শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
শেরপুরে ডা. সেরাজুল হক স্মৃতি মেধাবৃত্তি বিতরণ ও গুণী সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে শ্রীবরদী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ১৭১ মেধাবীর মাঝে বৃত্তি বিতরণ ও ২ জনকে গুণী সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসক ও জেলা মেজিস্ট্রেট মিজ ফরিদা ইয়াসমিন-এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মেধাবৃত্তি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.জ.ম রেজাউল করিম খান, শেরপুরের পুলিশ সুপার এ.কে.এম জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম মামুনুর রশিদ পলাশ ও শ্রীবরদী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্রীবরদী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বাদল।
এদিন শ্রীবরদী উপজেলার পঞ্চম, অষ্টম, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় মেধার সাক্ষররাখা ১৭১ জন শিক্ষার্থীকে নগদ অর্থ ও শিক্ষণীয় বই উপহার দেওয়ার পাশাপাশি উপজেলার সেরা ৬ শিক্ষার্থীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া ডা. সেরাজুল হক স্মৃতি পরিষদের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক শেরপুর-৩ আসনের সাবেক এমপি প্রয়াত ডা. সেরাজুল হকের ছেলে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ.জ.ম রেজাউল করিম খান-কে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
সংবর্ধনা উপকমিটির সদস্য সচিব ও শ্রীবরদী কল্যাণ সমিতির সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কবি হাসান শরাফত-এঁর সঞ্চালনায় মেধাবৃত্তি ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বৃত্তি প্রদান উপকমিটির আহবায়ক অধ্যাপক আছমত আলী ও সদস্য সচিব মো. মাসুদ রানা, সংবর্ধনা উপকমিটির আহবায়ক গোলাম সাকলায়েনসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখায় উদ্বুদ্ধ করতে তাদের মাঝে এই মেধাবৃত্তি প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনার চাটমোহর উপজেলার আটলংকা দক্ষিণ সেনগ্রাম এলাকায় পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। নিহত শিশুদের নাম হুজাইফা রহমান (৭) এবং মাহফুজ (৬)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
হুজাইফা মজিবর রহমানের ছেলে এবং মাহফুজ রুবেল হোসেনের সন্তান। তাদের মৃত্যুর পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রতিবেশী এবং সমবয়সী হুজাইফা ও মাহফুজ জনু মেম্বারের পুকুরে গোসল করতে যায়। সাঁতার না জানায় তারা দুজনই পানিতে তলিয়ে যায়।
দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে না ফেরার কারণে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। নিখোঁজের প্রায় দুই ঘণ্টা পর পুকুরের পানিতে দুই শিশুর মরদেহ ভেসে ওঠে। পরে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত আটঘরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, "একসঙ্গে দুই শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি অত্যন্ত কষ্টদায়ক। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে অভিভাবকদের আরো সচেতন হওয়া প্রয়োজন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে, নিহত কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের জানাজার নামাজ আগামীকাল রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে, জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম।
উপাচার্য আরও জানান, সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর সকাল ১১টায় কুমিল্লার গন্ধমতি ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে।
অপ্রতিমের জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য সবাইকে অনুরোধ করেছেন উপাচার্য, যাতে তার রুহের মাগফিরাত কামনা করা যায়।
গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় কিশোর অপ্রতিম। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহটি উদ্ধার করে কুমিল্লা সদর হাসপাতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ময়নাতদন্তের পর রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মরদেহ নিজ বাসায় নিয়ে আসা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, "বিএনপির প্রতিটি কর্মীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গেছে।"
তিনি উল্লেখ করেছেন, "দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে, সেজন্য বিএনপি কর্মীদের ঘরে ঘরে হাহাকার শুরু হয়ে গেছে। আমরা দেশকে সঠিক পথে আনার জন্যই লংমার্চ করছি। কোনো মুনাফেকের কথায় আপনারা বিপথগামী হবেন না।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ‘ঢাকা টু রংপুর’ লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমেদ আরও বলেন, "বিএনপির প্রতিটি কর্মীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গেছে। কারণ হলো—একসময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী নেতা ক্রুশ্চেভ। হঠাৎ যখন তার বিরুদ্ধে রাস্তায় সংগ্রাম শুরু হলো, তখন তার মা ঘরে জোরে জোরে কান্নাকাটি শুরু করলেন। কান্না কিছুতেই থামছে না দেখে সবাই এসে জানতে চাইল—পৃথিবীর এত বড় নেতার মা হয়ে আপনি কেন কাঁদছেন? তখন মা জবাব দিলেন, ওর ক্ষমতা চলে গেলে আমাদের কী অবস্থা হবে? এই মার্বেলের বাড়ি, বড় বড় গাড়ি আর ভালো খাবার—এসব আমরা আর কোথায় পাবো?"
তিনি বলেন, "ক্ষমতার থেকে চলে গেলে আজকে বিএনপির একই অবস্থা হবে। চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে, সন্ত্রাসী বন্ধ হয়ে যাবে, মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাবে। তারেকের যে সরকার এটা বিএনপির সরকার না, এটা হলো হাসিনার সরকার। তারেককেও সাবধান হতে হবে, দেশবাসীকেও সাবধান হতে হবে।"
১১ দলীয় ঐক্যের এই নেতা আরও বলেন, "আমরা এই রোড মার্চ করছি শুধু দেশকে সঠিক পথে আনার জন্য, কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, ব্যক্তিগত কোনো লোভে নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে থাকেন, বিপদগামী হবেন না। ফেসবুকে কে কি লিখলো, কোন মোনাফেক কি লিখলো, কোন বেইমান কি লিখলো, ভারতের দালালেরা কি লিখলো, সেটার দিকে গণ্ডপাত করবেন না। নিজের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে করবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেছেন, শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষাখাতে সর্বাধিক অর্থ বরাদ্দ করছে।
তিনি জানিয়েছেন, রাজশাহী কোর্ট কলেজসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষানগরী হিসেবে রাজশাহীর সুখ্যাতি বজায় থাকে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী কোর্ট কলেজের কনফারেন্স রুমে আইসিটি ডিজিটাল ল্যাবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করে বলেছেন, এলাকার ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাজশাহী শহরকে একটি সবুজ, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য এবং উন্নত আইনশৃঙ্খলার নগর হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজের মায়ের সঙ্গে তুলনা করে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভবিষ্যতে জাতির মুখ উজ্জ্বল করতে এবং মানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে প্রত্যেককে যথাযথ শিক্ষা ও যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি ছাত্রীনিবাস নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষ ও অধ্যক্ষকে হোস্টেল নির্মাণের জন্য কলেজের পার্শ্ববর্তী এলাকার খাস জমি বরাদ্দের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার পরামর্শ দেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাজশাহী কোর্ট কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুস্তারুজ্জামান লাভলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ সাইদা খানম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভূমিমন্ত্রী রাজশাহী কোর্ট কলেজের আইসিটি ডিজিটাল ল্যাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং কলেজ চত্বরে গাছ রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ