প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সউদী আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর মসজিদে হারামে সংঘটিত একটি ফৌজদারি অপরাধের ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নারী ও পুরুষের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর ভারতীয় গণমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা অপপ্রচার এবং উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগাণ্ডা। আনন্দবাজার পত্রিকা ও ইন্ডিয়া টুডে-র মতো গণমাধ্যমে ঘটনাটিকে বিকৃত করে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা বাংলাদেশের এবং সউদী আরবের মধ্যে সুদৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ফাটল ধরার অপচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, ইসলামি শরিয়াহ আইন, সউদী বিচারব্যবস্থা এবং মসজিদ আল হারামের পবিত্রতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্রও লক্ষ্য করা যাচ্ছে দেশটির গণমাধ্যমে।
কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘‘অপরাধ কি কপালে চুম্বন? ঢাকাকে না জানিয়ে বাংলাদেশি ‘প্রেমিক-প্রেমিকা’র ধড়-মুণ্ড কেন আলাদা করল সৌদি আরব?’’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে অপ্রাসঙ্গিকভাবে মক্কা চুক্তিকে টেনে এনে বাংলাদেশ সরকারের তাতে যোগদানের আগ্রহ নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ঢাকা-রিয়াদ সম্পর্কে ফাটল ধরার অতিরঞ্জিত দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই সউদী আরবকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। এই পরিস্থিতিকে ব্যঙ্গ করে মক্কা সামরিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে বিএনপি সরকারের আগ্রহকে ‘লাফালাফি’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এতে আরও দাবি করা হয়েছে, তারেক রহমানের আসন্ন সউদী আরব সফরের ঠিক আগমুহূর্তে এই শিরচ্ছেদের ঘটনা নাকি ঢাকা ও রিয়াদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে তীব্র চাপ তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘‘কখনও হুথি হামলার কড়া নিন্দা। কখনও আবার মক্কা সামরিক চুক্তিতে যোগ দিতে চেয়ে ‘লাফালাফি’। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়া ইস্তক সৌদি আরবকে প্রবল ভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে ঢাকা। এ-হেন পরিস্থিতিতে আচমকাই ছন্দপতন। সবাইকে চমকে দিয়ে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল রিয়াধ। শুধু তা-ই নয়, তাদের ‘সম্পূর্ণ অন্ধকারে’ রেখে এই পদক্ষেপ করায় বেজায় অস্বস্তিতে ভারতের পূর্বের প্রতিবেশী।’'
অন্যদিকে, ইন্ডিয়া টুডের
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন