মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৪:০৫ পি.এম
নেত্রকোনার পূর্বধলায় মাদক, অনলাইন জুয়া, প্রতারণা ও শিশুদের নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন সামাজিক বিষয়ে মুসল্লিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) জুমার নামাজের সময় উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের সুনাইকান্দা জামে মসজিদে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময়ে শিশু-কিশোরদের মাদক ও অনলাইন জুয়া থেকে দূরে রাখা, জমিজমা নিয়ে বিরোধে না জড়ানো এবং পানিতে পড়ে শিশুদের মৃত্যু রোধে অভিভাবকদের সতর্ক থাকার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি বিকাশসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা থেকে সতর্ক থাকা এবং পিতা-মাতার প্রতি সদয় আচরণের বিষয়েও মুসল্লিদের সচেতন করা হয়।
এ সময় সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধ ও সেগুলো প্রতিরোধে সামাজিকভাবে সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মসজিদ কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ জন মুসল্লি মতবিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের কারণে ব্যাপক পরিমাণ গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পর মজুত পুনর্গঠনের জন্য বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর অংশ হিসেবে মার্কিন নৌবাহিনী রেথিয়নের সঙ্গে এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সর্বোচ্চ ২৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের বহুবর্ষী চুক্তি করেছে।
এই চুক্তিটি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ঘোষণা করা হয় এবং এর মেয়াদ পাঁচ বছর। প্রয়োজন হলে এই মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। মার্কিন নৌবাহিনী জানায়, এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো এসএম-৬ প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্রের নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা।
এসএম-৬ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ ও সমুদ্রপৃষ্ঠের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধেও সক্ষম। এই ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজ ও স্থলভিত্তিক উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা—দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর।
নতুন চুক্তিটি চলতি বছরে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের দ্বারা স্বাক্ষরিত একাধিক বড় অস্ত্র উৎপাদন চুক্তির সর্বশেষ সংযোজন। এর আগে সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে রেথিয়নের সঙ্গে আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য এএমআরএএএম ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের জন্য ২০ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি বহুবর্ষী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্যাট্রিয়ট প্রতিহতকারী ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ৫৮ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের চুক্তিও হয়েছে।
এই চুক্তিগুলির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত অস্ত্র উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করছে এবং মজুত পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। তবে শিল্প খাতের কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, চুক্তিগুলোর পূর্ণ অর্থায়নের জন্য কংগ্রেসের প্রয়োজনীয় বরাদ্দ এখনও অনুমোদিত হয়নি। ফলে আইনপ্রণেতারা অর্থ ছাড় না করা পর্যন্ত ঠিকাদারদের জন্য বড় পরিসরে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে বিনিয়োগ করা কঠিন হতে পারে।
রেথিয়ন জানিয়েছে, বাড়তি চাহিদা মোকাবিলার জন্য দক্ষ কর্মী বৃদ্ধি, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। নতুন চুক্তির মাধ্যমে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদে উৎপাদন সক্ষমতা আরও জোরদার করার লক্ষ্য রয়েছে।
মার্কিন অস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগের পেছনে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক অভিযান এবং ইউক্রেনকে দীর্ঘদিন ধরে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টিও রয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ও নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন এখন ওয়াশিংটনের অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কঙ্গোতে ইবোলা সংক্রমণের ফলে মৃতের সংখ্যা ৪ হাজারের বেশি হয়ে গেছে। সিয়াটল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংক্রমণ প্রতিরোধে দেশটির স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৩০০ জনের শরীরে ইবোলা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ হাজার ১৮ জন মারা গেছেন। অর্থাৎ শনাক্ত রোগীদের প্রায় অর্ধেকই মৃত্যুবরণ করেছেন। এটি ইতিহাসে সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা সংক্রমণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
১৫ মে কঙ্গোতে নতুন ইবোলা সংক্রমণের ঘোষণা দেওয়া হয়। বিরল বান্দিবুগিও ভাইরাসের কারণে এবারের সংক্রমণ ঘটেছে। এই ভাইরাসের জন্য কোনো পরিচিত চিকিৎসা বা টিকা নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি সতর্ক করে বলেছে, ভাইরাসটি দ্রুত নতুন নতুন স্বাস্থ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। এর ফলে সীমিত স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য সম্পদের ওপর চাপ বাড়ছে।
আফ্রিকা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, ইবোলা শনাক্ত হওয়ার হার কমছে। তবে নিরাপত্তাহীনতা এবং সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা কিছু এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা না পাওয়ার কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইবোলা মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপের পক্ষে কথা বলায় কঙ্গোর এক রাজনীতিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইবোলা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যকর্মী ও স্থানীয় প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ানোর পাশাপাশি মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত মারি-সেলেস্তিন কারোন্দওয়া ক্ষমতাসীন ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সোশ্যাল প্রগ্রেস দলের স্থানীয় কর্মকর্তা ছিলেন। রবিবার পূর্বাঞ্চলীয় উত্তর কিভু প্রদেশের বুতেম্বোতে তার ওপর হামলা হয়। পরে তার বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।
স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্তৃপক্ষের প্রতি মানুষের ব্যাপক অবিশ্বাসের কারণে কঙ্গোতে ইবোলার ১৭তম সংক্রমণ মোকাবিলায় কাজ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। গত মাসে সরকার গ্রামভিত্তিক একটি উদ্যোগ শুরু করে। তবে কিছু বাসিন্দা ইবোলা সংক্রমণকে ভুয়া মনে করায় সেই উদ্যোগও বাধার সম্মুখীন হয়েছে।
সরকারের প্রতি মানুষের গভীর অবিশ্বাস রয়েছে। অতীতে ইবোলা মোকাবিলায় সরকারের ভূমিকা, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি এবং অন্যান্য কারণে এই অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জের বেউথা ঘাট এলাকায় উৎসবের আমেজ নৌকাবাইচের এক দিন আগে থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে। কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে ইতোমধ্যে মানুষের সমাগম শুরু হয়েছে। দর্শনার্থীরা দূর-দূরান্ত থেকে নৌকাবাইচ দেখতে আসছেন। নদীর তীরে নৌকা বাঁধা, প্রস্তুতি এবং মানুষের কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠেছে বেউথা ঘাট।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) কালীগঙ্গা নদীতে ঐতিহ্যবাহী বেউথা নৌকাবাইচ অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রতিযোগিতায় কুড়িগ্রামের রৌমারী, টাঙ্গাইলের নাগরপুর, পাবনার সাঁথিয়া এবং মানিকগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার ২২টি নৌকা চারটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করবে। আয়োজকরা আশা করছেন, নৌকাবাইচ দেখতে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে।
কুড়িগ্রামের রৌমারী থেকে তিন দিন নদীপথ পাড়ি দিয়ে বেউথা ঘাটে পৌঁছেছে খেল্লা নৌকা ‘মায়ের দোয়া’। নৌকার পরিচালক মজিবুর রহমান জানান, ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে রৌমারীর বন্দবেড় ইউনিয়নের বাগুয়ারচর গ্রাম থেকে ব্রহ্মপুত্র নদ হয়ে মানিকগঞ্জের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন তারা। তিন দিনে বিভিন্ন নদীপথ পাড়ি দিয়ে নৌকাটি বেউথায় পৌঁছায়।
ভারতের শাল কাঠ দিয়ে তৈরি ‘মায়ের দোয়া’ নৌকাটি এবারই প্রথম নৌকাবাইচে অংশগ্রহণ করছে। প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে এক বছর ধরে নৌকাটি তৈরি করা হয়েছে। প্রথমবারের প্রতিযোগিতায় ভালো ফলের ব্যাপারে তারা আশাবাদী বলে জানান মজিবুর রহমান।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, এবারের বাইচে খেল্লা-গয়ইটা ১০টি, ঘাসি-ছিপা ৫টি, ছান্দি ৪টি এবং পানসি ৩টি নৌকা অংশ নেবে। পাশাপাশি ৭০ ও ৮০ হাত দীর্ঘ দুটি কলাগাছের ভেলাও প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে।
নৌকাবাইচ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য-সচিব মাসুদ পারভেজ জানান, শনিবার সকাল ১০টায় ঘোষণা মঞ্চ থেকে প্রতিযোগী নৌকার প্রতিনিধিদের হাতে টোকেন দেওয়া হবে। দুপুর ১২টায় ঘাসি ও খেল্লা নৌকার বাছাই পর্ব শুরু হবে। ছান্দি ও পানসি নৌকা সরাসরি মূল পর্বে অংশ নেবে।
এবারের বাইচে অংশ নেওয়া প্রতিটি নৌকার জন্য রয়েছে ৮ সিএফটি ফ্রিজ। খেল্লা/গয়ইটা ও ঘাসি/ছিপা বিভাগে প্রথম পুরস্কার ১০০ সিসি মোটরসাইকেল, দ্বিতীয় ১৬ সিএফটি ফ্রিজ এবং তৃতীয় পুরস্কার ১১ সিএফটি ফ্রিজ। ছান্দি ও পানসি বিভাগে প্রথম পুরস্কার হিসেবে থাকছে দুটি ইলেকট্রিক বাইক। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে থাকবে যথাক্রমে দুটি ১৬ সিএফটি ও দুটি ১১ সিএফটি ফ্রিজ। প্রতিটি নৌকার জন্য রয়েছে পিতলের কাপ।
এ ছাড়া ‘যেমন খুশি তেমন সাজো’ প্রতিযোগিতায় নৌকা ও ব্যক্তির জন্য টেলিভিশন, প্রেসার কুকার ও রাইস কুকারসহ বিভিন্ন পুরস্কার রাখা হয়েছে।
জেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য নৌকাবাইচে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মানিকগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য, খাদ্যমন্ত্রী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঈনুল ইসলাম খান শান্ত এবং মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এস এ জিন্নাহ কবীর।
নৌকাবাইচ পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আ. তা. ম. জহীর আলম খান লোদীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য-সচিব মাসুদ পারভেজের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খানসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতারা।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ঐতিহ্যবাহী এ নৌকাবাইচ ঘিরে কালীগঙ্গার দুই পাড়ে পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের সমাগম হবে। বাইচের আগেই দর্শনার্থীদের উপস্থিতিতে বেউথা ঘাটে উৎসবের আবহ বিরাজ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ভারত সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে ভারত সরকারের কাছে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকালে মাগুরার নোমানী ময়দানে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বিগত সরকারের সময়ে দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির মতো বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে উত্তরণের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যদি কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তাহলে বিএনপি তা কঠোরভাবে মোকাবেলা করতে প্রস্তুত রয়েছে।
মাগুরা জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, জেলা প্রশাসক মোতাকাব্বির আহমেদ, জেলা পরিষদ প্রশাসক আলি আহমেদ, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. মাসুদ হাসান খান কিজিল।
এছাড়া পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, ক্রীড়া সংগঠক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ