ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের


ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সমান অধিকার নিশ্চিতের আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

ঢাকা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : ধর্মকে রাজনৈতিক বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে, বরং ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার- এই নীতিতে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিস্টান-ধর্মীয় পরিচয় যাই হোক, এ দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও মর্যাদা সমান।’

শনিবার রাজধানীর স্বামীবাগ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম ও মন্দিরে অনুষ্ঠিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিএসসিসি প্রশাসক এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: কৃষক কার্ডের মাধ্যমে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি না জানবেন কৃষকরা: প্রধানমন্ত্রী

ডিএসসিসি প্রশাসক আরও বলেন, সব ধর্মেই মানবিকতা, নৈতিকতা ও ভালো কাজের শিক্ষা বিদ্যমান। শুধু ধর্মীয় বাণী উচ্চারণ করলেই হবে না, বরং সেগুলোকে ব্যক্তিজীবনে চর্চা করতে হবে। সমাজ থেকে অনৈতিকতা, মাদক ও অসহিষ্ণুতা দূর করতে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার বিকল্প নেই।

তিনি উল্লেখ করেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রয়োজন রয়েছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে একটি সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে আবদুস সালাম মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং নাগরিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও হিন্দু ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নারীদের উদ্যোগেই হচ্ছে দুর্গাপূজা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্তন ক্যান্সার, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী বড় হুমকি: অধ্যাপক সিদ্দিকী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২২ পি.এম


স্তন ক্যান্সার, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্বব্যাপী বড় হুমকি: অধ্যাপক সিদ্দিকী

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী মন্তব্য করেছেন যে, স্তন ক্যান্সার কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং এটি বিশ্বব্যাপী নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুতর হুমকি। প্রতিবছর এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন হাজার হাজার নারী আমাদের দেশে। তবে একটি আশার বিষয় হলো, স্তন ক্যান্সার কোনো অসাধ্য রোগ নয়। যদি প্রাথমিক পর্যায়ে এটি শনাক্ত করা যায়, সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব। এ সময় তিনি নারীদের লজ্জা ও দ্বিধা কাটিয়ে ওঠার আহ্বান জানান।

শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মিলন হলে ‘স্তন ক্যান্সারের বৈশ্বিক ও জাতীয় পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম এবং বিএমইউর অনকোলজি বিভাগ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে। আলোচনা সভা শেষে শাহবাগ থেকে কাওরানবাজার পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য গোলাপি শোভাযাত্রা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরাম ২০১৩ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বেসরকারিভাবে স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। দেশের স্তন ক্যান্সার সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয়ের বার্তা নিয়ে এবার ১৪তম স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালিত হলো।

বাংলাদেশ স্তন ক্যান্সার সচেতনতা ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিনের সঞ্চালনায় সংলাপে বক্তারা সচেতনতার পাশাপাশি সঠিক পরিসংখ্যানের জন্য জনগোষ্ঠীভিত্তিক ক্যান্সার নিবন্ধন, ক্যান্সার স্ক্রিনিং ও চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

মূল বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, ‘এই প্রথম সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ রোগ প্রতিরোধের ওপর প্রাধান্য দিয়ে নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়নের কথা বলছেন, তাই আমরা আশাবাদী হতে চাই।’ তিনি প্রতিরোধ ও সূচনায় রোগ নির্ণয়ের জন্য স্বাস্থ্য বাজেটের অন্তত শতকরা চল্লিশ ভাগ বরাদ্দের দাবি জানান। পাশাপাশি সরকারি ক্যান্সার চিকিৎসা সুবিধা সম্প্রসারণের পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালে দরিদ্র রোগীদের সুযোগ নিশ্চিত করতে সরকার ও দেশের বিত্তবানদের প্রতি অলাভজনক ও সেবামূলক ক্যান্সার হাসপাতাল গড়ার আহ্বান জানান ডা. রাসকিন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন বলেন, দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার সংকট বিদ্যমান। তবে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচির মাধ্যমে সীমিত সুবিধার মধ্যেই প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয় করে অধিক সংখ্যক রোগীর সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি ও বিশিষ্ট জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. হালিদা হানুম আখতার, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি অনকোলজি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সাবেরা খাতুন ও বর্তমান চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জান্নাতুল ফেরদৌস জোনাকি, সিসিপিপির চেয়ারপারসন মোছাম্মত জাহান সৌরভ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আবু জামিল ফয়সাল, ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ হুমায়ুন কবীর, হীলের প্রতিষ্ঠাতা জেবুন্নেছা এবং জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক মসিহউদ্দিন শাকেরসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ সংলাপে অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচিত হলে সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেলাওয়ারের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


নির্বাচিত হলে সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেলাওয়ারের

ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে নির্বাচিত হলে সরকারি বরাদ্দের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। তিনি উল্লেখ করেছেন, "সরকারি বরাদ্দের একটি পয়সাও তছরুপ করতে দেওয়া হবে না এবং কোনো বরাদ্দে দলীয়করণ করা হবে না।" তিনি আরও বলেন, দলমত, ধর্মবর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সমাজের প্রতিটি মানুষ সমানভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবে।

শনিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের রহিমানপুর ইউনিয়নের ডেবাডাঙ্গী এলাকায় নির্বাচনি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দেলাওয়ার হোসেন মন্তব্য করেন, অতীতে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর অনেকের ক্ষেত্রে সরকারি বরাদ্দ দলীয় বিবেচনায় বণ্টন করার ঘটনা দেখা গেছে। তবে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বিজয়ী হলে তা হবে জনগণের বিজয়। এর মাধ্যমে সব মানুষের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানুষের অধিকার নিশ্চিত হবে না। ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আগে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সমাজের নেতৃত্বে সৎ, যোগ্য, দক্ষ, আদর্শিক ও মানবিক মানুষের প্রয়োজন।

স্থানীয়দের উদ্দেশে জামায়াতের এই প্রার্থী বলেন, স্বাধীনতার পর ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিভিন্ন দলের নেতারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয়নি। বরং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

আগামী ২৯ অক্টোবর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক কারবারিদের নেতৃত্বে সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। যারা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজদের লালন-পালন করে এবং মাদক ও অস্ত্রের রাজনীতি করে, তাদের নেতৃত্বে জনগণ বারবার শোষণের শিকার হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, শোষণ থেকে মুক্তি পেতে ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিতে হবে। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত ঠাকুরগাঁও গড়তে স্থানীয়দের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান তুলে ধরে দেলাওয়ার হোসেন বলেন, "জামায়াতে ইসলামীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারি নাই। জামায়াতে ইসলামী দলীয়করণে বিশ্বাসী নয়।" তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, দলটি নির্বাচিত হলে ঠাকুরগাঁওয়ের প্রতিটি মানুষ নাগরিক হিসেবে সমান সুযোগ-সুবিধা পাবে।

দলমত, ধর্মবর্ণ ও জাতিগোষ্ঠীর ভিত্তিতে বিভাজনের সুযোগ ইসলামী সমাজব্যবস্থায় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা আল্লাহকে ভয় করেন, তাঁরা দুর্নীতি, অনিয়ম ও অন্যায় করবেন না এবং অন্যায় হতে দেবেন না। নিজে নির্বাচিত হলে দলমত, ধর্মবর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের সমান মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবেন বলে ঠাকুরগাঁওবাসীকে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

রহিমানপুর ইউনিয়ন আমির মোহাম্মদ আবু হানিফের সভাপতিত্বে এবং ইউনিয়ন সেক্রেটারি হাফেজ ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি কফিল উদ্দিন আহাম্মদ। এ সময় জেলা যুব বিভাগের সভাপতি শাহজালাল জুয়েলসহ স্থানীয় ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মদ ও ওষুধ জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ভারতীয় মদ ও ওষুধ জব্দ

সাতক্ষীরা, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার সীমান্ত এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভারতীয় মদ ও ওষুধ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

আজ শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত পৃথকভাবে অভিযান চালিয়ে এই মালামালগুলো জব্দ করা হয়।

বিজিবি জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাকডাঙ্গা বিওপির দুটি বিশেষ আভিযানিক দল কলারোয়া উপজেলার রাজ্জাকের মোড় ও ভাদিয়ালী নামক স্থান থেকে ভারতীয় মদ ও ওষুধ জব্দ করে।

এছাড়া, মাদরা বিওপির বিশেষ আভিযানিক দল একই উপজেলার রাজপুর নামক স্থান থেকে ভারতীয় মদ জব্দ করেছে।

জব্দকৃত ভারতীয় মালামালের মোট বাজার মূল্য ১ লাখ ৬৪ হাজার টাকা। তবে, বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জব্দকৃত ভারতীয় ওষুধগুলো সাতক্ষীরা কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসমূহ সাতক্ষীরা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে সাধারণ ডায়েরি করে পরবর্তীতে জনসম্মুখে ধ্বংসের জন্য বিজিবি স্টোরে জমা রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী আসামি গ্রেফতারের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী আসামি গ্রেফতারের নির্দেশ

চট্টগ্রাম, ১০ অক্টোবর, ২০২৬ : চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার নির্দেশ দিয়েছেন যে, আসামি গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির সর্বশেষ সংশোধনীর বিধানকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অনুসরণ করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, নিরপরাধ ব্যক্তিদের যেন ক্ষতিগ্রস্ত হতে না হয় এবং প্রকৃত অপরাধীরা যেন ছাড়া না পান, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

যদি তদন্তকাজে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অসহযোগিতা করে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কনফারেন্সে মামলার দ্রুত ও সঠিক নিষ্পত্তি, তদন্তের মান উন্নয়ন, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, সাক্ষীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা, জখমি সনদ ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন সংগ্রহ এবং আদালতের নিরাপত্তাসহ বিচারপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সমাপনী বক্তব্যে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, তদন্তকাজে তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করতে সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বাধ্য। কেউ যদি অসহযোগিতা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যার ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করাই দেশপ্রেমের পরিচয়।

কনফারেন্সের শুরুতে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও ফোকাল পারসন মো. মহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যে বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা অপরিহার্য।

ফৌজদারি কার্যবিধির সংশোধনী বিষয়ে আলোচনা করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আলমগীর হোসেন। তিনি সংশোধিত আইনের বিধান অনুসরণ করে আসামি গ্রেফতার থেকে শুরু করে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে আয়োজিত এ কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান, উপ-পুলিশ কমিশনার (প্রসিকিউশন) মো. হাসান ইকবাল চৌধুরী, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি তারিক আহম্মদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুদ্দিন, মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. মফিজুল হক ভূঁইয়া, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচালক মো. আমিন উদ্দিন, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকার ১৬টি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%