ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নিখিল কুমার নাথ আওয়ামী লীগ নেতা


প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক নিখিল কুমার নাথ আওয়ামী লীগ নেতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে দাঁড়িয়ে অতিথিদের অভ্যর্থনা জানাচ্ছিলেন অ্যাডভোকেট নিখিল কুমার নাথ। মঙ্গলবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন নিখিল। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার এই ভূমিকা স্বাভাবিক মনে হলেও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তার দলীয় পরিচয় নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

নিখিল কুমার নাথ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী পরিষদের সদস্য। সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী হাছান মাহমুদের নির্বাচনি এলাকা রাঙ্গুনিয়ার রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে তিনি যুক্ত। স্থানীয় রাজনীতিতে হাছান মাহমুদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার বিষয়টিও বেশ আলোচিত। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সরকারি বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি একটি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতির দায়িত্বও পেয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর একটি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত একজন নেতার সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী। তাদের প্রশ্ন—বিগত আওয়ামী সরকারের সময়ে নানা সুবিধাভোগী ও পদপ্রাপ্ত এক ব্যক্তি কীভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে এমন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও অবস্থান পেলেন?

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

তবে নিখিল কুমার নাথের দাবি, পূজা উদযাপন পরিষদের দায়িত্বশীল নেতা হিসেবেই তিনি অনুষ্ঠানে এ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করলেও দাবি করেন, তিনি কখনো কারো কোনো ক্ষতি করেননি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে আমার দেশকে নিখিল কুমার নাথ বলেন, ‘বিএনপির লোকেরা আমাকে ভালোবাসেন। আমাদের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসেছেন। তিনি তো সবার। সে হিসেবে আমাদেরও। এখন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবিটি আওয়ামী লীগ এলে কেউ যদি দেখিয়ে বলে আমি বিএনপি করতাম, তাহলে কী শোভা পায়?’

নিখিল কুমার নাথ পেশায় চট্টগ্রামের একজন আইনজীবী। পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। ২০২১ সালের ২২ জুন প্রকাশিত স্থানীয় একটি সংবাদের তথ্য অনুযায়ী, তাকে উত্তর রাঙ্গুনিয়া কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়েছিল।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই সময়ে তিনি চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য এবং উত্তর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

ছাত্রজীবনেও তার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে এসেছে। উত্তর জেলা ছাত্রলীগ, আইন কলেজ ছাত্রলীগ এবং রাঙ্গুনিয়া উপজেলা, ইউনিয়ন ও কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তার সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।

পরবর্তী সময়ে তিনি পূজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হন। মঙ্গলবার জে এম সেন হলের পূজামণ্ডপে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে এই সাংগঠনিক পরিচয়েই দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে নিখিল কুমার নাথের উপস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রশ্ন তুলেছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের পাঠাগার সম্পাদক মাসুদ উল হক চৌধুরী। তার পোস্টের মূল প্রশ্ন ছিল, ‘প্রধানমন্ত্রীর পাশে আওয়ামী লীগ নেতা কীভাবে?’

পোস্টে মাসুদ উল হক চৌধুরী দাবি করেন, নিখিল কুমার নাথ কেবল রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যই নন, তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের পুরো মেয়াদে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এ কারণে তাকে তৎকালীন সরকারের প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী হিসেবে আখ্যা দেন তিনি।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে এনে ছাত্রদলের এই নেতা আরও বলেন, এ ধরনের দলীয় পরিচয়ের একজনকে প্রধানমন্ত্রীর অত কাছাকাছি ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা হলো কীভাবে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিষয়টি রাঙ্গুনিয়ার সংসদ সদস্য হুম্মাম কাদের চৌধুরীর নজরে আনারও আহ্বান জানান তিনি।

নিখিল কুমার নাথের সঙ্গে সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের সম্পর্ক বেশ পুরোনো। হাছান মাহমুদ দীর্ঘদিন রাঙ্গুনিয়া আসনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন। ওই এলাকার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় নিখিল নাথ তার বিশ্বস্ত বলয়ের অংশ হিসেবে পরিচিতি পান। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ডিও লেটারের ভিত্তিতেই নিখিল কুমার নাথ উত্তর রাঙ্গুনিয়া কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি পদ পেয়েছিলেন।

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানান, তিনি বর্তমানে একটি বৈঠকে ব্যস্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন: বিমানের দাম্মাম ও রিয়াদগামী ফ্লাইট স্থগিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সউদীতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যাচার-উস্কানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২১ পি.এম


সউদীতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের মিথ্যাচার-উস্কানি

সউদী আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে সংঘটিত একটি ফৌজদারি অপরাধের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর ভারতীয় গণমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগাণ্ডা। আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়া টুডে-র মতো গণমাধ্যমে ঘটনাটিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের এবং সউদী আরবের মধ্যে সুদৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ফাটল ধরার অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ইসলামি শরিয়াহ আইন, সউদী বিচারব্যবস্থা এবং মসজিদ আল হারামের পবিত্রতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রও লক্ষ্য করা যাচ্ছে দেশটির গণমাধ্যমে।

কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘‘অপরাধ কি কপালে চুম্বন? ঢাকাকে না জানিয়ে বাংলাদেশি ‘প্রেমিক-প্রেমিকা’র ধড়-মুণ্ড কেন আলাদা করল সৌদি আরব?’’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অপ্রাসঙ্গিকভাবে মক্কা চুক্তিকে টেনে এনে বাংলাদেশ সরকারের তাতে যোগদানের আগ্রহ নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ঢাকা-রিয়াদ সম্পর্কে ফাটল ধরার অতিরঞ্জিত দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই সউদী আরবকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতিকে ব্যঙ্গ করে মক্কা সামরিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি সরকারের আগ্রহকে ‘লাফালাফি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এতে আরও দাবি করা হয়েছে, তারেক রহমানের আসন্ন সউদী আরব সফরের ঠিক আগমুহূর্তে এই শিরচ্ছেদের ঘটনা নাকি ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে তীব্র চাপ তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘কখনও হুথি হামলার কড়া নিন্দা। কখনও আবার মক্কা সামরিক চুক্তিতে যোগ দিতে চেয়ে ‘লাফালাফি’। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইস্তক সৌদি আরবকে প্রবল ভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে ঢাকা। এ-হেন পরিস্থিতিতে আচমকাই ছন্দপতন। সবাইকে চমকে দিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল রিয়াধ। শুধু তা-ই নয়, তাদের ‘সম্পূর্ণ অন্ধকারে’ রেখে এই পদক্ষেপ করায় বেজায় অস্বস্তিতে ভারতের পূর্বের প্রতিবেশী।’'

অন্যদিকে, ইন্ডিয়া টুডের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০ লোক নিয়োগের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


সৌদিতে ১৯ হাজার ৬১০ লোক নিয়োগের ঘোষণা

সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক পরিসরে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন হেলথ হোল্ডিং কোম্পানি জানায়, চলতি বছরে নতুন শূন্যপদ, সম্পন্ন নিয়োগ এবং অনুমোদিত প্রশিক্ষণ চুক্তি মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টি হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়, দেশের ২০টি স্বাস্থ্য অঞ্চলে নতুন করে ৪ হাজার ২৯১টি শূন্যপদে নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এসব পদে বিভিন্ন চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা-সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের নিয়োগ দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন, জনবলের ঘাটতি পূরণ এবং দক্ষ কর্মী আকৃষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নতুন ঘোষিত শূন্যপদগুলোর নির্দিষ্ট পদ ও যোগ্যতার বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখতে হবে।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ইতোমধ্যে ১২ হাজার ৯১৪ জন সৌদি নাগরিককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে আরও ২ হাজার ৪০৫টি প্রশিক্ষণ চুক্তি অনুমোদন করা হয়েছে।

এই নিয়োগ, প্রশিক্ষণ চুক্তি এবং নতুন শূন্যপদ মিলিয়ে মোট সুযোগের সংখ্যা ১৯ হাজার ৬১০টি। অর্থাৎ, সবগুলো পদ বর্তমানে খালি নেই বা সব পদে এখনই আবেদন করা যাবে—এমনটি নয়।

আগ্রহী প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অঞ্চলের নিয়োগ পোর্টালে গিয়ে শূন্যপদ, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি স্বাস্থ্য অঞ্চলে শূন্যপদ প্রকাশের তারিখ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করতে হবে। তাই আবেদনের আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ ও শেষ সময় নিশ্চিত হওয়া জরুরি।

এ নিয়োগের মূল লক্ষ্য সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা। ফলে ঘোষিত ৪ হাজার ২৯১টি পদ বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত কিনা, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

তবে সৌদি আরবে বিদেশি চিকিৎসক, নার্স, মিডওয়াইফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পৃথক নিয়োগের সুযোগ থাকতে পারে। এসব পদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত নিবন্ধন, লাইসেন্স এবং কাজের অনুমতির শর্ত পূরণ করতে হয়।

বাংলাদেশি প্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের বিজ্ঞপ্তিতে বিদেশি নাগরিকদের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে কিনা, তা যাচাই করতে হবে।

সূত্র: গালফ নিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লি হাইকোর্টের ককরোচ নেতাদের ভর্ৎসনা, বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২২ পি.এম


দিল্লি হাইকোর্টের ককরোচ নেতাদের ভর্ৎসনা, বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

মোদি সরকার দিল্লির যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তবে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করার কারণে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।

বুধবারের শুনানিতে আদালত মন্তব্য করে, ‘আপনারা (বিক্ষোভের) সামনের সারিতে রয়েছেন। যখন আপনারা ব্যারিকেড ভাঙেন, তখন অন্যরা আপনাদের অনুসরণ করতে পারে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যেখানে সেখানে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা আপনাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, ‘যে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিক্ষোভকারীদের আটকানো নয়, বরং অন্যদেরও আটকানো। যাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অন্যেরা যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।’

বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ অন্য দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা দেখেছি এটা দেশের বাইরেও হয়েছে। ছাত্রবিক্ষোভ দিয়ে যেটা শুরু হয়েছিল, তা পরে অশান্ত হয়ে উঠেছে।’ তবে আদালত কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেনি।

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার পর, গত ১৩ অক্টোবর সৌরভ, আশুতোষ এবং কয়েকজন সিজেপি সমর্থক লোহার গেট টপকে সেখানে প্রবেশ করেন। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তারা স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের প্রত্যেককে আটক করে। আশুতোষ এবং সৌরভকে আগের বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।

শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে আশুতোষ, সৌরভ এবং সিজেপি প্রধান দীপকেকে জামিন দেওয়া হয়েছিল। আদালত সেই শর্ত কেন লঙ্ঘন করা হয়েছে, সে প্রশ্ন তোলে।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

আরএ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এনসিপি ল্যাপটপ ও ছাগল চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


এনসিপি ল্যাপটপ ও ছাগল চোরদের আশ্রয়স্থল, জামায়াত অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র : রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এনসিপি বর্তমানে ল্যাপটপ চোর, ছাগল চোর এবং অন্যান্য অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে এনসিপি এবং বিরোধীদের বিভিন্ন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একজন অসাধারণ যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি। বিরোধী দলের ৯০ জন সংসদ সদস্যও তার মেধা ও যোগ্যতার কাছাকাছি আসতে পারবে না। রাজনৈতিক ও সাংবিধানিকভাবে তাকে মোকাবিলা করতে না পেরে তারা বিদ্যুৎ সংকট বা আন্তর্জাতিক কারণে সৃষ্ট লোডশেডিংয়ের মতো প্রতিটি ইস্যুতেই অন্যায়ভাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে টেনে আনছে।

ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা সরকারের সময়ের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে গুমের শিকার হয়েছিলেন এবং তখনকার সরকারের অন্যায়-অত্যাচারের বিরুদ্ধে সাহসের সঙ্গে সোচ্চার ছিলেন। জামায়াতের কোনো নেতাকে সেই স্বৈরাচারী জামানায় রাজপথে বা বক্তব্যে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়নি।

এনসিপি নেতাদের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী ছাত্রজীবনে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ল্যাপটপ চুরি এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ছাগল চুরির ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এছাড়া, এনসিপির অনেক নেতা নারী কেলেঙ্কারি, ডিসি নিয়োগে তদবির, থানায় চাঁদাবাজি এবং সাবেক এমপির বাসায় সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির মতো অপরাধে যুক্ত রয়েছেন।

এনসিপি ইতিমধ্যে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন, দলটির নীতি ও আচরণ এখন জামায়াতের পকেটে চলে গেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যর্থ করতে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমের মতো ব্যক্তিরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেছেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের যারা রাজাকারের বাচ্চা বলে গালি দিয়েছিল, তারা এখন জামায়াতের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত এখন ক্ষমা প্রার্থনার অজুহাতে আওয়ামী লীগের সাবেক অপরাধী ও সুযোগ সন্ধানীদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং একটি পুনর্বাসন সেন্টারে পরিণত হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঝিনাইদহ জেলা ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%