ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরগুনার উপকূলে মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি, ইলিশের গবেষণার তাগিদ


বরগুনার উপকূলে মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি, ইলিশের গবেষণার তাগিদ

বরগুনায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মৎস্য অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও মৎস্যজীবীদের আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই কর্মশালায় বরগুনার উপকূলীয় এলাকায় মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন এবং ইলিশের বিচরণ, প্রজনন, উৎপাদন ও মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়মিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা জোরদারের দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় কর্মশালাটি শুরু হয়। এই কর্মশালার প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক মো. কামরুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তর বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মো. মহসীন, সিনিয়র সহকারী পরিচালক আনিসুজ্জামান এবং বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. হাফিজুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন।

কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইনকিলাবের বরগুনা জেলা সংবাদদাতা জাহাঙ্গীর কবীর মৃধা, সময় টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম মিরাজ, আমতলী সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাস, বরগুনা সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেন মিনার প্রমুখ।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ রূপ নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে

কর্মশালায় উপস্থাপিত মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশনে বরগুনার নদ-নদীতে ইলিশের পরিভ্রমণপথ, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং মৎস্যসম্পদ রক্ষায় মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, পায়রা নদীর মোহনা থেকে মির্জাগঞ্জ হয়ে বিষখালী নদী, বলেশ্বর নদী থেকে পিরোজপুরের জিয়ানগর হয়ে কচা নদী, বিষখালী নদী থেকে বরিশালের কীর্তনখোলা এবং আন্ধারমানিক নদী থেকে কলাপাড়া ও গলাচিপা হয়ে তেঁতুলিয়া নদীতে ইলিশের পরিভ্রমণ অব্যাহত রয়েছে।

বক্তারা উল্লেখ করেন, বরগুনার বিস্তীর্ণ উপকূলীয় জলভাগ ইলিশসহ বিভিন্ন সামুদ্রিক ও নদীর মাছের গুরুত্বপূর্ণ বিচরণক্ষেত্র। তবে জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর নাব্যতা হ্রাস, অবৈধ জাল ব্যবহার, অতিরিক্ত আহরণ, দূষণ এবং প্রজনন ও বিচরণক্ষেত্রে বিভিন্ন পরিবর্তনের কারণে মৎস্যসম্পদের ওপর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শুধু অভিযান পরিচালনা ও আইন প্রয়োগের পাশাপাশি উপকূলীয় মৎস্যসম্পদের ওপর নিয়মিত বৈজ্ঞানিক গবেষণা অত্যন্ত জরুরি।

কর্মশালায় উপকূলীয় এলাকায় একটি পূর্ণাঙ্গ মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। বক্তারা বলেন, বরগুনায় গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা হলে ইলিশের বিচরণপথ, প্রজননক্ষেত্র, খাদ্যচক্র, পানির গুণগত মান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, মাছের প্রজাতিগত পরিবর্তন এবং মৎস্যসম্পদের উৎপাদনশীলতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত গবেষণা করা সম্ভব হবে। গবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে ইলিশ সংরক্ষণ, জেলেদের জীবিকা এবং মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনা আরও কার্যকরভাবে নেওয়া যাবে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, উপকূলীয় জেলেদের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণকে সমন্বয় করতে হবে। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান ও পর্যাপ্ত সহায়তা নিশ্চিত না করা গেলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি বাস্তব সমস্যাগুলোও থেকে যাবে। তাই গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে জেলেদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থসামাজিক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: বরিশালে যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় দুই আসামির বাড়িতে আগুন

ইলিশ সম্পদ সুরক্ষায় জেলা ও উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি গঠন, প্রতি বছর অক্টোবর মাসে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা সংরক্ষণ এবং সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় প্রতিবছর ১১ এপ্রিল থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরা বন্ধ রাখার কার্যক্রমের তথ্যও কর্মশালায় তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত অবৈধ বিহেন্দি জালের বিরুদ্ধে সমন্বিত কম্বিং অপারেশন পরিচালনার কথা জানানো হয়।

উপস্থাপিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জুলাই ২০২০ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত বরগুনায় মা ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে ২১৮টি মোবাইল কোর্ট ও ৪২৭টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ১৫৯৮টি অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। এ সময় ৭৯টি মামলায় ১১৫ জনকে কারাদণ্ড এবং ১৯ দশমিক ১২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, ইলিশ শুধু দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ নয়, বরগুনার উপকূলীয় মানুষের জীবিকা ও অর্থনীতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িত। তাই ইলিশের উৎপাদন ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে নদী ও সাগরের মৎস্যসম্পদ রক্ষার পাশাপাশি উপকূলীয় অঞ্চলে স্থায়ী গবেষণা অবকাঠামো গড়ে তোলা প্রয়োজন। মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে গবেষণা, সংরক্ষণ, জেলে সহায়তা এবং টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনার মধ্যে সমন্বয় তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: কুয়াকাটা বিচ কার্নিভালের প্রথম দিনেই লিলি-নিওরের স্টলে দর্শকদের ভিড়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরে প্রেমিকের বাসায় ডেকে নিয়ে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


গাজীপুরে প্রেমিকের বাসায় ডেকে নিয়ে তরুণীর মৃত্যু, প্রেমিক আটক

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক তরুণী (১৮) প্রেমিকের বাসায় গিয়ে কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত প্রেমিক শান্ত পালকে (২৭) পিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত যুবককে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গাজীপুর জেলহাজতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনাটি ঘটে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার সফিপুর এলাকায়। নিহত তরুণীর বাবা সোমবার (৫ অক্টোবর) কালিয়াকৈর থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মৃত তরুণীর বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার মধ্যপাড়া বাজার এলাকায়। আটক শান্ত পাল কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার সাচাইল পালপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সফিপুর আহমদ নগর এলাকার রাজ্জাক মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শান্তর সঙ্গে তিন বছর ধরে তার বড় ভাইয়ের শ্যালিকার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এর ধারাবাহিকতায় রোববার সকালে তরুণী নিজ বাড়ি ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে কোচিংয়ে যাওয়ার কথা বলে বের হন। পরে কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর এলাকায় প্রেমিক শান্তর সঙ্গে তার দেখা হয়। অভিযোগ রয়েছে, শান্ত ওই তরুণীকে ভাড়া বাসায় নিয়ে দিনভর কয়েক দফা শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এ সময় তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রেমিক শান্ত নিজেই তরুণীর পরিবারকে মোবাইল ফোনে তার মৃত্যুর খবর জানান। এরপর রাতেই শান্ত তরুণীর মরদেহ তাদের গ্রামের বাড়ি ভালুকায় নিয়ে যান। মরদেহ পৌঁছানোর পর স্বজনদের সন্দেহ হলে তারা শান্তকে আটক করে। পরে তরুণীর মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে শনাক্ত হয় ধর্ষণের পর রক্তক্ষণের কারণে তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। এরপর এলাকাবাসী শান্তকে পিটুনি দিয়ে ভালুকা থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। কালিয়াকৈর থানার পুলিশ পরে ওই যুবককে তাদের হেফাজতে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা, আতঙ্ক ছড়িয়েছে খুলনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


বৃদ্ধ বাবাকে গুলি করে হত্যা, আতঙ্ক ছড়িয়েছে খুলনায়

খুলনায় ছেলে জয় ঢালীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যার মাত্র দেড় মাস পর, দুর্বৃত্তরা আক্তার ঢালী (৬০) নামক বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে।

এই ঘটনা ঘটে সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে রূপসার দুর্জনীমহল শহীদের মোড়ের ঢালী বাড়িতে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আক্তার ঢালী নিজ বাড়ির সামনে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত আকস্মিকভাবে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। গুলির শব্দ শোনার পর স্থানীয়রা ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করার আগেই তার মৃত্যু ঘটে।

এর আগে, গত ১৫ আগস্ট রাত সোয়া ৯টার দিকে আক্তার ঢালীর ছেলে জয় ঢালীকে (২৭) দুর্জনীমহল শহীদের মোড়ের একটি চায়ের দোকানের সামনে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে একদল যুবক। ওই ঘটনায় জয় ঢালীর মা নাসিমা বেগম বাদী হয়ে রূপসা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এজাহারনামীয় প্রধান আসামিসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছিল।

এদিকে, ছেলে জয় ঢালীকে (২৭) হত্যার মাত্র একমাস ২০দিন পর বাবাকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুর্জনীমহল গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মী মুরাদ জানান, আক্তার ঢালীর ডান পাশের কাঁধের গোড়ায় গুলির আঘাত রয়েছে। একটি মূল গুলির আঘাতের পাশাপাশি শরীরে ছররা গুলির আঘাতও থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার জাহিদ বলেন, দুর্বৃত্তদের গুলিতে আক্তার ঢালী গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে ঘটনার পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় কোথায় তার গুলি লেগেছে তা নিশ্চিত করে তিনি বলতে পারেননি।

ওসি আরও বলেন, কী কারণে এবং কারা তাকে হত্যা করেছে, প্রাথমিকভাবে তা বলা সম্ভব হচ্ছে না। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের উদঘাটন করার চেষ্টা চলছে। হত্যাকারীদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাইবার আইন দিয়ে নাগরিকের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ফুয়াদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৮ পি.এম


সাইবার আইন দিয়ে নাগরিকের কণ্ঠ রোধের চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না: ফুয়াদ

বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা, তথ্য চুরি, হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার, সাইবার হয়রানি এবং শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তার মতো বাস্তব হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর ও শক্তিশালী সাইবার আইন প্রয়োজন। তবে নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাজনৈতিক ভিন্নমত দমনের জন্য সাইবার অপরাধ দমনের নামে কোনো আইন প্রণয়ন করা যাবে না, এমন মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসাইন মানিক মিয়া অডিটোরিয়ামে এবি পার্টি লইয়ার্সের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত "প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইন: নিরাপত্তা বনাম হেনস্তা" শীর্ষক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া। সঞ্চালনা করেন ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান। স্বাগত বক্তব্য দেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ উল্লেখ করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে গৃহিণী, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকসহ অনেককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গাজীপুরে একজন শিক্ষার্থীকে একটি কথিত ‘ভূতুড়ে বিল’-সংক্রান্ত বক্তব্যের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে, যদিও তার বক্তব্যের সঙ্গে তারা একমত নন। সালমান মুক্তাদিরের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে এবং তার স্টুডিও ভাঙচুর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, "সালমানকে সাইজ করার টুল হাতে নেই, তাই এসব সাইবার আইন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে," এমন ধারণা যেন মানুষের মধ্যে তৈরি না হয়।

ফুয়াদ প্রশ্ন করেন, সাধারণ নাগরিকরা বিএনপির সমালোচনা করতে পারবেন কি না? সন্ত্রাসকে সন্ত্রাস বললে তাদের বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগ হবে কি না? পুলিশ আসামি ছেড়ে দিয়েছে? এই কথাও বললে কি পুলিশের মানহানি হবে?

তিনি আরও বলেন, এমন কোনো আইন করা যাবে না, যেখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ইমোজি, রাজনৈতিক সমালোচনা কিংবা সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন তোলাও সাইবার অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। আগের সরকার ডিজিটাল আইন নিয়ে যে ভুল করেছিল, বর্তমান সরকারও যেন একই পথে না হাঁটে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রণীত সাইবার অধ্যাদেশে যেসব ইতিবাচক বিষয় ছিল, সেগুলো বাদ দিয়ে কেন আবার কাটাছেঁড়া করা হচ্ছে, তা সরকারকে ব্যাখ্যা করতে হবে।

তিনি বলেন, গুম-খুনের বিরুদ্ধে কথা বলার লোক ছিল না। তারা চান, সরকার সফল হোক। তবে তারা মনে করেন, "আপনারা আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না, সেই সক্ষমতা আপনাদের নেই।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ২০২৬ সালের প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনটি ২০১৮ সালের আইন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ এবং পরবর্তী সংশোধনীর ধারাবাহিকতার সর্বশেষ সংস্করণ। এই প্রস্তাবনায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এর মাধ্যমে রাষ্ট্রের ক্ষমতা আরও কর্তৃত্ববাদী হয়ে ওঠার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেন, প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলোকে এমনভাবে করা উচিত নয়, যাতে তা পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট সরকারের আইন ও চর্চার ধারাবাহিকতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্বাগত বক্তব্যে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা বলেন, বাংলাদেশে একটি শক্তিশালী সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রয়োজন। হ্যাকিং, ফাইন্যান্সিয়াল ফ্রড, আইডেন্টিটি থেফট এবং ক্রিটিক্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচারের ওপর সাইবার হামলার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তবে প্রশ্ন হলো, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে কি নাগরিকের স্বাধীনতাকে অনিরাপদ করে তুলব?

তিনি বলেন, “একজন Cyber Criminal এবং একজন সরকারের সমালোচক এক ব্যক্তি নন। Cyber Criminal-এর বিরুদ্ধে কঠোরতা প্রয়োজন, কিন্তু রাজনৈতিক ভিন্নমতকে Cyber Crime বানানো যাবে না।

সাম্প্রতিক Cyber Protection (Amendment) Act, 2026, CPA2-এর খসড়া নিয়ে TIB, ICNLসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্বেগ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব উদ্বেগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। জনগণের মতামতের জন্য মাত্র ১০ দিন সময় যথেষ্ট নয়। আইন চূড়ান্ত করার আগে আরও সময় দিয়ে অর্থবহ জনপরামর্শ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, “misinformation”, “rumour” এবং বিশেষ করে “derogatory to the State”-এর মতো অস্পষ্ট শব্দের ভিত্তিতে অনলাইন কনটেন্ট বন্ধ বা সরানোর ক্ষমতা অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

কোনো ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট বন্ধ বা সরানোর ক্ষেত্রে স্বাধীন বিচারিক তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জরুরি পরিস্থিতিতে সাময়িক ব্যবস্থা নেওয়া হলেও দ্রুত বিচারিক পর্যালোচনা, লিখিত কারণ, নির্দিষ্ট সময়সীমা এবং আপিলের সুযোগ থাকতে হবে।

বাংলাদেশ ICCPR-এর রাষ্ট্রপক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মতপ্রকাশ ও তথ্যের অধিকার সুরক্ষিত রাখতে যেকোনো বিধিনিষেধ হতে হবে আইনসম্মত, প্রয়োজনীয় ও আনুপাতিক। বিশ্বের আধুনিক সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা মূলত critical infrastructure, data protection, risk management এবং cyber resilience-এর ওপর গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশকেও সেই পথেই এগোতে হবে।

সরকারের প্রতি ৫ দফা আহ্বান

অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা বলেন, আজ যারা ক্ষমতায় আছেন, কাল তারা বিরোধী দলে থাকতে পারেন। আবার আজ যারা বিরোধী দলে আছেন, কাল তারা সরকারে যেতে পারেন। তাই এমন আইন প্রয়োজন, যা কোনো সরকারের হাতে বিরোধী মত দমনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে না।

এ জন্য সরকারের প্রতি তিনি পাঁচটি আহ্বান জানান—

১. আইন চূড়ান্ত করার আগে ব্যাপক ও অর্থবহ জনপরামর্শ করতে হবে।

২. ‘গুজব’, ‘ভুল তথ্য’ ও ‘রাষ্ট্রবিরোধী’—এ ধরনের অস্পষ্ট শব্দের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৩. কনটেন্ট বন্ধ বা সরানোর ক্ষেত্রে আদালতের অনুমোদন ও কার্যকর বিচারিক পর্যালোচনা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. সরকারের সমালোচনা, ভিন্নমত, সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থে তথ্য প্রকাশকে সাইবার অপরাধ করা যাবে না।

৫. নাগরিকের ডিজিটাল অধিকার রক্ষায় স্বাধীন তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, তারা এমন Cyber Security Law চান, যা অপরাধীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে শক্তিশালী করবে, কিন্তু নাগরিকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে সীমাহীন ক্ষমতা দেবে না। তারা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা চান, কিন্তু মতপ্রকাশের স্বাধীনতার বিনিময়ে নয়।

সভাপতির বক্তব্যে এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া বলেন, প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে অপরাধ দমন এবং নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মধ্যে সুস্পষ্ট ভারসাম্য থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কনটেন্ট ব্লক বা অপসারণ, গুজব” ও “মিসইনফরমেশন”, অনলাইন মানহানি, অপমান ও বুলিংকে অপরাধের আওতায় আনার ক্ষেত্রে আইনের ভাষা অতিরিক্ত বিস্তৃত ও অস্পষ্ট হলে এর অপব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি হবে।

বিশেষ করে আদালতের পূর্বানুমোদন ছাড়া কনটেন্ট অপসারণ বা ব্লকের সুযোগ, “reason to believe”-এর মতো subjective মানদণ্ড এবং মতপ্রকাশ-সম্পর্কিত অপরাধে গ্রেফতারের ক্ষমতা স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবাদিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের source confidentiality এবং অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সুরক্ষার বিষয়টিও আইনে স্পষ্টভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া বলেন, গুজব, মিসইনফরমেশন, অপমান, হেয় করা বা বুলিংয়ের মতো অস্পষ্ট শব্দের ভিত্তিতে যেন বৈধ রাজনৈতিক সমালোচনা, সাংবাদিকতা বা জনস্বার্থের বক্তব্য অপরাধে পরিণত না হয়।

ব্যাংক হ্যাকিং, ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ransomware, অনলাইন প্রতারণা কিংবা শিশুদের যৌন শোষণের মতো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করতে হবে। কিন্তু সরকারের দুর্নীতি নিয়ে প্রশ্ন করা, নীতির সমালোচনা করা, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করা কিংবা জনস্বার্থে তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলাকে শুধু সেই কারণে সাইবার অপরাধ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, “রাষ্ট্র সাইবার অপরাধীর বিরুদ্ধে শক্তিশালী হবে; নাগরিকের কণ্ঠের বিরুদ্ধে নয়।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন অ্যাডভোকেট আবু হানিফা, ছাত্রপক্ষের সভাপতি মোহাম্মদ প্রিন্স যুব পার্টির সদস্য সচিব হাদীউজ্জামান খোকন ও ব্যারিস্টার ইর্তিকা উদ্দিন।

সভায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, গণপরিবহন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, সড়ক ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক: প্রকৌশলী এম শাহেদুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ, ছাত্রপক্ষের সাধারণ সম্পাদক রাফিউর রহমান ফাত্তা, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহ দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী, যাত্রাবাড়ী থানার আহ্বায়ক মিয়া সুলতান আরিফ, ছাত্রপক্ষের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফওজিয়া ফারিহা করবি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক শেখ মাহমুদুল হাসান আসিফ এবং সদস্য নুসরাত রহমান খানসহ এবি পার্টি লইয়ার্সের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ১০ অ্যাম্পুল ইজিয়াম ইনজেকশনসহ যুবক গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার বরিশাল

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৯ পি.এম


বরিশালে ১০ অ্যাম্পুল ইজিয়াম ইনজেকশনসহ যুবক গ্রেপ্তার

বরিশালের উজিরপুরে অভিযান চালিয়ে ১০ অ্যাম্পুল ইজিয়াম ইনজেকশনসহ মো. আতিকুর রহমান খোকন (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, বরিশাল।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে** উজিরপুর থানাধীন ইচলাদি টোল প্লাজার দক্ষিণ পাশে সড়কে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সাকুরা পরিবহনের একটি বাসে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় বাসের যাত্রী মো. আতিকুর রহমান খোকনের কাছ থেকে ১০ অ্যাম্পুল ইজিয়াম ইনজেকশন উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তার মো. আতিকুর রহমান খোকন (৩৭) ঢাকার ডেমরা থানার বালুধীৎপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত জাকির হোসেন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় উজিরপুর মডেল থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।

অভিযানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিভাগীয় গোয়েন্দা কার্যালয়, বরিশালের উদ্যোগে পরিচালিত হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%