ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আম্বানির শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীদের ঢল, প্রথম ঘণ্টাতেই রেকর্ড


আম্বানির শেয়ার কিনতে বিনিয়োগকারীদের ঢল, প্রথম ঘণ্টাতেই রেকর্ড

ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির প্রতিষ্ঠান জিও প্ল্যাটফর্মসের শেয়ার বিক্রিতে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে, যার পরিমাণ প্রায় ৩২০ কোটি ডলার।

বুধবার (২১ অক্টোবর) আবেদন শুরুর প্রথম ঘণ্টাতেই বিক্রির জন্য নির্ধারিত শেয়ারের ৮৫ শতাংশের আবেদন জমা পড়ে। এটি ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রাথমিক গণপ্রস্তাব হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে জানা গেছে, জিও প্ল্যাটফর্মসের সম্ভাব্য বাজারমূল্য সর্বোচ্চ ১০ হাজার ৮৩০ কোটি ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

আরও পড়ুন: জ্বালানি ব্যয় বাড়ায় থমকে গেল বিলাসবহুল প্রমোদতরি, কম্বোডিয়ায় আটকা ২০০ যাত্রী

শেয়ার বিক্রিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। তাদের জন্য সংরক্ষিত শেয়ারের বিপরীতে ২ দশমিক ৮ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। অন্যদিকে, সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ করা শেয়ারের বিপরীতে আবেদন পড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ১৪ গুণ। মোট শেয়ারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য রাখা হয়েছে।

শেয়ারপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬৫ থেকে ১ হাজার ১১৯ রুপি। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পাশাপাশি রিলায়েন্সের কর্মী ও শেয়ারধারীরাও শেয়ার কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

মুকেশ আম্বানির ছেলে আকাশ আম্বানির নেতৃত্বে ২০১৬ সালে জিওর টেলিযোগাযোগ ব্যবসা শুরু হয়। কম দামে ইন্টারনেট ও বিনা মূল্যে ভয়েস কলের সুবিধা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে। বর্তমানে জিওর গ্রাহকসংখ্যা ৫০ কোটির বেশি।

জিওতে মেটা, গুগলসহ বিভিন্ন বড় বিনিয়োগকারীর অর্থ রয়েছে। গত মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির আয় ছিল প্রায় ১ হাজার ৫৫০ কোটি ডলার এবং মুনাফা প্রায় ৩২০ কোটি ডলার। এর প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে টেলিযোগাযোগ ব্যবসা থেকে।

আরও পড়ুন: নেপালে পর্বতজয়ের পর ৫০০০ ফুট নিচে পড়ে জার্মান পর্বতারোহীর মৃত্যু

দুই দশক পর রিলায়েন্স গোষ্ঠীর কোনো প্রতিষ্ঠানের এই প্রথম শেয়ারবাজারে আসার উদ্যোগ। বিশ্লেষকদের মতে, জিওর শেয়ার বিক্রিতে বিনিয়োগকারীদের সাড়া বৈশ্বিক প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হবে।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষিঋণের খেলাপির হার ৪২%

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৩৭ এম


কৃষিঋণের খেলাপির হার ৪২%

কৃষি খাতে খেলাপি ঋণের হার একসময় অন্যান্য খাতের তুলনায় কম ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। গত আগস্টের শেষে কৃষি খাতে বিতরণ করা ঋণের ৪২ দশমিক ৩৮ শতাংশ খেলাপি হয়ে পড়েছে। পুরো ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্টের শেষে কৃষি খাতে ঋণস্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার ৪৩২ কোটি টাকা। এর মধ্যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২৯ হাজার ৮৪৯ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ৪২ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত জুনের শেষে এ খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা বা ২৯ দশমিক ২২ শতাংশ। অর্থাৎ, মাত্র দুই মাসে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১১ হাজার ২৭১ কোটি টাকা।

দেশের অর্থনীতি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) এ খাতের অবদান ১১ দশমিক ৭১ শতাংশ। দেশের মোট কর্মসংস্থানের প্রায় ৪৬ শতাংশ কৃষি খাতের ওপর নির্ভরশীল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণেও এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ কারণে কৃষিঋণ বিতরণে সরকারও গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে। এর ফলে ১২ লাখ কৃষকের দেড় হাজার কোটি টাকার ঋণ মাফ করা হয়েছে। এরপরও কৃষি খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষি খাতের অস্বাভাবিক খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির পেছনে মূল কারণ হলো, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে জারি করা নতুন ঋণ শ্রেণিকরণ ও প্রভিশনিং বা নিরাপত্তা সঞ্চিতির নীতিমালা। ওই নীতিমালায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঋণের কিস্তি বা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধের মেয়াদের পরের দিন থেকেই তা ওভারডিউ বা বকেয়া হিসেবে গণ্য হবে। বকেয়ার মেয়াদের ওপর ভিত্তি করে ঋণকে নিয়মিত ও খেলাপি হিসেবে ভাগ করা হয়। মূলত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে মিল রেখে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা কঠোর করায় এবং গ্রেস পিরিয়ড বা ছাড়ের সুবিধা কমিয়ে আনার কারণে কৃষিতে বিপুল পরিমাণ ঋণ একসঙ্গে খেলাপি ঋণে পরিণত হয়েছে।

নীতিমালা জারির আগে ২০২৪ সালের জুনের শেষে কৃষি খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৮৭৭ কোটি টাকা।

দুই মাসে সাত হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) কৃষি ও পল্লি খাতে ছয় হাজার ৮৫৮ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকগুলো। এ অর্থ চলতি অর্থবছরের মোট লক্ষ্যমাত্রার ১১ দশমিক ৪৩ শতাংশ। গত অর্থবছরের একই সময়ে ঋণ বিতরণ হয়েছিল চার হাজার ৮২৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ঋণ বিতরণ বেড়েছে দুই হাজার ৩২ কোটি টাকা বা ৪২ দশমিক ১১ শতাংশ।

চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে এ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯ হাজার কোটি টাকা। সে হিসাবে এবার লক্ষ্যমাত্রা বেড়েছে প্রায় ৫৪ শতাংশ। গত অর্থবছরে এ খাতে মোট ৪২ হাজার ৮৩৪ কোটি ১৬ লাখ টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছিল।

এবার কৃষিঋণ কর্মসূচির আওতা বাড়ানো হয়েছে। এর আওতায় হ্যাচারিতে মাছের পোনা উৎপাদন, হাঁস-মুরগির বাচ্চা উৎপাদন ও উট পালনের মতো কার্যক্রম যুক্ত করা হয়েছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষিঋণ বিতরণের পাশাপাশি ঋণ আদায়ও বেড়েছে। জুলাই-আগস্ট সময়ে এ খাতে সাত হাজার ৪১৯ কোটি টাকা ঋণ আদায় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে আদায় হয়েছিল ছয় হাজার ৭৩ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে ঋণ আদায় বেড়েছে ১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা বা ২২ দশমিক ২১ শতাংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৪০ এম


হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রে পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংস্থাটির বক্তব্য অনুযায়ী, তেহরানের দৃষ্টিতে অবৈধ পথে প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করায় এই জাহাজগুলো মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ বিষয়ে খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

আইআরজিসি মঙ্গলবার তাদের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশে অবৈধ প্রবেশপথে তাদের নৌবাহিনীর সদস্যদের পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরিত হয়ে দু’টি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। এর ফলে জাহাজ দুটি থেমে যায়।

পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আরেক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নৌমাইনে আঘাত লেগে তৃতীয় একটি তেলবাহী জাহাজেও বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয় যে, জাহাজটিতে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। এছাড়া, জাহাজটি তার সব রাডার ও নৌ-চলাচল সংক্রান্ত ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছিল বলেও দাবি করেছে ইরানি বাহিনী।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওমানের উপকূলঘেঁষা দক্ষিণ দিকের পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরানি বাহিনী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে এ সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন।

এর পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে ইরান। দেশটির দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের আগে সব জাহাজকে ইরানের অনুমতি নিতে হবে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজ চলাচলের ওপর পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

মঙ্গলবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু করতে কম খরচের অস্ত্র ব্যবহার করছে তার দেশ।

তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আরও কোনো ভুল করলে আমরা স্বল্পমূল্যের, কিন্তু কার্যকর বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেব।’

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকারী জাহাজগুলোর ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে।

আরও বেশি জাহাজকে প্রণালি পার হতে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিতে চাইছে ওয়াশিংটন। অন্যদিকে, জাহাজ চলাচলের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চাইছে তেহরান।

গত কয়েক দিনেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে একাধিক তেলবাহী জাহাজ মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে ২০ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা ও মোটরসাইকেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:৫০ এম


বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে ২০ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ইয়াবা-গাঁজা ও মোটরসাইকেল

বরিশাল মহানগরীতে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ জনকে গ্রেফতার করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন, নিয়মিত মামলার ১০ জন এবং বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশের আওতায় চারজন রয়েছেন। এ ছাড়া মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫ গ্রাম গাঁজা ও একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ অক্টোবর) বিএমপির প্রকাশিত বিশেষ আভিযানিক সাফল্যসংক্রান্ত তথ্যে এসব তথ্য জানানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল মহানগর পুলিশের চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক আভিযানিক দল নগরীর বিভিন্ন স্থানে এসব অভিযান পরিচালনা করে।


বিএমপির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারের হিসাবটি হলো—

১. মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় তিনজন।

২. গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত তিনজন।

৩. নিয়মিত মামলায় ১০ জন।

৪. বরিশাল মহানগর অধ্যাদেশের আওতায় চারজন।

সব মিলিয়ে চার শ্রেণিতে মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫ গ্রাম গাঁজা এবং একটি সুজুকি জিক্সার মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য ও মোটরসাইকেল উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে বিএমপির প্রকাশিত তথ্যে উল্লেখ রয়েছে।

বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার সমন্বয়ে অভিযান পরিচালনা করে বিএমপি। এসব অভিযানে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর, নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার এবং মহানগর অধ্যাদেশের আওতায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, মাদকসংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে তা পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছে বিএমপি। তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মাদকসংক্রান্ত তথ্য জানাতে যোগাযোগ করুন:

০১৩২০-০৬৪০০০

০১৩২০-০৬৪০৪৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন তথ্য দিলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত জুলি বিশপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৭ পি.এম


রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন তথ্য দিলেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত জুলি বিশপ

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ এখনও গড়ে ওঠেনি। এই পরিবেশ তৈরি করা সহজ হবে না। একইসঙ্গে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্য কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা আবশ্যক।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শনের পর জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত জুলি বিশপ শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন জুলি বিশপ। সফরের অংশ হিসেবে ঢাকায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিব, পররাষ্ট্র সচিব এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক ও আলোচনা করেছেন তিনি। এরপর কক্সবাজারে এসে তার সঙ্গে বৈঠক করেন।

মো. মিজানুর রহমান আরও জানান, জুলি বিশপ রোহিঙ্গা শিবিরে বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল নয়। এ সময় শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উখিয়ার কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন জুলি বিশপ ও তার সফরসঙ্গীরা। এ সময় তারা রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা, শিক্ষা, জীবিকায়ন, নারীদের পরিস্থিতি ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের খোঁজ নেন।

সফরের শুরুতে প্রতিনিধি দলটি ক্যাম্প-৪-এর একটি শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করে। পরে ভূমিধস প্রতিরোধ ও স্থিতিশীলতা কার্যক্রম পরিচালিত এলাকা ঘুরে দেখে চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেয়।

এরপর ক্যাম্প-১৭-তে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে সুরক্ষাবিষয়ক একটি গোলটেবিল আলোচনায় অংশ নেন জুলি বিশপ। আলোচনায় নতুন করে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের সমস্যা, সুরক্ষার চ্যালেঞ্জ ও নাগরিক পরিসর-সংক্রান্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

প্রতিনিধি দলটি ক্যাম্প-২০-তে সাবান উৎপাদনভিত্তিক জীবিকায়ন কার্যক্রমের একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প পরিদর্শন করে। ক্যাম্প-২ই-তে নারীদের মাসিক স্বাস্থ্যবিধি ও এ-সংক্রান্ত জীবিকায়ন কার্যক্রম ঘুরে দেখে।

এ ছাড়া ক্যাম্প-২ ডব্লিউতে একটি নারী কেন্দ্র পরিদর্শন করে রোহিঙ্গা নারীদের সঙ্গে দলগত আলোচনায় অংশ নেয় প্রতিনিধি দলটি। সেখানে নারীদের অভিজ্ঞতা, প্রয়োজন ও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয় উঠে আসে।

জুলি বিশপের সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন: বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোরে-স্মেরেজনিয়াক, বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেইসনি, মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূতের কার্যালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক কর্মকর্তা ডানকান উইলসন এবং সহযোগী জনসংযোগ কর্মকর্তা পায়ে থেট চায়েল।

ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে বিকেলে কক্সবাজার শহরে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন জুলি বিশপ ও তার সফরসঙ্গীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%