প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এনসিপি বর্তমানে ল্যাপটপ চোর, ছাগল চোর এবং অন্যান্য অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এনসিপি এবং বিরোধীদের বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অসাধারণ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্যও তার মেধা ও যোগ্যতার কাছাকাছি আসতে পারবে না। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে তারা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি ইস্যুতেই অন্যায়ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেনে আনছে।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং তখনকার সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে সোচ্চার ছিলেন। জামায়াতের কোনো নেতাকে সেই স্বৈরাচারী জামানায় রাজপথে বা বক্তব্যে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।
এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ছাত্রজীবনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এছাড়া, এনসিপির অনেক নেতা নারী কেলেঙ্কারি, ডিসি নিয়োগে তদবির, থানায় চাঁদাবাজি এবং সাবেক এমপির বাসায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির মতো অপরাধে যুক্ত রয়েছেন।
এনসিপি ইতিমধ্যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন, দলটির নীতি ও আচরণ এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং একটি পুনর্বাসন সেন্টারে পরিণত হয়েছে।
এছাড়া সভায় ঝিনাইদহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন