সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:১৯ পি.এম
ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : আগামীকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।
এই উপলক্ষে সংগঠনটি দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৭ অক্টোবর বেলা ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁওস্থ জিয়া উদ্যানে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।
এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এছাড়া, কেন্দ্রীয় যুবদল এবং মহানগর উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ যুবদল উক্ত কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করবে।
একই দিন বেলা ১২টায় জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় রক্তদান কর্মসূচি ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের কার্যক্রম শুরু হবে।
এছাড়া, দেশব্যাপী জেলা ও মহানগর পর্যায়ে আলোচনা সভা, র্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। সংশ্লিষ্ট ইউনিট কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২৮ অক্টোবর উপজেলা, থানা, পৌর ও অধস্তন ইউনিটসমূহ তাদের সুবিধাজনক সময়ে নিজ নিজ ইউনিটে আলোচনা সভা, র্যালি, সমাবেশ, স্বেচ্ছায় রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলে উপস্থিত নেতাকর্মীরা মিজানুর রহমান মিনুর দ্রুত সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করেন।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল আলম (মিলু) এবং রাজশাহী মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মো. মাইনুল হক (হারু)। এ ছাড়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এ সময় নেতাকর্মীরা মিজানুর রহমান মিনুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ফিরে পাওয়ার জন্য মহান আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করেন। দোয়া মাহফিলে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ঐক্যের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানটি মিজানুর রহমান মিনুর দ্রুত রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় বিশেষ দোয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়।#
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে সীমান্ত বাণিজ্য আংশিকভাবে পুনরায় চালু হয়েছে। ইসলামাবাদ ১৭ অক্টোবর গাবদ-রিমদান ও তাফতান সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে সকল ধরনের কার্গো চলাচল নিরাপত্তাজনিত কারণে এবং বেলুচিস্তানে তীব্র সহিংসতার কারণে স্থগিত করেছিল।
বাণিজ্য পুনরায় শুরু হওয়ায় চাল, কলা এবং আলুসহ বিভিন্ন পাকিস্তানি পণ্যবাহী ট্রাকগুলো সীমান্ত অতিক্রম করে ইরানে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। একইভাবে, ইরানের দিক থেকে লোড করা এলপিজি (তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস) ও অন্যান্য পণ্যবাহী কিছু ট্রাকও পাকিস্তানে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছেন বেলুচিস্তান গুডস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি হাজি নুর মোহাম্মদ শাহওয়ানি। তবে, পণ্য চলাচল শুরু হলেও খালাস প্রক্রিয়ায় ধীরগতি ও জটিলতা রয়ে গেছে, যা জটিল ব্যাংকিং প্রক্রিয়া ও নতুন আমদানি কাগজপত্রের (E-Form) কারণে হচ্ছে।
ইরান তাদের সীমান্ত বন্ধ রাখার বিষয়টি অস্বীকার করে জানিয়েছে যে, তাদের পক্ষ থেকে রপ্তানিতে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। তেহরানের দাবি, পাকিস্তানের নতুন ই-ফরম নীতিমালার জটিলতার কারণে পণ্যগুলো আটকে আছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার চাপ ও ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির অংশ হিসেবেই এই সীমান্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, বেলুচিস্তান প্রদেশে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতার কারণে এই সাময়িক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম থেকে নোয়াখালীর হাতিয়ায় ফেরার পথে একটি মাছ ধরার ট্রলার কর্ণফুলি নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় ডুবে গেছে, যার ফলে দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এই ঘটনায় ট্রলারে থাকা একজন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাসেদ উদ্দিন সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৪টার দিকে আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিখোঁজ দুই জেলে হলেন, নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার তমরদ্দি ইউনিয়নের মোস্তফার ছেলে মিরাজ উদ্দিন (৩২) এবং একই উপজেলার সোনাদিয়া ইউনিয়নের চরচেঙ্গা গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে শরীফ উদ্দিন।
দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা জেলে কামাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, চারদিন আগে তারা মাছ ধরার কাজে ব্যবহারের জন্য একটি লালবোট কেনার উদ্দেশ্যে চট্টগ্রামের বন্দরটিলা এলাকায় গিয়েছিলেন। ট্রলারটি কেনার পর রোববার রাতে তারা সেটি নিয়ে হাতিয়ার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। ফেরার পথে চট্টগ্রামের আকমল আলী ঘাটসংলগ্ন কর্ণফুলি নদীতে পৌঁছালে তাদের বোটের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এ সময় নদীর স্রোতে বোটটি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। তখন পেছনে থাকা একটি কার্গো জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে তাদের ট্রলারটি নদীতে ডুবে যায়। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর তিনি জাহাজের শিকল ধরে ঝুলে থাকেন এবং পরে জাহাজের লোকজন তাকে উদ্ধার করেন। তবে ট্রলারে থাকা অপর দুই জেলে মিরাজ উদ্দিন ও শরীফ উদ্দিনের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
এদিকে মিরাজ ও শরীফের নিখোঁজের ঘটনায় তাদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আশায় স্বজনরা অপেক্ষা করছেন। নিখোঁজ দুই জেলেকে খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
হাতিয়ার নলচিরা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশিষ চন্দ্র সাহা বলেন, "আমি বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা সদরঘাট থানার সাথে কথা বলে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সরকারি সফরসূচি তৈরি করে খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যাওয়ার কারণে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আবদুল আউয়ালকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি আদেশ জারি করে। খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত ১১ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন আবদুল আউয়াল। এই সফরের জন্য ৮ অক্টোবর খাদ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরে একটি সরকারি সফরসূচি প্রস্তুত করা হয়েছিল।
তবে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এপিএসের ওই সফর সম্পর্কে পূর্বে অবগত ছিলেন না। যখন তিনি বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরে আবদুল আউয়ালকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেন।
এদিকে, একই দিনে জারি করা একটি পৃথক আদেশে মিজানুর রহমানকে খাদ্যমন্ত্রীর নতুন এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম যতদিন দায়িত্বে থাকবেন অথবা মিজানুর রহমানকে এপিএস পদে বহাল রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন, ততদিন এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।
এআরবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ