মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১২ এম
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেছেন, ‘কাঞ্চননগরে আমি যেতে চাই। কারণ কয়েকজনকে ধরলাম, তাদের বাড়ি কাঞ্চননগর। তাই প্রোডাকশন হাউজ বন্ধ করতে হবে, সেটা যেন না থাকে। কাঞ্চননগরকে সন্ত্রাসীদের অভয়াশ্রম বা সন্ত্রাসী তৈরির আঁতুড়ঘর হিসেবে যে দুর্নাম দেওয়া হয়েছে, তা দূর করতে হবে।’
সোমবার বিকেলে উপজেলার কাঞ্চনগর মানিকপুর আহমদিয়া কেরামতিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ফটিকছড়ি থানার আয়োজনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাংবিরোধী র্যালি ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম আরও বলেন, মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। সমাজ থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একার পক্ষে মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এ জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আলম খানের সভাপতিত্বে এবং উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন দে-এর সঞ্চালনায় সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (হাটহাজারী সার্কেল) কাজী তারেক আজিজ।
এ সময় কাঞ্চননগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হান্নান চৌধুরী, ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি মোজাম্মেল হক তালুকদার, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি সাইরান কাদের চৌধুরী, মানিকপুর আহমদিয়া কেরামতিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা শফিউল খানসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ভয়াবহভাবে ব্যাহত হয়েছে দেশটির বিমান চলাচল। আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে কয়েকটি বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় প্রায় ৩ লাখ ৪১ হাজার যাত্রী দুর্ভোগে পড়েছেন। বাতিল, বিলম্বিত ও অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট।
শুক্রবার গভীর রাতে জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপের মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউয়ে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। এরপর আগ্নেয় ছাই ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায়। জাকার্তা ও লামপুং প্রদেশের আকাশেও ছাইয়ের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়েছে।
আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে জাকার্তার প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোয়েকার্নো-হাত্তাসহ সাতটি বিমানবন্দরের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। নির্ধারিত সময়ে বিমানবন্দরগুলো চালু করা সম্ভব না হওয়ায় যাত্রীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক যাত্রী টিকিটের অর্থ ফেরত নেওয়ার চেষ্টা করছেন, আবার কেউ বিকল্প পথে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে প্রায় ৩ হাজার ফ্লাইট বাতিল, বিলম্বিত বা অন্য বিমানবন্দরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজারের মতো যাত্রী।
দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, আগ্নেয় ছাইয়ের মেঘ কোনো কোনো এলাকায় প্রায় ১৫ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠেছে। বিমান চলাচলের জন্য আগ্নেয় ছাই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
আনাক ক্রাকাতাউয়ের আরও অগ্ন্যুৎপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে সতর্ক করেছে ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ। আগ্নেয়গিরিটির সক্রিয় জ্বালামুখের চারপাশে তিন কিলোমিটার এলাকায় প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সুন্দা প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোকেও ওই এলাকা এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
তবে বর্তমানে অগ্ন্যুৎপাত থেকে তাৎক্ষণিক সুনামির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ। ২০১৮ সালে আনাক ক্রাকাতাউয়ের অগ্ন্যুৎপাতের পর সৃষ্ট সুনামিতে চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
ইন্দোনেশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে নিয়মিত ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। বর্তমান পরিস্থিতিতে কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
সূত্র : বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানা এলাকায় জুয়েলারি দোকানের মালিক ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার আসামিদের গাজীপুরের বিজ্ঞ আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার চৈতট গ্রামের মো. নাছির উদ্দিন (৩২) এবং একই জেলার মধুপুর থানার জলছত্র গ্রামের মো. সুজন মিয়া (২৭)। গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া স্বর্ণালংকার, নিহতের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অপরাধ (দক্ষিণ) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার এস এম শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট দিবাগত রাত পৌনে তিনটা থেকে ভোর সোয়া পাঁচটার মধ্যে যেকোনো সময় সিটি করপোরেশনের গাছা থানাধীন ভূষিরমিল রোড এলাকায় এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা ‘সাদিয়া জুয়েলার্স’ নামের স্বর্ণের দোকানে ঢুকে এর মালিক আবুল কালাম আজাদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে দোকানে থাকা বিভিন্ন অলংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা।
এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ভাই মো. কামাল হোসেন বাদী হয়ে গাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ), অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ও সহকারী উপ-পুলিশ কমিশনারের দিকনির্দেশনায় তদন্তে নামে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল আউয়াল সরদারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত রবিবার টাঙ্গাইলের ঘাটাইল ও মধুপুর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাছির ও সুজনকে গ্রেফতার করে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারের পর আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লুট হওয়া মালামাল ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের নিয়ে ঘটনাস্থলের পাশে অভিযান চালিয়ে হত্যাণ্ডে কাব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়। এছাড়া উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে, পাথরসহ রূপার আংটি ১৭টি, রূপার কানের টপ এক জোড়া, ইমিটেশনের বালা ফিতাসহ দুই জোড়া, ইমিটেশনের হার ফিতাসহ দুই পিস।
জিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ, দক্ষিণ) এস এম শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের পর আসামিদের আদালতে হাজির করা হলে, তারা স্বেচ্ছায় আদালতে হত্যাকান্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। পরে আদালতের নির্দেশে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত ও জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাঝ-আকাশে হঠাৎ করে স্তব্ধ হয়ে যায় ২ নম্বর ইঞ্জিন। এই ঘটনার ফলে এক ভীতিকর আতঙ্ক ও বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। তবে পাইলটের তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপের ফলে ১৮৬ জন আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট অলৌকিকভাবে বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পায়।
মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর থেকে সৌদি আরবের জেদ্দাগামী এই ফ্লাইটটি চেন্নাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পূর্ণমাত্রার জরুরি অবস্থার (ফুল ইমার্জেন্সি) মধ্য দিয়ে অত্যন্ত নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার বিকেলে। মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের ‘এমএইচ১৫৬’ নম্বর ফ্লাইটটিতে ক্রু ও যাত্রী মিলিয়ে মোট ১৮৬ জন আরোহী ছিলেন। বিমানটি আকাশে উড্ডয়নরত অবস্থায় হঠাৎ ২ নম্বর ইঞ্জিনে বড় ধরনের প্রযুক্তিগত জটিলতা ও ব্যর্থতা দেখা দেয়। এর পরপরই পরিস্থিতির তীব্রতা বিবেচনায় ভারতীয় সময় বিকেল ৪টা বেজে ৭ মিনিটে চেন্নাই বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে পূর্ণাঙ্গ জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বিমানটি বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে চেন্নাইয়ের আকাশসীমায় পৌঁছানোর কথা ছিল এবং সার্বিক নিরাপত্তা প্রস্তুতি শেষে বিকেল ৪টা ৪৪ মিনিটে এটি রানওয়েতে স্পর্শ করে। অবতরণের পরপরই বিমানটিকে ৪৫ নম্বর বে-তে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বিমানবন্দরে আগে থেকেই প্রস্তুত থাকা জরুরি উদ্ধারকারী দল, ফায়ার সার্ভিস ও মেডিকেল টিম তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে অবস্থান নেয়।
ঘটনার পরপরই চেন্নাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ফ্লাইট চলাকালীন বিমানের ২ নম্বর ইঞ্জিনটি সম্পূর্ণ বিকল হয়ে যাওয়ার কারণে পথ পরিবর্তন করে চেন্নাইয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেখানে জরুরি অবতরণ করানো হয়। এ বিষয়ে চেন্নাই বিমানবন্দরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-কে বলেন, অবতরণটি অত্যন্ত সুচারু ও নিরাপদ ছিল। বিমানে থাকা ১৮৬ জন আরোহীর সবাই পুরোপুরি নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে যে, বর্তমানে মালয়েশিয়া এয়ারলাইন্সের নিজস্ব প্রকৌশলী এবং সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞ দল উড়োজাহাজটি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ঠিক কী কারণে ইঞ্জিনে এমন বিভ্রাট ঘটল, তা গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় কোনো যাত্রী বা ক্রু সদস্য আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে ইঞ্জিন বিভ্রাটের মূল কারণ এবং আটকে পড়া ১৮৬ জন আরোহীকে কীভাবে তাদের গন্তব্যস্থল জেদ্দায় পৌঁছে দেওয়া হবে—সে সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ব্যাটিং লাইনআপে অভিজ্ঞতা ও স্থিতিশীলতা আনার পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এক বছরেরও বেশি সময় পর বাংলাদেশ দলে নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এশিয়ান গেমস ক্রিকেট ইভেন্টে বাংলাদেশের কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন।
সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেন শান্ত। দীর্ঘ দিন দলের বাইরে থাকার পর এশিয়ান গেমসের জন্য ঘোষিত বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দলে রাখা হয় তাকে। যদিও তার অন্তর্ভুক্তি অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হয়েছে।
তবে সালাহউদ্দিন জানান, বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের তালিকায় শান্তর অবস্থান এবং ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম সংস্করণে তার অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ অলিম্পিক ভবনে এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি ক্রীড়াবিদদের সাথে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সালাহউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড়ই খেলবে। কে দলে এল বা কে বাদ পড়ল, সেটা বড় কথা নয়। মূল বিষয় হলো আমাদের সেরা ১৫ জন খেলোয়াড় খেলছে। শান্ত সেরা ১৫ খেলোয়াড়ের একজন। আমরা সেভাবেই তাকে দলে নিয়েছি।’
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ থেকে শান্তর দীর্ঘ বিরতিতে উদ্বেগ নেই বলে জানিয়েছেন কোচ সালাহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টিতে সে নতুন কোনো খেলোয়াড় নয়। সর্বশেষ যখন সে টি-টোয়েন্টি খেলেছে তখনও সে খারাপ খেলেনি। বিপিএলসহ বিভিন্ন টুর্নামেন্টে তার অনেক সেঞ্চুরি রয়েছে। আমার মনে হয়, এই ফরম্যাটের সাথে মানিয়ে নিতে তার কোনো সমস্যা হবে না।’
সালাহউদ্দিন আরও বলেন, শান্তর এই ফেরা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশকে অভিজ্ঞতার দিক থেকে একটি বাড়তি সুবিধাও দিতে পারে।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমরা একজন অভিজ্ঞ ব্যাটারকে খেলাব।’
শুরুতে এশিয়ান গেমসের জন্য ‘এইচপি’ দল পাঠানোর কথা ভাবলেও, শেষ পর্যন্ত পূর্ণ শক্তির দল পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ।
ভারত, পাকিস্তানসহ বেশ কিছু শক্তিশালী দল পাঠানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড তাদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করে।
সালাহউদ্দিন বলেন, ‘শুরুতে এইচপি দলেরই যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যখন দেখলাম অন্য দেশগুলোও তাদের মূল জাতীয় দল পাঠাচ্ছে, তখন ভাবলাম আমরা কেন তাদের পাঠাব না?’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ