সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১৩ পি.এম
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ইস্পাত প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বিএসআরএমের উদ্যোগে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশটি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার ভাটিয়াপাড়ায় আয়োজন করা হয়।
মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. জামিনুর রহমান তুহিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসআরএমের রিজিওনাল ম্যানেজার মো. শাহাদাত হোসেন।
এ সময় কোম্পানীর কারিগরি প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আসিফ আহমেদ এবং টেরিটরি ম্যানেজার বিলাশ কুমার দাসও উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বিএসআরএমের বিভিন্ন পণ্য, নিরাপদ ও টেকসই ভবন নির্মাণ, পণ্যের গুণগত মান এবং গ্রাহকসেবাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ও নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিএসআরএমের গ্রাহকরা অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নির্মাণশিল্পে মানসম্মত ও নিরাপদ নির্মাণসামগ্রীর গুরুত্ব অপরিসীম বলে উল্লেখ করেন। তারা বলেন, গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী উন্নতমানের পণ্য ও সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে গ্রাহকদের অংশগ্রহণে র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জ, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চুনারুঘাট সীমান্ত থেকে ভারতীয় গরু ও মদ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জব্দকৃত গরু ও মদের বাজার মূল্য প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা।
আজ সোমবার বেলা ১১টায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হবিগঞ্জ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল তানজিলুর রহমান।
বিজিবি জানায়, গতকাল রোববার বিকেলে হবিগঞ্জ বিজিবির চুনারুঘাট উপজেলার চিমটিবিল বিওপির একটি টহলদল চুনারুঘাট উপজেলার সীমান্তের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আমু চা-বাগান এলাকায় চোরাচালান বিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯টি ভারতীয় গরু উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত গরুগুলোর আনুমানিক সিজার মূল্য ছয় লাখ ত্রিশ হাজার টাকা।
অন্যদিকে, একই সময়ে পৃথক অভিযানে ৬৬ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার করা হয়েছে। মদের বাজার মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা।
বিজিবি আরো জানায়, দেশের অর্থনীতি ও জননিরাপত্তা সুরক্ষায় সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করার পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সক্রিয় সহযোগিতা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আজ প্রধানমন্ত্রীর ফেনী সফরের জন্য আয়োজিত জনসভাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন। তিনি সকাল সাড়ে ১০টায় সেখানে উপস্থিত হন। পরিদর্শনের সময় তিনি পরশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট, মুহুরী নদীর তীরবর্তী এলাকা এবং প্রস্তাবিত জনসভাস্থল সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
এ সময়, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ফেনীর পরশুরাম ও সংলগ্ন এলাকার মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।" তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সুষ্ঠু, নিরাপদ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ আরও বলেন, "মুহুরী-কহুয়া নদী অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের বন্যা, জলাবদ্ধতা ও নদীভাঙনের সমস্যা সমাধানে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে গৃহীত প্রকল্পটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক আর্থ-সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি মানুষের জানমাল ও কৃষিজমি বন্যার ক্ষয়ক্ষতি থেকে অধিকতর সুরক্ষিত হবে।
তিনি বলেন, "পানি শুধু মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য অপরিহার্য নয়, একটি এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গেও সরাসরি সম্পৃক্ত।" প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমানো গেলে কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে গৃহীত প্রস্তুতির পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুণগত মান, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং স্থানীয় জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। স্থানীয় জনগণের মতামত ও প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।
সফর শেষে, প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ফেনীর মানুষের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।" বিশেষ করে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বন্যা ও জলাবদ্ধতার সমস্যা মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে। এর ফলে কৃষি উৎপাদন, যোগাযোগব্যবস্থা, স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আরো স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তিনি আরও বলেন, "আমরা চাই ফেনীর মানুষকে বন্যা ও জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে স্থায়ীভাবে সুরক্ষা দিতে।" পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ লক্ষ্যেই প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সফর এ অঞ্চলের পানি ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করবে।
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবদিনসহ জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘হার্ট অফ দ্য বিস্ট’ সিনেমার চিত্রনাট্যটি পড়ার পর হলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা ব্র্যাড পিট নিজেকে সামলাতে না পেরে নীরবে কেঁদেছিলেন। সম্প্রতি তিনি একটি সাক্ষাৎকারে জানান, চিত্রনাট্যের শেষ অংশে পৌঁছানোর পর তিনি এতটাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন যে, অন্যদের নজর এড়াতে বারান্দায় গিয়ে একা বসে পড়েন। এই নীরব কান্নার মুহূর্তটি তাকে নিশ্চিত করে যে, সিনেমাটিতে অভিনয় করা উচিত।
ব্র্যাড পিটের পাশাপাশি ছবিটির পরিচালক ডেভিড আয়ারও জানান, প্রথমবার চিত্রনাট্যটি পড়ার সময় তিনিও চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। তিনি শৈশবে বাবাকে হারানোর শোক এবং গভীর সম্পর্কের আকাঙ্ক্ষা এই গল্পের মধ্যে খুঁজে পান।
ক্যামেরন আলেকজান্ডারের লেখা এই সিনেমায় ব্র্যাড পিট একজন প্রাক্তন স্পেশাল ফোর্স সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করছেন। তিনি আলাস্কার দুর্গম অরণ্যে বিমান দুর্ঘটনার পর তার পোষা কুকুরের সাথে আটকা পড়েন। ছবিটির গল্পটি প্রতিকূল পরিবেশে দুজনের টিকে থাকার লড়াইকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে। ছবিতে কুকুরের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ‘উবার’ নামের একটি আসল উদ্ধারকারী জার্মান শেফার্ডকে, যার সাথে শুটিংয়ের আগে ব্র্যাড পিট দীর্ঘ সময় কাটিয়ে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের একটি জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে আটজন মার্কিন মেরিন সেনা আহত হয়েছেন। বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে তিন মার্কিন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ১৪ সেপ্টেম্বর এই হামলার ঘটনা ঘটে। ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রটি মেরিন সেনাদের বহনকারী একটি জাহাজে আঘাত হানে।
কিন্তু কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে কারও অবস্থা গুরুতর নয়। তাদের মধ্যে কয়েকজন ধোঁয়ার কারণে শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। কিছু ক্ষেত্রে মাথাব্যথা ও মস্তিষ্কে আঘাতের উপসর্গও দেখা দিয়েছে।
আহত আটজনের মধ্যে সাতজন সাধারণ মেরিন সদস্য এবং একজন কর্মকর্তা ছিলেন। হামলার পর অল্প সময়ের মধ্যে তারা আবার কাজে ফিরে যান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
হামলার সময় সেনারা একটি ব্যাটালিয়ন ল্যান্ডিং টিমের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তবে যে জাহাজটিতে ক্ষেপণাস্ত্রটি আঘাত হানে, সেটি মার্কিন নৌবাহিনীর কোনো যুদ্ধজাহাজ ছিল না। কর্মকর্তারা জাহাজটির ধরন বা পরিচয় প্রকাশ করেননি; শুধুমাত্র এটিকে একটি সামুদ্রিক জাহাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ