প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলি কারাগারে আটক ফিলিস্তিনি বন্দিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য একটি স্থাপনা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে বলে ইসরাইলের ঘোষণার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব লীগ।
সংগঠনটি সতর্ক করে বলেছে, কোনো ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে তা যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) আরব লীগের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলের এই পদক্ষেপ ফিলিস্তিনি বন্দিদের বিরুদ্ধে ‘বিপজ্জনক ও নজিরবিহীন’ মাত্রায় অধিকার লঙ্ঘনের নতুন অধ্যায়।
তাদের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করবে। এর মধ্যে রয়েছে চতুর্থ জেনেভা কনভেনশন ও এর প্রটোকল এবং আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারবিষয়ক চুক্তি।
সংগঠনটির ভাষ্য, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মৃত্যুদণ্ড এবং বন্দিদের অমানবিক বা নির্বিচার আচরণ থেকে সুরক্ষার বিষয়ে আন্তর্জাতিক আইন স্পষ্ট বিধান দিয়েছে।
আরব লীগের অভিযোগ, মার্চে ইসরাইলি পার্লামেন্টে পাস হওয়া মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত আইন এবং এখন মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অবকাঠামো তৈরির প্রস্তুতি একটি পরিকল্পিত নীতির অংশ। এর লক্ষ্য ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকার ও জাতীয় আকাঙ্ক্ষা দমন করা এবং ইসরাইলি কারাগারগুলোকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কেন্দ্রে পরিণত করা।
গত মার্চে ইসরাইলের পার্লামেন্ট নেসেটে ‘সন্ত্রাসবাদ’ সংশ্লিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ডের প্রয়োগ সম্প্রসারণ করে একটি আইন পাস হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো তখন সতর্ক করে বলেছিল, আইনটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হতে পারে।
হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বর্তমানে ইসরাইলি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাদের অনেককে কোনো বিচার ছাড়াই প্রশাসনিক আটকাদেশের মাধ্যমে বন্দি রাখা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এই ধরনের আটককে নির্বিচার ও আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন