প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় তিন দিনের অধিক সময় ধরে গ্যাসের তীব্র সংকট কাটেনি। এই সংকটের কারণে প্রায় ২৬ হাজার গ্রাহকের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে আবাসিক এবং বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান মিলে। যা গ্রাহকদের মাঝে হাহাকার সৃষ্টি করেছে। মূলত এলএনজি সংকট এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এলএনজি সরবরাহের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটার ফলস্বরূপ, দেশের অন্যান্য জেলার মত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। এর ফলে, গত বুধবার দুপুর থেকে জেলার সব ধরণের গ্রাহকের পর্যায়ে গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে৫টি ফিলিং স্টেশন ও ১৭টি গ্যাস নির্ভর শিল্প কারখানা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। এছাড়া, আবাসিক গ্রাহকদের গ্যাস না পাওয়ার কারণে দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে বিভিন্ন এলাকায় বাসাবাড়ির রান্নায় মাটির চুলা এবং সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে। আকস্মিক এই বিপর্যয়ের কারণে আবাসিক গ্রাহকদের এখন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যদিও কিছু অঞ্চলে স্বল্প পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ চলছে, সেটাও কমদমে। এই কারণে হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলোতে চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাখারাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) প্রকৌশলী মোঃ শফিকুল হক জানিয়েছেন, জেলায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে মোট প্রায় ২৬ হাজার গ্রাহক রয়েছে। মহেশখালীর এফএসআরওতে গ্যাসিফিকেশনের জন্য আমদানি করা এলএনজি বঙ্গোপসাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে লোডিং কার্যক্রম করা যাচ্ছে না। ফলে সরবরাহ ও চাপের কমতির কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সমস্যার সমাধান কবে হবে, তা এখনো নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, বুধবার (১২ আগস্ট) বিজিডিসিএল কর্তৃক প্রকাশিত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, প্রতিকূল আবহাওয়ার ফলে এলএনজি টার্মিনাল (FSRU) থেকে এলএনজি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। এর ফলে জাতীয় পর্যায়ে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কমে গেছে। এর প্রভাবে বিজিডিসিএলের বিতরণ এলাকায় কুমিল্লা, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় গ্যাসের স্বল্পচাপ বিদ্যমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন