০৮:৪২ পি.এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপি'র চেয়ারম্যান ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর সমুদ্রনগরী কক্সবাজারে আগমন উপলক্ষে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপি পরিবার এবং স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রধানমন্ত্রী তার আগমনকে সফল ও সার্থক করতে স্থানীয়ভাবে নেয়া হচ্ছে ব্যাপক প্রস্তুতি। জনসমাগম বৃদ্ধি, যানজট কমানো, সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগে নেয়া হচ্ছে নানা পদক্ষেপ। ১০ জুন বিকেলে এবং রাতে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রস্তুতি সভা, স্বাগতম মিছিল ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে বাস স্টেশন সংলগ্ন পার্টি অফিসের নিচে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম। সাধারণ সম্পাদক সেলিম উল্লাহ মাহমুদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস শুক্কুর, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ (জনি), বিএনপি নেতা মোজাম্মেল হক, আকতার উদ্দিন, হারুনুর রশিদ, হেলাল উদ্দিন, মেম্বার কামাল হোসেন, বেলাল উদ্দিন, জিয়াউল করিম, আনিসুর রহমান, আবু তাহের মুন্না, মোহাম্মদ আরিফসহ অন্যান্যরা।
উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা অহিদুল আলম কোম্পানি, মোঃ ইসমাইল, এ এইচ সেলিম উল্লাহ, প্রবাসী বিএনপি নেতা হামিদুল হক, মোক্তার আহমদ, হেলাল উদ্দিন কোম্পানি, মোহাম্মদ আযমগীর, মেম্বার আজম খাঁন, সাবেক মেম্বার জসিম উদ্দিন, আবু হেনা, নুরুল হুদা নকশা, সোহেল রানা, মোহাম্মদ আলমগীর, মহিলা দলনেত্রী সেলিনা আক্তার, শামীম আক্তার, সুবর্ণা বেগম প্রমুখ। পরে সেখান থেকে একটি স্বাগত মিছিল মহাসড়ক হয়ে বাস স্টেশনের ঈদগড় সড়কের মাথায় গিয়ে শেষ হয়।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে কক্সবাজার জেলাবাসীর সাথে ঈদগাঁও উপজেলাবাসীও অত্যন্ত খুশি ও আনন্দিত। তারা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করার জন্য সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছে। মহাসড়কের ঈদগাঁও কালীরছড়া থেকে ঈদগাঁও বাস স্টেশন পর্যন্ত মহাসড়কে সমবেত লোকজন প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখার জন্য দাঁড়াবেন বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, যানজট নিরসন সহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভা করেছে কক্সবাজারের ঈদগাঁও থানা। একই দিন রাতে থানার সভাকক্ষে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম শিফাতুল মাজদারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক সেলিম উল্লাহ মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুস শুক্কুর, জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আলমগীর তাজ (জনি), ঈদগাঁও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের ইন্সপেক্টর মৃদুল, মেম্বার কামাল হোসেন সহ আমন্ত্রিতরা। উপস্থিত ছিলেন হুমায়ুন কবির কোম্পানি, শ্রমিক নেতা সেলিম আকবর, মেম্বার আব্দুল হাকিম, হামিদুল হক, শ্রমিকদল নেতা আবু তাহের মুন্না, বেলাল উদ্দিন, আবু হেনা, মামুন সিরাজুল মজিদ সহ অন্যান্যরা।
অফিসার ইনচার্জ সমাপনী বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সড়কে যানজট মুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের পরিদর্শক মৃদুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হংকংয়ে একটি বিশেষ অভিযানে ফিফা বিশ্বকাপের প্রায় ২ কোটি টাকা (১৫৬ মিলিয়ন হংকং ডলার) মূল্যের নকল পণ্য জব্দ করা হয়েছে। হংকং কাস্টমস এই চক্রের সঙ্গে জড়িত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এই তথ্য জানিয়েছে হংকং কর্তৃপক্ষ।
জব্দকৃত পণ্যের প্রায় ৮০ শতাংশই আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোর জন্য পাচারের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। যেখানে আজ থেকেই ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে।
হংকং কাস্টমস ‘ক্লিন শিট’ নামক বিশেষ অভিযানে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার নকল পণ্য উদ্ধার করেছে।
জব্দকৃত মালামালের মধ্যে জনপ্রিয় দলগুলোর প্রায় ৩০ হাজার নকল জার্সি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
হংকংয়ের ইন্টেলিজেন্ট প্রোপার্টি ইনভেস্টিগেশন ব্যুরোর সিনিয়র ইন্সপেক্টর ওয়েইন চুং জানিয়েছেন, এই জার্সিগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে তৈরি করা হয়েছে। আসল জার্সির থ্রি-ডি টেক্সচার, ব্র্যান্ড ট্যাগ এবং কিউআর কোডও হুবহু নকল করা হয়েছে। যা সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে চেনা অসম্ভব।
বিশ্বকাপের জার্সির পাশাপাশি এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ জাল জুতো, ঘড়ি, স্পিকার এবং বিলাসবহুল ব্র্যান্ডের হ্যান্ডব্যাগও উদ্ধার করা হয়েছে।
এই জাল পণ্যগুলোর একটি বড় অংশ চীন থেকে হংকং সীমান্ত পার করার সময় স্থানীয় লজিস্টিক সেন্টারগুলো থেকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন ট্রাক চালক রয়েছেন এবং বাকি ৫ জন অনলাইনে এই জাল জার্সি বিক্রির সঙ্গে জড়িত। বর্তমানে তাদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হলেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুরের নালিতাবাড়ী সীমান্ত এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবি। এর আগে, গত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার বুরুংগা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, ঢাকা জেলার সাভার উপজেলার জহরচাঙ্গা গ্রামে বসবাসকারী মিজানুর রহমানের ছেলে মো. সামিউল হক (২৪) এবং তার বোন মোছা. রাবিয়া খাতুন (৩৬)।
বিজিবি জানায়, গত রাতে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন ৩৯ বিজিবির আওতায় বারোমারী বিওপির একটি টহল দল সুবেদার মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। এই সময় সীমান্ত পিলার ১১১২ এর নিকট থেকে প্রায় এক হাজার গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বুরুংগা এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটক দুই বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে বিজিবি বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করে তাদের হস্তান্তর করেছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং যাতায়াত রোধে বিজিবির টহল ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
নালিতাবাড়ী থানার এসআই হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের শেরপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের খারগ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো ‘দখল’ করবে। এজন্য বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ইরানে কঠোর আঘাত করবে ওয়াশিংটন।
ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, ‘অদূর ভবিষ্যতে কোনো এক সময়ে, আমরা খারগ দ্বীপ এবং অন্যান্য তেল অবকাঠামো দখল করে নেব এবং তাদের তেল ও গ্যাস বাজারের ওপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করব।’
কিন্তু খারগ দ্বীপটি আসলে কী — এবং ট্রাম্প কেন এটি ‘দখল’ করতে চান?
ইরানের উপকূলের এই প্রবাল দ্বীপটি তেহরানের জন্য একটি অর্থনৈতিক লাইফলাইন, যা সাধারণত দেশটির অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালনা করে।
ম্যানহাটনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আকারের এই দ্বীপটিকে মার্কিন কর্মকর্তা ‘ইরানের সমস্ত তেল সরবরাহের কেন্দ্রবিন্দু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এর দীর্ঘ জেটিগুলো দ্বীপের চারপাশের জলে প্রসারিত, যা তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার ধারণ করার মতো যথেষ্ট গভীর, ফলে দ্বীপটি তেল বিতরণের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
সিএনএন এর আগে জানিয়েছে যে, কর্মকর্তারা খারগ দ্বীপ দখল করা অথবা এর তেল অবকাঠামো কার্যকরভাবে নিশ্চিহ্ন করার লক্ষ্যে বোমা হামলার অনুমোদন দেয়ার বিভিন্ন বিকল্প তৈরি করেছেন। প্রশাসন প্রণালীটির নিকটবর্তী অন্যান্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলো দখল করার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেছে, যা এই জলপথ দিয়ে চলাচলকারী ট্যাংকারগুলোর জন্য হুমকি সৃষ্টির ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতাকে দুর্বল করে দিতে পারে।
সিএনএন জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা মনে করেন যে দ্বীপটি দখল করা হলে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সম্পূর্ণ দেউলিয়া হয়ে যাবে।
এক মার্কিন কর্মকর্তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিলে বলেছিল যে তারা এই দ্বীপের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে, যদিও সেই হামলায় কোনো তেল স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু ছিল না।
এদিকে, ট্রাম্প এর আগে বলেছিলেন যে খারগ তার অগ্রাধিকার তালিকায় শীর্ষে নেই। কিন্তু তার নির্বাচিত হওয়ার কয়েক দশক আগে, ১৯৮৮ সাল থেকেই তিনি দ্বীপটি দখলের কথা বলে আসছেন।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ