাকা মেয়েকে ওই যুবক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভয়ে মেয়েটি প্রথম দিকে কাউকে কিছু জানায়নি।

পরে মেয়ের শারীরিক অবস্থায় পরিবর্তন ও নানা জটিলতা দেখা দিলে বিষয়টি বুঝতে পারেন মা। মেয়ের কাছ থেকে বিস্তারিত জানার পর অভিযুক্তের পরিবারকে ঘটনাটি জানান তিনি। তবে পরিবারের অভিযোগ, প্রথম দিকে অভিযুক্তের স্বজনেরা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। উল্টো ভুক্তভোগীকে নিয়ে নানা অপবাদ দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, একপর্যায়ে অভিযুক্ত যুবক ঘটনা স্বীকার করেন। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দিলে অভিযুক্তের পরিবার তা নাকচ করে দেয়। পরে আইনি পদক্ষেপের পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করতে চাপ দেওয়া হয় বলে তাদের অভিযোগ।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, অভিযুক্তের বাবা প্রবাসে থাকায় তার চাচা বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগে যুক্ত হন। একই গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তির মাধ্যমে ভুক্তভোগীর মাকে আর্থিক প্রলোভন দেখিয়ে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার প্রস্তাব দেওয়া হয়।

পরিবারটির ভাষ্য, ভুক্তভোগীর মাকে একাধিকবার ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বিষয়টি মীমাংসার জন্য চাপ দেওয়া হয়। ঘটনা প্রকাশ না করার জন্য ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। তারা জানান, স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে অভিযুক্তের পরিবারের পক্ষ থেকে তিন লাখ টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নবজাতককে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা বলেন, গত শুক্রবার রাতে তরুণীর প্রসবব্যথা উঠলে তাকে চৌদ্দগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। সন্তান জন্মের পরপরই অভিযুক্তের পক্ষের লোকজন নবজাতককে নিয়ে যান।

ভুক্তভোগীর পরিবারের ভাষ্য, পরে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে নবজাতককে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বলে তারা শুনেছে। শিশুটিকে কার কাছে দেওয়া হয়েছে, বর্তমানে সে কোথায় রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সেটিও তারা কিছুই জানে না।

ভুক্তভোগীর বড় বোন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে আমার বোন একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দিয়েছে। কিন্তু আমাদের পারিবারিক অবস্থা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে নবজাতককে ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে অন্যত্র বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। বোনের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিচার হিসেবে তিন লাখ টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।’

সালিসে যুক্ত থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে গ্রামের ওই প্রভাবশালী ব্যক্তি বলেন, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচার দোকানে বসে ছিলেন। অন্যরা বাড়ির ভেতরে গিয়ে সমঝোতা করেছেন বলে তিনি জেনেছেন। তবে সমঝোতায় কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা স্পষ্ট করেননি তিনি। নবজাতক বিক্রির বিষয়েও কিছু জানেন না বলে তিনি দাবি করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তির চাচা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখান। তিনি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে বেশি বাড়াবাড়ি করবেন না। আমি এ সম্পর্কে কিছুই জানি না। কারা কীভাবে কী করেছে, তা আপনারা খোঁজ নেন।’

রোববার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘটনাটির বিষয়ে জানতে চাইলে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফ হোছাইন বলেন, এ ঘটনায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। ভুক্তভোগী পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণখান থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি সাজ্জাদ গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


দক্ষিণখান থেকে ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে ছাত্রদল সভাপতি সাজ্জাদ গ্রেপ্তার

রাজধানীর দক্ষিণখান থানা এলাকায় জমি বিক্রির সাথে সম্পর্কিত ১০ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় উত্তরা পূর্ব থানা ছাত্রদলের সভাপতি এম সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গাজীপুরের টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকা থেকে রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোরে বিশেষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা (এসআরবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে সাজ্জাদকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দক্ষিণখান থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মামলার বাদী শামীমা আক্তার ডালিয়া তার এজাহারে উল্লেখ করেন, ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে দক্ষিণখান থানার সামনে তাদের নিজস্ব জমি বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়। এর অংশ হিসেবে জমিটির উপর একটি বিক্রয় বিজ্ঞপ্তি সংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। কিন্তু সাইনবোর্ড স্থাপনের পরপরই মোকলেছুর রহমান এবং এম সাজ্জাদ হোসেন জমির মালিকের কাছে গিয়ে দশ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে জমি বিক্রিতে বাধা দেওয়ার এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শামীমা আক্তার ডালিয়া ১৯ অক্টোবর দক্ষিণখান থানায় ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন। মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- মোকলেছুর রহমান, আল আমিন হোসেন শান্ত, সুমন, রনি, পলাশ, রায়হান, নাজমুল হাসান শুভ, শামিম, সিফাত, রায়হান, পাপাই, আহাদ, রকি, সামির, তুষার, তুহিন, নাঈম, পরভেজ, দিপু, নাহিদ, সজিব ও সুমন।

এসআরবি অভিযান চালিয়ে মামলার দ্বিতীয় আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার সাজ্জাদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

দক্ষিণখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফইমউদ্দিন জানান, সুনির্দিষ্ট চাঁদাবাজির মামলার ভিত্তিতে সাজ্জাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ওসি বলেন, রোববার (২৫ অক্টোবর) সকালে মামলার এজাহারভুক্ত দ্বিতীয় আসামি সাজ্জাদকে গ্রেপ্তার করে এসআরবি। পরে আমাদের জানানো হলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইয়েমেনের হুত্থিরা কীভাবে হুমকি হয়ে উঠল এবং তাদের প্রকৃত লক্ষ্য কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


ইয়েমেনের হুত্থিরা কীভাবে হুমকি হয়ে উঠল এবং তাদের প্রকৃত লক্ষ্য কী?

আঞ্চলিক নিরাপত্তার পরিস্থিতির অবনতির কারণে এবং ভঙ্গুর স্থিতিশীলতার মধ্যে ইয়েমেনের হুত্থিরা সউদি আরবের বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা এবং বড় শহরগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। এর ফলে আঞ্চলিক সংঘাতের আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে, সউদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হামলার কারণ কী? হুত্থিরা তাদের হামলাকে সউদি হস্তক্ষেপ ও নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিশোধ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

২০১৫ সাল থেকে ইয়েমেনে সউদি সামরিক আগ্রাসনে ৪ লাখেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে, যেখানে সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং জাতীয় সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিনের সউদি হস্তক্ষেপ। হুত্থিদের দাবি, সউদি সামরিক হস্তক্ষেপ, এর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা এবং ইয়েমেনের নৌ ও বিমানবন্দরগুলোর ওপর চাপানো নিষেধাজ্ঞা ইয়েমেনের মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করেছে।

২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি সীমান্তপারের বড় ধরনের হামলা অনেকাংশে বন্ধ রেখেছিল। কিন্তু হুত্থি সমর্থক ইরানের বিরুদ্ধে সউদি মিত্র আমেরিকা-ইসরায়েলের যুদ্ধ, ইয়েমেনের ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অমিমাংসিত পরস্পরবিরোধী অবস্থান এবং দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

সেপ্টেম্বরে হুত্থিরা ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলজুড়ে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ সম্প্রসারণ করে এবং বাব আল-মান্দাবের কাছাকাছি কৌশলগত অবস্থান দখল করে। এর প্রতিক্রিয়ায় সউদি সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনী পাল্টা অভিযান পরিচালনা করে। বিশ্লেষকদের মতে, ইয়েমেনে রিয়াদের সম্পৃক্ততার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যয় বাড়ানো হুত্থিদের বৃহত্তর কৌশলের অংশ। তাদের লক্ষ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে সানা ও উত্তর ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা, ভবিষ্যৎ সরকারে নির্ধারক ভূমিকা নিশ্চিত করা, বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দর পুনরায় চালু করা, বিদেশি সামরিক চাপ কমানো এবং বাব আল-মান্দাবের কাছে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করা।

হুত্থিরা কি ইরানের হয়ে কাজ করছে, নাকি নিজেদের লক্ষ্য অনুসরণ করছে? এই দুই বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ হুত্থিদের ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণের মাত্রা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ইরান তাদের অস্ত্রপ্রযুক্তি, সামরিক দক্ষতা ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করেছে। এর ফলে হুতিরা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও চালকবিহীন আকাশযান ব্যবহারের সক্ষমতা অর্জন করেছে। তবে, রয়টার্স চলতি মাসে জানিয়েছে, ইয়েমেনের ওপর নিষেধাজ্ঞাতে ছাড় আদায় এবং ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ কমাতে ওয়াশিংটনকে রাজি করানোর জন্য সউদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ওপর চাপ সৃষ্টি করাও এসব হামলার অন্যতম উদ্দেশ্য।

১৯৯০-এর দশকে উত্তর ইয়েমেনে হুত্থিদের এই আন্দোলনের উত্থান ঘটে এবং ২০১৪ সালে তারা সানা দখল করে। তাদের উচ্চাকাঙ্খার পেছনে রয়েছে বিদেশি হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক ক্ষমতা, ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ ও স্বীকৃতি নিয়ে লড়াই। বিমানবন্দর, তেল স্থাপনা ও নৌপথে হামলার উদ্দেশ্য কী? সামরিকভাবে শক্তিশালী সউদি আরবের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করার জন্য হুত্থিরা অর্থনৈতিকভাবে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলছে। তারা সামরিক অভিযান ও বিধিনিষেধের জবাব হিসেবে এই চাপ সৃষ্টির যুক্তি তুলে ধরেছে, যার মাধ্যমে দেশটির বিমানবন্দর, পাইপলাইন, শোধনাগার ও জাহাজ চলাচলের টার্মিনালে হামলা হলে বিমান চলাচল ব্যাহত হতে পারে, নিরাপত্তা ব্যয় বাড়তে পারে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়াতে পারে এবং জ্বালানি রপ্তানি হুমকির মুখে পড়তে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ সংঘাতের গতিপথ কীভাবে বদলে দিয়েছে? হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় সউদি আরব পশ্চিমাঞ্চলের তেল অবকাঠামো এবং লোহিত সাগর দিয়ে রপ্তানির পথের ওপর আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে ইয়ানবুর কাছের স্থাপনাগুলোও রয়েছে।

এসব পথে হুমকি সৃষ্টি হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি রপ্তানি জটিল হয়ে উঠতে পারে, ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে ইরানের দর-কষাকষির ক্ষমতা বাড়তে পারে এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে। বাব আল-মান্দাব কেন এত গুরুত্বপূর্ণ? এই প্রণালি লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। সুয়েজ খালের মধ্য দিয়ে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে পণ্য পরিবহনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। এএফপি জানিয়েছে, গত মাসে দ্রুতগতির অভিযানে হুত্থিরা ইয়েমেনের পুরো লোহিত সাগর উপকূল দখল করে। বাব আল-মান্দাব ও হরমুজ প্রণালি, উভয় পথেই চলাচল ব্যাহত হলে তেলবাহী জাহাজের বিমা প্রিমিয়াম, পণ্য পরিবহন ব্যয় এবং জ্বালানির দাম বেড়ে যেতে পারে।

কীভাবে সংঘাতের অবসান হতে পারে? হুত্থিরা ইয়েমেনের রাজনৈতিক স্বীকৃতি এবং বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ কমানোর দাবিতে লড়ছে, যদিও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য শুধু সামরিক প্রতিরোধ যথেষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়েমেনের জনগণের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও মানবিক চাহিদার সমাধানকে প্রাধান্য দিয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা পরস্পর প্রতিশোধমূলক হামলার ক্রমবর্ধমান চক্রের চেয়ে অধিক স্থায়ী পথ।

সূত্র: গাল্ফ নিউজ, উইকিপিডিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%