বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৩:৪৭ পি.এম
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে কোর অব মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি কোরের প্রতিটি সদস্যকে অভিনন্দন জানান।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর) জানায়, আজ কোর অব মিলিটারি পুলিশ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম (আরভিঅ্যান্ডএফ) কোরের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ সাভারের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) এবং রিমাউন্ট ভেটেরিনারি অ্যান্ড ফার্ম (আরভিঅ্যান্ডএফ) ডিপোতে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উভয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান।
আইএসপিআর জানায়, কোর অব মিলিটারি পুলিশের বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি কোরের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় কোর অব মিলিটারি পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
পরবর্তীতে, আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের ৪র্থ বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে সেনাবাহিনী প্রধান উপস্থিত অধিনায়কগণ ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি আরভিঅ্যান্ডএফ কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশের সেবায় এ কোরের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। সেনাবাহিনীর পুষ্টি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে এ কোরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরে তিনি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, গবেষণা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন এবং ফার্মসমূহের উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানসমূহে মিলিটারি পুলিশের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও কমান্ড্যান্ট, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড; সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, কর্নেল কমান্ড্যান্ট, আরভিঅ্যান্ডএফসি ও কমান্ড্যান্ট, ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া, সেনাসদর ও সাভার এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট কোরসমূহের অধিনায়ক ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের মিরসরাই সদর এলাকায় একটি মোবাইল দোকানে সাংবাদিককে জিম্মি করে জোরপূর্বক অর্থ ছিনতাই, মুক্তিপণ দাবি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ভিডিও রেকর্ড করানোর চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক সশস্ত্র সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে মিরসরাই থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিককে উদ্ধার করেছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, (২৫ আগষ্ট) মিরসরাই সদরের ‘অপু টেলিকম’ দোকানে অবস্থানকালে চিহ্নিত সন্ত্রাসী নজরুল ইসলাম মামুন, মহিলা দলের নাসরিন সুলতানা ও তার মেয়ে লামিয়া আফরোজের নেতৃত্বে একদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ক্যাডার বাহিনী মাইটিভির মীরসরাই প্রতিনিধি ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে এবং জিম্মি অবস্থায় তার কাছে থাকা নগদ ২০ হাজার টাকা কেড়ে নেয়। এছাড়া তার ব্যবহৃত ‘মাইটিভি’র অফিসিয়াল প্রেস কার্ড ছিনিয়ে নিয়ে শ্বাসরোধের চেষ্টা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, সন্ত্রাসীরা ভুক্তভোগীকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সামাজিক ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক তাদের শিখিয়ে দেওয়া বক্তব্য ভিডিও রেকর্ড করায়। এসময় তার কাছে মোটা অঙ্কের (৫ লাখ টাকা) চাঁদা দাবি করা হয়।
পরবর্তীতে ঘটনার খবর পেয়ে মিরসরাই থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জানান, ঘটনার পরপরই ‘Mirsarai News Desk’ নামক একটি ফেসবুক আইডি থেকে সন্ত্রাসীদের ধারণ করা ভিডিওটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হয়। ভিডিওর উৎস ও সময় বিবেচনায় উক্ত ফেসবুক পেজ/আইডি পরিচালনাভিত্তিক চক্রের সাথে হামলার মূল পরিকল্পনাকারীদের প্রত্যক্ষ যোগাযোগের স্পষ্ট প্রমাণ মেলে।
সশস্ত্র এই চক্রটির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সুশীল সমাজ ও কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসায় মিরসরাই থানা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হাম উপসর্গে আরও পাঁচজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন এক হাজার ১০৩১ জন।
বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৯৫৬ জন। এছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মোট হামরোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৯২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ৭৫ জন। এবং একই সময়ের মধ্যে, গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৭২৬ জন।
এই সময়ের মধ্যে হাম উপসর্গে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৩৪ হাজার ৪৩৭ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ২৯ হাজার ৪৮৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট ৮৫৬ জন শিশুর মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু ঘটেনি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাল নোটের প্রচলন রোধে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে দুই ঘণ্টার এই কর্মশালাটি বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী শাখার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।
এই কর্মশালায় সহযোগিতার দায়িত্ব পালন করে সোনালী ব্যাংক পিএলসি, উপজেলা কমপ্লেক্স শাখা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংক, রাজশাহী কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. শাহেদ উর রহমান।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, কুষ্টিয়া প্রিন্সিপাল শাখার ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মোহা. নাজমুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কুমারখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ সিদ্দিকী, কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর শাহিন, কুমারখালী এনসিপির আহবায়ক হেলাল উদ্দিন, এবং বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতারা।
বক্তারা জাল নোট প্রতিরোধে আইন সংশোধনের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তাদের মতে, বর্তমান আইনে শাস্তির মাত্রা যথেষ্ট কঠোর নয়। এই কারণে অপরাধীরা বারবার একই অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। বক্তারা হাট-বাজার ও প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সোনালী ব্যাংক পিএলসি, কুমারখালী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মো. ইব্রাহিমের সঞ্চালনায় বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী শাখার সহকারী পরিচালক মো. শহিনুর রহমান জাল নোট সম্পর্কে সচেতনতামূলক ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহী কার্যালয়ের যুগ্ম পরিচালক মো. শাহেদ উর রহমান বলেন, ‘জাল টাকা শুধু ব্যক্তির ক্ষতি করে না, পুরো অর্থনীতিকেই দুর্বল করে দেয়। এটা একটি সামাজিক ব্যাধি। তাই টাকা লেনদেনের সময় সবাইকে বাড়তি সতর্ক হতে হবে।’
তিনি আরও জানান, আসল নোট চেনার জন্য জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, উঁচু ছাপা ও মাইক্রো লেখা দেখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, জাল নোট শনাক্তে ব্যাংকগুলোতে আধুনিক মেশিন ব্যবহার করা হচ্ছে।
কুমারখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, জাল টাকা তৈরি, বহন ও ব্যবহার—এই তিনটি অপরাধই দণ্ডনীয়। এ ধরনের অপরাধের তথ্য পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং এসব বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ