সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১১ পি.এম
প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে অপরাধের সঙ্গে জড়িত ১৪ দলের নেতাকর্মীদের নাম উল্লেখ করতে বলছিলেন। এ সময় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম উঁচু গলায় আপত্তি জানান। তিনি মন্তব্য করেন, "এভাবে বললে তো হবে না।"
এ সময় প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম পাশ থেকে বলেন, "সুলতানা মাহমুদ কোনো ভুল করেননি।" আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে প্রত্যক্ষদর্শী হানিফ মিয়া সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন।
হানিফ মিয়া সাক্ষীর কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে জানান, জুলাই মাসে কারফিউ চলাকালে রাজধানীর বাড্ডা-রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিষয়ে তিনি সাক্ষ্য দিচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, "এসব অপরাধের জন্য ১৪ দলের নেতারা দায়ী।" কারণ তিনি টিভিতে এই নেতাদের মিটিং করে আন্দোলনকারীদের দমন-পীড়ন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা শুনেছিলেন।
প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ তখন বলেন, "আপনি ১৪ দলের নেতাদের কথা বলছেন, তাদের নাম বলেন।" এ সময় আসামিদের জন্য সংরক্ষিত কাচের গ্লাসের ভেতর থেকে কামরুল ইসলাম প্রসিকিউটরকে জোর করে নাম বলার অভিযোগ তোলেন।
সুলতান মাহমুদ কামরুল ইসলামকে বলেন, "আপনি এভাবে সাউট করেন কেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আইনজীবীর মাধ্যমে বলবেন।" প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "আমার মনে হয় জবানবন্দি গ্রহণে ভুল করেননি।" প্রসিকিউশনের একটাই টার্গেট, একটাই উত্তর চাই। সাক্ষী ১৪ দলের কথা বলায়, তিনি নাম বলতে বলেছেন।
এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী মুনসুরুল হক বলেন, "It is a matter of identification। আপনারা প্রশ্ন করে নাম বলাচ্ছেন।" মিজানুল ইসলাম তখন বলেন, "এটা লিডিং প্রশ্ন না।"
পরে সাক্ষী আবার তার জবানবন্দি দিতে থাকেন। উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ওই দিন রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিচারিক কার্যক্রম শুরু করা হয়।
ব্রিফিংয়ে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সাক্ষীকে জিজ্ঞেস করলেন, ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ কারা? এ প্রশ্নকে অবৈধ উল্লেখ করে আসামি কামরুল ইসলাম চিৎকার করে আপত্তি জানান। তিনি বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ার চেষ্টা করেন। আদালত শান্তভাবে বিষয়টি মোকাবেলা করেছেন।
তিনি আরো বলেন, "প্রসিকিউশনের উদ্দেশ্য একটাই, আসামির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা প্রমাণ করা।" পরবর্তীতে জানলাম, কামরুল ইসলাম রক্ষীদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেছেন। মাঝে মাঝে এমন করেন, কেন করেন, আল্লাহই ভালো জানেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে, যা চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মিরপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে।
আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি (ফরমাল চার্জ) দাখিল করা হয়েছে।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিলের প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম সাংবাদিকদের জানান, "কালাম আহমেদ মজুমদার, ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা, মাইনুল ইসলাম নিখিলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে জুলাই গণ অভ্যুত্থানে মিরপুর এলাকায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ একটি ফরমাল চার্জ দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : রবিবার পর্তুগালের পোর্তো বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করেছে ডেল্টা এয়ার লাইন্সের একটি যাত্রীবাহী বিমান, যখন বিমানের কেবিনে ধোঁয়া শনাক্ত হয়।
দেশটির বেসামরিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, এ ঘটনায় চার যাত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর অনুযায়ী, বিমানটি স্পেনের বার্সেলোনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনের দিকে যাচ্ছিল। বিমানে মোট ২৯৬ জন যাত্রী ছিলেন। মাঝপথে কেবিনে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর বিমানটি তার গতিপথ পরিবর্তন করে পর্তুগালের পোর্তো বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বেসামরিক সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করার পর ১৪ জন যাত্রীর সহায়তার প্রয়োজন হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে ধোঁয়া শ্বাস নেওয়ার কারণে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের অবস্থা গুরুতর নয় এবং তারা ‘সামান্য’ আক্রান্ত হয়েছেন।
ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এক সময় হৃত্বিক রোশনের বাবার জন্য ঘরভাড়া দেওয়া সম্ভব ছিল না। সেই অর্থনৈতিক সমস্যার দিনগুলো পেরিয়ে বর্তমানে তিনি ভারতের ধনী অভিনেতাদের মধ্যে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছেন। Hurun India Rich List 2026 অনুযায়ী, হৃত্বিকের মোট সম্পদের পরিমাণ ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। তার সম্পদের হিসাবের মধ্যে অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যবসায়িক বিভিন্ন উদ্যোগ ও HRX ব্র্যান্ডের আয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
১৯৯৭ সালে ‘কয়লা’ সিনেমার পর হৃত্বিকের পরিবারে আর্থিক সংকট দেখা দেয়। সিনেমাটি পরিচালনা করেছিলেন তার বাবা রাকেশ রোশন। পুরনো একটি সাক্ষাৎকারে হৃত্বিক জানিয়েছেন, সিনেমাটির পর তার বাবা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বাবাকে কাঁদতে দেখেছিলেন।
২০০৬ সালে সিমি গারেওয়ালের অনুষ্ঠানে হৃত্বিক তার শৈশবের সেই কঠিন সময়ের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেছিলেন, এক পর্যায়ে পরিবারের জন্য বাড়িভাড়া দেওয়ার মতো অর্থও ছিল না। পরিস্থিতির কারণে তার মা পিঙ্কি রোশন হৃত্বিক ও তার বোনকে নানাবাড়িতে নিয়ে যান। রাকেশ তখন তার মায়ের সঙ্গে থাকতেন।
পরবর্তীতে পরিবার একটি নতুন বাড়িতে ওঠে। হৃত্বিকের মতে, শুরুতে সেখানে প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রও ছিল না। দেয়াল ও মেঝে ছাড়া বাড়িতে তেমন কিছুই ছিল না। পরিবারের সদস্যরা মেঝের চাটাইয়ে ঘুমাতেন। সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়িতে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র যোগ করা হয়।
এরপর রাকেশ তার ছেলেকে নায়ক হিসেবে বলিউডে আনার সিদ্ধান্ত নেন। ২০০০ সালে মুক্তি পায় হৃত্বিকের প্রথম সিনেমা ‘কাহো না... পেয়ার হ্যায়’। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আমিশা প্যাটেল। সিনেমাটি বড় সাফল্য পেলে রাতারাতি হৃত্বিকের পরিচিতি বৃদ্ধি পায়।
ছেলের অভিষেকের জন্য রাকেশও বড় ঝুঁকি গ্রহণ করেছিলেন। নির্মাণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে সিনেমাটি শেষ করতে তিনি বাড়ি ও গাড়ি বন্ধক রেখেছিলেন বলে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন। সিনেমাটি সফল না হলে তাকে আরো বড় আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে হতো বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।
‘কাহো না... পেয়ার হ্যায়’-এর সাফল্যের পর হৃত্বিক একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে নিজের অবস্থানকে শক্তিশালী করেন। পাশাপাশি অভিনয়ের বাইরে ব্যবসায়ও যুক্ত হন তিনি। তার ফিটনেস ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড HRX পরবর্তীতে তার ব্যবসায়িক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইস্পাত প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের উদ্যোগে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় আয়োজন করা হয়।
মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. জামিনুর রহমান তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসআরএমের রিজিওনাল ম্যানেজার মো. শাহাদাত হোসেন।
এ সময় কোম্পানীর কারিগরি প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আসিফ আহমেদ এবং টেরিটরি ম্যানেজার বিলাশ কুমার দাসও উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বিএসআরএমের বিভিন্ন পণ্য, নিরাপদ ও টেকসই ভবন নির্মাণ, পণ্যের গুণগত মান এবং গ্রাহকসেবাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ও নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিএসআরএমের গ্রাহকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নির্মাণশিল্পে মানসম্মত ও নিরাপদ নির্মাণসামগ্রীর গুরুত্ব অপরিসীম বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নতমানের পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে গ্রাহকদের অংশগ্রহণে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ