ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খাদ্যমন্ত্রীর এপিএসকে গুদাম পরিদর্শনের কারণে অব্যাহতি, নতুন নিয়োগ মিজানুর রহমান


খাদ্যমন্ত্রীর এপিএসকে গুদাম পরিদর্শনের কারণে অব্যাহতি, নতুন নিয়োগ মিজানুর রহমান

সরকারি সফরসূচি তৈরি করে খাদ্যগুদাম পরিদর্শনে যাওয়ার কারণে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানমের সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) আবদুল আউয়ালকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় একটি আদেশ জারি করে। খাদ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করা হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত ১১ অক্টোবর টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেন আবদুল আউয়াল। এই সফরের জন্য ৮ অক্টোবর খাদ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরে একটি সরকারি সফরসূচি প্রস্তুত করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে জমি বিরোধে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, বিচার দাবি

তবে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম এপিএসের ওই সফর সম্পর্কে পূর্বে অবগত ছিলেন না। যখন তিনি বিষয়টি জানতে পারেন, তখন তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং পরে আবদুল আউয়ালকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি দেন।

এদিকে, একই দিনে জারি করা একটি পৃথক আদেশে মিজানুর রহমানকে খাদ্যমন্ত্রীর নতুন এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম যতদিন দায়িত্বে থাকবেন অথবা মিজানুর রহমানকে এপিএস পদে বহাল রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন, ততদিন এই নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

এআরবি

আরও পড়ুন: নায়ক মান্নার গাড়িতে আগুন, গ্রেফতার দুজন কারাগারে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীর বুকে কল্পজাহাজ: ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে সম্প্রীতির মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


নদীর বুকে কল্পজাহাজ: ধর্মের গণ্ডি পেরিয়ে সম্প্রীতির মিলনমেলা

ঢাকঢোলের শব্দ, গানবাজনা এবং উৎসুক মানুষের ভিড়। নদীর বুকে ভাসমান হাতি, হরিণ, পঙ্খিরাজ ঘোড়া, ড্রাগন ও নাগরাজের প্রতিকৃতিতে সাজানো নান্দনিক জাহাজগুলো। নদীর দুই তীরে দাঁড়িয়ে সেই দৃশ্য উপভোগ করছেন বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ। ধর্মীয় আবহের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ মিলে বাঁকখালী নদীর তীর হয়ে উঠেছে সম্প্রীতির মিলনমেলা।

প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজারের রামুতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ‘কল্পজাহাজ ভাসা’ উৎসব। এবারের উৎসবে নদীতে ভাসানো হয় নান্দনিক কারুকাজে তৈরি আটটি কল্পজাহাজ। গৌতম বুদ্ধের জীবনদর্শন এবং বৌদ্ধ ঐতিহ্যের বিভিন্ন দিক প্রতীকীভাবে তুলে ধরা হয়েছে এসব জাহাজে। কল্পজাহাজের নান্দনিক সাজসজ্জা এবং বর্ণিল আয়োজন দেখতে নদীর দুই তীরে জড়ো হয়েছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।

আয়োজকদের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় ২০০ বছর আগে মিয়ানমারে এই প্রথার সূচনা হয়েছিল। রামুতে শত বছর ধরে চলে আসছে এ আয়োজন। সময়ের সঙ্গে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের গণ্ডি পেরিয়ে উৎসবটি স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক হয়ে উঠেছে। আয়োজকেরা এ ঐতিহ্যকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

রামু কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ যুব পরিষদের সাধারণ সম্পাদক দীপন বড়ুয়া বলেন, গৌতম বুদ্ধের জন্ম থেকে বুদ্ধত্ব লাভ ও মহাপরিনির্বাণ পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় কল্পজাহাজে তুলে ধরা হয়েছে। নান্দনিক নকশা এবং শৈল্পিক কারুকাজের মাধ্যমে বুদ্ধের জীবনদর্শন এবং বৌদ্ধ ঐতিহ্য সবার সামনে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, গত বছর উৎসবে পাঁচটি কল্পজাহাজ ছিল। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে আটটিতে। প্রতিবছরই আয়োজনটি আরও বর্ণিল এবং উৎসবমুখর হয়ে উঠছে।

উৎসবে অংশ নেওয়া মানুষের কাছে কল্পজাহাজ ভাসা কেবল একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং ভিন্ন ধর্ম এবং সংস্কৃতির মানুষের সঙ্গে মিলিত হওয়ার উপলক্ষ।

কল্পজাহাজ ভাসা দেখতে আসা বাঁধন সরকার বলেন, প্রতিবছর এই উৎসবে এসে তিনি মুগ্ধ হন। তার ভাষায়, জাহাজ ভাসার মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরা হয়। এতে নানা সংস্কৃতির বৈচিত্র্য এবং সমৃদ্ধি সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। পাশাপাশি পারস্পরিক সম্প্রীতি এবং সৌহার্দ্যের দৃষ্টান্তও দেখা যায়।

আবির বড়ুয়া জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি প্রতিবছর এ উৎসবে আসেন। ধর্ম, বর্ণ এবং জাতি নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণ উৎসবটিকে আনন্দঘন করে তোলে। সবার অংশগ্রহণে এটি সম্প্রীতি এবং মিলনমেলার অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।

তৃষা বড়ুয়া নামে আরেকজন বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার উৎসবটি বেশি জাঁকজমকপূর্ণ হয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি, একসঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া এবং সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অভিজ্ঞতা তার কাছে বিশেষ ভালো লাগার।

কল্পজাহাজ ভাসা উদ্‌যাপন পরিষদের দাবি, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী এ আয়োজনকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক। তাদের মতে, উৎসবটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, ধর্মীয় তাৎপর্য এবং সাংস্কৃতিক মূল্য রয়েছে। জাতীয় স্বীকৃতি পেলে এ ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বিকাশের পথ আরও সুগম হবে।

পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অর্পণ বড়ুয়া বলেন, এবার গৌতম বুদ্ধের প্রতিকৃতির পাশাপাশি হাতি, ময়ূর, সিংহ এবং নাগরাজসহ বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি বিশেষভাবে স্থান পেয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসাহ এবং উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে প্রতিবছর এ উৎসব উদ্‌যাপন করা হয়।

তিনি বলেন, শত শত বছর ধরে চলে আসা এ আয়োজন এখন আর শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে সীমাবদ্ধ নেই। এটি বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তাই সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে কল্পজাহাজ ভাসা উৎসবকে জাতীয় ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় নির্বাচনী ইশতেহারে বাংলাদেশকে ‘রেইনবো নেশন’ হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছেন। রংধনুর বিভিন্ন রং যেমন মিলেমিশে সৌন্দর্য সৃষ্টি করে, তেমনি সব ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মানুষকে নিয়েই বৈচিত্র্যময় এবং সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সেখানে প্রত্যেক নাগরিক সমান মর্যাদা নিয়ে বসবাস করবেন।

তিনি আরও বলেন, সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, বাংলাদেশকে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ নেই। ধর্ম, বর্ণ, জাতি কিংবা নৃগোষ্ঠীগত পরিচয়ের ভিত্তিতে বৈষম্য করা যাবে না। পাহাড় এবং সমতলের মানুষসহ সব ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মানুষকে বাংলাদেশের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ দেখতে চায় সরকার।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কিছু মহল ধর্ম, রাজনীতি এবং সংস্কৃতির নামে মানুষের মধ্যে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার এবং মর্যাদা নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। ক্ষুদ্রতম সম্প্রদায়ের একজন মানুষও যেন রাষ্ট্রের কাছে সমান অধিকার পান, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, অন্যায় যে-ই করুক, যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক, তার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে। প্রত্যেকের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে। তবে ধর্মীয় উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সবার মিলনমেলায় পরিণত হতে পারে।

নদীর তীরে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মানুষের সহাবস্থানকে বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য হিসেবে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী। তার মতে, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ঐক্য এবং সম্প্রীতির মধ্য দিয়েই আগামী প্রজন্মের জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

কল্পজাহাজ ভাসা উৎসবের বর্ণিল আয়োজন যেন সেই সম্প্রীতিরই প্রতিচ্ছবি। নদীর বুকে ভেসে চলা আটটি জাহাজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ মিলেছেন একই উৎসবে। ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতির এই আয়োজন তাই ধর্মীয় পরিচয়ের সীমানা ছাড়িয়ে হয়ে উঠেছে সম্প্রীতির এক অনন্য প্রকাশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে ঢাকার ২ পর্যটক নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ পি.এম


লৌহজংয়ে পদ্মা নদীতে গোসলে নেমে ঢাকার ২ পর্যটক নিখোঁজ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া পুরাতন ঘাট সংলগ্ন পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের মধ্যবর্তী এলাকায় গোসল করতে নেমে দুই পর্যটক নিখোঁজ হয়ে গেছেন।

এই দুর্ঘটনাটি সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটে।

নিখোঁজ দুই ব্যক্তির মধ্যে একজন হলেন ঢাকার খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা মো. মারুফ এবং অন্যজন পটুয়াখালীর বাসিন্দা মো. রাসেল। উভয়েই ‘শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেড’ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন।

স্থানীয় এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার শরীফ ল্যান্ডমার্ক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহাবুব আলম (৫০) এবং চেয়ারম্যান মাকসুদা আক্তারের (৪৫) নেতৃত্বে অফিস স্টাফসহ ৮ জনের একটি পর্যটক দল দুপুর ১টার দিকে মাওয়া পদ্মা সেতু এলাকায় ঘুরতে আসে। দলের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন—রাহাত (৩০), আবিদা আক্তার (২২), জুলেখা (১৬), বাবুল হোসেন (৪৫), শাকিল (২২), রাসেল এবং মারুফ।

ঘোরাঘুরির এক পর্যায়ে, দলটি চরের পথ ধরে হেঁটে হেঁটে পদ্মা সেতুর ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের কাছে পৌঁছায় এবং সবাই একসঙ্গে নদীতে গোসল করতে নামে। কিছু সময় পর, নদীর তীব্র স্রোত ও গভীরতার কারণে পানির তোড়ে তলিয়ে গিয়ে মারুফ ও রাসেল নিখোঁজ হন। এ সময় সঙ্গে থাকা অন্য ছয়জন সাঁতরে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মাওয়া নৌ পুলিশ এবং মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস জানায়, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরই ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম (পিএফএম) জানান, দুপুর ২টা ২০ মিনিটে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মুন্সীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের একটি ডুবুরি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান না পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের এই তল্লাশি ও উদ্ধার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

নৌ পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান শেষ হলে পরবর্তীতে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।এমএইচ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাহমুদা চৌধুরী ও মেজবাউর রহমান সুমন পেলেন ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


মাহমুদা চৌধুরী ও মেজবাউর রহমান সুমন পেলেন ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬

চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন অর্জন করেছেন মর্যাদাপূর্ণ ‘ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬’, যা কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন প্রবর্তিত। সম্প্রতি চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেকা ফেরদৌসী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আবদুর রহমান। এ সময় প্রয়াত ফজলুল হকের স্মৃতিচারণ করেন চলচ্চিত্র পরিচালক মতিন রহমান, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান, অভিনেতা ও নির্মাতা আফসানা মিমি, পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আনন্দ আলো সম্পাদক রেজানুর রহমান, বাচসাসের সাবেক সভাপতি রাজু আলীম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইয়িদ শাহজাদা আল কারিম প্রমুখ।

বক্তারা উল্লেখ করেন, ফজলুল হক ছিলেন একজন স্বাপ্নিক মানুষ। তিনি সবসময় নতুন নতুন ভাবনায় মগ্ন থাকতেন এবং দেশের জন্য কিছু করতে চাইতেন। তার দেখানো পথ ধরেই এ দেশের চলচ্চিত্র পরিচালনা ও সাংবাদিকতা এগিয়ে চলেছে এবং তাদের মধ্যে অনেকেই ফজলুল হকের অনুসারী।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, দেশের প্রথম চলচ্চিত্র বিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’ এর সম্পাদক এবং বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র সান অব পাকিস্তান (প্রেসিডেন্ট) এর নির্মাতা প্রয়াত ফজলুল হক স্মরণে গত ২৩ বছর ধরে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে চলচ্চিত্র সাংবাদিক মাহমুদা চৌধুরী এবং পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন পুরস্কার গ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইসিএও'র নিরাপত্তা নিরীক্ষা শুরু, শেষ হবে ৬ নভেম্বর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫৬ পি.এম


আইসিএও

ঢাকা, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কাঠামোর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সঙ্গতি যাচাইয়ের জন্য আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা (আইসিএও) আজ থেকে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর নিরীক্ষা শুরু করেছে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই নিরীক্ষা আইসিএও-এর ‘ইউনিভার্সাল সিকিউরিটি অডিট প্রোগ্রাম-কন্টিনিউয়াস মনিটরিং অ্যাপ্রোচ’ (ইউএসএপি-সিএমএ)'র আওতায় পরিচালিত হচ্ছে।

অডিটের প্রেক্ষিতে আজ সকালে কুর্মিটোলায় বেবিচক সদর দপ্তরে একটি জাতীয় ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়েছে। ব্রিফিংয়ের সভাপতিত্ব করেন বেবিচকের সদস্য (নিরাপত্তা) এয়ার কমোডর মো. আসিফ ইকবাল।

বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়কারী (ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর) মোহাম্মদ আলমগীর আইসিএও অডিট টিমকে দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করেন। এরপর আইসিএও অডিট টিমের দলনেতা ক্যালাম ভিন জাতীয় ব্রিফিং উপস্থাপন করেন।

ব্রিফিংয়ে অডিট টিমের সদস্যবৃন্দ এবং বিমান চলাচল নিরাপত্তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ব্রিফিংয়ের পর আইসিএও প্রতিনিধিদল বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিকের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

বেবিচক চেয়ারম্যান মন্তব্য করেন, "এই অডিট আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় বিমান চলাচল নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা পর্যালোচনা, অর্জিত সাফল্যগুলো চিহ্নিত করা এবং উন্নতির ক্ষেত্রগুলো নির্ধারণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে।"

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আইসিএও'র পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশগুলো দেশের বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও জানান, "অডিটের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে একটি কার্যকর সংশোধনমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা বাস্তবায়নে বেবিচক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।"

ব্রিফিংয়ের সময় এয়ার কমোডর আসিফ ইকবাল অডিট প্রক্রিয়াটি সহজতর করতে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন।

তিনি সঠিক নথি ও তথ্য সময়মতো উপস্থাপন, সাক্ষাৎকার ও পর্যবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অডিটরদের নির্ধারিত বিমানবন্দর ও স্থাপনাসমূহে প্রবেশের সুবিধা প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি অডিট প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে পরিচালনার স্বার্থে জাতীয় সমন্বয়কারীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেন।

নিরীক্ষা আগামী ৬ নভেম্বর শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%