প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফুটবল মাঠে অহেতুক নাটকীয়তা এবং সময়ক্ষেপণের দিন, সম্ভবত এবার শেষ হতে চলেছে! খেলার গতি বজায় রাখা এবং অযথা সময় অপচয় বন্ধ করার জন্য ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএ) আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিয়ে আসছে একগুচ্ছ নতুন ও যুগান্তকারী নিয়ম। সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপে সফলভাবে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ হওয়ার পর, এবার ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগসহ বিশ্বের শীর্ষ সারির লিগগুলোতে কার্যকর হতে যাচ্ছে এই নতুন আইনগুলো।
গোল-কিক ও থ্রো-ইনের কাউন্টডাউনও থাকবে। এখন থেকে থ্রো-ইন বা গোল-কিকের সময়ে খেলোয়াড়েরা গড়িমসি করলে রেফারি সরাসরি ৫ সেকেন্ডের কাউন্টডাউন শুরু করবেন। নির্ধারিত সময়ে থ্রো-ইন না করলে প্রতিপক্ষকে থ্রো-ইনের সুযোগ দেওয়া হবে। একইভাবে গোল-কিকে দেরি করলে প্রতিপক্ষ সরাসরি পেয়ে যাবে কর্নার কিক।
বদলি হওয়া খেলোয়াড়কে রেফারির বাঁশি বাজার পরে মাঠের নিকটতম সীমানারেখা দিয়ে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই মাঠের বাইরে যেতে হবে। কেউ ব্যর্থ হলে কিংবা অহেতুক সময় নষ্ট করলে, নতুন যিনি মাঠে নামবেন তাকে অন্তত ১ মিনিট সাইডলাইনে বাধ্যতামূলক অপেক্ষা করতে হবে। ফলে ওই ১ মিনিট ১০ জনের দল নিয়ে খেলতে হবে ওই ক্লাবকে।
ভুয়া চোট বন্ধ করতে ১ মিনিটের বাধ্যবাধকতা নিয়ে আসা হচ্ছে। খেলার গতি ভাঙতে অথবা কৌশলগত কারণে কেউ মাঠে চোটের নাটক করলে এখন কড়া মূল্য চোকাতে হবে। চিকিৎসাসেবার জন্য খেলা থামলে আহত খেলোয়াড়কে মাঠের বাইরে অন্তত ১ মিনিট কাটাতে হবে।
তবে, প্রতিপক্ষ ফাউল করে হলুদ অথবা লাল কার্ড পেলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। গোলরক্ষকদের ‘ট্যাকটিক্যাল টাইমআউট’ বন্ধের অধ্যায়ও সকলের জন্য নতুন। ম্যাচের মোড় ঘোরাতে কিংবা কোচের কাছ থেকে বুদ্ধি নিতে গোলরক্ষকরা হঠাৎ মাঠে শুয়ে পড়ে প্রাথমিক চিকিৎসার দাবি জানানোর দিন শেষ হতে চলেছে। এখন থেকে এমনটা করলে কোচের নির্দেশে দলের যেকোনো একজন আউটফিল্ড খেলোয়াড়কে ১ মিনিটের জন্য মাঠের বাইরে গিয়ে বসে থাকতে হবে।
পেনাল্টি এরিয়ার স্পষ্ট হ্যান্ডবল নিয়মও থাকবে। ডি-বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডার কিক করার পরপরই বল সচল বা ‘ইন-প্লে’ হিসেবে গণ্য হবে। ওই অবস্থায় কোনো ডিফেন্ডারের গায়ে বল লাগলে সরাসরি পেনাল্টি দেওয়া হবে। আর ব্যাকপাসের বল গোলরক্ষক হাত দিলে মিলবে ইনডাইরেক্ট ফ্রিকিক।
ভিএআরের ক্ষমতা বৃদ্ধি সম্পর্কে বলা হচ্ছে যে, প্রযুক্তিগত সহায়তায় আসছে আরও বড় পরিবর্তন। এখন থেকে কোনো খেলোয়াড়কে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড (যার ফলে লাল কার্ড হয়) দেওয়া সঠিক ছিল কি না, তা ভিএআর রিভিউ করতে পারবে। এছাড়া, সেট-পিস শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে অব্যবহৃত ফাউল থেকে গোল হলেও তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখবে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন