মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৭ এম
মন্ত্রিসভা নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (প্রতি ১০ শলাকা) ৬২ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৬৫ টাকা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।
এ অনুমোদন সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এই প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করে। প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’ এর আওতায় নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য পরিবর্তন করার পাশাপাশি সিগারেটের মূল্য নির্ধারণ এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার বিধিমালা সংশোধনের বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।
সংশোধনের মাধ্যমে নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (প্রতি ১০ শলাকা) ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ থেকে পরিবর্তিত হয়ে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য পুনর্নির্ধারণের ফলে এই খাতে অবৈধ বাণিজ্য হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে সরকারের রাজস্ব ঘাটতি কমবে বলেও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের পতাকা হাতে সুইজারল্যান্ডের ইন্টারলাকেনে অনুষ্ঠিত ৩৩তম আন্তর্জাতিক দূরপাল্লার ম্যারাথনে দৌড়ানোর গৌরব অর্জন করেছেন জার্মানির মিউনিখে বসবাসকারী বাংলাদেশী প্রবাসী দৌড়বিদ শিব শংকর পাল।
শনিবার, বিশ্বের ৬৬টিরও অধিক দেশের প্রায় ৪০০০ এ্যাথলেটের সাথে পৃথিবীর অন্যতম সুন্দরতম ম্যারাথন, সুইজারল্যান্ডের ইন্টারলাকেনে অনুষ্ঠিত ইয়ুংফ্রাউ দূরপাল্লার এই ম্যারাথনে ৪২.২ কিলোমিটার পাহাড় পর্বত ঘেরা উঁচুনিচু পথ সাফল্যের সাথে অতিক্রম করে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করেন শিব শংকর।
ইউরোপের আল্পস পর্বতমালার অন্যতম উচ্চতম পর্বত ইয়ুংফ্রাউ, যা চার হাজার মিটারেরও অধিক উচ্চতায় অবস্থিত। এই পর্বতের ৫৬৮ মিটার উচ্চতার একটি ক্যাম্প থেকে শুরু করে বইনিংগেন, ভিল্ডার্সভিল, ৮১২ মিটার উচ্চতার লাউটারব্রুনেন পয়েন্ট, ১২৮৩ মিটার উচ্চতার ভেনগেন পর্বত এবং সর্বোচ্চ পর্বতমালা ২৩২০ মিটার উচ্চতায় আইগারগ্লেটশার নামক স্থানে এসে শিব শংকর সময় নিয়েছেন সাড়ে তিনঘন্টার কাছাকাছি।
ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণকারী শিব শংকর একজন সৌখিন দৌড়বিদ। তাঁর একটি প্রধান ইচ্ছা হলো বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক স্বনামধন্য ম্যারাথনগুলোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা উঁচু করা। শিব শংকর একমাত্র বাংলাদেশি যিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ম্যারাথনে শতাধিকবার অংশ নিয়ে গৌরবের সাথে ফিনিশিং লাইন অতিক্রম করেছেন।
দৌড় শেষ করার পর শিব শংকর পাল জানান, "বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকা তুলে ধরার মত অহংকারের আর কিছুই হতে পারেনা।" তিনি বলেন, "এই ম্যারাথনটি বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সুন্দর তবে কঠিন সব পর্বতমালা পাড়ি দেয়ার রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা পাওয়ার মত সুন্দর বিষয় আর কিছুতেই হতে পারেনা।"
তিনি আরও জানান, "আমি ১০ম বারের মত এই ম্যারাথনেই অংশ নিয়েছি। এই স্ট্রেকেটা আমার প্রিয়।" সৌখিন দৌড়বিদ শিব শংকর জানান, এটি তাঁর ১৪৩তম আন্তর্জাতিক ম্যারাথন।
ম্যারাথনে সুইজারল্যান্ডের স্থানীয় নাগরিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের পর্যটক এবং শিব শংকরের স্ত্রী শিখা শংকর পালসহ তাঁর সন্তানরাও উপস্থিত ছিলেন।
সৌখিন এই দৌড়বিদ তাঁর ক্যারিয়ার গড়তে ১৯৮৯ সালে জার্মানিতে পাড়ি জমান। ১৯৯৯ সালে জার্মানির মিউনিখে পাল ইলেক্ট্রো নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। বেশ কয়েকবার জার্মানির মিউনিখ শহর কর্তৃপক্ষ তাঁকে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে এক মুসলিম নারীকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইনের ঘটনায় এই নারীকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে আসাম সরকারকে নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট।
মুমতাজ বেগম নামের ওই নারীকে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পরে তার স্বামী মুজাম্মেল হক গৌহাটি হাইকোর্টে হেবিয়াস করপাস (জোর করে হেফাজতে রাখা কাউকে আদালতে প্রদর্শন) আবেদন করেন। সেই আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি কল্যাণ রাই সুরানা ও বিচারপতি সুস্মিতা ফুকন খাউন্দের বেঞ্চ গত ৩ সেপ্টেম্বর এ নির্দেশ দেন।
আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, মুমতাজকে বাংলাদেশি ঘোষণার পর তার পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়নি এবং সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করার সুযোগও দেওয়া হয়নি। তাকে আটক ও বাংলাদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ায় আইনি বিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
মুমতাজের মামলাটি এর আগে নাগাঁওয়ের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে চলছিল। ২০১৯ সালে ট্রাইব্যুনাল তাকে বিদেশি ঘোষণা করে। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত দেখতে পান, তার দাখিল করা সব প্রমাণ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে হাইকোর্ট ট্রাইব্যুনালের আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করে মামলাটি নতুন করে বিবেচনার নির্দেশ দেন।
এরপর গত ৩০ মে মুমতাজ ট্রাইব্যুনালে হাজির হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আটক কেন্দ্রে নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৪ জুন রাতে তাকে সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে এ বিষয়ে তার পরিবারকে আগে জানানো হয়নি।
হাইকোর্ট এ ঘটনায় নাগাঁওয়ের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের ভূমিকা নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন। আদালতের পর্যবেক্ষণে, ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে ‘আইনের অপব্যবহারের প্রবণতা’ স্পষ্ট হয়েছে।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো ব্যক্তিকে বিদেশি ঘোষণা করে আটক করার আগে তাকে ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জানাতে হবে। পাশাপাশি তাকে জেলা থেকে সরিয়ে নেওয়ার আগে পরিবারের একজন প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যকেও বিষয়টি জানাতে হবে।
এ ছাড়া পুরো ঘটনার বিষয়ে আসামের স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মুমতাজকে বাংলাদেশ থেকে শনাক্ত করে ভারতে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেছেন, ‘কাঞ্চননগরে আমি যেতে চাই। কারণ কয়েকজনকে ধরলাম, তাদের বাড়ি কাঞ্চননগর। তাই প্রোডাকশন হাউজ বন্ধ করতে হবে, সেটা যেন না থাকে। কাঞ্চননগরকে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম বা সন্ত্রাসী তৈরির আঁতুড়ঘর হিসেবে যে দুর্নাম দেওয়া হয়েছে, তা দূর করতে হবে।’
সোমবার বিকেলে উপজেলার কাঞ্চনগর মানিকপুর আহমদিয়া কেরামতিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ফটিকছড়ি থানার আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংবিরোধী র্যালি ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম আরও বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খানের সভাপতিত্বে এবং উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দে-এর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ।
এ সময় কাঞ্চননগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হান্নান চৌধুরী, ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক তালুকদার, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি সাইরান কাদের চৌধুরী, মানিকপুর আহমদিয়া কেরামতিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শফিউল খানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ভয়াবহভাবে ব্যাহত হয়েছে দেশটির বিমান চলাচল। আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। বাতিল, বিলম্বিত ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট।
শুক্রবার গভীর রাতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউয়ে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এরপর আগ্নেয় ছাই ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায়। জাকার্তা ও লামপুং প্রদেশের আকাশেও ছাইয়ের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।
আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোয়েকার্নো-হাত্তাসহ সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরগুলো চালু করা সম্ভব না হওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী টিকিটের অর্থ ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ বিকল্প পথে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল, বিলম্বিত বা অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজারের মতো যাত্রী।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের মেঘ কোনো কোনো এলাকায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছে। বিমান চলাচলের জন্য আগ্নেয় ছাই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আনাক ক্রাকাতাউয়ের আরও অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ। আগ্নেয়গিরিটির সক্রিয় জ্বালামুখের চারপাশে তিন কিলোমিটার এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুন্দা প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকেও ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
তবে বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত থেকে তাৎক্ষণিক সুনামির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালে আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের পর সৃষ্ট সুনামিতে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র : বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ