০১:১৭ পি.এম
একজন শিক্ষক ১৯৫৫ সাল থেকে শিক্ষকতা করে আসছেন এবং তিনি নিজের এলাকার ইতিহাস লিখেছেন। একজন মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখযুদ্ধে পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করার পর চাকরি না পেয়ে গ্রামে গ্রামে শাঁখা বিক্রি করা এক ব্যক্তি পরবর্তীতে সবজি চাষে সাফল্য অর্জন করে অন্য কৃষকদের জন্য পথপ্রদর্শক হয়েছেন। এমন কীর্তিমান ব্যক্তিদের সম্মাননা জানাতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ‘নক্ষত্রের অভিবাদন’ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ জন গুণী এবং পাঁচ সাংবাদিককে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। সংবর্ধিত পাঁচ সাংবাদিকের মধ্যে বছরের সেরা অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য সম্মাননা পেয়েছেন আমার দেশের শ্যামনগর উপজেলা প্রতিনিধি জি এম মনিরুজ্জামান (মিশুক)।
গত শনিবার বিকেলে শ্যামনগর উপজেলা অডিটোরিয়াম হলে ‘গুণীজনের আলোয় আলোকিত হোক সমাজ’ প্রতিপাদ্যে এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয় শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে। সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা, মুক্তিযুদ্ধ, জনসেবা, কৃষি, ক্রীড়া, সংগীত ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে মেধা ও মননের স্বাক্ষর রাখা কয়েকজন ব্যক্তি ও শিক্ষার্থীকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী আসবেন, একজন নজরুলের জন্ম হবে না: জহির উদ্দিন স্বপন
প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল আযম মনিরের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামসুজ্জাহান কনক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সোলায়মান কবীর, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সহকারী অধ্যাপক ফজলুল হক, সাতক্ষীরার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি এবং শ্যামনগর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ লিয়াকত আলী বাবু।
অনুষ্ঠানে যাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়: সাহিত্যে অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক কেরামত উল্লাহ, শিক্ষায় অবদানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক স্বপন কুমার মুখার্জি, মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম মিজানুর রহমান, কৃষিতে অবদানের জন্য মনোতোষ মণ্ডল, শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখার জন্য আলহাজ আরশাদ আলী মোড়ল, সমাজসেবায় আলহাজ আবুল কালাম বাবলা এবং ক্রীড়ায় অবদানের জন্য এস এম ফিরোজ হোসেন।
এছাড়াও মরণোত্তর সম্মাননা পান সাংবাদিকতায় আনোয়ার হোসেন মল্লিক, জনসেবায় বাবু বিশ্বনাথ দাস এবং সংগীতে গীতিকার ও সুরকার অনিমেষ ব্যানার্জি। ঐতিহাসিক শাহী মসজিদ আশরাফিয়া দাওরা হাদিস মাদ্রাসায় অর্ধশতাব্দী ধরে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ সম্মাননা পান হাফেজ আব্দুল আলী। পাশাপাশি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ ও মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসক জিহাদ আলীকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়।
আরও পড়ুন: অভ্যর্থনার অপেক্ষা না করেই জনতার ভিড়ে মিশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন