বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৫:০৪ পি.এম
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
এই হামলাটি বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, স্থানীয় সময় ভোরে পরিচালিত হয়। এতে বেশ কিছু আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রাজধানীর একাংশ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। খবর রয়টার্সের।
প্রতিবেদন অনুসারে, কিয়েভের সোলোমিয়ানস্কি জেলার একটি ৯ তলা আবাসিক ভবনের ওপরের অংশ ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাতে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এই ঘটনার ফলে সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো। তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনার পর শুক্রবারকে কিয়েভের জন্য আনুষ্ঠানিক শোক দিবস হিসেবে পালনের আহ্বান জানিয়েছেন।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় মেয়র ক্লিটসকো উল্লেখ করেন, কিয়েভের সোলোমিয়ানস্কি ছাড়াও আরও দুটি জেলায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এসব এলাকায় বেশ কিছু অনাবাসিক স্থাপনা, গুদামঘর, একটি স্কুল এবং একটি শিশু হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামলার পর কিয়েভে প্রায় ৯০ হাজার পরিবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ইউক্রেনের বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে জানিয়েছে, তাদের প্রকৌশলীরা দ্রুত কাজ শুরু করে ইতিমধ্যে অর্ধেকেরও বেশি গ্রাহকের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়েছেন।
ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি করতে এবং এয়ার ডিফেন্স ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে রাশিয়া সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আকাশপথে হামলার তীব্রতা বাড়িয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কিয়েভ ও এর আশপাশের অঞ্চলে ড্রোন তৈরির কারখানা, সামরিক ডিপো এবং লজিস্টিক হাব লক্ষ্য করে বিমান ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে, মস্কোর রণকৌশল ও সরবরাহ ব্যবস্থা দুর্বল করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেনও রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগার ও লজিস্টিক অবকাঠামোয় পাল্টা হামলা জোরদার করেছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ চার বছর পূর্ণ হলেও এখনো সংঘাত থামার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা এখনো আলোর মুখ দেখেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রতি সমর্থন তুলে নিলেন সংস্থাটির একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট। হাঙ্গেরিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের প্রধান শান্দোর চ্যানি এক চিঠির মাধ্যমে ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব, পেশাগত সিদ্ধান্ত এবং নৈতিক মান নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।
চিঠিতে চ্যানি জানান, ফিফা সভাপতির প্রতি তার পূর্ববর্তী আস্থা বর্তমানে আর নেই। কেভিন লামুরকে আকস্মিকভাবে বরখাস্ত করাকে তিনি নিজের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য ‘শেষ ধাক্কা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
লামুরকে গত সোমবার ফিফা থেকে বরখাস্ত করা হয়। এর আগে তিনি বিশ্বকাপের স্বত্ব ও প্রতিযোগিতাগুলো বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে দেওয়ার পরিকল্পনার ব্যাপারে ইনফান্তিনোর সমালোচনা করেছিলেন।
চ্যানির এই অবস্থানের মাধ্যমে ফিফায় ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে বিরোধ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফিফার আট ভাইস প্রেসিডেন্টের মধ্যে চ্যানিসহ পাঁচজন এখন ইনফান্তিনোর সরে দাঁড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
এর আগে উয়েফা সভাপতি আলেকসান্ডার সেফেরিন, কনকাকাফের প্রধান ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি, এএফসির সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা এবং ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এফএ) চেয়ার ডেবি হিউইট ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
অন্যদিকে, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল কনফেডারেশন কনমেবলের সভাপতি আলেহান্দ্রো দোমিনগেজ, আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের (সিএএফ) সভাপতি প্যাট্রিস মোটসেপে এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের ল্যামবার্ট মালটক এখনো ইনফান্তিনোর পাশে রয়েছেন।
ফিফা কাউন্সিলের ৩৭ সদস্যের একজন হিসেবে চ্যানি অভিযোগ করেন যে ইনফান্তিনো তাকে বারবার অবজ্ঞা করেছেন।
চিঠিতে চ্যানি উল্লেখ করেন, ইনফান্তিনোর ফিফাকে সফলভাবে নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতার প্রতি তার যে বিশ্বাস ছিল, তা বিভিন্ন কারণে দুর্বল হয়েছে। বিশেষ করে কেভিন লামুরের বরখাস্তের ঘটনায় তার আস্থার শেষ ভিত্তিটুকুও নষ্ট হয়ে গেছে।
চ্যানি চলতি বছরের বিশ্বকাপে ইনফান্তিনোর নেওয়া কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ফিফার বিভিন্ন প্রতিযোগিতা বাইরের পক্ষের কাছে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা প্রাসঙ্গিক কিনা।
তাহলে ইনফান্তিনোর নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ফিফার অভ্যন্তরীণ বিরোধ বর্তমানে আরও প্রকাশ্য রূপ লাভ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০ পিস ইয়াবাসহ মো. রেজাউল করিম (৩৫) নামে এক সহকারী শিক্ষককে আটক করেছে গোপালপুর থানা পুলিশ।
আটক করা ব্যক্তির নাম মো. রেজাউল করিম এবং তিনি চাতুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তিনি সৈয়দপুর গ্রামের মৃত হাবিবুল্লাহর পুত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে পরিচালিত অভিযানে রেজাউল করিমকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে ১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা করা হয়।
গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে ইয়াবাসহ তাকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য একটি স্থাপনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলে ইসরাইলের ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব লীগ।
সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, কোনো ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) আরব লীগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ‘বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন’ মাত্রায় অধিকার লঙ্ঘনের নতুন অধ্যায়।
তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করবে। এর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন ও এর প্রটোকল এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি।
সংগঠনটির ভাষ্য, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মৃত্যুদণ্ড এবং বন্দিদের অমানবিক বা নির্বিচার আচরণ থেকে সুরক্ষার বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইন স্পষ্ট বিধান দিয়েছে।
আরব লীগের অভিযোগ, মার্চে ইসরাইলি পার্লামেন্টে পাস হওয়া মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত আইন এবং এখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি একটি পরিকল্পিত নীতির অংশ। এর লক্ষ্য ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও জাতীয় আকাঙ্ক্ষা দমন করা এবং ইসরাইলি কারাগারগুলোকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কেন্দ্রে পরিণত করা।
গত মার্চে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে ‘সন্ত্রাসবাদ’ সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ সম্প্রসারণ করে একটি আইন পাস হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো তখন সতর্ক করে বলেছিল, আইনটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে।
হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বর্তমানে ইসরাইলি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের অনেককে কোনো বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশের মাধ্যমে বন্দি রাখা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের আটককে নির্বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার হাদিরা ইউনিয়নের সেনেরচর গ্রামে ৩৩৭ পিস ইয়াবাসহ রনি নামের এক যুবককে আটক করেছে স্থানীয় সচেতন যুবসমাজ।
এটি ঘটনার পর, যুবকটিকে গোপালপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
মাদকের বিরুদ্ধে সেনেরচর যুবসমাজের এই সাহসী এবং সময়োপযোগী উদ্যোগটি এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
এ ঘটনায় আটক যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ