ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হাইকোর্টের নির্দেশে ৫ শহরে পুকুর রক্ষায় মনিটরিং টিম গঠন


হাইকোর্টের নির্দেশে ৫ শহরে পুকুর রক্ষায় মনিটরিং টিম গঠন

হাইকোর্ট চট্টগ্রাম, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট শহরে পুকুরের সংখ্যা সংক্রান্ত একটি তালিকা হলফনামা আকারে তিন মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, ৫ শহরে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট ও দখল বন্ধ করতে ৫ জেলা প্রশাসককে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার, বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করা হয়।

জলাধার সংরক্ষণ আইন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন বিধান অনুসারে, জলাশয় হিসেবে স্বীকৃত পুকুরের দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষ থেকে রবিবার একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ শুনানি করেন। পরে, মনজিল মোরসেদ এক লিখিত বক্তব্যে জানান, আদালত চার সপ্তাহের রুল জারি করে বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম শহরে রেকর্ডকৃত পুকুরগুলো রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সেই বিষয়ে বিবাদীদের জবাব দিতে বলেছেন।

আদালত অপর এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ৫ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে। এই কমিটিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং যাতে রেকর্ডকৃত পুকুর দখল বা ভরাট করা না যায়, সে জন্য মনিটরিং কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

একইসঙ্গে, চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ছয় প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরক্কো-সিঙ্গাপুরসহ ৪ দেশের রাষ্ট্রদূত আনসার একাডেমী পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


মরক্কো-সিঙ্গাপুরসহ ৪ দেশের রাষ্ট্রদূত আনসার একাডেমী পরিদর্শন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আনসার-ভিডিপি) একাডেমি পরিদর্শন করেছেন রাষ্ট্রদূতরা, যারা চারটি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মালদ্বীপ, কসোভো, মরক্কো ও সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রদূতরা একাডেমিতে উপস্থিত হয়ে বাহিনীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, কারিগরি দক্ষতা এবং হস্তশিল্পের বিভিন্ন পণ্য পরিদর্শন করেন। এই সময় দেশীয় পণ্যের বিদেশে বাজার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

রাষ্ট্রদূতরা পরিদর্শনের সময় একাডেমির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ও অবকাঠামোর পাশাপাশি হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, গার্মেন্টস, নির্মাণ এবং বিভিন্ন কারিগরি বিভাগের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। তারা আনসার সদস্যদের দ্বারা তৈরি বিভিন্ন পণ্যের মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় তারা কিছু হস্তশিল্পের পণ্য ক্রয় করেন এবং নিজ নিজ দেশে এসব পণ্য ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ রাষ্ট্রদূতদের স্বাগত জানান। পরে তার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সভায় একাডেমির উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং বিদেশে এসব পণ্য নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

পরিদর্শনে অংশগ্রহণকারী চার রাষ্ট্রদূত হলেন মালদ্বীপের শিউনীন রশীদ, কসোভোর লুলজিম প্ল্লানা, মরক্কোর লাল্লা বৌথাইনা এল কেরদৌদি এল কৌলালি এবং সিঙ্গাপুরের ফিলিপ ওং। এ সময় আনসার-ভিডিপির বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সদস্য এবং দেশি-বিদেশি সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘আমি আলিয়া বা দীপিকা নই’, কেন বললেন রাধিকা আপ্তে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


‘আমি আলিয়া বা দীপিকা নই’, কেন বললেন রাধিকা আপ্তে?

বলিউডে নারীপ্রধান চলচ্চিত্রের বাণিজ্যিক সাফল্য সম্পর্কে প্রশ্ন তুলেছেন অভিনেত্রী রাধিকা আপ্তে। তিনি মন্তব্য করেছেন যে, একটি ছবির বক্স অফিসে সফল হওয়ার জন্য ভালো গল্প, চিত্রনাট্য অথবা অভিনয় থাকলেই যথেষ্ট নয়। বিশেষ করে যখন ছবির কেন্দ্রে নারী অভিনয়শিল্পী থাকেন, তখন সাফল্যের সম্ভাবনা আরো জটিল হয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে আলিয়া ভাট এবং দীপিকা পাড়ুকোনের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

সম্প্রতি এক সংবাদ সংস্থার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে রাধিকা বলিউডে পুরুষ অভিনেতাদের আধিপত্য, নারীপ্রধান ছবির চ্যালেঞ্জ এবং বক্স অফিসের অনিশ্চয়তা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেছেন।

রাধিকার মতে, তিনি কোনো ছবির মুক্তির মাধ্যম—প্রেক্ষাগৃহে হবে কিনা, নাকি ওটিটিতে—এসব বিষয় বিবেচনা করে কাজ বেছে নেন না। তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কাজটি যেন দর্শকের কাছে পৌঁছায়। তবে মুক্তির মাধ্যম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বাণিজ্যিক হিসাব কাজ করে বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।

বলিউডে বাণিজ্যিক সাফল্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে গিয়ে রাধিকা মনে করেন, পুরুষ চরিত্রকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। তার মতে, ভালো ছবি তৈরি করলেও সেটি কতটা ব্যবসা করবে, তা আগে থেকেই অনুমান করা কঠিন। বিশেষ করে নারীপ্রধান ছবির ক্ষেত্রে এই অনিশ্চয়তা আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে রাধিকা বলেন, ‘গত কয়েক বছরে প্রেক্ষাগৃহ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির তালিকা দেখলেই বোঝা যাবে, কোন ছবি চলবে আর কোন ছবি চলবে না, তা আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। খুব ভালো কোনো ছবিতে আমি মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করলেই যে সফল হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।’

এরপর রাধিকা বলিউডের শীর্ষ দুই অভিনেত্রী আলিয়া ভাট ও দীপিকা পাড়ুকোনের সঙ্গে নিজের তুলনা টেনে বলেন, ‘আমি আলিয়া বা দীপিকা নই যে, মুক্তি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অন্তত বক্সঅফিসে বিপুল আয় করা শুরু করবে। সেজন্যই পুরুষ চরিত্র প্রাধান্য পাচ্ছে, এ রকম ছবিতেই আমাকে কাজ করতে হবে।’

‘স্যাক্রেড গেমস’, ‘লাস্ট স্টোরিজ ৩’ এবং ‘মোনিকা ও মাই ডার্লিং’-এর মতো একাধিক কাজের মাধ্যমে দর্শকের কাছে পরিচিতি পেয়েছেন রাধিকা আপ্তে। তিনি প্রেক্ষাগৃহের পাশাপাশি ওটিটি মাধ্যমেও নিজের অভিনয় দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। সামনে নেটফ্লিক্সের নতুন সিরিজ ‘আক্কা’তে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষ্ণসাগরে যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও মিসরের ব্যর্থতার পর ভারত সফল হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


কৃষ্ণসাগরে যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও মিসরের ব্যর্থতার পর ভারত সফল হবে?

ভারতের নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ যুদ্ধের তীব্রতা কমাতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে কার্যকরী হতে পারে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। দেশটি দুই পক্ষের মধ্যে সীমিত সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছে। ইউক্রেনের মতে, ভারতের এই উদ্যোগটি বিবেচনায় থাকা চারটি প্রস্তাবের মধ্যে সবচেয়ে বিস্তৃত।

ভারতের প্রস্তাবে তিনটি মূল বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করা, কৃষ্ণসাগরের বন্দর দিয়ে শস্য ও জ্বালানি পরিবহন নিরাপদ রাখা এবং বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধ করা। ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলাকালীন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন।

ইউক্রেন ভারতের প্রস্তাবকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা মন্তব্য করেছেন, বর্তমানে আলোচনায় থাকা চারটি উদ্যোগের মধ্যে ভারতের প্রস্তাব সবচেয়ে বিস্তৃত। তার বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, কিয়েভ জ্বালানি স্থাপনা ও কৃষ্ণসাগরকে ঘিরে একটি যৌথ যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা করছে।

তবে, ভারতের প্রস্তাবের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। রাশিয়া ভারতের উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও ক্রেমলিনের বক্তব্য অনুযায়ী, যেকোনো সমঝোতার লক্ষ্য হতে হবে একটি ‘টেকসই ও ন্যায্য শান্তি’। মস্কো মনে করছে, অল্প সময়ের জন্য যুদ্ধ বন্ধ করাকে যথেষ্ট মনে করা হচ্ছে না।

রাশিয়ার কর্মকর্তারা পূর্বে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলে ইউক্রেন নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়ানোর সুযোগ পাবে। ভারতের এই উদ্যোগের পেছনে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি ছাড়াও বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম, খাদ্য সরবরাহ এবং সমুদ্রপথে বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখার বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কৃষ্ণসাগর বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শস্য পরিবহনপথ। এই পথে বাধা তৈরি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। অপরদিকে, জ্বালানি স্থাপনায় হামলার কারণে তেল ও অন্যান্য জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে।

ভারত একটি দ্রুত বর্ধনশীল বড় অর্থনীতি হিসেবে, জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটলে দেশটির অর্থনীতিতে প্রভাব পড়বে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস ৭ শতাংশে উন্নীত করেছে। তাই জ্বালানি ও বাণিজ্যব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের এই উদ্যোগের সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির জ্বালানি বাণিজ্যের সম্পর্কও রয়েছে। রাশিয়া এখনো ভারতের অপরিশোধিত তেলের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিশোধিত জ্বালানির জন্য দেশটির আমদানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। ভারত থেকেও রাশিয়ায় পরিশোধিত জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

এতে দুই দেশের জ্বালানি খাতে পারস্পরিক নির্ভরতা বাড়ছে। যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাধা কমানো তাই ভারতের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও মিসরও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে, দেশগুলোর স্বার্থ এক নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য হলো বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আরো বেড়ে যাওয়া ঠেকানো। তুরস্ক চায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্য চালু থাকুক। এতে শস্য পরিবহনসহ আঞ্চলিক বাণিজ্য স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে, মিসরের প্রধান উদ্বেগ খাদ্যনিরাপত্তা। দেশটি বিশ্বের অন্যতম বড় শস্য আমদানিকারক। তাই ইউক্রেন থেকে নিয়মিত শস্য আমদানি চালু রাখা মিসরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের প্রস্তাবে এসব বিষয়ের পাশাপাশি জ্বালানি স্থাপনা ও বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহ, জ্বালানি বাণিজ্য এবং বিশ্ব অর্থনীতির স্থিতিশীলতা রক্ষার চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নিজেদের ভূমিকা বাড়ানোর সুযোগও দেখছে ভারত। রাশিয়া ও ইউক্রেন—দুই দেশের সঙ্গেই যোগাযোগ বজায় রেখে আলোচনার পথ খোলা রাখতে চায় দেশটি।

তবে, ভারতের উদ্যোগ বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা রয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেন—কোনো পক্ষই মনে করছে না যে তারা নিজেদের কৌশলগত লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জন করেছে। দুই দেশই সামরিক চাপ বজায় রেখে আলোচনায় নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করতে চায়।

এ কারণে যুদ্ধবিরতিতে দুই পক্ষকে রাজি করানো কঠিন হতে পারে। ভারতের প্রস্তাবে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সুবিধার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেলেও তা রাশিয়া ও ইউক্রেনের সামরিক হিসাব-নিকাশ বদলাতে পারবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।

তবুও, ভারতের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি স্থাপনায় হামলা বন্ধ করে সীমিত সময়ের জন্য যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হলে যুদ্ধের বাইরেও বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধরনের সুবিধা পেতে পারে। এখন মূল প্রশ্ন হলো, রাশিয়া ও ইউক্রেন নিজেদের সামরিক লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে এসব অর্থনৈতিক সুবিধাকে বেশি গুরুত্ব দিতে রাজি হবে কি না। দুই পক্ষের সম্মতি ছাড়া ভারতের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা কঠিন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় খেলতে গিয়ে ডোবায় পড়ে ভাই-বোনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫১ পি.এম


গাইবান্ধায় খেলতে গিয়ে ডোবায় পড়ে ভাই-বোনের মৃত্যু

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে খেলাধুলার সময় ডোবার পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই দুই শিশু চাচাতো ও জ্যাঠাতো ভাই-বোন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুদের মধ্যে রয়েছে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আব্দুল্লাহ আল আরাফ (২) এবং আশরাফুল ইসলামের মেয়ে মিফতাহুল জান্নাত (২)।

স্থানীয়রা এবং পুলিশ জানায়, পরিবারের অজান্তে খেলতে গিয়ে দুই শিশু বাড়ির পাশের ডোবার পানিতে পড়ে যায়। পরে তাদের খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ডোবা থেকে উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%