শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:১৮ পি.এম
এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেছেন যে, "বিএনপির প্রতিটি কর্মীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গেছে।"
তিনি উল্লেখ করেছেন, "দেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস বন্ধ হয়ে যাবে, সেজন্য বিএনপি কর্মীদের ঘরে ঘরে হাহাকার শুরু হয়ে গেছে। আমরা দেশকে সঠিক পথে আনার জন্যই লংমার্চ করছি। কোনো মুনাফেকের কথায় আপনারা বিপথগামী হবেন না।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের ‘ঢাকা টু রংপুর’ লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
অলি আহমেদ আরও বলেন, "বিএনপির প্রতিটি কর্মীর ঘরে ঘরে আজ কান্নার রোল শুরু হয়ে গেছে। কারণ হলো—একসময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী নেতা ক্রুশ্চেভ। হঠাৎ যখন তার বিরুদ্ধে রাস্তায় সংগ্রাম শুরু হলো, তখন তার মা ঘরে জোরে জোরে কান্নাকাটি শুরু করলেন। কান্না কিছুতেই থামছে না দেখে সবাই এসে জানতে চাইল—পৃথিবীর এত বড় নেতার মা হয়ে আপনি কেন কাঁদছেন? তখন মা জবাব দিলেন, ওর ক্ষমতা চলে গেলে আমাদের কী অবস্থা হবে? এই মার্বেলের বাড়ি, বড় বড় গাড়ি আর ভালো খাবার—এসব আমরা আর কোথায় পাবো?"
তিনি বলেন, "ক্ষমতার থেকে চলে গেলে আজকে বিএনপির একই অবস্থা হবে। চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে, সন্ত্রাসী বন্ধ হয়ে যাবে, মাস্তানি বন্ধ হয়ে যাবে। তারেকের যে সরকার এটা বিএনপির সরকার না, এটা হলো হাসিনার সরকার। তারেককেও সাবধান হতে হবে, দেশবাসীকেও সাবধান হতে হবে।"
১১ দলীয় ঐক্যের এই নেতা আরও বলেন, "আমরা এই রোড মার্চ করছি শুধু দেশকে সঠিক পথে আনার জন্য, কোনো ক্ষমতার লোভে নয়, ব্যক্তিগত কোনো লোভে নয়, ঐক্যবদ্ধভাবে থাকেন, বিপদগামী হবেন না। ফেসবুকে কে কি লিখলো, কোন মোনাফেক কি লিখলো, কোন বেইমান কি লিখলো, ভারতের দালালেরা কি লিখলো, সেটার দিকে গণ্ডপাত করবেন না। নিজের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা ঈমানী শক্তিতে বলীয়ান হয়ে করবেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু উল্লেখ করেছেন, শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বর্তমান সরকার শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষাখাতে সর্বাধিক অর্থ বরাদ্দ করছে।
তিনি জানিয়েছেন, রাজশাহী কোর্ট কলেজসহ অন্যান্য সম্ভাবনাময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষানগরী হিসেবে রাজশাহীর সুখ্যাতি বজায় থাকে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী কোর্ট কলেজের কনফারেন্স রুমে আইসিটি ডিজিটাল ল্যাবের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমিমন্ত্রী রাজশাহীর সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর আলোকপাত করে বলেছেন, এলাকার ও শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
রাজশাহী শহরকে একটি সবুজ, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, বাসযোগ্য এবং উন্নত আইনশৃঙ্খলার নগর হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সবার।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিজের মায়ের সঙ্গে তুলনা করে তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ভবিষ্যতে জাতির মুখ উজ্জ্বল করতে এবং মানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করতে প্রত্যেককে যথাযথ শিক্ষা ও যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি ছাত্রীনিবাস নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন মিজানুর রহমান মিনু।
তিনি কলেজ কর্তৃপক্ষ ও অধ্যক্ষকে হোস্টেল নির্মাণের জন্য কলেজের পার্শ্ববর্তী এলাকার খাস জমি বরাদ্দের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে আবেদন করার পরামর্শ দেন এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
রাজশাহী কোর্ট কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি অ্যাডভোকেট মুস্তারুজ্জামান লাভলুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজের অধ্যক্ষ সাইদা খানম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, কলেজের গভর্নিং বডির সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভূমিমন্ত্রী রাজশাহী কোর্ট কলেজের আইসিটি ডিজিটাল ল্যাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং কলেজ চত্বরে গাছ রোপণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মিরপুর এবং বাড্ডার পর, এবার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার সামনে একটি পিকআপে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে থানার সামনে সড়কের উপর জব্দ করা একটি পিকআপে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আগুন দেয়।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রাত সাড়ে ৯টার সময় কে বা কারা জব্দকৃত পিকআপে আগুন দেয়। আমরা এই ঘটনার তদন্ত করছি। পরে এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা হবে।
এদিকে, এর আগে একইদিন সন্ধ্যায় মিরপুরে দুটি বাসে এবং মধ্যবাড্ডায় একটি বাসে আগুনের ঘটনা ঘটেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ওভারব্রিজের নিচে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও এতে কেউ হতাহত হয়নি, তবে বাসস্ট্যান্ড এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, আনুমানিক রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে দুর্বৃত্তরা বাসস্ট্যান্ডের ওভারব্রিজের নিচে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিকট শব্দের ফলে আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী মো. হাবিব জানান, তারা সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বিকট শব্দ শোনার পর তারা প্রথমে মনে করেছিলেন, গাড়ির চাকা ব্রাস্ট হয়েছে। পরে তারা দেখেন, চারপাশে ধোঁয়া ছড়িয়ে গেছে। তখনই তারা বুঝতে পারেন, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু বিস্ফোরণকারী কে বা কারা, তা তারা দেখতে পাননি।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, যে স্থানে বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেখানে সব সময় টহল পুলিশ থাকে। তবে ওই সময় টহল পুলিশ সেখানে উপস্থিত ছিল না। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মোটরসাইকেলে করে এসে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এর আগে নির্বাচনের সময়েও এ ধরনের দুই-তিনটি ঘটনা ঘটেছিল। যারা এই কাজ করেছে, তাদের শনাক্ত করতে আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি দল এবং এসআরবি (র্যাব-৪, সিপিসি-৩, মানিকগঞ্জ; সদ্য পরিবর্তিত নাম) বিস্ফোরণের স্থান পরিদর্শন করেছে।
এর আগে, গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকা এবং শহরের জেলা ও দায়রা জজের বাসভবনের প্রধান ফটকের সামনে কয়েক দফায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ লংমার্চে বিরোধী দলের নেতাদের উস্কানিমূলক বক্তব্যকে অসহিষ্ণু ও দুরভিসন্ধিমূলক আখ্যায়িত করে বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেছেন যে, অপরিপক্ক নেতাদের পক্ষ থেকেই এরকম দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দেওয়া সম্ভব। তাদের এসব কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে, গণতান্ত্রিক রাজনীতির পরিবর্তে তারা ক্ষমতা পরিবর্তনের শর্টকাট পথ খুঁজছেন। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সাত মাস বয়সী সরকার প্রধানকে ‘হেলিকপ্টারে পালানোর’ কথা বলা কিংবা ‘পদত্যাগের’ হুমকি দেওয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও জনগণের ভোটের রায়কে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড তাদের ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশও বটে।
তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে পাক হানাদার বাহিনীর দালালী করে পাক শাসনকে 'স্বর্গ' বলেছিলেন, তারাই নির্বাচিত গণতান্ত্রিক শাসনকে 'নব্য স্বৈরশাসন' বলছেন। জনগণের রায়কে যারা অসম্মান করে, তারা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের বন্ধু হতে পারেন না। তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলের অসহিষ্ণু আচরণ, উস্কানিমূলক বক্তব্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন রাজনীতি গণঅভ্যুত্থানের গণ আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী এবং পতিত আওয়ামী লীগকে সুযোগ করে দিচ্ছে। বিরোধী দলের অহেতুক লংমার্চের কর্মসূচির আগের রাতে ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা তা প্রমাণ করে।
তিনি আজ বিকেলে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নড়াইল ইউনিয়নে দূর্গম এলাকায় নাগদাড়া নদীর ওপর বিএনপি নেতা জুয়েল করিম নির্মিত কাঠের ব্রীজ উদ্বোধন শেষে পূর্ব কাওয়ালীজান প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
জনসমাবেশে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জোর করে যেমন কাঁচা কাঁঠাল পাকানো যায় না, তেমনি ছয় মাস বয়সী গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে জোর করে স্বৈরাচার আখ্যা দেওয়া যায় না। বিরোধী দল সংসদের ভেতরে ও বাইরে স্বাধীনভাবে অবাধে কথা বলার এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের সুযোগ পাচ্ছে। সরকার তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে সহযোগিতা করছে। অথচ সেই সুযোগ নিয়েই সরকারকে 'স্বৈরাচার' বলা কিংবা নির্বাচিত সরকারকে ‘এক দফা’ আন্দোলনের হুমকি দেওয়া স্বৈরাচারী মনোবৃত্তির প্রকাশ।
তিনি বলেন, সরকারের উদারতা ও সহনশীলতাকে দুর্বলতা ভাবার সুযোগ নেই। সহনশীলতা দুর্বলতা নয়, উদারতা আত্মসমর্পণ নয়। সরকার গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে যেমন দায়িত্বশীল, তেমনি জনগণের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা রক্ষায়ও দৃঢ় ও কঠোর হতে বাধ্য হবে। বিরোধী দলের উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে, জনগণের সমস্যার সমাধান নয় বরং বিগত নির্বাচনে জনগণের ম্যান্ডেটকে অবজ্ঞা করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে তারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। নির্বাচনের সাত মাসের মাথায় নির্বাচিত সরকারকে আন্দোলনের হুমকির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জনগণ ভোট দিয়ে যে সরকারকে দায়িত্ব দিয়েছে, সেই রায়ের প্রতি সম্মান দেখানো গণতান্ত্রিক রাজনীতির অন্যতম মৌলিক শর্ত। নির্বাচনে জনগণ কেন তাদেরকে ক্ষমতায় বসায়নি, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পরিবর্তে জনগণের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ ও অস্থিরতা সৃষ্টি করা হলে জনগণের সরকার হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট লাভ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার জন প্রত্যাশা অনুযায়ী দেশ পুনর্গঠন এবং জনগণকে উন্নত জীবন, স্বস্তি ও শান্তি দিতে কাজ করছে। দীর্ঘদিনের অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তার পর জনগণ এখন শান্তি-শৃঙ্খলা, উন্নত জীবন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক স্বস্তি চায়। তারা গণতন্ত্রের পাশাপাশি স্থিতিশীলতা ও দেশের অগ্রগতি চায়। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব জনগণের এই প্রত্যাশাকে সম্মান করে দায়িত্বশীল ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির চর্চা করা।
বিরোধী দলকে উদ্দেশ করে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক বিরোধিতা গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ। সরকারকে সমালোচনা করা, জনগণের কাছে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরা এবং শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন তাদের অধিকার। কিন্তু জনগণকে জিম্মি করে, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে কিংবা সংঘাত ও অস্থিরতার পরিবেশ তৈরি করে রাজনীতি করার অধিকার কারও নেই।
তিনি নড়াইল ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে বলেন, ইনশাল্লাহ তারেক রহমান সরকারের আমলে এ সকল সমস্যার সমাধান পর্যায়ক্রমে করা হবে। তিনি নাগধারা নদীর ওপর পাকা ব্রিজ, গ্রামীণ সড়ক সংস্কার, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ, কৃষক ও ফ্যামিলি কার্ড প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন।
নড়াইল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক সৈয়দুজ্জামান এর সভাপতি ও সদস্য সচিব হারুন অর রশিদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই জনসমাবেশে হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল, সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীর, উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক মিজানুর রহমান শফিকুর রহমান, বিএনপি নেতা অধ্যাপক মোফাজ্জল হোসেন, গাজির ভিটা ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, জেলা জাসাস এর সিনিয়র সহ-সভাপতি কায়সার রাব্বি আরাফাত, উপজেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মশিউজ্জামান, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম, জুয়েল করিম, শহীদ উল্লাহ, জুয়েল খান, আলী আজম খান, ফরিদ আহমেদ, গণ অভ্যুত্থানে শহীদ বিজয় ফরাজীর পিতা সায়েদুল ফরাজী, বিএনপি নেতা আবুল ফজল, ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি খোকন মিয়া প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ