১১:৩৪ এম
ওয়াশিংটনের দাবি অনুযায়ী, ইরানের সামরিক বাহিনীর অর্থের সংকট দেখা দিচ্ছে এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা দিতে তারা সমস্যায় পড়েছে। তবে ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তেহরান স্বীকার করেছে যে, নিষেধাজ্ঞা, সামরিক হামলা এবং যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধের কারণে তাদের অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপার জানিয়েছেন, ইরান অন্তত ২৫ বিলিয়ন ডলারের তেল রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া, প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পদ জব্দ করতে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করেছে। এই কারণে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সেনাসদস্যদের বেতন প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি দাবি করেছেন।
কুপার আরও উল্লেখ করেছেন, ইরানের সঙ্গে সম্পর্কিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো তাদের যোদ্ধাদের বেতন আটকে রেখেছে, যাতে সেই অর্থ আইআরজিসির কাছে পাঠানো সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন: এপেক সম্মেলনের আগে কিমের সঙ্গে বৈঠকের চেষ্টা করছেন ট্রাম্প
অন্যদিকে, ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান আবদোলনাসের হেম্মতি দেশের অর্থনীতি ধসের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে—এমন ধারণাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি এ ধরনের বক্তব্যকে ‘নিছক কল্পনা’ বলে অভিহিত করেছেন।
অর্থনৈতিক চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইরানের অর্থনীতি ৭ দশমিক ৭ শতাংশ সংকুচিত হতে পারে। এদিকে, যুদ্ধ ও নৌ অবরোধের কারণে সৃষ্ট সংকটের কথা স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুথিদের মতো ইরানের আঞ্চলিক মিত্ররাও আর্থিক সংকটে পড়েছে। তবে তেহরান এসব মিত্রকে সহায়তা দেওয়া থেকে সরে আসবে, এমন সম্ভাবনা কম।
আরও পড়ুন: ইস্তাম্বুলে ৭ দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের জরুরি বৈঠক, আলোচনা মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নিয়ে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন