শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:০৪ পি.এম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে গেজেটবঞ্চিত প্রার্থীদের অনশন কর্মসূচির স্থান থেকে পুলিশ চার নেতাকর্মীকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির উপস্থিতিতে শাহবাগ থানা-পুলিশ তাদের আটক করে।
আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজু ভাস্কর্যের সামনে ৪৫তম বিসিএসে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পরও গেজেটে নাম না আসা প্রার্থীরা অনশন কর্মসূচি শুরু করেন। সেখানে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অংশ নিচ্ছেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে অনশনরতদের মধ্যে থেকে চারজনকে আটক করা হয়।
আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাকৃবির আশরাফুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের উপসাধারণ সম্পাদক মো. হাবিবুল ইসলাম, একই হল শাখা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদপ্রার্থী মনিরুজ্জামান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি আকরাম গাজী হৃদয়। আটক অন্য ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আটক করার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সেখানে উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করেন। তাদের মধ্যে ঢাবি ছাত্রদলের নেতা নাছির উদ্দিন শাওনের নেতৃত্বে অন্যান্য নেতাকর্মীরা ছিলেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, “ঢাবির প্রক্টরিয়াল টিমের সহায়তায় আমরা সেখানে যাই। আটক চারজন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা বলে নিশ্চিত হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. কাজী মনিরুজ্জামান মনির মন্তব্য করেছেন যে, বিরোধীদল সরকারের কার্যক্রম মূল্যায়নের জন্য পর্যাপ্ত সময় না দিয়ে কেবল বিরোধিতার উদ্দেশ্যে বিরোধিতা করছে।
শুক্রবার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘দেশ গঠনে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়া প্রজন্ম দল।
ড. কাজী মনিরুজ্জামান উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুমোদন নিয়ে সংগঠন পরিচালনা করলে নেতাকর্মীদের মধ্যে সাহস বৃদ্ধি পাবে এবং সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে আবেদনের পাশাপাশি দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে চিঠি পৌঁছানোর পরামর্শ দেন।
তিনি বলেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই বক্তব্যের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন। সরকারি ব্যয় কমানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, আগে গণভবনে প্রতিবছর খাবারের জন্য ৩৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো। সেখানে তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যে, তার দৈনিক খাবারের ব্যয় ১০০ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ফলে বছরে এ বাবদ ব্যয় ৩৫ লাখ টাকারও নিচে নেমে আসবে।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় দিনের বেলায় সরকারি অফিসের জানালা থেকে পর্দা সরিয়ে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন কাজী মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকলকে বিদ্যুতের অপচয় কমানোর আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের সামাজিক সুরক্ষামূলক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের পরিবারের অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসের শুরুতে নিয়মিত অর্থ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করছে সরকার।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় ৬৫ লাখ মামলা করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। বর্তমানে সরকারের আমলে কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা অপরাধের অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে।
ধর্মীয় পরিচয় ও দুর্গাপূজা নিয়ে রাজনৈতিক কাদা-ছোড়াছুড়ির সমালোচনা করে কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, ধর্মীয় বিষয়কে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি না করে সবার উচিত দেশের সার্বিক কল্যাণ ও জনস্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মেহেদী হাসান মল্লিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির নেতা মো. আকরাম হোসেন মিনহাল, এইচ এম ইমরান হোসেন ও মো. খোরশেদ মাদবর প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রশ্ন রেখেছেন, "আর কত দিন আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের দিকে তাকিয়ে থাকব।" তিনি বলেন, নিজেদের খেলোয়াড়দের দক্ষ করে গড়ে তুলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন আয়োজিত কোকো ১৮তম জাতীয় সামার অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাষ্ট্রপতি এসব মন্তব্য করেন।
এই আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, তরুণ সমাজকে মাদক, হতাশা এবং মোবাইল আসক্তি থেকে বিরত রাখতে খেলা ও খেলার মাঠ অপরিহার্য। তিনি অবৈধ দখলমুক্ত করে মাঠ সংরক্ষণ ও নতুন মাঠ চিহ্নিত করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রপতি এ সময় বিশ্বমানের অ্যাথলেট তৈরির জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অন্যদিকে, একই আয়োজনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, সরকার খেলাধুলাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে কার্যক্রম শুরু করেছে। এ লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি’সহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি জানান, প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিকমানের খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করে একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
ক্রীড়া সংগঠক মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্মরণে এই আয়োজনে ৫৭ সংস্থার ৫৬৫ জন অ্যাথলেট অংশগ্রহণ করছেন। পুরুষদের ২২ ও নারীদের ১৮টিসহ মোট ৪০টি ইভেন্টে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন অ্যাথলেটরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীতে জেলা পুলিশ কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৫৬ জনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এছাড়া, দুজনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৪৯ জনকে মুচলেকা নিয়ে তাদের পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জেলা পুলিশের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধ, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এ অভিযান চলছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সুধারাম মডেল থানায় ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনকে ১৫১ ধারায় আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং ১৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় পাঁচজন, কবিরহাট থানায় চারজন, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ১৬ জন, সেনবাগ থানায় দুজন এবং চরজব্বর থানায় তিনজনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, চাটখিল থানায় চারজনকে এবং হাতিয়া থানায় একজনকে ৩৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হাতিয়া থানায় আটক বাকি পাঁচজনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ এবং কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া রোধে নোয়াখালী জেলা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
তিনি আরো জানান, এ ক্ষেত্রে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিন জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ হলেও কিশোরদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য। কিশোরদের চলাফেরা, বন্ধুমহল, অনলাইন কার্যক্রম এবং আচরণগত পরিবর্তনের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করতে হবে, যাতে তারা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে থাকতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফ্রান্সে শিক্ষাব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তন এবং অবকাঠামোগত অবস্থার অবনতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে দেশটি। শিক্ষক সংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ক্লাসরুমে এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবনের বিরুদ্ধে গত সেপ্টেম্বর থেকে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে আসছে উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সরকারের পক্ষ থেকে কেবল আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তব সুফল না পাওয়ায় তরুণরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
এই চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে শিক্ষার্থীরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এবার মৌখিক আশ্বাসে সন্তুষ্ট নয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অন্যতম মুখ সোমাইয়া সার্রে (১৮) ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, “বহু বছর ধরে আমাদের শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা কখনোই রক্ষা করা হয়নি। আমরা চাই প্রতিটি প্রতিশ্রুতির পেছনে বাস্তবভিত্তিক ফলাফল থাকুক। আমরা আমাদের স্কুলগুলোতে সত্যিকারের পরিবর্তন দেখতে চাই।”
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— স্কুল অবকাঠামো সংস্কারের জন্য ১.৫ বিলিয়ন ইউরো ($১.৭ বিলিয়ন) জরুরি পরিকল্পনা এবং বিতর্কিত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পদ্ধতি ‘পার্কোরসুপ’ (Parcoursup)-এর ব্যাপক সংস্কার।
সরকার আন্দোলন ঠেকানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও, তীব্র রাজনৈতিক অচলাবস্থা, বিশাল সরকারি ঋণ এবং বাজেটের সীমাবদ্ধতার কারণে বড় ধরনের সংস্কার বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আগামী সপ্তাহের বৈঠকে সরকার যদি নতুন কোনো সন্তোষজনক সমাধান দিতে না পারে, তাহলে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ