ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নতুন মৌসুমে বদলাচ্ছে ফুটবলের নিয়ম, বাড়ছে ভিএআরের ক্ষমতাসহ একাধিক পরিবর্তন


নতুন মৌসুমে বদলাচ্ছে ফুটবলের নিয়ম, বাড়ছে ভিএআরের ক্ষমতাসহ একাধিক পরিবর্তন

ফুটবল মাঠে অহেতুক নাটকীয়তা এবং সময়ক্ষেপণের দিন, সম্ভবত এবার শেষ হতে চলেছে! খেলার গতি বজায় রাখা এবং অযথা সময় অপচয় বন্ধ করার জন্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিয়ে আসছে একগুচ্ছ নতুন ও যুগান্তকারী নিয়ম। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে সফলভাবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হওয়ার পর, এবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগসহ বিশ্বের শীর্ষ সারির লিগগুলোতে কার্যকর হতে যাচ্ছে এই নতুন আইনগুলো।

গোল-কিক ও থ্রো-ইনের কাউন্টডাউনও থাকবে। এখন থেকে থ্রো-ইন বা গোল-কিকের সময়ে খেলোয়াড়েরা গড়িমসি করলে রেফারি সরাসরি ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু করবেন। নির্ধারিত সময়ে থ্রো-ইন না করলে প্রতিপক্ষকে থ্রো-ইনের সুযোগ দেওয়া হবে। একইভাবে গোল-কিকে দেরি করলে প্রতিপক্ষ সরাসরি পেয়ে যাবে কর্নার কিক।

বদলি হওয়া খেলোয়াড়কে রেফারির বাঁশি বাজার পরে মাঠের নিকটতম সীমানারেখা দিয়ে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই মাঠের বাইরে যেতে হবে। কেউ ব্যর্থ হলে কিংবা অহেতুক সময় নষ্ট করলে, নতুন যিনি মাঠে নামবেন তাকে অন্তত ১ মিনিট সাইডলাইনে বাধ্যতামূলক অপেক্ষা করতে হবে। ফলে ওই ১ মিনিট ১০ জনের দল নিয়ে খেলতে হবে ওই ক্লাবকে।

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ভুয়া চোট বন্ধ করতে ১ মিনিটের বাধ্যবাধকতা নিয়ে আসা হচ্ছে। খেলার গতি ভাঙতে অথবা কৌশলগত কারণে কেউ মাঠে চোটের নাটক করলে এখন কড়া মূল্য চোকাতে হবে। চিকিৎসাসেবার জন্য খেলা থামলে আহত খেলোয়াড়কে মাঠের বাইরে অন্তত ১ মিনিট কাটাতে হবে।

তবে, প্রতিপক্ষ ফাউল করে হলুদ অথবা লাল কার্ড পেলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। গোলরক্ষকদের ‘ট্যাকটিক্যাল টাইমআউট’ বন্ধের অধ্যায়ও সকলের জন্য নতুন। ম্যাচের মোড় ঘোরাতে কিংবা কোচের কাছ থেকে বুদ্ধি নিতে গোলরক্ষকরা হঠাৎ মাঠে শুয়ে পড়ে প্রাথমিক চিকিৎসার দাবি জানানোর দিন শেষ হতে চলেছে। এখন থেকে এমনটা করলে কোচের নির্দেশে দলের যেকোনো একজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে ১ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে গিয়ে বসে থাকতে হবে।

পেনাল্টি এরিয়ার স্পষ্ট হ্যান্ডবল নিয়মও থাকবে। ডি-বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডার কিক করার পরপরই বল সচল বা ‘ইন-প্লে’ হিসেবে গণ্য হবে। ওই অবস্থায় কোনো ডিফেন্ডারের গায়ে বল লাগলে সরাসরি পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর ব্যাকপাসের বল গোলরক্ষক হাত দিলে মিলবে ইনডাইরেক্ট ফ্রিকিক।

ভিএআরের ক্ষমতা বৃদ্ধি সম্পর্কে বলা হচ্ছে যে, প্রযুক্তিগত সহায়তায় আসছে আরও বড় পরিবর্তন। এখন থেকে কোনো খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (যার ফলে লাল কার্ড হয়) দেওয়া সঠিক ছিল কি না, তা ভিএআর রিভিউ করতে পারবে। এছাড়া, সেট-পিস শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে অব্যবহৃত ফাউল থেকে গোল হলেও তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও অনিশ্চয়তায় পূজার মেডিক্যালে পড়ার স্বপ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৩৮ পি.এম


জেলার সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েও অনিশ্চয়তায় পূজার মেডিক্যালে পড়ার স্বপ্ন

নড়াইলের মেধাবী শিক্ষার্থী পূজা বিশ্বাসের স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। তবে তিনি জানেন না, তার বাবা-মা তাকে মেডিক্যাল পড়াতে পারবেন কি না। কষ্ট করে সফলতার এই কাহিনীকে তুলে ধরে পূজা বলেন, 'চিকিৎসক হয়ে গরিব মানুষের সেবা করার পাশাপাশি আমার মতো অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চাই।'

তিনি আরও জানান, 'তাদের পক্ষে এত খরচ বহন করা কঠিন।' তবুও তিনি পরিশ্রম, শিক্ষকদের সহযোগিতা এবং নিজের চেষ্টায় ফল অর্জন করেছেন।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডের অধীনে নড়াইল সদর উপজেলার কৃষ্ণলতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১০ পেয়ে জিপিএ-৫ অর্জন করেছে পূজা। এটি এ বছর নড়াইল জেলার সর্বোচ্চ ফল।

পূজা নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া ইউনিয়নের নলদিচর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবা নৃত্য গোপাল বিশ্বাস একজন কৃষক এবং মা দীপ্তি রানী বিশ্বাস গৃহিণী।

তাদের কৃষিকাজে সাত সদস্যের সংসার চালানো এবং বছরের অধিকাংশ সময় অভাব-অনটনের মধ্যে কাটাতে হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও পূজার পড়াশোনায় কোনো বাধা আসেনি।

পূজা তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড়। শিক্ষায় তার আগ্রহ ছোটবেলা থেকেই ছিল। বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি বাড়িতে বই নিয়ে পড়তেন। বিদ্যুৎ চলে গেলে কখনো চার্জলাইট আবার কখনো কেরোসিনের বাতির আলোতে পড়াশোনা করেছেন।

এখন এসএসসিতে জেলা সেরা পেয়ে কলেজ, ভর্তি কোচিং এবং মেডিক্যাল পড়াশোনার খরচ নিয়ে চিন্তিত পরিবার।

পূজার বাবা বলেন, 'মেয়েটার মেডিক্যাল পড়ার খুব ইচ্ছে, আমিও তার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই। কিন্তু এত খরচ মেটানো আমার পক্ষে অসম্ভব।' মা দীপ্তি রানী বিশ্বাস জানান, 'অভাবের সংসার হলেও মেয়েকে পড়াশোনা ছাড়তে বলিনি।'

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার পর পাইতে শুরু থেকেই সেরা ফল করে আসছিল পূজা। শিক্ষকদের প্রত্যাশা ছিল শুরু থেকেই। কৃষ্ণলতা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমীর গোলদার বলেন, 'পূজা ১২৫০ নম্বরের মধ্যে ১২১০ পেয়েছে, যা সেরা।' বিদ্যালয়টি প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত এবং এর সভাপতির মাধ্যমে এখানকার অসচ্ছল মেয়েরা পড়ার সুযোগ পেয়েছে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বলেন, 'পূজা বিশ্বাসের এই সাফল্য তার কঠোর পরিশ্রমের প্রমাণ।'

উল্লেখ্য, যশোর শিক্ষা বোর্ড অনুযায়ী, এ বছর নড়াইল জেলা থেকে মোট ৮ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে ৪০৪ জন জিপিএ ৫ পেয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্ধ সব ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


গ্যাস সংকটে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বন্ধ সব ফিলিং স্টেশন ও শিল্পকারখানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় তিন দিনের অধিক সময় ধরে গ্যাসের তীব্র সংকট কাটেনি। এই সংকটের কারণে প্রায় ২৬ হাজার গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান মিলে। যা গ্রাহকদের মাঝে হাহাকার সৃষ্টি করেছে। মূলত এলএনজি সংকট এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটার ফলস্বরূপ, দেশের অন্যান্য জেলার মত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে, গত বুধবার দুপুর থেকে জেলার সব ধরণের গ্রাহকের পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে৫টি ফিলিং স্টেশন ও ১৭টি গ্যাস নির্ভর শিল্প কারখানা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এছাড়া, আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস না পাওয়ার কারণে দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ির রান্নায় মাটির চুলা এবং সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে। আকস্মিক এই বিপর্যয়ের কারণে আবাসিক গ্রাহকদের এখন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যদিও কিছু অঞ্চলে স্বল্প পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ চলছে, সেটাও কমদমে। এই কারণে হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলোতে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাখারাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল হক জানিয়েছেন, জেলায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে মোট প্রায় ২৬ হাজার গ্রাহক রয়েছে। মহেশখালীর এফএসআরওতে গ্যাসিফিকেশনের জন্য আমদানি করা এলএনজি বঙ্গোপসাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লোডিং কার্যক্রম করা যাচ্ছে না। ফলে সরবরাহ ও চাপের কমতির কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যার সমাধান কবে হবে, তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

 

প্রসঙ্গত, বুধবার (১২ আগস্ট) বিজিডিসিএল কর্তৃক প্রকাশিত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, প্রতিকূল আবহাওয়ার ফলে এলএনজি টার্মিনাল (FSRU) থেকে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কমে গেছে। এর প্রভাবে বিজিডিসিএলের বিতরণ এলাকায় কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিদ্যমান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুবসমাজের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান সাইফুল হকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ পি.এম


গণতান্ত্রিক উত্তরণে যুবসমাজের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান সাইফুল হকের

গণতান্ত্রিক উত্তরণ নিশ্চিত করতে দেশের যুব সমাজের অধিকার ও মানবিক জীবন নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি এ সময় বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রাখতে যুবসমাজকে সতর্ক ও সক্রিয় থাকতে হবে।

দেশের কোটি কোটি যুবকের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে তাদের শক্তিকে কাজে লাগাতে সরকারের সমন্বিত পরিকল্পনা ও উদ্যোগ প্রয়োজন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচার সংহতি মিলনায়তনে বিপ্লবী যুব সংহতির ঢাকা উত্তরের সংগঠকদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সাইফুল হক আরো বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনীত করার সিদ্ধান্তটি দূরদর্শী ও প্রজ্ঞার পরিচয়। বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দলের স্থায়ী কমিটি এ মনোনয়নের মাধ্যমে বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছন।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি পদের গুরুত্ব, সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন।

প্রার্থী মনোনয়নের আগে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শ করা হলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক। তিনি আরও বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের অধিকাংশ শরিক দলের জাতীয় সংসদে প্রতিনিধি না থাকলেও এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করা তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।

তিনি আরো বলেন, দেশের কোটি কোটি যুবকের আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।

গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করতে সরকারকে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।

সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেত্রী বহ্নিশিখা জামালী বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন রক্ষা করতে যুব সমাজকে জেগে থাকতে হবে। যেকোনো অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে হবে। এছাড়া, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানান তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধের মধ্যে তেলের দাম কমানোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নয়, যুদ্ধের মধ্যে তেলের দাম কমানোই যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান লক্ষ্য

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান অগ্রাধিকার এখন আর দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নয়। বরং মার্কিন ভোক্তাদের জন্য পেট্রোলের দাম কমানোই এখন প্রধান লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এ কথা বলেছেন। একই সঙ্গে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, তেহরানকে চাপে ফেলতে নতুন অর্থনৈতিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা শিগগিরই আসছে।

ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের এসব মন্তব্য থেকে বোঝা যায়, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়ে তেহরান কতটা শক্তিশালী দর-কষাকষির ক্ষমতা অর্জন করেছে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরে ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাকে যুদ্ধের প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছেন। তবে ভ্যান্স ফক্স নিউজকে বলেছেন, এখন সেই লক্ষ্য পেছনে পড়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবার অবাধে তেল সরবরাহ নিশ্চিত করাই এখন অগ্রাধিকার।

ভ্যান্সের মন্তব্যে যুদ্ধের বর্তমান বাস্তবতা স্পষ্ট হয়েছে। এখন যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ট্রাম্প ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে গুরুত্বপূর্ণ এই জ্বালানি সরবরাহের পথটি উন্মুক্ত ছিল।

প্রতিশোধ হিসেবে ইরান কার্যত প্রণালিটি বন্ধ করে দিয়েছে। এর ফলে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ দর-কষাকষির হাতিয়ার পেয়ে গেছে। অন্যদিকে ট্রাম্প যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন এবং ইরানের বিরুদ্ধে আবার বড় ধরনের হামলা চালানো থেকে পিছিয়ে থাকছেন।

ফক্স নিউজকে ভ্যান্স বলেন, ‘আমি জানি আজ তেলের দাম কমেছে এবং সংঘাতের শুরুর দিকের সর্বোচ্চ দামের তুলনায় এটি অনেকটাই কম। আমাদের এক নম্বর লক্ষ্য হলো-দেশজুড়ে আমেরিকানদের জন্য তেল ও গ্যাসের দাম সস্তা রাখা।’

তিনি আরও বলেন, ‘ অবশ্যই দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, ইরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে- সেটি নিশ্চিত করা।’

-‘নিম্ন মাত্রায় রাখছি’-

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা সামরিক অভিযানের ব্যাপারে প্রশাসনের সবচেয়ে সন্দিহান সদস্যদের একজন ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তবে তাঁর এসব মন্তব্যে এখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের পছন্দের আরও সতর্ক অবস্থানেরই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। এ অবস্থানের আওতায় ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে দেশটির বন্দর অবরোধ এবং তেল বিক্রি ঠেকানো।

আরও অর্থনৈতিক শাস্তির ঘোষণা দিয়ে বেসেন্ট ইরানকে ‘বিশ্ব আগে কখনো দেখেনি এমন’ অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার মুখে ফেলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহে নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মাত্র কয়েক দিন আগেও ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার জন্য একটি চুক্তি হওয়া আসন্ন। কিন্তু এখন তার প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

কূটনৈতিক তৎপরতা স্থগিত রয়েছে। কারণ ট্রাম্প আশা করছেন, অর্থনৈতিক দুর্ভোগ ইরানকে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করবে।

ট্রাম্প রোববার বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিম্ন মাত্রায় রাখছি। আমরা তাদের সঙ্গে কেবল আংশিকভাবে আলোচনা করছি। আমরা শুধু দেখছি, ইরানে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি হচ্ছে এবং তারা বেশ  অর্থ সংকটে আছে।’

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস পরিবেশিত খবরে বলা হচ্ছে, যুদ্ধ শুরুর পর কয়েক মাসে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিপুল অর্থ ব্যয়ে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ও অন্যান্য অস্ত্রের মজুত ব্যবহার করেছে এবং এখন এসব অস্ত্রের মজুত কমে আসছে। ফলে ইরানের ওপর আবার হামলা চালানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের বিকল্পও সীমিত হয়ে পড়ছে।

ভ্যান্স আরও বলেন, ‘কখনো কখনো আমরা জ্বালানি নিয়ে বেশি মনোযোগ দিই। কারণ আমরা চাই আমেরিকানরা যেন তেল ও গ্যাসের দাম বহন করতে পারে। আবার কখনো আমরা অবশ্যই সামরিক বিষয়, পরমাণু কর্মসূচির দিকে মনোযোগ দিই।’

সম্প্রতি ট্রাম্প বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতা হলে তবেই তিনি ইরানে আবার হামলা চালানো থেকে বিরত থাকবেন।

এখন প্রণালিটি খুলে দেওয়ার জন্য ইরান কয়েকটি শর্ত দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে এসব শর্ত মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা কম। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে সব ফ্রন্টে যুদ্ধের অবসান, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দ করা সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া।

এসব শর্ত জুনে স্বাক্ষরিত কথিত সমঝোতা স্মারকের শর্তগুলোর সঙ্গে মিলে যায়। যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ায় ওই সমঝোতা ভেস্তে যায়। এতে ইরানের জন্য ৩০ হাজার কোটি ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের একটি বিধানও ছিল।

এসব শর্ত জুনে সম্পাদিত তথাকথিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্তগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। যুদ্ধ পুনরায় শুরু হওয়ার পর ওই সমঝোতা ভেঙে যায়। এতে ইরানের জন্য ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল গঠনের একটি প্রস্তাবও ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%