ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ৭ বিমানবন্দর বন্ধ, ইন্দোনেশিয়ায় আটকা ৩ লাখ ৪১ হাজার যাত্রী


আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ৭ বিমানবন্দর বন্ধ, ইন্দোনেশিয়ায় আটকা ৩ লাখ ৪১ হাজার যাত্রী

ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ভয়াবহভাবে ব্যাহত হয়েছে দেশটির বিমান চলাচল। আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। বাতিল, বিলম্বিত ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট।

শুক্রবার গভীর রাতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউয়ে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এরপর আগ্নেয় ছাই ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায়। জাকার্তা ও লামপুং প্রদেশের আকাশেও ছাইয়ের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।

আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোয়েকার্নো-হাত্তাসহ সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরগুলো চালু করা সম্ভব না হওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী টিকিটের অর্থ ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ বিকল্প পথে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল, বিলম্বিত বা অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজারের মতো যাত্রী।

দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের মেঘ কোনো কোনো এলাকায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছে। বিমান চলাচলের জন্য আগ্নেয় ছাই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আনাক ক্রাকাতাউয়ের আরও অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ। আগ্নেয়গিরিটির সক্রিয় জ্বালামুখের চারপাশে তিন কিলোমিটার এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুন্দা প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকেও ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

তবে বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত থেকে তাৎক্ষণিক সুনামির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালে আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের পর সৃষ্ট সুনামিতে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।

সূত্র : বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজীপুরের জুয়েলারি দোকানিকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার আসামিদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৩ এম


গাজীপুরের জুয়েলারি দোকানিকে গলা কেটে হত্যার দায় স্বীকার আসামিদের

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানা এলাকায় জুয়েলারি দোকানের মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

সোমবার আসামিদের গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈতট গ্রামের মো. নাছির উদ্দিন (৩২) এবং একই জেলার মধুপুর থানার জলছত্র গ্রামের মো. সুজন মিয়া (২৭)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণালংকার, নিহতের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে তিনটা থেকে ভোর সোয়া পাঁচটার মধ্যে যেকোনো সময় সিটি করপোরেশনের গাছা থানাধীন ভূষিরমিল রোড এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ নামের স্বর্ণের দোকানে ঢুকে এর মালিক আবুল কালাম আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা বিভিন্ন অলংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা। 

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

মামলা দায়েরের পর উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত রবিবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাছির ও সুজনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া মালামাল ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলের পাশে অভিযান চালিয়ে হত্যাণ্ডে কাব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, পাথরসহ রূপার আংটি ১৭টি, রূপার কানের টপ এক জোড়া, ইমিটেশনের বালা ফিতাসহ দুই জোড়া, ইমিটেশনের হার ফিতাসহ দুই পিস।

জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ, দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে, তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হত্যাকান্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বিকল, ১৮৬ আরোহী নিয়ে চেন্নাইয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের জরুরি অবতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:২৮ এম


মাঝ আকাশে ইঞ্জিন বিকল, ১৮৬ আরোহী নিয়ে চেন্নাইয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের জরুরি অবতরণ

মাঝ-আকাশে হঠাৎ করে স্তব্ধ হয়ে যায় ২ নম্বর ইঞ্জিন। এই ঘটনার ফলে এক ভীতিকর আতঙ্ক ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে পাইলটের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ১৮৬ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট অলৌকিকভাবে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দাগামী এই ফ্লাইটটি চেন্নাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পূর্ণমাত্রার জরুরি অবস্থার (ফুল ইমার্জেন্সি) মধ্য দিয়ে অত্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।

ঘটনাটি ঘটে সোমবার বিকেলে। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ‘এমএইচ১৫৬’ নম্বর ফ্লাইটটিতে ক্রু ও যাত্রী মিলিয়ে মোট ১৮৬ জন আরোহী ছিলেন। বিমানটি আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় হঠাৎ ২ নম্বর ইঞ্জিনে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা ও ব্যর্থতা দেখা দেয়। এর পরপরই পরিস্থিতির তীব্রতা বিবেচনায় ভারতীয় সময় বিকেল ৪টা বেজে ৭ মিনিটে চেন্নাই বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিমানটি বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে চেন্নাইয়ের আকাশসীমায় পৌঁছানোর কথা ছিল এবং সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি শেষে বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিটে এটি রানওয়েতে স্পর্শ করে। অবতরণের পরপরই বিমানটিকে ৪৫ নম্বর বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিমানবন্দরে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দল, ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অবস্থান নেয়।

ঘটনার পরপরই চেন্নাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ফ্লাইট চলাকালীন বিমানের ২ নম্বর ইঞ্জিনটি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে পথ পরিবর্তন করে চেন্নাইয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে জরুরি অবতরণ করানো হয়। এ বিষয়ে চেন্নাই বিমানবন্দরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে বলেন, অবতরণটি অত্যন্ত সুচারু ও নিরাপদ ছিল। বিমানে থাকা ১৮৬ জন আরোহীর সবাই পুরোপুরি নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে যে, বর্তমানে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নিজস্ব প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ দল উড়োজাহাজটি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঠিক কী কারণে ইঞ্জিনে এমন বিভ্রাট ঘটল, তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ইঞ্জিন বিভ্রাটের মূল কারণ এবং আটকে পড়া ১৮৬ জন আরোহীকে কীভাবে তাদের গন্তব্যস্থল জেদ্দায় পৌঁছে দেওয়া হবে—সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শান্তর দলে ফেরা : সালাহউদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৪ এম


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই শান্তর দলে ফেরা : সালাহউদ্দিন

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিং লাইনআপে অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতা আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশ দলে নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান গেমস ক্রিকেট ইভেন্টে বাংলাদেশের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।

সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন শান্ত। দীর্ঘ দিন দলের বাইরে থাকার পর এশিয়ান গেমসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে রাখা হয় তাকে। যদিও তার অন্তর্ভুক্তি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে।

তবে সালাহউদ্দিন জানান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের তালিকায় শান্তর অবস্থান এবং ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে তার অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ অলিম্পিক ভবনে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সাথে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড়ই খেলবে। কে দলে এল বা কে বাদ পড়ল, সেটা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো আমাদের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড় খেলছে। শান্ত সেরা ১৫ খেলোয়াড়ের একজন। আমরা সেভাবেই তাকে দলে নিয়েছি।’

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থেকে শান্তর দীর্ঘ বিরতিতে উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন কোচ সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে সে নতুন কোনো খেলোয়াড় নয়। সর্বশেষ যখন সে টি-টোয়েন্টি খেলেছে তখনও সে খারাপ খেলেনি। বিপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে তার অনেক সেঞ্চুরি রয়েছে। আমার মনে হয়, এই ফরম্যাটের সাথে মানিয়ে নিতে তার কোনো সমস্যা হবে না।’ 

সালাহউদ্দিন আরও বলেন, শান্তর এই ফেরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে অভিজ্ঞতার দিক থেকে একটি বাড়তি সুবিধাও দিতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা একজন অভিজ্ঞ ব্যাটারকে খেলাব।’

শুরুতে এশিয়ান গেমসের জন্য ‘এইচপি’ দল পাঠানোর কথা ভাবলেও, শেষ পর্যন্ত পূর্ণ শক্তির দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।

ভারত, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু শক্তিশালী দল পাঠানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে।

সালাহউদ্দিন বলেন, ‘শুরুতে এইচপি দলেরই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যখন দেখলাম অন্য দেশগুলোও তাদের মূল জাতীয় দল পাঠাচ্ছে, তখন ভাবলাম আমরা কেন তাদের পাঠাব না?’ 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপ উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনের পক্ষে কেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চাপ উপেক্ষা করে ফিলিস্তিনের পক্ষে কেন যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপ অগ্রাহ্য করে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা বন্ধের জন্য এবং ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র দুই মাসের মধ্যে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছেন। মিলিব্যান্ডকে সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে অন্যতম দৃঢ়চেতা ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, কারণ তিনি যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ব্রিটিশ রক্ষণশীল মহলের চাপের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন।

 

মিলিব্যান্ড মঙ্গলবার ইসরাইলের অবৈধ বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিতে পারেন। ব্রিটিশ সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পরামর্শমূলক রায়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য আনতে নেওয়া হচ্ছে। আইসিজের ওই মতামতে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের দখলদারিত্বকে অবৈধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের পক্ষ থেকে মিলিব্যান্ডের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া এসেছে। ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ইহুদিবিদ্বেষের অভিযোগ তুলেছেন। উল্লেখযোগ্য যে, মিলিব্যান্ড নিজেও ইহুদি। এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ব্রিটেনকে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ব্রিটেন’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা'রও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ব্রিটেন যদি ইসরাইলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইসরাইলও ব্রিটেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে ব্রিটেনের বিরোধিতা করে আর্জেন্টিনার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, আর্জেন্টিনা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটেনকে সমর্থন নাও করতে পারে। ব্রিটিশ রক্ষণশীল বিরোধী দল ও দেশটির ডানপন্থী সংবাদমাধ্যমের একটি অংশও মিলিব্যান্ডের পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করছে। ছায়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম টুগেনহাট ইসরাইলের অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দাবি করেছেন, বসতি নিষেধাজ্ঞার কারণে ব্রিটেনের জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

এদিকে ‘কনজারভেটিভ ফ্রেন্ডস অব ইসরাইল’ মিলিব্যান্ডের পরিকল্পনাকে নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং ইসরাইলকে এককভাবে নিশানা করার পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

অবস্থানে অনড় মিলিব্যান্ড

এত চাপের মধ্যেও ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিজের অবস্থান থেকে সরে আসছেন না। গত মঙ্গলবার পার্লামেন্টে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের জন্য দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ধ্বংস হতে দেওয়া হবে না। গাজা পরিস্থিতি নিয়ে মিলিব্যান্ড আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ও আবেগপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করেছেন। সম্প্রতি গাজায় থাকা মানুষের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি সেখানকার পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, ব্রিটিশ সরকারকে এখন আরো দৃঢ়ভাবে এবং আরো দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।

ব্রিটিশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সূত্রগুলোর দাবি, বসতি স্থাপনের বিরুদ্ধে প্রস্তাবিত পদক্ষেপগুলোর অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি মিলিব্যান্ড নিজেই। তার পূর্ববর্তী দুই লেবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি ও ইয়েভেট কুপার গাজার পরিস্থিতি নিয়ে কঠিন ব্রিফিং পেলেও মিলিব্যান্ডের মতো প্রকাশ্য ও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাননি। একজন লেবার সূত্রের ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড ইসরাইল-ফিলিস্তিন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ সরকারের নীতিতে ‘ব্যাপক পরিবর্তন’ আনার বিষয়টি তুলে ধরতে যাচ্ছেন।

ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠনগুলোর দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হলো ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানির ওপর পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে শুধু পণ্য নয়, বসতিগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেবা ও ব্যবসায় বিনিয়োগও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনতে হবে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য শক্তিশালী আইনগত ব্যবস্থা থাকতে হবে। আয়ারল্যান্ড, স্পেন ও বেলজিয়াসহ ইউরোপের কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে ইসরাইলি বসতিগুলোর বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে। তবে ব্রিটিশ সরকারি সূত্রগুলোর দাবি, যুক্তরাজ্যের পরিকল্পিত নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হতে পারে।

ইসরাইলের নতুন ‘ই১’ বসতি প্রকল্পকে ঘিরেও পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জেরুজালেমের পূর্বদিকে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যেতে পারে, যা একটি কার্যকর ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরো সংকুচিত করবে।

ইসরাইলপন্থী সমালোচকেরা প্রায়ই অভিযোগ করেন, ব্রিটেনের মুসলিম জনগোষ্ঠীর চাপের কারণে মিলিব্যান্ড এই অবস্থান নিয়েছেন। তবে বিভিন্ন জনমত জরিপে এমন দাবির পক্ষে শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় না। একটি জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ১৬ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক ইসরাইলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেন। লেবার পার্টির ১৪০ জনের বেশি এমপিও বসতিগুলোর সঙ্গে বাণিজ্যে পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞার আহ্বান জানিয়েছেন। চলতি বছরের শুরুতে লেবার সদস্যদের মধ্যে পরিচালিত এক জরিপে ৮৭ শতাংশ নিষেধাজ্ঞার পক্ষে মত দেন। ফলে মিলিব্যান্ডের অবস্থান কেবল দলের একটি অংশের দাবি নয়; তা ব্রিটিশ জনমতের সঙ্গেও অনেকাংশে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মিলিব্যান্ডের বর্তমান অবস্থান হঠাৎ করে তৈরি হয়নি। ২০১৪ সালে লেবার নেতা থাকাকালে গাজায় ইসরাইলি সামরিক অভিযানে বিপুলসংখ্যক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার পর তিনি তৎকালীন ব্রিটিশ সরকারের নীতির কঠোর সমালোচনা করেছিলেন। সেসময় তিনি প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের ইসরাইলি সামরিক অভিযানের বিষয়ে ‘নীরবতা’র সমালোচনা করেন এবং ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যার ঘটনায় সরকারের অবস্থানকে ভুল বলে মন্তব্য করেন। একই বছর তিনি একতরফাভাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষেও অবস্থান নেন। গত বছরও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগকারী মন্ত্রীদের মধ্যে মিলিব্যান্ড অন্যতম ছিলেন বলে সরকারি সূত্রের দাবি।

মিলিব্যান্ডের সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতির বৃহত্তর পরিবর্তনের অংশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এর আগে রক্ষণশীল সরকারের সময় আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ইসরাইলবিষয়ক বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিটেনের অবস্থান নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। স্টারমার সরকারের আমলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে কিছু সীমিত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সেগুলোকে অনেক ক্ষেত্রে অর্ধেক-সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখা হয়েছে। অস্ত্র রপ্তানিতে সীমিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলেও পূর্ণাঙ্গ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়নি। গাজার ওপর নজরদারি কার্যক্রম নিয়েও ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এ অবস্থায় মিলিব্যান্ডের প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়িত হলে তা শুধু ইসরায়েল-ফিলিস্তিন নীতিতে পরিবর্তনই আনবে না, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির সঙ্গে ব্রিটেনের ঐতিহ্যগত ঘনিষ্ঠতারও পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকার যদি প্রস্তাবিত নিষেধাজ্ঞা দুর্বল করে, তাহলে তা আগের নীতির ধারাবাহিকতা হিসেবেই বিবেচিত হবে। কিন্তু মিলিব্যান্ড ও প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেন, তাহলে তা বিশ্বমঞ্চে ব্রিটেনের আরও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

এই কারণে ইসরাইল-ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিলিব্যান্ডের বর্তমান অবস্থানকে শুধু একটি নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হিসেবে নয়, বরং ব্রিটিশ পররাষ্ট্রনীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%