মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১০:১৬ পি.এম
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তে সাবেক (বরখাস্ত) সামরিক কর্মকর্তা জিয়াউল আহসান এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেত্রী ও অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী জড়িত বলে উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্সকে জানিয়েছে প্রসিকিউশন।
মঙ্গলবার এই তথ্যটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রদান করেছেন।
বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শেষ করার জন্য টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় প্রদান করা হয়েছে। এটি টাস্কফোর্সের জন্য চতুর্থবারের মতো সময় বৃদ্ধি।
আদালত পরবর্তী আদেশের জন্য ২৯ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করেছে। টাস্কফোর্স এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সেদিন উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে, আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।
এর আগে, আদালতে তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। অগ্রগতি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, টাস্কফোর্সের সদস্য এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম ও প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহারের সঙ্গে আলোচনা করে তারা প্রাথমিকভাবে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সাথে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব রোকেয়া প্রাচীর সংশ্লিষ্টতা পেয়েছেন এবং তারা তদন্তের যাচাই-বাছাই করছেন। তাদের প্রাথমিক তদন্ত শেষ হলে প্রাপ্ত তথ্য পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে হস্তান্তর করবেন বলে জানানো হয়েছে।
আজ আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল প্রতিবেদনের কিছু অংশ তুলে ধরেন। তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজমী। বাদীপক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল তার কার্যালয়ে বলেন, এই মামলার নতুন তদন্তভার গ্রহণ করে টাস্কফোর্স ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৯০ জন সাক্ষীকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এবং ২৪ জনের জবানবন্দী রেকর্ড করেছেন।
এই মামলার তদন্তে আদালতের নির্দেশে গঠিত টাস্কফোর্সের কার্যক্রমে ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, ‘অক্টোবর মাসে, সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিষয়ে গত ৩০ আগস্ট বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা জানান যে দুদক এনটিএমসির সাবেক পরিচালক মেজর জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত জিয়াউল আহসানের বরিশালের বাসায় অভিযান চালায়। সেখানে বিভিন্ন ডিজিটাল আলামত পাওয়া যায় এবং সেগুলো জব্দ করা হয়। এসব আলামতের মধ্যে বিভিন্ন রকম জিও লোকেশন, এসএমএস, সিডিআরের প্রিন্টেড ভার্সন পাওয়া যায়।’
অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘জিয়াউল আহসানের সহকারী একজন র্যাব সদস্যের জিজ্ঞাসাবাদে উল্লিখিত প্রসিকিউটর জানান, প্রাথমিক তদন্তে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সাথে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং একজন মিডিয়া ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। জোহার বক্তব্য সমর্থন করে পরবর্তী সময়ে আইসিটি ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের বক্তব্য প্রদান করেন।
তারা জানান, মিডিয়াতে তাদের তদন্ত কাজ শেষ হলে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড সম্পর্কিত তথ্য পিবিআইয়ের তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করবেন।
এদিকে, পিবিআই তদন্ত দল দুজন আইনজীবী ও প্রসিকিউটরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
তিনি বলেন, ‘তাদের কাছে কী আলামত আছে তা জানতে চেয়েছেন এবং তারা একটি চিঠিও দিয়েছেন। এই চিঠির মাধ্যমে আমরা আজকে যে হাইকোর্টের আদেশের ভিত্তিতে যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দেওয়ার কথা ছিল, সেই অগ্রগতি প্রতিবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক লিখেছেন। আদালতের কাছে এই তদন্ত প্রতিবেদনের অংশটি পড়ে শুনিয়েছি।’
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়। পরে টাস্কফোর্স গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অবকাশকালীন ছুটি থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছির আহমদ নতুন প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তাকে আগামী দুই বছরের জন্য এই দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি অফিস আদেশে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। উল্লেখ্য, আদেশটি আগামী বুধবার (২৮ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সংবিধির ১৫(১) বিধি অনুযায়ী সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে অধ্যাপক ড. নাছির আহমদকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি বিধি অনুযায়ী ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা লাভ করবেন।
নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে অধ্যাপক ড. নাছির আহমদ মন্তব্য করেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা রক্ষা করা—এটা আমাদের সবার দায়িত্ব। আমরা সবাই মিলেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়কে সুন্দরভাবে পরিচালনা করব, এটাই আমি চাই। এটি অনেক জটিল একটি দায়িত্ব। সবার সহযোগিতা ছাড়া আসলে এটি সম্ভব নয়।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একটি বিশাল র্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মিন্টুর নেতৃত্বে এই র্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
ঈশ্বরগঞ্জ বড় খেলার মাঠ থেকে শুরু হয়ে র্যালিটি ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মিন্টু উল্লেখ করেন, "যুবদল বিএনপির একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী সংগঠন। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সংগঠনটি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ভূমিকা রেখে আসছে। যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন আরও বেগবান করতে হবে। বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় যুবদল রাজপথে সক্রিয় ছিলে আছে থাকবে ইনশাআল্লাহ।"
র্যালি সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক আশিক উজ্জ্বল, সদস্য আল আমিন শেখ ও জিয়াউর রহমান জিয়া, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শহীদ, যুবদল নেতা আবু সাঈদ সৈকত, সোহাগ সওদাগর, রফিকুল ইসলাম রবি, মিজানুর রহমান মিজান, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল গফুরসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
অন্যদিকে, ঈশ্বরগঞ্জ পৌর যুবদলের সভাপতি আব্দুর রাশিদের নেতৃত্বে একটি র্যালি বের করা হয়। এই র্যালিটি ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় কলেজ চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে পৌর যুবদলসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একটি সোয়েটার কারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে চাঁদা না দেওয়ার কারণে। রাজধানীর নিকটবর্তী আশুলিয়ার এই ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি শ্রমিকসহ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিজের জীবন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এন ডি কারখানার চেয়ারম্যান আহাদুজ্জমান এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট রশিদ মার্কেট এলাকায় জমি কিনে সেখানে বিল্ডিং সেড নির্মাণ করে এনডি সোয়েটার ফ্যাক্টরি পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় ছাত্রদল সভাপতি পরিচয়ে মো: সানোয়ারসহ কবির হোসেন শিশির, মোঃ মোখেলেছ, মোঃ জালাল, তোফাজ্জল হোসেন, সোহেল খন্দকার ও রকিসহ কয়েকজন তার অফিসে গিয়ে প্রথমে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা এক কোটি টাকা দাবি করে। তাদের দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় গত ২২ অক্টোবর সকালে ৪০/৫০ জন কিশোর গ্যাং সদস্য মাথায় হেলমেট পরে কারখানায় হামলা চালায়।
তারা রামদা, লোহার রড, সাবল, হাতুড়ি, হামার, হকিস্টিক, লাঠি সোঁটা নিয়ে ফ্যাক্টরীর উত্তর পাশের বিল্ডিং সেডের ওয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। শ্রমিকদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সোয়েটারের সুতা, বিভিন্ন এক্সোসরিজসহ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। পরে ৯৯৯ এ কল করার পর পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্বৃত্তদের বের করে দেয়। তবে পরের দিন তারা পুনরায় হামলার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় গেলে পুলিশ মামলা জিডি গ্রহণ করে। পরে ওসি আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন।
আহাদুজ্জামান আরও জানান, দুর্বৃত্তদের হুমকি ও পুলিশের কর্মকাণ্ডের কারণে ১১শ’ শ্রমিকসহ তিনি নিজের জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় আছেন। তবে আশুলিয়া থানার ওসি মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের কোতোয়ালিতে এস এ পরিবহনের একটি শাখা থেকে পুলিশের একজন সদস্যকে প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া পুলিশ সদস্যের নাম কৃষাণ বড়ুয়া। তিনি কুমিল্লা জেলায় কর্মরত বলে জানা গেছে।
কোতোয়ালি থানার ডিউটি অফিসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কৃষাণ বড়ুয়া নামের একজনকে প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার কর্মস্থল কুমিল্লায় অবস্থিত। তবে তার সম্পূর্ণ নাম ও ঠিকানা জানার জন্য সিটি এসবি কুমিল্লায় একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠির জবাব আসলে তার বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। আজই তাকে একটি প্রতারণা মামলায় আদালতে পাঠানো হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাতে নগরীর নূর আহমদ রোডের কুরিয়ার প্রতিষ্ঠান এস এ পরিবহনের কাজির দেউড়ি শাখা থেকে তাকে আটক করা হয়। এস এ পরিবহনের কর্মকর্তারা তাকে আটক রেখে থানায় খবর দিলে কোতোয়ালি থানার একটি টিম গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ