প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি সোয়েটার কারখানায় হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করা হয়েছে চাঁদা না দেওয়ার কারণে। রাজধানীর নিকটবর্তী আশুলিয়ার এই ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। বর্তমানে এক হাজারেরও বেশি শ্রমিকসহ ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী নিজের জীবন নিয়ে শঙ্কিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এন ডি কারখানার চেয়ারম্যান আহাদুজ্জমান এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ১৭ বছরেরও বেশি সময় ধরে আশুলিয়া থানাধীন মধ্য গাজিরচট রশিদ মার্কেট এলাকায় জমি কিনে সেখানে বিল্ডিং সেড নির্মাণ করে এনডি সোয়েটার ফ্যাক্টরি পরিচালনা করে আসছিলেন। সম্প্রতি স্থানীয় ছাত্রদল সভাপতি পরিচয়ে মো: সানোয়ারসহ কবির হোসেন শিশির, মোঃ মোখেলেছ, মোঃ জালাল, তোফাজ্জল হোসেন, সোহেল খন্দকার ও রকিসহ কয়েকজন তার অফিসে গিয়ে প্রথমে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ওই টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা এক কোটি টাকা দাবি করে। তাদের দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় গত ২২ অক্টোবর সকালে ৪০/৫০ জন কিশোর গ্যাং সদস্য মাথায় হেলমেট পরে কারখানায় হামলা চালায়।
তারা রামদা, লোহার রড, সাবল, হাতুড়ি, হামার, হকিস্টিক, লাঠি সোঁটা নিয়ে ফ্যাক্টরীর উত্তর পাশের বিল্ডিং সেডের ওয়াল ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। শ্রমিকদের অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সোয়েটারের সুতা, বিভিন্ন এক্সোসরিজসহ প্রায় ৪০ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করে নেয়। পরে ৯৯৯ এ কল করার পর পুলিশ ও এসআরবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্বৃত্তদের বের করে দেয়। তবে পরের দিন তারা পুনরায় হামলার চেষ্টা করে। এই ঘটনায় আশুলিয়া থানায় গেলে পুলিশ মামলা জিডি গ্রহণ করে। পরে ওসি আদালতে গিয়ে মামলা করার পরামর্শ দেন।
আহাদুজ্জামান আরও জানান, দুর্বৃত্তদের হুমকি ও পুলিশের কর্মকাণ্ডের কারণে ১১শ’ শ্রমিকসহ তিনি নিজের জীবন নিয়ে চরম শঙ্কায় আছেন। তবে আশুলিয়া থানার ওসি মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন