সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:১১ পি.এম
অটোমেটিক রাইস মিল ব্যবসায়ী মো. ওসমান গনি আদালতের মাধ্যমে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছেন, কারণ পাওনাদারদের সঙ্গে আর্থিক দাবি নিষ্পত্তির কোনো সম্ভাব্য উপায় খুঁজে পাননি। মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের মোট ২৫২ কোটি ২৪ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে।
ঢাকার দেউলিয়াবিষয়ক আদালতের বিচারক মো. শহীদুল ইসলাম সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ওসমান গনিকে দেউলিয়া ঘোষণা করে রায় প্রদান করেন। এই রায় তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দেওয়া হয়।
মামলায় ২৬৭ জনকে বিবাদী করা হয়েছিল। আইনজীবী মো. রুহুল আমিন ৭২ জন বিবাদীর পক্ষে বলেন, ওসমান গনি ঋণ ও ব্যক্তিগত বিনিয়োগের জন্য অর্থ গ্রহণ করেছিলেন বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। কিন্তু পরবর্তীতে সেই অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি দেউলিয়া ঘোষণা করার আবেদন করেন।
রায়ের পর মো. রুহুল আমিন মন্তব্য করেন, ‘এই রায়ের ফলে বিবাদীরা মারাত্মকভাবে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আমরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাব।’ তিনি জানান, এ ধরনের রায় ভবিষ্যতে অনেক ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করার সুযোগ দিতে পারে, যা সমাজে নেতিবাচক নজির সৃষ্টি করবে।
জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ জানুয়ারি ওসমান গনি দেউলিয়াবিষয়ক আইনের ১০ ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ২৬৭ জনকে বিবাদী করা হয়।
মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাওনাদারদের সঙ্গে সমঝোতা বা অন্য কোনো সম্ভাব্য সমাধানের পথ খুঁজে না পেয়ে বাধ্য হয়ে তিনি নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণার আবেদন করেছেন।
মামলায় ১ থেকে ৭ নম্বর বিবাদী হিসেবে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে তিনি ঋণ বা বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণ করেছিলেন বলে আরজিতে উল্লেখ করা হয়। আর ৮ থেকে ২৬৭ নম্বর বিবাদী হিসেবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানের নাম রয়েছে। তাদের সঙ্গে ওসমান গনির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল।
আরজিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ও বিনিয়োগ সুবিধা নিয়ে ওসমান গনি তার মালিকানাধীন তিনটি অটোমেটিক রাইস মিল স্থাপন ও পরিচালনা করেন। ব্যবসা শুরু করার পর নিয়মিত ঋণের কিস্তি ও অন্যান্য অর্থ পরিশোধ করতেন বলেও তিনি দাবি করেন।
তবে পরবর্তী সময়ে একই এলাকায় আরো একাধিক অটোমেটিক রাইস মিল গড়ে ওঠার কারণে শিল্পটি ধীরে ধীরে ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। চাল উৎপাদনের সার্বিক ব্যয় চালের বিক্রয়মূল্যের চেয়ে বেড়ে যাওয়ায় চালকল মালিকরা বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ওসমান গনি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের পাওনা অর্থ পরিশোধ করতে পারেননি বলে মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। হত্যাকাণ্ডের ১৬ বছর পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোসতাক আহমেদ এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় জহিরুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মহসিন মন্টু তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ২০১০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বরিশাল নগরীর সদর রোডে অবস্থিত হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের একটি কক্ষে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাসিন্দা প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম তার স্ত্রী নাজমা জহির শোভাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। এ ঘটনার পর নিহতের বোন নিলুফা আইরিন একই দিন কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় নিহতের স্বামী জহিরুল ইসলাম এবং হোটেল ম্যানেজার আবদুল মালেককে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। আদালত ১৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সোমবার এই রায় ঘোষণা করে।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন মিজান বলেন, নিহত নাজমা জহির শোভার ছোট বোন রুমা আক্তারের সঙ্গে পরকীয়া প্রেম ছিল জহিরুল ইসলামের। সেই সময় তিনি বরিশাল এলজিইডির প্রকৌশলী ছিলেন।
পরকীয়ার বিষয়টি জানার পর ঘটনার দিন স্ত্রী শোভাকে বরিশাল নগরীর সদর রোডে হোটেল আলী ইন্টারন্যাশনালের পঞ্চম তলার একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে ছুরি দিয়ে গলাকেটে হত্যা করে জহিরুল। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।
অপরদিকে হোটেল কার্যক্রম পরিচালনায় ম্যানেজারের বিরুদ্ধে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যার কারণে তাকেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এটি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একজন নেতা।
পুলিশ সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান জানান, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় একটি মামলায় আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল লিগের ১০ ক্লাব বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) লিগ পেছানোর জন্য একটি চিঠি প্রদান করেছিল। তবে, তাদের দাবির প্রতি কোনো সাড়া দেয়নি বাফুফে। গতকাল রাতে দেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক নতুন লিগ ও ফেডারেশন কাপের ফিকশ্চার চূড়ান্ত করেছে।
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে কারণ তাদের দলের অনুশীলন শুরু করার জন্য খেলোয়াড় প্রয়োজন। কিন্তু মূল দলের ৯ জন খেলোয়াড় বর্তমানে জাতীয় দলের ক্যাম্পে রয়েছেন। তাই, মোহামেডান বাফুফেকে তাদের ফেরত চেয়ে একটি চিঠি দিয়েছে। সাদা-কালোরা আগামীকালের মধ্যে খেলোয়াড়দের ফেরত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।
জাতীয় দলের ক্যাম্পে থাকা মোহামেডানের ৯ ফুটবলার হলেন—সুজন হোসেন, আনিসুর রহমান, রহমত মিয়া, সাদ উদ্দিন, শাকিল আহাদ, ফয়সাল আহমেদ, সৌরভ দেওয়ান, সোহেল রানা ও শাহরিয়ার ইমন। তাদের ফেরত পাওয়ার পর মোহামেডান তাদের ক্যাম্প শুরু করবে।
এবারের লিগ শুরু হবে ১৮ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, ২৫ সেপ্টেম্বর শুরু হতে যাওয়া ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ ১৯ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরগুনায় জমি রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সুভাষ চন্দ্র ঘোষ, যিনি অভিযোগ করেছেন চাঁদাবাজ, মাদকসেবী ও অবৈধ ভূমিদখলকারীদের বিরুদ্ধে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে সুভাষ চন্দ্র ঘোষ উল্লেখ করেন, তার পরিবার বরগুনার ঐতিহ্যবাহী ঘোষ পরিবার। তাদের পূর্বপুরুষরা দীর্ঘকাল ধরে বরগুনার বিভিন্ন ব্যবসা ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় ১২০ বছর ধরে তাদের পরিবার বরগুনায় বসবাস ও ব্যবসা করে আসছে। তিনি দাবি করেন, পূর্বপুরুষদের সূত্রে পাওয়া জমিজমা নিয়ে সম্প্রতি একটি চক্রের সঙ্গে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি জানান, তার পূর্বপুরুষের সূত্রে তিনি ও তার ছোট ভাই বরগুনা শহরের খাকদোন নদীর উত্তর পাড়ে বড় গৌরীচন্না মৌজার বিভিন্ন দাগের জমিতে ইটভাটার ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রায় ৩৫ বছর ধরে এই ব্যবসা পরিচালনার পর শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারা সম্প্রতি ব্যবসা বন্ধ করেন। এরপর বরগুনা আবাসিক এলাকায় থাকা জমিতে হাউজিং ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিলে একটি চিহ্নিত চক্র তাদের জমির দিকে নজর দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ওই এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও মাদকসেবীদের একটি দল তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা না দিলে জমি দখল এবং নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বিভিন্ন সময় তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সুভাষ চন্দ্র ঘোষের দাবি, গত ১১ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল তাদের উল্লিখিত জমিতে প্রবেশ করে। তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জমির মাটি কেটে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। বিষয়টি সকালে প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক তাকে জানান। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হন।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বরগুনা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু এরপরও তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় অভিযুক্তরা তাদের ওপর হামলা কিংবা বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সুভাষ চন্দ্র ঘোষ অভিযোগ করেন, জমি দখলের চেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের মধ্যে বিপ্লব বিশ্বাসসহ তার দলবল, কালাম ওরফে কালু, সোনাখালীর সেন্টু, ডলার, লিমন, আসাদ সবুজ, হারুন মাস্টার ও আব্বাস গং রয়েছেন। তারা বিভিন্ন সময় জমি দখল ও চাঁদা দাবির সঙ্গে জড়িত বলে তিনি দাবি করেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, তার পরিবারের জমি ও ব্যবসা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে তা আইনগতভাবে সমাধান করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী জোরপূর্বক জমিতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা কিংবা চাঁদা দাবি করতে পারে না। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, তার অভিযোগের বিষয়টি তথ্য-অনুসন্ধানের মাধ্যমে জনসমক্ষে তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি তার জমি রক্ষা, চাঁদাবাজি ও দখলচেষ্টা বন্ধ এবং পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।
সুভাষ চন্দ্র ঘোষ বলেন, আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আইন নিজের হাতে তুলে নিতে চাই না। প্রশাসনের কাছে আমাদের একটাই দাবি, আমাদের বৈধ সম্পত্তি রক্ষা এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।
এদিকে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল। তাদের মতে, জমির মালিকানা নিয়ে কোনো বিরোধ থাকলে আদালত ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। জোরপূর্বক জমি দখল, চাঁদা দাবি কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ