ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০ লোক নিয়োগের ঘোষণা


সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০ লোক নিয়োগের ঘোষণা

সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হেলথ হোল্ডিং কোম্পানি জানায়, চলতি বছরে নতুন শূন্যপদ, সম্পন্ন নিয়োগ এবং অনুমোদিত প্রশিক্ষণ চুক্তি মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টি হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, দেশের ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে নতুন করে ৪ হাজার ২৯১টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসব পদে বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, জনবলের ঘাটতি পূরণ এবং দক্ষ কর্মী আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন ঘোষিত শূন্যপদগুলোর নির্দিষ্ট পদ ও যোগ্যতার বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘বর্তমান নিয়ন্ত্রণরেখায় যুদ্ধ স্থগিতে সম্মত ইউক্রেন’

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৯১৪ জন সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আরও ২ হাজার ৪০৫টি প্রশিক্ষণ চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে।

এই নিয়োগ, প্রশিক্ষণ চুক্তি এবং নতুন শূন্যপদ মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টি। অর্থাৎ, সবগুলো পদ বর্তমানে খালি নেই বা সব পদে এখনই আবেদন করা যাবে—এমনটি নয়।

আগ্রহী প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ পোর্টালে গিয়ে শূন্যপদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি স্বাস্থ্য অঞ্চলে শূন্যপদ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তাই আবেদনের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ও শেষ সময় নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুর তুরস্কের বিরুদ্ধে সামরিক সংঘাতের সম্ভাবনার ইঙ্গিত

এ নিয়োগের মূল লক্ষ্য সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। ফলে ঘোষিত ৪ হাজার ২৯১টি পদ বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত কিনা, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তবে সৌদি আরবে বিদেশি চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পৃথক নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে। এসব পদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত নিবন্ধন, লাইসেন্স এবং কাজের অনুমতির শর্ত পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশি প্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের বিজ্ঞপ্তিতে বিদেশি নাগরিকদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করতে হবে।

সূত্র: গালফ নিউজ

আরও পড়ুন: ট্রাম্প-রুবিওর নীরবতা ইসরাইলকে বেপরোয়া করছে: মার্কিন সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি হাইকোর্টের ককরোচ নেতাদের ভর্ৎসনা, বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


দিল্লি হাইকোর্টের ককরোচ নেতাদের ভর্ৎসনা, বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

মোদি সরকার দিল্লির যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তবে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করার কারণে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

বুধবারের শুনানিতে আদালত মন্তব্য করে, ‘আপনারা (বিক্ষোভের) সামনের সারিতে রয়েছেন। যখন আপনারা ব্যারিকেড ভাঙেন, তখন অন্যরা আপনাদের অনুসরণ করতে পারে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যেখানে সেখানে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা আপনাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, ‘যে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিক্ষোভকারীদের আটকানো নয়, বরং অন্যদেরও আটকানো। যাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অন্যেরা যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।’

বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ অন্য দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা দেখেছি এটা দেশের বাইরেও হয়েছে। ছাত্রবিক্ষোভ দিয়ে যেটা শুরু হয়েছিল, তা পরে অশান্ত হয়ে উঠেছে।’ তবে আদালত কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেনি।

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার পর, গত ১৩ অক্টোবর সৌরভ, আশুতোষ এবং কয়েকজন সিজেপি সমর্থক লোহার গেট টপকে সেখানে প্রবেশ করেন। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তারা স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের প্রত্যেককে আটক করে। আশুতোষ এবং সৌরভকে আগের বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে আশুতোষ, সৌরভ এবং সিজেপি প্রধান দীপকেকে জামিন দেওয়া হয়েছিল। আদালত সেই শর্ত কেন লঙ্ঘন করা হয়েছে, সে প্রশ্ন তোলে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি ল্যাপটপ ও ছাগল চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


এনসিপি ল্যাপটপ ও ছাগল চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এনসিপি বর্তমানে ল্যাপটপ চোর, ছাগল চোর এবং অন্যান্য অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এনসিপি এবং বিরোধীদের বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অসাধারণ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্যও তার মেধা ও যোগ্যতার কাছাকাছি আসতে পারবে না। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে তারা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি ইস্যুতেই অন্যায়ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেনে আনছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং তখনকার সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে সোচ্চার ছিলেন। জামায়াতের কোনো নেতাকে সেই স্বৈরাচারী জামানায় রাজপথে বা বক্তব্যে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।

এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ছাত্রজীবনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এছাড়া, এনসিপির অনেক নেতা নারী কেলেঙ্কারি, ডিসি নিয়োগে তদবির, থানায় চাঁদাবাজি এবং সাবেক এমপির বাসায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির মতো অপরাধে যুক্ত রয়েছেন।

এনসিপি ইতিমধ্যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন, দলটির নীতি ও আচরণ এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং একটি পুনর্বাসন সেন্টারে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঝিনাইদহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্রান্সে বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


ফ্রান্সে বিক্ষোভ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েন

ফ্রান্সে নতুন করে বিক্ষোভের আশঙ্কা থাকায় সরকার পুলিশকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের এই ঘোষণা আগামী শনিবারের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষদিকে সহিংসতা ও লুটপাট ঠেকাতে সরকারের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করা হয়েছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু জানিয়েছেন, আগামী শনিবার নজিরবিহীন বা বিশাল আকারের নিরাপত্তা কড়াকড়ি থাকবে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ১৭ অক্টোবর প্যারিস, মার্সেই, লিওঁ এবং অন্যান্য শহরে দাঙ্গা ও লুটপাটের পর আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার।

পার্লামেন্টে উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজ জানিয়েছেন, পুলিশের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। দেশের কেন্দ্রস্থল সুরক্ষিত রাখতে না পারার কারণে সরকার দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে কৌশল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

বিদ্যমান সংকটকে ‘সহিংসতা ও প্রজাতন্ত্রের মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার’ পরিস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকর্নু। তিনি এই অস্থিরতার জন্য কট্টর বামপন্থিদের দায়ী করেছেন। অন্যদিকে, কট্টর বামপন্থিরা অভিযোগ করেছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং জনসেবার মান কমে যাওয়ায় মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে, সরকার তা যথাযথভাবে বিবেচনায় নেয়নি।

সংঘর্ষের এই ভয়াবহতা এবং তা নিয়ন্ত্রণে পুলিশের দৃশ্যমান অক্ষমতা পুরো ফ্রান্সকে স্তম্ভিত করেছে। আগামী বছর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে জনমত জরিপে কট্টর ডানপন্থি ও কট্টর বামপন্থি প্রার্থীদের শক্তিশালী অবস্থান রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

গত সপ্তাহান্তের সহিংসতার পর তুলনামূলক শান্ত একটি রাত কাটিয়েছে ফ্রান্স। অস্থিরতাকবলিত কয়েকটি এলাকায় নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কারফিউ জারি করায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফিরতে সাহায্য করেছে বলে সরকার জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের লক্ষ্য করে জারি করা কিছু কারফিউসহ স্থানীয় পর্যায়ের এসব বিধিনিষেধ মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

লেকর্নু স্বীকার করেছেন, সপ্তাহান্তে সরকারের প্রতিক্রিয়ায় ঘাটতি ছিল। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থতা, পুলিশের স্থির অবস্থানভিত্তিক মোতায়েন এবং পূর্বনির্ধারিত পুলিশ সদস্যদের ছুটি বাতিল না করার সিদ্ধান্তকে তিনি ত্রুটি হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজ। তিনি বলেন, ‘যা ঘটেছে, তার জন্য আমি গভীরভাবে দুঃখিত। আমি আমার অংশের দায় স্বীকার করছি’।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাড়িচাপায় দুই পা হারালেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


গাড়িচাপায় দুই পা হারালেন অস্ট্রেলীয় এমপি হেলেন হেইনস

অস্ট্রেলিয়ার স্বতন্ত্র আইনপ্রণেতা হেলেন হেইনসের দুই পা কেটে ফেলতে হয়েছে। সোমবার তার কার্যালয়ের কাছে গাড়িচাপা দিয়ে তাকে হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন তার স্বামী ফিল হেইনস। পুলিশ ঘটনাটিকে ‘পরিকল্পিত হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বর্তমানে হেলেন মেলবোর্নের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

৬৫ বছর বয়সি এই আইনপ্রণেতা সোমবার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের রাজধানী মেলবোর্ন থেকে ২০০ কিলোমিটারের বেশি উত্তর-পূর্বে ওয়াংগারাট্টা শহরের কাছে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন।

বুধবার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তার স্বামী ফিল বলেন, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকদের হেলেনের দুই পা-ই কেটে ফেলতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘এত কিছুর মধ্যেও সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, হেলেন বেঁচে আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আমাদের পরিবারের কাছে এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

ফিল আরও বলেন, ‘পরিবার হিসেবে হেলেনের যে দুটি বিষয় আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো তার হৃদয় ও মন। তার হৃদয় অনেক বড়। তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল, যত্নশীল ও ভালোবাসাপূর্ণ একজন মানুষ।’

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হেলেনের ওপর পরিকল্পিত হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত ব্রেন্ডান নুজেন্টকে বুধবার আদালতে হাজির করা হয়।

৪৩ বছর বয়সি নুজেন্টের বিরুদ্ধে বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালিয়ে গুরুতর আহত করা, ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত করা এবং একজন সরকারি কর্মকর্তার ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে। শেষের অভিযোগটি অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় আইনের আওতাধীন অপরাধ, যার সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড।

আদালতের নথি অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে গাঁজার গাছ চাষ এবং মাদক রাখার অভিযোগও আনা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির ঘটনাস্থলে থাকা এক সাংবাদিক জানান, ওয়াংগারাট্টার একটি আদালতে নুজেন্টকে হাজির করা হয়। তিনি জামিনের আবেদন করেননি। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

হামলার ঘটনায় অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক সহিংসতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। দেশটিতে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা বিরল হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে হুমকি ও হয়রানি বেড়ে গেছে বলে পুলিশ নথিভুক্ত করেছে।

হামলার উদ্দেশ্য এখনও জানা যায়নি। তদন্ত চলমান থাকায় এ বিষয়ে অনুমান করতে রাজি হয়নি কর্তৃপক্ষ।

তবে বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, তারা সব ধরনের সূত্র খতিয়ে দেখছে। এর মধ্যে অভিযুক্তের উগ্র সরকারবিরোধী মনোভাব ছিল কি না, সেটিও রয়েছে।

ভিক্টোরিয়া পুলিশের কমিশনার মাইক বুশ সাংবাদিকদের বলেন, ‘অন্য সবার মতো আমরাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখছি। প্রত্যক্ষদর্শী, বন্ধু ও সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলছি।’

বুশ জানান, অভিযুক্তের বিষয়ে আগে থেকে কোনো গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে ছিল না। হামলার আগে তিনি তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি তৈরি করতে পারেন—এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যায়নি। সূত্র: এএফপি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%